সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলেই ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী
প্রকাশিত : ১৯:২৭, ২৯ আগস্ট ২০২৬
কৃষি ও মৎস্য মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশে সারের কোন সংকট নেই। পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও কেউ কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলে তা সহ্য করা হবে না।
তিনি বলেছেন, কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সময়মতো সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকোলে ফরিদপুর উপজেলা হল রুমে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলার পেঁয়াজ ও পাট চাষীদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান এ কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের মোট চাহিদার তুলনায় প্রায় ১৫ লাখ টন বেশি সার আমদানি করা হয় এবং সমপরিমাণ সারের নিরাপত্তা মজুদ আছে। ফলে দেশে সার সংকট হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে কিছু দুষ্কৃতকারী ও ষড়যন্ত্রকারী পরিকল্পিতভাবে সারের দাম বাড়িয়ে রাখার চেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, কিছু খুচরা সার বিক্রেতা বাজারে সার নেই বলে প্রচার করছেন। অথচ অতিরিক্ত টাকা দিলে তারাই আবার সার সরবরাহ করছেন। এ ধরনের অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, আগামীতে কোনো কৃষিপণ্য আমদানি করতে না হয়, বরং রপ্তানি করা যায়-সেটাই কৃষিতে সরকারের লক্ষ্য। আমরা নিজেরাই উৎপাদন করার চেষ্টা করছি। কাঁচামরিচ, আদা, রসুনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষিপণ্য উৎপাদনেও স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, ফরিদপুর অঞ্চলের মাটির বৈশিষ্ট্য অত্যন্ত ভালো। এ কারণে অন্যান্য অনেক এলাকার তুলনায় এখানে চাষাবাদে তুলনামূলক কম পরিমাণে সার ব্যবহার করেই ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব। আর এ কারণে এই এলাকায় পেঁয়াজ ও পাটের চাষ খুব ভালো হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ এমপি, শহিদুল ইসলাম বাবুল এমপি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আফজাল হোসেন খান পলাশ সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এএইচ
আরও পড়ুন










