Ekushey Television Ltd.

পানি সংকটে চরম দুর্ভোগে হাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত : ২২:৪০ ১৫ জুন ২০১৯

ঈদের দীর্ঘ ছুটির শেষে ক্যাম্পাসে ফিরতে শুরু করেছেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ঈদের ছুটি কাটিয়ে ক্যাম্পাসে এসেই পানি সংকটে চরম বিড়ম্বনায় পড়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হল ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, এই দুই আবাসিক হলে ২ হাজার থেকে ২.৫ হাজারের মতো শিক্ষার্থী অবস্থান করছেন। পানির পাম্প নষ্ট হওয়ায় কারণে বিগত কয়েকদিন থেকে পানি সংকটে চরম দুর্ভোগে পড়েছে শিক্ষার্থীরা । গোসল ,খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে সর্বত্র পানির প্রয়োজন সেখানে পানি সংকট সমাধানে কোন কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসন। এতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

ভুক্তভোগী ডরমেটরী-২ (জিয়া হল) এর আবাসিক শিক্ষার্থী মাসুদ রানা লিখেছেন, ‘গত বৃহস্পতিবার থেকে এখন পর্যন্ত হলে পানি সরবরাহ বন্ধ। খাবার পানি থেকে শুরু করে টয়লেটে পর্যন্ত পানি সরবরাহ নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ ব্যাপারে কোন নজরদারি দেখছি না। বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষকে সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি।’ উপাচার্যকে হলের পানির এ সমস্যার কথা জানালে পানির লাইন ঠিক না হওয়া পর্যন্ত বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান বলে এ প্রতিবেদককে জানান রাশেদ নামের অপর এক শিক্ষার্থী ।

অন্যদিকে ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রুমানা ইয়াসমিন বৈশাখী নামের একজন শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকের প্রফাইলে লিখেন, ‘আমাদের এখন সিসিটিভি ক্যামেরার চেয়ে পানি বেশী প্রয়োজন। মাত্র একটি টিউবওয়েল থেকে মেয়েরা লাইন ধরে দাঁড়িয়ে পানি নিচ্ছে।আমরা এই সমস্যার দ্রুত সমাধান চাই।’

এ বিষয়ে জিয়া হলের হল সুপার গোলাম রব্বানীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘গত দু`দিন থেকে আমাদের ইঞ্জিনিয়ার এবং টেকনিশিয়ানরা চেষ্টা করেছে। তারা সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ হলে ঢাকা থেকে টেকনিশিয়ান এনে পাম্পটি মেরামত করার চেষ্টা চলছে। আশা করি খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।’ শনিবার সন্ধ্যায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পানি সংকট সমাধানের জন্য সাময়িকভাবে কয়েকটি মটর স্থাপন করা হয়েছে।

এমএস/আরকে

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি