জাল সনদে চাকরি, শিক্ষক ইদ্রিস আলী কারাগারে
প্রকাশিত : ১৭:৪৬, ১০ জুলাই ২০২৬
যশোরের শার্শা উপজেলায় জাল সনদে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আত্মসমর্পণকারী সহকারী শিক্ষক ইদ্রিস আলীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এ মামলায় অপর দুইজন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন বিচারক।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আসামি ইদ্রিস আলী ঝিকরগাছা উপজেলার পাঁচপোতা গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে এবং যশোরের শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের চালিতাবাড়িয়া আরডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (বিপিএড)।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, কায়বা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকুর সহযোগিতায় তিনজন সহকারী শিক্ষক পদে চাকরিতে যোগদান করেন। কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে বিষয়টি জানতে পারেন এবং ২০১৫ সালে মামলা দায়ের করেন।
অভিযোগে বলা হয়, আসামি টিংকু ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন মামলার কার্যক্রমে বাধা দেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর বাদী পুনরায় মামলাটি সচল করেন।
তদন্ত শেষে যশোর সিআইডি পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) বখতিয়ার রহমান তিন শিক্ষকের সনদপত্র জাল এবং সাবেক চেয়ারম্যানের সহযোগিতার প্রমাণ পেয়ে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
ওই প্রতিবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দেন। তারা হলেন- চালিতাবাড়িয়া আরডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইদ্রিস আলী, সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, সহকারী শিক্ষিকা (কৃষি) সালেহা খাতুন ও কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকু।
বৃহস্পতিবার মামলার ধার্য তারিখে ইদ্রিস আলী আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার অপর তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
এএইচ
আরও পড়ুন










