ঢাকা, শনিবার   ১৭ জানুয়ারি ২০২৬

ইয়েমেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন শায়া মোহসেন জিনদানি

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৪:৫০, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

ইয়েমেনের রাজনীতিতে বড় ধরনের পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শায়া মোহসেন জিনদানি।তিনি বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী সালেম বিন ব্রেইকের স্থলাভিষিক্ত হলেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে তিনি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সৌদি আরব সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের কাছে সালেম বিন ব্রেইক পদত্যাগপত্র জমা দিলে তা গ্রহণ করা হয়। কয়েক ঘণ্টা পরই নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শায়া মোহসেন জিনদানির নাম ঘোষণা করে কাউন্সিল।

২০১৪ সালে ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা রাজধানী সানা দখল করলে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মনসুর আল হাদী সৌদি আরবে আশ্রয় নেন। হুথিদের প্রতিহত করা এবং মনসুর আল হাদীর সরকারকে পুনরায় ক্ষমতায় ফেরাতে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেনের সেনাবাহিনীকে নিয়ে একটি সামরিক জোট গঠন করা হয়।

২০১৫ সাল থেকে এই জোট হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে আসছে। প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা এই সংঘাতে বর্তমানে ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চল হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, আর দক্ষিণাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল।

এর মধ্যেই দক্ষিণ ইয়েমেনে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী সাউদার্ন ট্রানজেশন কাউন্সিলের (এসটিসি) উত্থানে প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল চাপে পড়ে। এসটিসিকে সহযোগিতা করাকে কেন্দ্র করে সৌদি আরব ও আমিরাতের সম্পর্কেও টানাপড়েন সৃষ্টি হয়। এর জেরে দক্ষিণ ইয়েমেন থেকে আমিরাতের সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানায় রিয়াদ, যা আবুধাবি মেনে নেয়।

সম্প্রতি দক্ষিণ ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সামরিক অভিযান শুরু হলে প্রাণ বাঁচাতে আমিরাতে আশ্রয় নেন এসটিসির প্রেসিডেন্ট এইদারুস আল জুবাইদি। এরপর থেকে দক্ষিণ ইয়েমেনে বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা কার্যত স্তিমিত হয়ে পড়ে। দক্ষিণাঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পরই ইয়েমেনের প্রধানমন্ত্রীর পদে এই পরিবর্তন এলো।

সূত্র : রয়টার্স।

এমআর//


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি