ঢাকা, রবিবার   ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রেমের টানে রূপগঞ্জে চীনা যুবক, বিয়েতে আপত্তি নেই পরিবারের

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ১১:৩০, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় মাত্র এক মাসের। এর মধ্যেই গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। সেই ভালোবাসার টানেই সুদূর চীন থেকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ছুটে এসেছেন ২৯ বছর বয়সী চীনা যুবক হুয়াং ঝিলিন।

হুয়াং ঝিলিন চীনের জিয়াংশি প্রদেশের বাসিন্দা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উইচ্যাটে তার পরিচয় হয় রূপগঞ্জের কাঞ্চন পৌরসভার খাপাড়া এলাকার বাসিন্দা শরিফ মিয়ার মেয়ে সুমাইয়া বেগমের সঙ্গে। বর্তমানে সুমাইয়ার পরিবার একই এলাকার সেলিম মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

পরিচয়ের পর উইচ্যাটে নিয়মিত কথাবার্তা চলতে থাকে ঝিলিন ও সুমাইয়ার মধ্যে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। সম্পর্ককে পরিণতি দেওয়ার আশায় চীন থেকে বাংলাদেশে আসেন ঝিলিন। বর্তমানে তিনি সুমাইয়ার পরিবারের সঙ্গে খাপাড়া এলাকায় অবস্থান করছেন।

তবে দুজনের ভাষা ভিন্ন হওয়ায় শুরু থেকেই যোগাযোগে ছিল নানা জটিলতা। হুয়াং ঝিলিন বাংলা কিংবা ইংরেজি কোনো ভাষাই জানেন না। অন্যদিকে সুমাইয়াও জানেন না চীনা ভাষা। ফলে ট্রান্সলেটর অ্যাপের সাহায্যে একজনের কথা অন্যজনের ভাষায় অনুবাদ করে যোগাযোগ করছেন তারা।

ভাষার এই বাধাও তাদের সম্পর্কের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। প্রযুক্তির সহায়তায় নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে গড়ে ওঠা সম্পর্কের টানেই শেষ পর্যন্ত চীন থেকে বাংলাদেশে চলে আসেন ঝিলিন।

সুমাইয়ার বাবা শরিফ মিয়া বলেন, ভাষা বুঝতে সমস্যা হলেও তারা অনুবাদ অ্যাপের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে কথা বলে। দুজন যদি পরস্পরকে বিয়ে করতে রাজি থাকে, তাহলে আমার কোনো আপত্তি নেই।

চীনা যুবক হুয়াং ঝিলিনের রূপগঞ্জে আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল। মাত্র এক মাসের পরিচয় থেকে গড়ে ওঠা এই ভালোবাসার সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত বিয়েতে গড়ায় কি না, এখন সেদিকেই তাকিয়ে দুই পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা।

এএইচ


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি