ভোলায় প্রচারের সময় বিএনপি ও জামায়াত সংঘর্ষে আহত ৯
প্রকাশিত : ২০:৫৫, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে জামায়াতের পাঁচজন ও বিএনপির চারজন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভোলা-২ সংসদীয় আসনের দৌলতখান উপজেলার মেদুয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সিরহাট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জামায়াতের আহতদের মধ্যে রয়েছেন- মো. রাসেল, মো. নাঈম, মো. বিল্লাল, মো. মিজান ও মো. সিফাত। অন্যদিকে বিএনপির আহতদের মধ্যে রয়েছে- রাসেল (২৬), মিজান (৩৫) রাকিব (২৭) রিয়াজ (২৭)।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত জামায়াতের পাঁচজনকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বিএনপির তিনজনকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মেদুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালানোর সময় জামায়াত-বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে তর্কাতর্কি ও হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
দৌলতখান উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা আশ্রাফ উদ্দিন ফারুক অভিযোগ করে বলেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা-রড নিয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় আমাদের মোট ১৩ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। গুরুতর আহত পাঁচজনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা আইনি ব্যবস্থা নেবো।
দৌলতখান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সাজু অভিযোগ করে বলেন, জামায়াত নেতাকর্মীরা প্রচারণার নামে পরিকল্পিতভাবে আমাদের কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় আমাদের গুরুতর আহত তিনকর্মী স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আমরা আইনি ব্যবস্থা নেবো।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.সাইফুল ইসলাম শিকদার বলেন, বিএনপি-জামায়াতের মারামারির খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। পরিস্থিতি বর্তমানে আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় এখনও কোনো পক্ষের লিখিত অভিযোগ পাইনি।
এমআর//
আরও পড়ুন










