ঢাকা, মঙ্গলবার   ১০ মার্চ ২০২৬

হাদি হত্যার কথা স্বীকার করেছে ফয়সাল-আলমগীর

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ২০:২২, ৮ মার্চ ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহিদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত প্রধান দুই আসামিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার করেছে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।

রোববার (৮ মার্চ) ভোরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কাছে হাদি হত্যার কথা স্বীকার করে পলাতক এই দুই আসামি। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএনআই এ কথা জানায়।

এদিকে এএনআই তাদের সোশ্যাল মিডিয়া ‘এক্স’-এ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের একটি প্রেস রিলিজ শেয়ার করে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ জানায়, তাদের কাছে গোপন বিশ্বাসযোগ্য তথ্য ছিল— দুই বাংলাদেশি নাগরিক চাঁদাবাজি এবং হত্যার মতো গুরুতর অপরাধ করে তাদের দেশ ছেড়ে পালিয়েছে এবং ভারতে প্রবেশ করেছে। অপরাধীরা বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে এবং বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টার সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ আরও জানায়, ফয়সাল করিম এবং আলমগীর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করে। তারপর সেখান থেকে ভারতের বিভিন্ন স্থানে যায়, সবশেষ পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁওয়ে আসে। এখান থেকে তারা বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেছে পশ্চিমবঙ্গ থানা পুলিশ। দুই অপরাধীকে পুলিশ কাস্টডিতে পাঠানো হয়েছে। আরও তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় প্রচারে যাওয়া ওসমান হাদিকে মোটরসাইকেল থেকে গুলি করে প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও সহযোগী আলমগীর হোসেন। রিকশায় থাকা হাদি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর তাকে নেওয়া হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। অবস্থা গুরুতর দেখে সেখান থেকে হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে মারা যান শরিফ ওসমান হাদি।

এমআর// 


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি