ঢাকা, বুধবার   ১৫ জুলাই ২০২০, || শ্রাবণ ১ ১৪২৭

Ekushey Television Ltd.

করোনার ওষুধ প্রয়োগ প্রথম শুরু করছে রাশিয়া

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১২:১৪ ২ জুন ২০২০ | আপডেট: ১২:১৫ ২ জুন ২০২০

করোনাভাইরাস নিরাময়ে দেশে-বিদেশে নানা গবেষণা চলছে। পরীক্ষাধীন ওষুধের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালও শুরু করেছে কিছু কিছু দেশ। তবে রাশিয়াই প্রথম আগামী সপ্তাহ থেকে রোগীদের পরীক্ষাকৃত ওষুধ দিতে শুরু করবে। সে জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদনও পেয়ে গেছে তারা। অ্যান্টিভাইরাল ওষুধটির নাম রাখা হয়েছে ‘আভিফাভিয়ার’। 

রাশিয়ায় ১১ জুন থেকে রোগীদের এই ওষুধ দেওয়া যেতে পারে বলে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে হাসপাতালে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাসে ৬০ হাজার
জনকে ওই ওষুধের জোগান দিতে পারবে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা। 

‘আভিফাভিয়ার’ ওষুধটির জেনেরিক নাম ‘ফাভিপিরাভিয়ার’। ১৯৯০-এর শেষের দিকে সেটি তৈরি করে জাপানের একটি সংস্থা। আরএনএ ভাইরাস প্রতিরোধে ভাল কাজ দেয় ওষুধটি। ‘রাশিয়ান ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড’-এর প্রধান কিরিল দিমিত্রিয়েভ জানিয়েছেন, ‘ফাভিপিরাভিয়ার’-এর ক্ষমতা আরও বাড়িয়ে নতুন ওষুধটি তৈরি
করা হয়েছে। এর গুণাগুণ কী বাড়ানো হয়েছে, আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে তা প্রকাশ করবে মস্কো। 

জাপানেও এই ওষুধটির প্রয়োগ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। সেখানে এর নাম ‘আভিগান’। জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে এক প্রকার অনুমোদনও দিয়ে ফেলেছেন। এবং এই খাতে ১২ কোটি ৮০ লাখ ডলার সরকারি তহবিল থেকেও দিয়েছেন। কিন্তু রোগীদের উপর প্রয়োগের ছাড়পত্র এখনও পাওয়া যায়নি।

এছাড়া এই মুহূর্তে কোভিড-১৯-এর কোনও নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। ‘গিলিড’-এর ওষুধ ‘রেমডেসিভিয়ার’ আশার আলো দেখাচ্ছে। কিন্তু সার্বিকভাবে ব্যবহারের ছাড়পত্র পায়নি। সামান্য কিছু দেশে অল্পসংখ্যক রোগীকে এই ওষুধটি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সবাই সমান ফলও পাননি। 

ইতিমধ্যেই অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘চ্যাডক্স১’ নামে একটি প্রতিষেধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে। গবেষণায় যুক্ত বিজ্ঞানীদের দাবি, তাঁদের প্রতিষেধক সাফল্য পাবে। কিন্তু সেই প্রতিষেধক আসতেও দেরি আছে। চীনও কয়েকটি ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করছে। তবে কোনও দেশ থেকেই অক্টোবরের আগে করোনার ভ্যাকসিন আসার সম্ভাবনা নেই। 

এদিকে বিশ্বে জুড়ে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে প্রায় ৬৩ লাখ মানুষ। এর মধ্যে থেকে ৩ লাখ ৭৪ হাজারেরও বেশি লোক মারা গেছেন। শুধু আমেরিকাতেই মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৬ হাজারেরও বেশি রোগীর। 

অসংখ্য করোনা-গবেষণার মধ্যে একটি এখন দাবি করছে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩ হাজার মিটার উচ্চতায় যারা থাকেন, তাদের মধ্যে সংক্রমণের হার কম দেখা যাচ্ছে। ‘রেসপিরেটোরি ফিজিয়োলজি অ্যান্ড নিউরোবায়োলজি’তে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণাপত্রটি।

এএইচ/


New Bangla Dubbing TV Series Mu
New Bangla Dubbing TV Series Mu

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি