গণশুনানিতে বিদ্যুতের দাম ১২ থেকে ২২ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব
প্রকাশিত : ১৫:৫৯, ২১ মে ২০২৬ | আপডেট: ১৬:১২, ২১ মে ২০২৬
বিদ্যুতের পাইকারি ও সঞ্চালন মূল্যবৃদ্ধির সাথে সমন্বয় করে খুচরা গ্রাহক পর্যায়ে ৫০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৬১ পয়সা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো। যা গড়ে প্রায় ৯৬ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করে কোম্পানিগুলো।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে আয়োজিত গণশুনানিতে এই প্রস্তাব করা হয়। প্রস্তাব কার্যকর হলে কোম্পানি ভেদে ১২ থেকে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল প্রায় ২২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।
এসময় বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, বিতরণ সংস্থাগুলোর সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ানোর যে প্রস্তাব করেছে তা কারিগরি কমিটি কর্তৃক যথাযথ মূল্যায়নের পরই দাম বাড়ানের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। তবে শুনানিতে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির তীব্র সমালোচনা করে নাগরিক সমাজ।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে খুচরা বা সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ৮.৫ শতাংশ দাম বৃদ্ধি করা হয়েছিল, যেখানে ইউনিটপ্রতি ২৮ পয়সা থেকে ১.৩৫ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ে।
চলতি গণশুনানির ২য় দিন আবারো সাধারণ গ্রহক পর্যায়ে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করে বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলো।
এর মধ্যে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্টিবিউশন কোম্পানি ১০ শতাংশ বা ইউনিট প্রতি ৮৫ পয়সা, ডেসকো ৯.৬৭ শতাংশ বা ইউনিট প্রতি ৮৬ পয়সা, ডিপিডিসি ৬.৯৬ বা ইউনিট প্রতি ১ টাকা ৬১ পয়সা, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ৫.৯৩ শতাংশ বা ৫০ পয়সা, পিডিবি খুচরা গ্রাহক পর্যায়ে ইউনিট প্রতি ২৯ পয়সা বা ৩.১৫ শতাংশ এবং এছাড়া নেসকো ৪.২১ শতাংশ বা ইউনিট প্রতি ১.৬৬ পয়সা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করে।
এই প্রেক্ষিতে বিইআরসির টেকনিক্যাল টিম তাদের মূল্যায়ন তুলে ধরে।
শুনানীতে অংশ নিয়ে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিসহ ভোক্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণ গ্রাহকের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের তীব্র সমালোচনা করেন। এ সময় তারা কোম্পানিগুলোর এই প্রস্তাব প্রত্যাখান করার আহ্বান জানান।
বিইআরসি চেয়ারম্যন বলেন, দাম বাড়ানোর প্রস্তাব আইনিভাবে পর্যালোচনা করা হবে।
এদিকে গ্রাহকরা দাম বাড়ানোর এই প্রস্তাবনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। প্রস্তাবিত দাম কার্যকর হলে, জীবনযাত্রার ব্যায় অনেকাংশে বেড়ে যাবে বলে আশঙ্কা করেন গ্রাহকরা।
এএইচ
আরও পড়ুন










