ঢাকা, রবিবার   ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, || ভাদ্র ৩১ ১৪২৬

Ekushey Television Ltd.

২০২৩ সালের মধ্যে সব স্কুলে দুপুরের খাবার

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৮:০৬ ১৯ আগস্ট ২০১৯ | আপডেট: ১৯:০৯ ১৯ আগস্ট ২০১৯

আগামী ২০১৩ সালের মধ্যে সারাদেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে দুপুরের খাবার দেওয়া হবে।  আজ প্রোটিনযুক্ত খাবার‘জাতীয় স্কুল মিল নীতি, ২০১৯’ এর খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০২৩ সালের মধ্যে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য দুপুরের খাবার সরবরাহের এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। তবে শুরুতে চর, হাওর ও দুর্গম এলাকার স্কুলগুলোতে এই সুবিধা দেওয়া হবে।

মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক নিয়ে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। তিনি জানান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় স্কুল মিল প্রকল্প পরিচালিত হবে। তবে এখন একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে ১০৪টি উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে স্কুল মিল কার্যক্রম চলছে।

পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এটি চালু হবে। ২০২৩ সালের মধ্যে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর আওতায় চলে আসবে। এই কর্মসূচির আওতায় তিন থেকে ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের দৈনিক শক্তি চাহিদার ৩০ শতাংশ (ক্যালরি) পূরণ করবে এমন খাবার দিতে হবে এই মিল থেকে। 

সচিব জানান, স্কুল মিল চালুর জন্য ‘জাতীয় স্কুল মিল কর্মসূচি কর্তৃপক্ষ’ চালু হবে। এর উপদেষ্টা কমিটি থাকবে। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্কুল মিল বাস্তবায়নের জন্য পরিচালনা কমিটি থাকবে। শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইউএনও এবং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান যুক্ত থাকবেন।

তিনি জানান, পাইলট প্রকল্পের আওতায় ১০১টি উপজেলায় উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ বিস্কুট দেওয়া হচ্ছে। আর তিনটি উপজেলায় প্রাথমিক স্কুলে দেওয়া হচ্ছে রান্না করা খাবার। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব স্কুলে রান্না করা খাবার দেওয়া হয় সেখানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার বেড়েছে ১১ শতাংশ। বিস্কুট দেওয়া হয় যেসব স্কুলে সেখানে ছয় শতাংশ উপস্থিতি বেড়েছে।

সচিব জানান, সারাদেশের সব সরকারি প্রাথমিক স্কুলে ছয় দিন বিস্কুট দিলে খরচ হবে দুই হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা। আর পাঁচ দিন রান্না করা খাবার ও একদিন বিস্কুট দিলে খরচ হবে পাঁচ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। অন্যদিকে বিস্কুট, ডিম, কলা দিলে খরচ হবে সাত হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা।

বর্তমানে সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক স্কুলের সংখ্যা ৬৬ হাজার। শিক্ষার্থী এক কোটি ৪০ লাখ। এখন ১০৪টি উপজেলায় খরচ হচ্ছে ৪৭৪ কোটি টাকা। এখন ১৫ হাজার ৩৪৯টি স্কুল এই সুবিধা পাচ্ছে।

স্কুল মিলের জন্য শিক্ষার্থী প্রতি সর্বোচ্চ খরচ হবে ২৫ টাকা। শুধু বিস্কুটে খরচ ৯ টাকা, রান্না করা খাবার ১৬ থেকে ১৮ টাকা, ডিম-কলা-বিস্কুট দিলে খরচ হবে ২৫ টাকা।

 টিআর/ 

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি