ঢাকা, শনিবার   ১৭ এপ্রিল ২০২১, || বৈশাখ ৪ ১৪২৮

এ বছরেই শেষ হবে মোংলা বন্দরের নতুন কন্টেইনার ইয়ার্ড

আবুল হাসান, মোংলা

প্রকাশিত : ১৯:০৩, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১

ধারাবাহিক উন্নয়নের ফলে মোংলা বন্দর ব্যবহারে আগ্রহ বাড়ছে ব্যবসায়ীদের। তাই বন্দরকে ঘিরে নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। যার মধ্যে কয়েকটি প্রকল্পের কাজ শেষ পর্যায়ে এবং কয়েকটি চলমান রয়েছে। 

এরমধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চলমান প্রকল্প হচ্ছে বন্দরের কন্টেইনার ইয়ার্ড। পণ্য আমদানি ও রপ্তানির ক্ষেত্রে বন্দর জেটির কন্টেইনার ইয়ার্ডের জায়গা সংকলুন দেখা দিলে এই উদ্যেগ নেওয়া হয়। নতুন এই কন্টেইনার ইয়ার্ডে একসাথে এক হাজার ৫০টি কন্টেইনার রাখার ধারণ ক্ষমতা ধরে এটি নির্মাণ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে প্রকল্পটির ৯০ শতাংশ কাজ শেষও হয়েছে। চলতি বছরের যেকোন সময়ে নতুন এই কন্টেইনার ইয়ার্ড আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হবে জানা গেছে। 

বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের বোর্ড ও জনসংযোগ বিভাগের উপ সচিব মুন্সি মাকরুজ্জামান।

বন্দরের সিভিল ও হাইড্রোলিক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মেহফুজুর রহমান এদিন বলেন, বন্দরের চাহিদা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গত ২০১৯ সালের ১ অক্টোবর এই প্রকল্পের কাজ শুরু করে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা। চলতি বছরই প্রকল্পের কাজটি শেষ করা হবে বলেও জানান তিনি। 

সম্প্রতি শেষ পর্যায়ে নতুন এই প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করেন বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা। তিনি জানান, মোংলা বন্দরে পণ্য আমদানি ও রপ্তানির চাপ সামলাতে নতুন কন্টেইনার ইয়ার্ড-৮ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। যা প্রায় শেষের পর্যায়ে। চলতি বছরই এটি চালু করা হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। 

চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা আরও বলেন, শুধু কন্টেইনার ইয়ার্ড নয়, মোংলা বন্দরকে গতিশীল করতে নানামুখী উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড হাতে নেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, ভিটিএম আই এস প্রকল্পসহ মূল ৫ টিসহ মোট ১৩ জেটির পাশাপাশি আরও ৯ টি জেটি নির্মাণেরও কাজ চলছে। 

বন্দরের পদস্থ এই কর্মকর্তা বলেন, “আমাদের ১৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ পশুর চ্যানেল আছে। এই চ্যানেলের নাব্যতা বৃদ্ধি করা, মোংলা-খুলনা রেল কানেকশনটা হবে, পদ্মাসেতু যখন নির্মাণ শেষ হবে তখন মোংলা বন্দরের ব্যবহার চারগুণ বেড়ে যাবে”।

মোংলা বন্দরের ব্যবসায়ী মের্সাস নুরু এন্ড সন্সের স্বত্তাধিকারী এইচ এম দুলাল বলেন, নানারকম সমস্যার কারনে এক সময় এ বন্দর থেকে আমরা মুখ ফিরিয়ে নেই, কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে ব্যবসায়ীদের সুযোগ-সুবিধাসহ বন্দরের অবকাঠামোগত দ্রুত উন্নয়ন করায় এ বন্দর ব্যবহারে আগ্রহ হয়ে ব্যবসা করছি।
কেআই//
 


Ekushey Television Ltd.

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি