ঢাকা, মঙ্গলবার   ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নারীর প্রতি বৈষম্যে কোনো অগ্রগতি নেই: জাতিসংঘের প্রতিবেদন

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৮:৩৩, ১৩ জুন ২০২৩ | আপডেট: ০৮:৩৪, ১৩ জুন ২০২৩

Ekushey Television Ltd.

গত এক দশকে নারীর বিরুদ্ধে ডেটা ট্র্যাকিং বৈষম্যের ক্ষেত্রে কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি, মিটু-র মতো অধিকার প্রচারাভিযান সত্ত্বেও কুসংস্কারগুলো সমাজে “গভীরভাবে প্রোথিত” হয়ে আছে। সোমবার জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।

যে সাতটি বৈষম্য প্রবণতা জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি বিশ্লেষণ করেছে, তার মধ্যে, সমাজে পুরুষ এবং নারীর প্রায় ৯০ শতাংশের মধ্যেই অন্তত একটি বৈষম্য প্রবণতা দেখা যায়।

জাতিসংঘ তার জেন্ডার সোশ্যাল নর্মস ইনডেক্স আপডেট করেছে। এই ইনডেক্সে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষা এবং ফিজিক্যাল ইন্টিগ্রিটি ম্যাট্রিক্স বিবেচনা করা হয়। তারা বিশ্বমান সমীক্ষার ডেটা ব্যবহার করে। এটি বিশ্বব্যাপী মূল্যবোধ এবং বিশ্বাস কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে তা অধ্যয়ন করার একটি আন্তর্জাতিক প্রকল্প।

ইউএনডিপি বলেছে, সূচকে দেখা গেছে, মিটু-র মতো “নারীদের অধিকারের জন্য শক্তিশালী বৈশ্বিক এবং স্থানীয় প্রচারণা সত্ত্বেও” “এক দশকে নারীর প্রতি বৈষম্যের ক্ষেত্রে কোনো উন্নতি হয়নি”।

উদাহরণস্বরূপ বিশ্বের জনসংখ্যার ৬৯ শতাংশ এখনো বিশ্বাস করে, পুরুষরা নারীদের চেয়ে ভালো রাজনৈতিক নেতা হতে পারে। মাত্র ২৭ শতাংশ মনে করে, গণতন্ত্রের জন্য এটি অপরিহার্য যে, নারীদের পুরুষদের সমান অধিকার রয়েছে।

প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যা (৪৬ শতাংশ) বিশ্বাস মনে করে, কর্মক্ষেত্রে পুরুষদের বেশি অধিকার রয়েছে এবং ৪৩ শতাংশ মনে করে, পুরুষরা তুলনামূলক ভালো ব্যবসায়িক নেতা তৈরি করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুসংস্কার নারীর জন্য “প্রতিবন্ধকতা” তৈরি করে এবং “বিশ্বের অনেক অংশে নারীর অধিকার খর্ব করার মাধ্যমে তা প্রকাশ পায়।”

সূত্র: ভয়েস অব আমেরিকা

এসবি/ 


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি