প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
প্রকাশিত : ১৭:৫৯, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২১:৫৩, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘধর্ষণ এবং ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে পলাতক আল আমিন (৩০) নামে এক যুবককে গাজীপুর থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব ১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী।
এর আগে শুক্রবার রাত ৯টা ৫ মিনিটে গাজীপুর মহানগরের সদর থানাধীন ভাওরাইদ মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আল আমিন রাণীশংকৈল উপজেলার হাটগাঁও গ্রামের হানিফের ছেলে।
র্যাব জানায়, মামলার এজাহার অনুযায়ী সম্প্রতি ভুক্তভোগী ওই নারী তার বাবার বাড়িতে গোসল করার সময় জনি নামের এক আসামি বাথরুমের ভেন্টিলেটর ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে ওই নারী বাথরুম থেকে বের হলে বাইরে থাকা আল আমিন তাকে গলা ধরে আবার বাথরুমে নিয়ে যায়। এ সময় জনি ওই নারীর ভিডিও ধারণ করে তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করা হয়। পরে আল আমিনও তাকে ধর্ষণ করে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার ভিডিও ধারণের পর আসামিরা সেটি অন্যত্র স্থানান্তর করে এবং ওই নারীকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে। তারা তাকে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্যও চাপ দেয়।
গত ২ আগস্ট মামলার অপর আসামি মাহবুব আলম তার মোবাইলে থাকা ভিডিও ওই নারীকে দেখিয়ে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় গত ২০ আগস্ট ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে রাণীশংকৈল থানায় সংঘধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেন। মামলার পর থেকেই আসামিরা গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যায়।
র্যাব জানায়, মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। পরে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব ১৩ এর সদর কোম্পানি ও র্যাব ১ এর সিপিএসসি গাজীপুরের যৌথ অভিযানে আল আমিনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আল আমিনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং মামালার আরও ৪ জন আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে বলেও জানায় র্যাব।
এএইচ
আরও পড়ুন










