ঢাকা, শনিবার, ২৩ জুন, ২০১৮ ২৩:২০:৫৩

পুলিশের বাধায় পণ্ড বেসরকারি শিক্ষকদের কর্মসূচি

পুলিশের বাধায় পণ্ড বেসরকারি শিক্ষকদের কর্মসূচি

প্রস্তাবিত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন এমপিও প্রস্তাবনা না থাকায় পুনরায় আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা। কর্মসূচি অনুযায়ী আজ (রোববার) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনে তারা সমবেত হয়েছেন। তবে পুলিশি বাধায় তারা কর্মসূচি শুরু করতে পারেননি। ‘নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশন’-এর সভাপতি গোলাম মাহমুদুন্নবী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিলেও বাস্তবে তা প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিফলিত হয়নি। অথচ প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসেই আমরা আন্দোলন স্থগিত করে ঘরে ফিরেছিলাম। এখন আমরা আবারও বাধ্য হয়ে আন্দোলনে নেমেছি। কিন্তু পুলিশ আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, আমরা ঘরে ফিরে যাব না। যেকোনো মূল্যে আমরা কর্মসূচি পালন করব। প্রেস ক্লাবের আশপাশে অবস্থান করছেন নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজারও শিক্ষক-কর্মচারী। কর্মসূচিতে অংশ নিতে আসা শিক্ষক হামিদুর রহমান বলেন, আমরা এতোদিন আশায় ছিলাম এবারের বাজেটে আমাদের মতো নন এমপিও প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বাজেটে বিশেষ ঘোষণা থাকবে। কিন্তু আমরা বাজেটে আমাদের সে আশার কোন প্রতিফলন দেখতে পায়নি। তাই নিরুপায় হয়ে আবারও আন্দোলনে নামতে হচ্ছে। কর্মসূচিতে বাধার বিষয়ে শাহবাগ থানার এসআই মাজহারুল ইসলাম জানান, ঈদের আগে কোনো গ্যাদারিং করতে দেয়া হচ্ছে না। তাছাড়া তাদের কোনো পূর্বানুমতিও নেই। যে কারণে তাদের বসতে দেয়া হচ্ছে না। আরকে/ এআর
একাদশে ভর্তির তালিকা প্রকাশ

দেশের সব সরকারি-বেসরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে মনোনীতদের প্রথম তালিকা প্রকাশ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি। গতকাল শনিবার রাতে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে বলে ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মো. হারুন-আর-রশিদ জানিয়েছেন।রোববার গণমাধ্যমকে তিনি জানান, প্রথম তালিকায় ১২ লাখ ৩৮ হাজার ২৫২ জনকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছে।আবেদনকারীদের মধ্যে ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রথম তালিকায় স্থান পেয়েছেন, অন্যরা দ্বিতীয় এবং তৃতীয় তালিকায় আসবেন। সবাই ভর্তির জন্য কলেজ পাবেন।ফল প্রকাশ করে কলেজে ভর্তির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ১১ থেকে ১৮ জুনের মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিং চার্জ বাদে ১৮৫ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি রকেট, টেলিটক অথবা শিওরক্যাশ- এর মাধ্যমে জমা দিয়ে ভর্তির প্রাথমিক নিশ্চায়ন করতে হবে।আর ২৭ থেকে ৩০ জুন নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে হবে।বিগত কয়েক বছরের মত এবারও মাধ্যমিকের ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে।মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ১৫ লাখ ৭৬ হাজার ১০৪ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। আর কলেজে ভর্তি হতে আবেদন করেছেন ১৩ লাখ ১৯ হাজার ৬৭৫ জন। এরমধ্যে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ হাজার ৫৯৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হয়েও এবার ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪২৯ শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে আবেদন করেননি; যাদের বেশিরভাগই ঝরে পড়বে বলে বোর্ড কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন।গত ১৩ থেকে ২৪ মে রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে কলেজে ভর্তি হতে আবেদন করেন শিক্ষার্থীরা।কলেজ পরিদর্শক হারুন জানান, কিছু কিছু শিক্ষার্থী তাদের সমস্যার কথা আমাদের জানিয়েছে তারা ১৯ ও ২০ জুন ফের আবেদন করতে পারবে।আগামী ২১ জুন দ্বিতীয় এবং ২৫ জুন তৃতীয় তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।/ এআর /

প্রিলি থেকেই কোটার শতভাগ বাস্তবায়ন চায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা

এবার বিসিএসসহ সরকারি সব ধরণের চাকরির নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বরাদ্দ অংশের শতভাগ বাস্তবায়নসহ ৯ দফা দাবি জানিয়েছে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’। সংগঠনের পক্ষ থেকে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চলমান সব ধরণের নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত রাখাসহ সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কোটার শূন্য পদ সংরক্ষণ করে বিশেষ নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করার দাবি জানানো হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু মিলনায়তনে আয়োজিত শুক্রবার রাতে এক আলোচনা সভায় সংগঠনের নেতারা এই দাবি জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রাখার আহবান জানিয়ে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ আয়োজিত ‘বৈষম্য দূরীকরণে কোটা ব্যবস্থা’শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে নেতৃারা মুক্তিযোদ্ধা কোটা সঠিক বাস্তবায়নে একটি কমিশন গঠনসহ ৯ দফা দাবি তুলে ধরেন।  সংগঠনের সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও দপ্তর সম্পাদক আহমাদ রাসেলের পরিচালনায় ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান শাহীনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারা বেগম।  নেতারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক প্রশাসন গড়ার স্বার্থে যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রাখতে হবে, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও দেশের অতীত গৌরব ধারণে এর অন্য কোনো বিকল্প নেই। বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা হত্যার পর থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র হয়েছে। পরবর্তীতে ২০০১ সালের পর মুক্তিযোদ্ধা কোটা আবারো ষড়যন্ত্রের বেড়াজালে আবদ্ধ হয়। এভাবে মুক্তিযুদ্ধের পর ২৯ বছর কোটায় কোন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের চাকুরি হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের সময় এবং পরবর্তী ২৯ বছর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে নিস্পেষিত হয়েছে। এ ছাড়া এই ৩০ শতাংশ কোটা তাদের আত্মমর্যাদা ও সম্মানের সাথে জড়িত। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানের দিকে তাকিয়ে হলেও এই কোটা বহাল রাখা জরুরি। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা একটি অসাম্প্রদায়িক জঙ্গিমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় প্রশাসন স্বাধীনতা বিরোধীমুক্ত করতেও সরকারের প্রতি আহবান জানান। নেতৃবৃন্দ বলেন, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য সরকারি কোটা থাকলেও এই কোটায় যোগ্যতার দোহাই দিয়ে ইচ্ছাপূর্বক তাদের মৌখিক পরীক্ষা থেকে বাদ দিয়ে দেয়। একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান প্রিলিমিনারী, লিখিত, মনস্তাত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর তার আর কি যোগ্যতার প্রমান দিতে হবে? মৌখিক পরীক্ষা কখনোই যোগ্যতা যাচাইয়ের একমাত্র মানদন্ড হতে পারে না। বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পাওয়া যায় না। অথচ এখনো হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বেকারত্ব নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তারা বলেন, কোটা বাতিলের সময় এখনও আসে নাই, এখনও মুক্তিযোদ্ধাদের হাজার হাজার সন্তান চাকরি পাননি, অনেক বেকার রয়েছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানাব, কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত পুর্নবিবেচনা করবেন। সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য অধ্যাপক আনোয়ারা বেগম বলেন, পশ্চাতপদ জনগোষ্ঠীকে সমাজের মূল স্রোতে সম্পৃক্ত করতে জাতির পিতা কোটা ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। কোটা কখনো বৈষম্য সৃষ্টি করে না, বরং বৈষম্য দূরীকরণে কোটা ব্যবস্থা বহাল রাখতে হবে। আর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের নিয়োগ দিলে দেশ মেধাহীন হবে না। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদেও চাকুরি দিলে মেধাবী প্রশাসন গড়ে তোলার পাশাপাশি একটি দেশ প্রেমিক প্রশাসনও গড়া সম্ভব।  মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বহাল না করা হলে ৭১-এর পরাজিত শক্তি ডুগডুগি বাজাবে। কারণ তারা দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান-অপদস্থ করতে চেয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর এ ঘোষণার ফলে তারা আজ উল্লাসে মেতে উঠেছে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান শাহীন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ৯ দফা দাবি তুলে ধরেন, দাবিগুলো হলো- ১) জাতির পিতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তিকারীদের শাস্তি দিতে হবে। ২) বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতিসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা সুরক্ষা আইন করতে হবে। ৩) ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রেখে তা বাস্তবায়নে কমিশন গঠন তরে প্রিলিমিনারী থেকে কোটা শতভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে। ৪) মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চলমান সকল নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত রাখাসহ সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কোটার শূন্য পদ সংরক্ষণ করে বিশেষ নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করতে হবে। ৫) ১৯৭২ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় শূন্য পদগুলোতে চলতি বছরেই নিয়োগ দিতে হবে। ৬) বীর মুক্তিযোদ্ধারা ছিলেন প্রবাসী সরকারের প্রথম সেনাবাহিনী এ কারণে তাদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে পেনশন, বোনাস, রেশনসহ ওই মন্ত্রণালয়ের সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। ৭) রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে স্বাধীনতাবিরোধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করাসহ স্বাধীনতাবিরোধীদের উত্তরসূরীদের সকল চাকুরিতে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে এবং স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করতে হবে। ৮) ঢাবি ভিসির বাসভবনে হামলাসহ দেশব্যাপী নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী স্বঘোষিত রাজাকারদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে এবং সকলের জন্য চাকুরিতে প্রবেশের বয়সসীমা তুলে দিতে হবে। বক্তব্য রাখেন আয়োজক সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদ সংসদ সদস্য নূরুল হক হাওলাদারের কন্যা জোবায়দা হক অজন্তা, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম ব্রিগেডের আহবায়ক হাসান মাহমুদ রনি, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের সহ-সভাপতি আকবর হোসেন মিঠু, ওমর ফারুক সাগর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল-আমীন মৃদুল, প্রকৌশলী এনামুল হক, প্রচার সম্পাদক সাদেকুল নিয়োগী পন্নী, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মো. আল মামুন, আয়োজক সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য কামরুল ইসলাম রাসেল, জোবায়ের আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি আব্দুল্লাহ সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ সরকার প্রমুখ। আরকে// এআর

‘চাকরিতে প্রবেশসীমা নিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্যে অসামঞ্জস্যপূর্ণ’   

সরকারি চাকরিতে প্রবেশসীমা আপাতত বাড়ছে না জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এর এমন কথার কোন যুক্তি নেই। কেননা ১০ বছর পর তার ‘আপাতত’ শব্দটি তার দল থেকে প্রকাশিত প্রবন্ধের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপুর্ণ বলে দাবি করছেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ । আজ শুক্রবার রাজধানী ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি করেন।   সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ৬ জুন সরকারি দলের সদস্য সেলিনা বেগমের চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সময়সীমা ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ করার কোন উদ্যোগ আপাতত নেই। যেখানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটে ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বের প্রকাশিত উন্নয়নের ধারা শীর্ষক প্রবন্ধে বলা হয়েছিল ‘আধুনিক ও বহুমূখী প্রশাসনের জন্য ৩ লাখ পদ তৈরি করা হয়েছে। এবং চাকরিতে প্রবেশের সময়সীমা ৩২ বছর বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু মন্ত্রীর এমন ‘আপাতত’ বক্তব্যে কতটুকু সময়ের ব্যাপ্তি বুঝিয়েছেন তা পরিষ্কার নয়। কেননা ১০ বছর পর তার ‘আপাতত’ শব্দটি তার দল থেকে প্রকাশিত প্রবন্ধের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপুর্ণ। সংগঠনের আহবায়ক সঞ্জয় কুমার দাস বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রী বলেছেন, বর্তমানে উল্লেখ করার মত সেশনজট নেই বললেই চলে। কিন্তু বাস্তবে কিছু সেশনজটমুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় একটি দেশের সামগ্রীক চিত্র প্রতিনিধিত্ব করেনা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যারয়ের অধিভুক্ত ৭ সরকারি কলেজের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে নিয়মিত ২০১৪-১৫,২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে অনিয়মিত ও গ্রেড উন্নয়ন এবং ২০১২-১৩, ২০১১-১২, ২০১০-১১, ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষে (বিশেষ) গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষার পরীক্ষার্থীদের ২০১৭ সালের ৩য় বর্ষ স্নাতক পরীক্ষার সময়সূচী ও কেন্দ্র তালিকা প্রকাশিত হয় ২০১৮ সালে। এ সময়সূচী অনুযায়ী ২০১৭ সালের স্নাতক ২য় বর্ষ (নিয়মিত, অনিয়মিত, গ্রেড উন্নয়ন) পরীক্ষা গত ৩১ মে থেকে শুরু হয়। যা ২৮ জুলাই পর্যন্ত চলবে। ২০১৪-১৫ সেশনের স্নাতক ৩য় বর্ষের পরীক্ষা ২০১৯ সালে হতে পারে।  তিনি আরও বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের ২০১২ সালের স্নাতকের ফলাফল ২০১৫ সালে, তেজগাঁও কলেজের ২০১৩ সালের ফরাফল প্রকাশ হয় ২০১৬ সালে, সিদ্বেশ্বরী কলেজের ২০১৪ সালের ব্যবসা প্রশাসনের স্নাতকের ফলাফল প্রকাশ হয় ২০১৭ সালে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের ২০১৩ সালের ফলাফল প্রকাশ হয় ২০১৫ সালে। ২০১২ সাল থেকে ২০১৭ সাল বর্তমান সরকারের সময়কাল। আর জনপ্রশাসন মন্ত্রী একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায় এড়াতে পারেনা। কেননা এই সেশনজটে পীড়িত মানুষরাই তাদের অীধকার রক্ষায় তাকে নির্বাচিত করেছিল। মন্ত্রীর এ ধরণের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান সাধারন ছাত্র পরিষদের নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সাধারন ছাত্র পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক হারুন অর রশিদ, লিউনা হক, মারজুক হোসেন উপস্থিত ছিলেন।   টিআর/এসি    

সরকারি নার্সিং কলেজে ৩৭৫ জনের ভর্তি সুযোগ

দেশের তিনটি সরকারি নার্সিং কলেজ-এ ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে পোস্ট বেসিক বিএসসি ইন নার্সিং/ বিএসসি পাবলিক হেলথ নার্সিং কোর্সে ভর্তির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভর্তির জন্য এরই মধ্যে অনলাইনে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছে। প্রার্থীর আবেদনপত্র যাচাই-বাঁছাই সাপেক্ষে আগামী এক মাসের মধ্যে কলেজগুলোতে মোট ৩৭৫ জনের পরীক্ষা ও ভর্তি কার্যক্রম শেষ হবে। বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, রাজধানীর মহাখালীতে কলেজ অব নার্সিংযে ১২৫ জন, চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট নার্সিং কলেজে ১২৫ জন এবং বগুড়ার নার্সিং কলেজে ১২৫ জনকে ভর্তি করা হবে। নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের নির্দিষ্ট www.dgnm.gob.bd ওয়েবসাইটে ৫ জুন থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ থাকবে। আবেদনকারীদের আগামী ৬ জুলাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার ফল ঘোষণা হবে ৭ জুলাই। এরপর থেকেই দুই বছর মেয়াদি এ কোর্সের ভর্তির কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তন্দ্রা শিকদার বলেন, নার্সিং একটি মহৎ পেশা। এই পেশায় নিজেকে উৎসর্গ করে বহু নারী মহীয়সী হয়েছেন। তাদের মধ্যে ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল, মাদার তেরেসা অন্যতম। নার্সিং-ই একমাত্র পেশা যার মাধ্যমেই মানুষের সবচেয়ে নিকটে গিয়ে সেবা করা সম্ভব। তাছাড়া নিজেকে সমাজে সম্মানসূচক স্থানে প্রতিষ্ঠিত করতেও এ পেশার জুড়ি নেই। বর্তমান সরকার নার্স বান্ধব সরকার। ০৪ (চার) বছর মেয়াদি ব্যাচেলর অব নার্সিং এবং ০৩ (তিন) বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি কোর্স সম্পন্ন করার পর পরই পাচ্ছেন দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদায় বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি করার সুযোগ। এছাড়া বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের মাধ্যমে থাকছে দ্বিতীয় শ্রেণির নন-ক্যাডার বিভাগে নার্সিং অফিসার হিসেবে `সিনিয়র স্টাফ নার্স` পদে সরকারি হাসপাতালে চাকরির অপূর্ব সুযোগ। এসব সুযোগকে আরো ত্বরান্বিত করছে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর। যার ধারাবাহিকতায় ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে পোস্ট বেসিক বিএসসি ইন নার্সিং/ বিএসসি পাবলিক হেলথ নার্সিং কোর্সে ভর্তির কার্যক্রম চলছে। এ কোর্স একেবারে নতুনদের জন্য নয়, এখানে তারাই সুযোগ পাচ্ছেন যারা এরই মধ্যে নার্সিং বিষয়ে কোন না বিষয়ে প্রার্থমিক সনদ ও যোগ্যতা অর্জন করেছেন। অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ভর্তিচ্ছু প্রাথীকে আবেদনের জন্য নিম্বতম এসএসসি বা সমমান পাশ হতে হবে। ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি পাশ হতে হবে। বাংলাদেশ নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কাউন্সিল হতে নিবন্ধনকৃত হতে হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের জন্য সিনিয়ির স্টাফ নার্স বা স্টাফ নার্স পদে কমপক্ষে ২ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন হলে ৫০০ টাকা বিকাশের মাধ্যমে পরীক্ষার ফি জমা দিতে হবে। নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক শাহিনূর বেগম বলেন, রোগীর মানসম্মত ও উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে গুণগত নার্সিংসেবা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য মানসম্মত ও আধুনিক নার্সিং শিক্ষাও অপরিহার্য। চিকিৎসা সেক্টরে সেবিকার অবদান অনস্বীকার্য। হাসপাতালে ডাক্তাররা যতই রোগীর চিকিৎসা দিন না কেন, নার্সদের সেবা ছাড়া ওই চিকিৎসা পূর্ণতা পাবে না। শুধু চিকিৎসক দ্বারা রোগীকে সম্পূর্ণরূপে নিরাময় করা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে সেবিকার ভূমিকা অপরিসীম যা কেবল শিক্ষিত ও দক্ষ সেবিকা দ্বারাই প্রদান সম্ভব। আর সেই শিক্ষিত ও দক্ষ সেবিকা গড়ে তুলতে এ কোর্সে ভর্তি প্রকৃয়া চলছে। নার্সি ও মিডওয়াইফারি অধিদফতরের তথ্য মতে, দেশে মোট ৯৮টি নার্সিং ইনস্টিটিউট আছে। সরকারি ৪৩টি, স্বায়ত্তশাসিত ১টি, বেসরকারি ৫৪টি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পাস করে বর্তমানে সরকারি হাসপাতালে কর্মরত নার্সের সংখ্যা ৩০ হাজার। পাবলিক সার্ভিস কমিশন ২০১৬ সালে ১০ হাজার নিয়োগ দেবার পরও, চিকিৎসক ও নার্সের অনুপাত ৮:৯।  আরকে/এসএইচ/  

বাংলা ইংরেজির নমুনা প্রশ্ন প্রকাশ কাল 

শিক্ষার গুনগত মান বৃদ্ধি ও শিক্ষার্থীর উপর চাপ কমাতে ইতোমধ্যে জেএসসি ও জেডিসির বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ের প্রতিটি ১০০ করে মোট দুইশ কমানো হয়েছে। এখন কিভাবে পরীক্ষা নেওয়া হবে তা শিক্ষার্থীদের জানাতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার নমুনা প্রশ্ন প্রকাশ করবে সরকার। পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের একাধিক কর্মকর্তা এ খবর নিশ্চিত করেছেন।      তারা বলছেন, ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে শুরু করে ২০২০ খ্রিস্টাব্দের জেএসসি ও জেডিসির জন্য এই নমুনা অনুযায়ী প্রশ্নপত্র তৈরি করবে শিক্ষাবোর্ডগুলো। শুধু নমুনা প্রশ্নই না। মানবন্টন ও সিলেবাসও ২০২০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত চলবে। গত মঙ্গলবার (৫ জুন) পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, “প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মাস্টার ট্রেইনারগণ, বোর্ডের অভিজ্ঞ পরীক্ষক, প্রশ্নকর্তা ও প্রশ্ন মডারেটরগণ মঙ্গলবার নমুনা প্রশ্নপত্র চূড়ান্ত করেছেন। বিকেলে ওই প্রশ্নপত্র নিয়ে একজন সদস্য শিক্ষা সচিবের কাছে গেছেন। “আশাকরি বৃহস্পতিবারের মধ্যে নমুনা প্রশ্ন প্রকাশ করা যাবে,” যোগ করেন তিনি।      এদিকে জেএসসির বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ের নতুন সিলেবাস চূড়ান্ত করা হয়েছে। নতুন সিলেবাসে বাংলায় গদ্য-কবিতা, ব্যাকরণ ও সহপাঠ কমানো হয়েছে। ইংরেজিতে তিনটি ইউনিট কমানোসহ মোট ৩৩ শতাংশ কমানো হয়েছে। জেএসসি পরীক্ষায় বাংলা-ইংরেজি বিষয়ে পরীক্ষা ও নম্বর কমানের পর নতুন করে সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে। সেখানে মুস্তাফা মনোয়ারের লেখা শিল্পকলার নানা দিক গদ্য বাদ দেয়া হয়েছে। কবিতা থেকে সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘প্রার্থী’, বুদ্ধদেব বসুর ‘নদীর স্বপ্ন’ এবং সুফিয়া কামালের লেখা ‘জাগো তবে অরণ্য কন্যারা’ বাদ দেয়া হয়েছে। ব্যাকরণ থেকে বহুবচন গঠনের নিয়ম ও উদাহরণ, শ্রেণি বিভাজন, নির্দেশক, সর্বনামের দিক, শব্দ গঠনের প্রাথমিক ধারণা, অভিধান, ভক্তি, সকর্মক ও অকর্মক ক্রিয়া, ক্রিয়ার কাল, নিসর্গকরণ, একই শব্দ বিভিন্ন অর্থে প্রয়োগ করে ব্যখ্যা ও রচনা, বাক্য রচনা, নির্মিত অর্থ, অনুচ্ছেদ, অনুধাবনসহ সহপাঠ বিষয়গুলো বাদ পড়েছে। অন্যদিকে, ইংরেজি বিষয়ে ‘ইংলিশ ফর টুডে’ বইয়ের ইউনিট ৩, ৪ ও ৮ বাদ দেয়া হয়েছে। সেখানে গ্রামার এবং কমপোজিশন, ডিগ্রি অব কমপেনসেশন, জিরান্ড এবং পার্টিসিপল, মডালস, লিংকিং শব্দসমূহ, সামারি রাইটিং এ কমপ্লিটিং স্টোরি নতুন সিলেবাসে বাদ দেয়া হয়েছে।   তবে জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেটের (জেডিসি) নতুন সিলেবাস ও মানবণ্টন তৈরির কাজ এখনও শেষ হয়নি বলে জানা গেছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সিলেবাস তৈরি করা হবে বলেও জানান একজন কর্মকর্তা। টিআর/এসি   

৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি সেপ্টেম্বরে

আগামী সেপ্টেম্বরেই হচ্ছে  ৪০ তম বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এমন পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি)। আজ বুধবার পিএসসি’র চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক এমন তথ্য জানিয়েছেন। পিএসসি’র চেয়ারম্যান বলেন, সেপ্টেম্বরে ৪০তম বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে। নভেম্বরের মধ্যে আবেদন কার্যক্রম শেষ করা হবে। পরবর্তী তিন বা চার মাসের মধ্যে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ৪০তম বিসিএসের জন্য প্রথম শ্রেণিতে বিভিন্ন ক্যাডারে প্রায় ২ হাজার জনকে নিয়োগের জন্য চাহিদা পেয়েছি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এ চাহিদা প্রদান করা হয়েছে। এ তালিকায় বিসিএসে প্রশাসন, পুলিশ, পররাষ্ট্র, আনসার, কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারে (সরকারি সাধারণ কলেজ ও সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ) প্রায় ২ হাজার পদ রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ তালিকা চূড়ান্ত করা হয়নি। মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ৩৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত প্রকাশের কাজ করছি। ঈদের আগে তা প্রকাশ করা হতে পারে। ৩৮তম ও ৩৯তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার দিন ধার্য করা হয়েছে। ৩ আগস্ট ৩৯তম বিসিএসের পরীক্ষা নেব ও ৮ আগস্ট ৩৮তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে। ৮ থেকে ১৩ আগস্ট এই বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়ের পরীক্ষা হবে। এছাড়া সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ঐচ্ছিক বিষয়ের পরীক্ষা হবে।  টিআর/ এআর

ঈদের আগেই ৩৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে ৩৭তম বিসিএস পরীক্ষার  চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। বাংলাদেশ কর্ম কমিশনের (পিএসসি)চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক আজ গণমাধ্যমে কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ফল প্রকাশের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আশা করছি আসন্ন ঈদের আগে ৩৭তম বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। ফল প্রকাশের জন্য কিছু প্রক্রিয়া রয়েছে, বর্তমানে সেসব প্রক্রিয়া চলছে। আগামী সপ্তাহে এ ফল প্রকাশ করা হতে পারে। যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে ঈদের ছুটির পরপরই প্রকাশ করা হবে। পিএসসির চেয়ারম্যান বলেন, সম্প্রতি ‘৩৮তম ও ৩৯তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার দিন ধার্য করা হয়েছে। ৩ আগস্ট ৩৯তম বিসিএসের পরীক্ষা ও ৮ আগস্ট ৩৮তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে। ৮-১৩ আগস্ট এই বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়ের পরীক্ষা হবে। এছাড়া সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ঐচ্ছিক বিষয়ের পরীক্ষা হবে। তথ্যমতে, ৩৯তম স্বাস্থ্য ক্যাডারের বিশেষ বিসিএসে মোট ৩৯ হাজার ৯৫৪ প্রার্থী আবেদন করেছেন। বিশেষ বিসিএসে ৪ হাজার ৫৪২ জন সহকারী সার্জন আর ২৫০ জন সহকারী ডেন্টাল সার্জন নেয়া হবে। সব মিলে প্রায় পাঁচ হাজার চিকিৎসক নেয়া হবে এই বিসিএসে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিশেষ বিসিএসের প্রিলিমিনারিতে এক কথায় লিখিত পরীক্ষা হবে। এতে ২০০ নম্বরের প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এ ছাড়া ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা হবে।   মেডিকেল সায়েন্স বা ডেন্টাল সায়েন্স বিষয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এছাড়া বাংলা, ইংরেজি, বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে ২০ নম্বর করে এবং মানসিক দক্ষতা ও গাণিতিক যুক্তিতে ১০ নম্বর করে মোট ২০০ নম্বরের দুই ঘণ্টার লিখিত পরীক্ষা হবে। প্রতি প্রশ্নের সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর, তবে প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কাটা হবে শূন্য দশমিক ৫০ নম্বর। লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর পিএসসি নির্ধারণ করবে। মৌখিক পরীক্ষার পাস নম্বর ধরা হয়েছে ৫০। লিখিত পরীক্ষা শুধু ঢাকায় হবে। অন্যদিকে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে পিএসসি। এতে ১৬ হাজার ২৮৬ জন উত্তীর্ণ হন। তারা এখন লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেবেন।   গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর ৩৮তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা হওয়ার প্রায় দুই মাসের মধ্যে এ ফল প্রকাশ করা হয়। বিসিএসের আবেদনের ক্ষেত্রে ৩৮তম বিসিএসে রেকর্ড সৃষ্টি হয়। এতে ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৬৮ জন প্রার্থী আবেদন করেন। এর আগে ৩৭তম বিসিএসে অংশ নেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪৭৬ জন পরীক্ষার্থী।   জানা গেছে, ৩৮তম বিসিএসের মাধ্যমে জনপ্রশাসনে ২ হাজার ২৪ জন ক্যাডার কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে। তার মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারের ৩০০, পুলিশ ক্যাডারের ১০০টি পদসহ ৩৮তম বিসিএসে সাধারণ ক্যাডারে মোট ৫২০টি, কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারে ৫৪৯টি এবং শিক্ষা ক্যাডারে ৯৫৫টি পদ রয়েছে।  টিআর/ এআর

রোভার স্কাউট গ্রুপকে সংবর্ধনা দিল ঢাকা কলেজ

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৮ এ দেশের শ্রেষ্ঠ রোভার স্কাউট গ্রুপ ও ২০১৭ সালে শ্রেষ্ঠ রোভার পুরস্কার পেয়েছে ঢাকা কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপ। শ্রেষ্ঠ রোভার হয়েছেন মো. আল মামুন। স্কাউট গ্রুপ ও সেরা রোভারকে সংবর্ধনা দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার ঢাকা কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপ আয়োজিত জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৭ ও ২০১৮ পুরস্কারপ্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ রোভার এবং শ্রেষ্ঠ রোভার স্কাউট গ্রুপের সংবর্ধনা ও স্কাউট ওন-২০১৮ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কলেজের পক্ষ থেকে এ সংবর্ধনার ক্রেস্ট তুলে দেন বাংলাদেশ স্কাউটস’র সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বিষয়ক মূখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ। ঢাকা কলেজেরর অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. মোয়াজ্জম হোসেন মোল্লাহ্’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবুল কালাম আজাদ বলেন, বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হবে। ২০৩০ সালে এসডিজি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৪১ সালে উন্নত আয়ের দেশে পরিণত হবে। বাংলাদেশের উন্নয়ন পৃথিবীর কোন শক্তি ঠেকাতে পারবে না। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু ঘাতকদের কারণে তিনি তা বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি। বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। এ সরকার ২০৭১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে রেখেছে। এর মধ্যেই বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম অর্থনৈতিক শক্তিশালী দেশে পরিণত হবে। তার জন্য দেশের শিক্ষক সমাজ থেকে শুরু করে সকল স্তরের মানুষকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। এসময় সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ প্রফেসর মোয়াজ্জম হোসেন মোল্লাহ্ বলেন, ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা ইতোপূর্বে দেশ ও জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ভবিষ্যতে রোভার স্কাউটের সদস্যরা নিজেদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ার পাশাপাশি দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা প্রত্যাশা রাখি। ঢাকা কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপ আয়োজিত সংবর্ধনা, বার্ষিক স্কাউট ওন এবং ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন। এসময় অন্যান্যের মাঝে আরো অন্য বিসিএস সাধারণ শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার, ঢাকা কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর নেহাল আহমেদ, ঢাকা কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের সম্পাদক প্রফেসর শামিম আরা বেগমসহ বাংলাদেশ স্কাউটরসের জাতীয় নেতৃবৃন্দ, কলেজের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ, সাবেক সিনিয়র রোভারমেটগণ। / এআর /

দ্বৈত ভর্তি: বিপাকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ হাজার শিক্ষার্থী

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী ‘অন্যায়ভাবে’ দ্বৈত ভর্তির ফলে নিবন্ধনপত্র না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন। সম্প্রতি সফটওয়্যার ব্যবহার করে দুই বিভাগে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের শনাক্ত করার পর কর্তৃপক্ষ তাদের বিশেষ বিবেচনায় জরিমানা নিয়ে নিবন্ধনপত্র দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, জরিমানার পরিমাণ অস্বাভাবিক রকমের বেশি। এটা দেওয়ার মত সামর্থ্য নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক-পূর্ব-শিক্ষা বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত ডিন মো. নাসির উদ্দিন বলেন, প্রথমবার ভর্তির পর যারা পরীক্ষায় অংশ নেননি তারা ৮ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা ও একটা ভর্তি বাতিলের ফি জমা দিলে নিবন্ধন পাচ্ছেন। আর ভর্তির পর যারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন তাদের জরিমানা ১০ হাজার ৭০০ টাকা; সঙ্গে ভর্তি বাতিলের ফি। সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত গাজীপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে বেশ কিছু শিক্ষার্থীকে সমস্যা সমাধানের আশায় ভিড় জমাতে দেখা গেছে। মো. আব্দুল্লাহ আল মাউন নামে একজন শিক্ষার্থী বলেন, ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে তিনি রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজে গণিত (সম্মান) বিভাগে ভর্তি হন। পরের বছর ভর্তি হন সরকারি ঈশ্বরদী কলেজে  রসায়ন বিভাগে। “আমি গণিত পড়তে চাই না। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে রসায়ন বিভাগের নিবন্ধনপত্র দিচ্ছে না। তারা প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যাদের একবার নিবন্ধনপত্র দেওয়া হয়েছে তাদের দ্বিতীয়বার আর দেবে না। তবে জরিমানা দিলে নিবন্ধনপত্র দেবে।” এই নিয়ম আগে ছিল না বলে তার দাবি। মো. মেহেদী হাসান নামে এক শিক্ষার্থী জানান, তিনি গত বছর কুমিল্লার নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজ বিবিএস এবং এ বছর লাঙ্গলকোট হাসান মেমোরিয়াল কলেজে ব্যবস্থাপনা বিভাগে ভর্তি হয়ে এই বিপদে পড়েছেন। জুবায়ের আহমেদ নামে আরেক শিক্ষার্থী জানান, তিনি প্রথমে সিলেটের কানাইঘাট কলেজে বাংলায় এবং পরে দক্ষিণ সুরমা কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভতি হয়ে এই বিপদে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় হঠাৎ করে এই নিয়ম চালু করায় তাদের এখন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অধ্যক্ষের প্রত্যয়ন ও সুপারিশ নিয়ে গেলেও সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। এ বিষয়ে ডিন নাসির উদ্দিন বলেন, “দ্বৈত ভর্তি কখনও গ্রহণযোগ্য নয়। এটা একটা অন্যায়। ভর্তির বিজ্ঞপ্তিতে তাদের নিরুৎসাহিত করা হয়। কিছু শিক্ষার্থী ইতঃপূর্বে দ্বৈত ভর্তি হয়ে সুকৌশলে পার পেয়ে গেছে। “বর্তমানে সফটওয়্যারে পরীক্ষিত হওয়ায় তা ধরা পড়ছে। এটা বন্ধ করতে ক্রাশ প্রোগ্রাম হাতে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা পাঁচ হাজারের মত।” এছাড়া জরিমানা মওকুফের সুযোগ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “যারা দরিদ্র তাদের আবেদন পেলে জরিমানা মওকুফ করে সমস্যা সমাধান করা হচ্ছে। “তারা যদি অধ্যক্ষের মাধ্যমে সুপারিশসহ ওয়ানস্টপ সার্ভিস সেন্টারে আবেদন নিয়ে আসেন তাহলে বিষয়টির সুরাহা হবে। কারও কোনো হয়রানি বা ভোগান্তির কারণ নেই। টিআর/  

হলিক্রস কলেজে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির তালিকা প্রকাশ

রাজধানীর হলিক্রস কলেজে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আজ সোমবার সকালে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য তিন বিভাগেই আবেদনকারীদের মধ্য থেকে যোগ্যতার নিরিখে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হলো। বিজ্ঞান বিভাগে ৭৬০ জন, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৩১০ জন ও মানবিক বিভাগে ২৬০ জন ভর্তি হতে পারবেন। সিলেক্টেট শিক্ষার্থীদের কেউ ভর্তি না হলে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে অপেক্ষমানরা ভর্তির সুযোগ পাবেন। তালিকা কলেজের নোটিশ বোর্ড ও ওয়েবসাইটে (www.hccbd.com)পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া  http://hccbd.com/?page_id=51 অথবা http://hccbd.com/?page_id=41 লিংকে প্রবেশ করেও পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেখা যাবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইটে ঢুকে পারমিট স্লিপ নিয়ে ভর্তি ফরম সংগ্রহ করতে হবে।প্রসঙ্গত ১৭ মে ভর্তির জন্য আবেদন ফরম বিতরণ করা হয়। ১৮ মে আবেদন ফরম জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল।/ এআর /

‘পেছন থেকে ওড়নায় টান দিয়ে গায়ে হাত দেয় অটোচালক’

‘সন্ধ্যার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চারুকলা এলাকা থেকে একা হলে ফিরছিলাম আমি। এ সময় পেছন দিক থেকে এসে আমার ওড়না ধরে টান দেয় অটোচালক। সরে যাওয়ার চেষ্টা করলে ওই লম্পট চালক আমার গায়ে হাত দেয়।’শনিবার ছুটিতে ফাঁকা ক্যাম্পাসে ‘রীতা পরিবহন’নামে একটি অটোরিকশার চালকের হাতে এভাবে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন রাবির আবাসিক হলের (রাবি) এক শিক্ষার্থী।বিশ্ববিদ্যালয়ের খালেদা জিয়া হলের পাশে সড়কে শনিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। পরদিন রোববার বিকালে ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।যৌন হয়রানির শিকার ওই ছাত্রী জানান, শনিবার সন্ধ্যার দিকে চারুকলা এলাকা থেকে একা আবাসিক হলে ফিরছিলেন তিনি। খালেদা জিয়া হলের পাশের রাস্তা দিয়ে আসার সময় পেছন দিক দিয়ে আসা একটি অটোচালক হঠাৎ তার ওড়না ধরে টান দেয়। হতচকিত হয়ে তিনি (ছাত্রী) সরে যাওয়ার চেষ্টা করলে অটোচালক তার গায়ে হাত দেয়।এ সময় তিনি চিৎকার করলে অটোচালক দ্রুত সেখান থেকে সটকে পড়ে। অটোর পেছনে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নিবন্ধিত নম্বর প্লেটযুক্ত থাকলেও দ্রুত গতিতে চলে যাওয়ায় ওই ছাত্রী নম্বর দেখতে পাননি। তবে অটোর পেছনে ‘রীতা পরিবহন’লেখা ছিল বলে লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন তিনি।এ বিষয়ে রাবির উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. আনন্দ কুমার সাহা গণমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি পুলিশ এবং সিটি কর্পোরেশনকে জানানো হয়েছে। দ্রুত ওই অটোচালককে সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য বলা হয়েছে।/ এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি