চৌদ্দগ্রামে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১০
প্রকাশিত : ২১:০৪, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নির্বাচনী জনসভা শেষে ফেরার পথে জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে উপজেলার জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের হাটবাইর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন উপজেলা দক্ষিণ শিবির সভাপতি রিফাত সানি, জামায়াত নেতা রবিউল হোসেন রকি, জাকারিয়া রাসেল, কাজী রাসেল ও উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি সোলেমান চৌধুরী। তাৎক্ষণিক আহত অন্যদের নাম জানা যায়নি। আহতদের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জামায়াতের আমিরের জনসভা শেষে দলটির নেতা-কর্মীরা পিকআপে করে এলাকায় ফিরছিলেন। হাটবাইর এলাকায় দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রথমে কথা–কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় উভয় পক্ষের আহত ব্যক্তিদের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা আমিরে জামায়াতের সমাবেশ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বিএনপির অস্ত্রধারী চিহ্নিত সন্ত্রাসী মিজান খান, গাজী ইয়াছিন ও মোবারক চৌধুরীর নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মিজান খান ও মোবারক চৌধুরীকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাদের নাম্বারটি বন্ধ থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি সোলেমান চৌধুরী জানান, শনিবার দুপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিজানের বাড়িতে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা সমাবেশ শেষে ফেরার পথে হামলা চালায়। এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে বিএনপির নেতারা এগিয়ে এলে জামায়াত-শিবির ফের তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় আমি ও আমার গাড়ি চালক আহত হই।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু মাহমুদ কাওসার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেন। বর্তমানে পরিস্থতি শান্ত রয়েছে।
এমআর//
আরও পড়ুন










