যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ গ্রিনল্যান্ড: ট্রাম্প
প্রকাশিত : ১০:৫৮, ১০ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১১:১৭, ১০ জানুয়ারি ২০২৬
২০১৯ সালে যা ছিল কেবল একটি টুইট বা আলোচনার খোরাক, ২০২৬ সালে এসে তা এখন হোয়াইট হাউসের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষায়, গ্রিনল্যান্ড কেবল একটি দ্বীপ নয়, এটি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
শুক্রবার (৯) জানুয়ারি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, রাশিয়া এবং চীনের হাত থেকে আর্কটিক অঞ্চলকে বাঁচাতে হলে গ্রিনল্যান্ডের পূর্ণ মালিকানা ওয়াশিংটনের হাতে থাকতে হবে।
তার দাবি, গ্রিনল্যান্ডের চারপাশে এখন রুশ ও চীনা যুদ্ধজাহাজের আনাগোনা বাড়ছে, যা মার্কিন ভূখণ্ডে বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ট্রাম্পের এই অনমনীয় অবস্থানের পেছনে কাজ করছে কৌশলগত এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ। গ্রিনল্যান্ডের মাটির নিচে রয়েছে বিপুল পরিমাণ বিরল খনিজ সম্পদ যা আধুনিক প্রযুক্তি ও অস্ত্র শিল্পের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান।
তবে ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষ এই প্রস্তাবকে শুরু থেকেই প্রত্যাখ্যান করে আসছে। ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সতর্ক করে বলেছেন, গ্রিনল্যান্ড দখলের যেকোনো প্রচেষ্টা ন্যাটোর অস্তিত্ব বিপন্ন করতে পারে।
মার্কিন প্রশাসনের এই চেষ্টাকে ভালো চোখে নেয়নি ন্যাটোর মিত্ররা। ফ্রান্স, জার্মানি এবং ব্রিটেন ইতিমধ্যেই ডেনমার্কের সার্বভৌমত্বের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।
বিশ্বের সবচেয়ে কম জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলোর একটি হলেও, উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিকের সংযোগস্থলে অবস্থানের কারণে গ্রিনল্যান্ড কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা ও আর্কটিক অঞ্চলে নৌ চলাচল নজরদারিতে এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
এএইচ
আরও পড়ুন










