ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭ ৪:১৩:১৩

‘আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দিনগুলো কাজে লাগান’

৩৮তম বিসিএস প্রিলি

‘আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দিনগুলো কাজে লাগান’

৩৮তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার দিন ঘনিয়ে আসছে। দেশের প্রায় সাড়ে তিন লাখ চাকরি প্রার্থী অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন এ পরীক্ষায়। প্রিলিমিনারিতে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা দ্রুত সময়ের মধ্যে কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন ৩৬তম বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হায়দার জাবেদ। একুশে টেলিভিশনের অনলাইনের পাঠকদের জন্য তার টিপস নিয়ে লিখেছেন রিপোর্টার মো. মাহমুদুল হাসান। ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতি নিয়ে এ মুহূর্তে আপনারা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তাই আপনাদের সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি। অনেকে বলছে ৩৮তম প্রিলির জন্য খুব অল্প সময় রয়েছে। কিন্তু তা আমি মনে করি না। কারণ এখনো এক মাসের বেশি সময় রয়েছে। এই সময়টুকু যদি ভালোভাবে কাজে লাগানো যায়, তবে প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ভালো করা সম্ভব। এ সময়টুকুতে যদি আপনারা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রস্তুতি নিতে পারেন তাহলে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনেক সহজ হয়ে যাবে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মোট ১০টি বিষয়ের মধ্যে যে কোনো ৩টি বা ৪টি বিষয়কে মূল হিসেবে ধরে প্রস্তুতি নিতে পারলে ভালো করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান অথবা বাংলা, ইংরেজি, বিজ্ঞান ও কম্পিউটারকে মূল বিষয় হিসেবে ধরে প্রস্তুতি নিতে পারেন। বাকি বিষয়গুলোতে গড় নম্বর তুলতে পারলে প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ হওয়া সহজ হবে। তবে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য সবার আগে বিসিএস-এর প্রশ্নের কাঠামো জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যারা স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাশ করেছেন প্রস্তুতির ক্ষেত্রে তারা বিজ্ঞান ও গণিত বিষয়ে তুলনামূলক অনেক এগিয়ে থাকেন। আর যারা বাণিজ্য, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের বিভাগগুলো থেকে পাশ করেছেন তাদের জন্য এ দু’টি বিষয়ে ভালো প্রস্তুতি নিতে হবে। তবে পরীক্ষার্থীদের একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে যে, প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য ২০০ নম্বরের মধ্যে ২০০ -ই যে পেতে হবে তা কিন্তু নয়। শতকরা ৫০ থেকে ৬০ নম্বর পেলেই প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সম্ভব। এবার চলুন বিষয় ভিত্তিক কিছু আলোচনা করা যাক।   বাংলা- ৩৫: বাংলা বিষয়ে সাহিত্য ও ব্যাকরণ এই দু’টি অংশ থেকে মোট ৩৫ নম্বরের প্রশ্ন হয়ে থাকে। সাহিত্য অংশের প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ ও অধুনিক যুগ-এই তিনটি ভাগে বিভক্ত। প্রাচীন ও মধ্যযুগ অংশে তুলনামূলক পড়া কম। প্রিলিমিনারির সিলেবাস অনুযায়ী এ অংশ থেকে মোট ৫ নম্বরের প্রশ্ন করা হয়। তাই একটু ভালো করে পড়লে এ অংশে সম্পূর্ণ নম্বর পাওয়া সম্ভব। অন্যদিকে আধুনিক অংশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রধান প্রধান সাহিত্যিকদের সাহিত্যকর্ম এবং তাদের জীবনী সম্পর্কে জানতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রথম সারির ২৫ থেকে ৩০ জন কবি-সাহিত্যিকের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে। বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদকের নাম ও কবি সাহিত্যিকদের উপাধি ও ছদ্মনাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। এ অংশ থেকে একাধিক প্রশ্ন আসে। আর ব্যাকরণ অংশের জন্য ধ্বনি, বর্ণ, বানান, প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ, প্রতিশব্দ, পারিভাষিক শব্দ, বিপরীত শব্দ, পদ-প্রকরণ (বিশেষ করে বিশেষ্য, বিশেষণ ও অব্যয়), সন্ধি ও সমাসের ব্যতিক্রম উদাহরণগুলো পড়তে হবে। বাংলা একাডেমি ও একুশে পদকের সাম্প্রতিক তথ্যসহ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উল্লেখযোগ্য সাহিত্য, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উল্লেখযোগ্য সাহিত্য, বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য পত্রিকা ও সম্পাদকের নাম জেনে রাখলে ভালো হবে। বাংলা সাহিত্য এবং ব্যাকরণ অংশে ভালো করতে হলে বিসিএসসহ পিএসসির নন-ক্যাডার ও অন্যান্য সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্নগুলো ভালোভাবে দেখে নিলে পরীক্ষার ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকা যায়। কেননা বিগত বছরের প্রশ্ন থেকে অনেক প্রশ্ন কমন পড়ে অনেক সময়।   ইংরেজি- ৩৫: প্রথমে গ্রামার সম্পর্কিত বিসিএস ও পিএসসির বিগত বছরের প্রশ্নগুলো পড়ে নিতে হবে। অন্যদিকে ইংরেজির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ইংরেজি শব্দার্থ জানা। যার যত বেশি শব্দার্থ দখলে থাকবে তিনি তত বেশি এগিয়ে থাকতে পারবেন। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সিলেবাস অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া। প্রস্তুতি নেওয়ার সময় প্রয়োজনে লিখে লিখে পড়া যেতে পারে। এতে গ্রামারের নিয়মগুলো সহজেই আয়ত্বে আসবে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ইংরেজি সাহিত্য অংশের ভালো নম্বর পাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কবি সাহিত্যিকদের নাম, আলোচিত গ্রন্থ, সাহিত্যে তাদের অবদান সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখতে হবে। এছাড়াও কিছু ক্ল্যাসিক্যাল বইয়ের নামসহ বিতর্কিত বই সম্পর্কেও ধারণা থাকতে হবে।   গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা -(১৫+১৫): বিগত সালের প্রশ্নগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে। পাশাপাশি বিসিএসের সিলেবাস অনুযায়ী অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির গণিতসহ উচ্চতর গণিত বইটি ভালোভাবে শেষ করতে হবে। গণিত অনুশীলনের সময় ক্যালকুলেটর ব্যবহার না করা বুদ্ধিমানের কাজ। গণিতের জন্য সামন্তধারা, গুণোত্তরধারা, বিন্যাস-সমাবেশ, সাম্ভাব্যতা, সেট, মান নির্ণয়, সূচক-লগারিদম ও জ্যামিতিক অংশগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। গণিতে ভালো করার মূলমন্ত্র হচ্ছে বেশি পরিমাণে অনুশীলন। যে যত বেশি অনুশীলন করবেন সে তত বেশি এগিয়ে থাকবেন। তাই প্রতিদিন গণিত অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেকে প্রস্তুত রাখুন। মানসিক দক্ষতা অংশে ভালো করতে হলে বিগত সালের প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।   সাধারণ জ্ঞান- ৫০: সাধারণ জ্ঞান বিষযে দু’টি অংশ রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ বিষয়াবলির জন্য ৩০ নম্বর ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির জন্য ২০ নম্বর। উভয় বিষয়েই সমান গুরুত্ব দিতে হবে। বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের ইতিহাস থেকে শুরু করে স্বাধীনতার পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহ সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা থাকতে হবে। বাংলাদেশের বিখ্যাত ব্যক্তিদের সম্পর্কেও জানা থাকতে হবে। বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, বিভিন্ন আন্দোলন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, প্রাচীন স্থাপত্যের ওপর বেশি জোর দিতে হবে। বাংলাদেশের সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলো ভালোভাবে পড়ে নিতে হবে। এ অংশ থেকে তিন নম্বরের প্রশ্ন হয়ে থাকে। বাংলাদেশের কৃষি ও অর্থনৈতিক বিষয়গুলোর সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। বাংলা পত্রিকার প্রথম ও শেষ পাতা, সম্পাদকীয় ও মতামত, আন্তর্জাতিক, বাণিজ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিষয়গুলো পড়তে হবে। এছাড়া অর্থনৈতিক সমীক্ষা ও সরকারি বিভিন্ন জরিপের প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নিতে হবে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানসমূহ সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখতে হবে।   সাধারণ বিজ্ঞান, কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- (১৫+১৫): সাধারণ বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে ভালো করতে হলে বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় আসা প্রশ্নগুলো পড়ে নিতে হবে। এছাড়া নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বইটি ভালোভাবে পড়তে হবে। বাজারে প্রচলিত যে কোনো একটি বই অনুশীলন করতে পারেন। অন্য দিকে কম্পিউটার বিষেয়ে ভালো করতে হলে বাস্তব জ্ঞানের মাধ্যমে শিখতে পারলে খুব ভালো হয়।   ভূগোল পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা - ১০: এ বিষয়ে ভালো করতে হলে বিগত সালের প্রশ্নগুলো আগে পড়ে নিতে হবে। এছাড়াও মানচিত্র সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। বিশ্বের কোন দেশ কোথায় অবস্থিত সেটা জানা না থাকলে এ অংশে ভালো করা সম্ভব নয়। তাই বিশ্ব মানচিত্র সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। নবম-দশম শ্রেণির ভুগোল বইটি পড়ে নিলে ভালো হয়। এছাড়াও পড়ার সময় যে বিষয়টি কঠিন মনে হবে সে বিষয়টি মার্ক করে পড়লে সহজে আয়ত্তে আসবে। অন্যদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ে কাজ করে এমন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানতে হবে।   নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন- ১০: এ বিভাগের প্রশ্নের উত্তর শতভাগ নিশ্চিত হয়ে দিতে হবে। তা না হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বিগত সালের প্রশ্নগুলো পড়ে এ সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যেতে পারে। সবশেষে ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নিতে যাওয়া সব প্রার্থীর জন্য শুভকামনা রইলো।   এসএইচ/টিকে  
শেষ সময়ে বাংলা বিষয়ের প্রস্তুতি

কদিন পরেই ৩৮তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। দেশের প্রায় তিন লাখ ৮৯ হাজার শিক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত চাকরির আশায় অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে এ পরীক্ষায়। এ সময়ে নিশ্চয়ই ব্যস্ততম সময় কাটাচ্ছেন বিসিএস প্রত্যাশী বন্ধুরা। বিসিএসে বাংলা বিষয় একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এই বিষয়ে রয়েছে ৩৫ নম্বর। একটু সতর্ক হয়ে প্রস্তুতি নিলে এ বিষয়ে ভালো নম্বর তোলা যায়। কিভাবে এই স্বল্প সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিতে পারেন- এ বিষয়ে ইটিভি অনলাইনের মাধ্যমে পাঠকদের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন ৩৬তম বিবিএস শিক্ষা ক্যাডার বাংলা (মেধা তালিকায় বাংলায় দ্বিতীয় স্থান অধিকারী) এস.এম. হাসান উল ইসলাম। তার টিপস নিয়ে লিখেছেন ইটিভি অনলাইনের রিপোর্টার মো. মাহমুদুল হাসান । বিসিএস প্রস্তুতির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী বন্ধুদের একটি বিষয় মনে রাখতে হবে। সেটি হচ্ছে- প্রিলির প্রস্তুতি যদি ভালোভাবে নেওয়া যায় তাহলে লিখিত এবং ভাইভার ক্ষেত্রে অনেকটা এগিয়ে থাকা যায়। বর্তমানে ভাইভা পর্যন্ত যেতে পারলে চাকরি প্রায় নিশ্চিত । তাই বিসিএসের অন্যান্য বিষগুলোর মত বাংলা বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পড়তে হবে। বিগত সালের প্রশ্নগুলো ভালোভাবে আত্মস্থ করতে হবে। এর মাধ্যমে কি কি প্রশ্ন আসবে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। তাই নিজের ওপর বিশ্বাস রেখে প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করুন। সফলতা আসবেই। বাংলা বিষয়কে প্রধানত সাহিত্য এবং ব্যাকরণ এই দুই অংশে ভাগ করে পড়তে পারেন। সাহিত্য-২০ (প্রাচীন ও মধ্যযুগ-৫ এবং আধুনিক যুগ-১৫) প্রাচীন ও মধ্যযুগ-৫প্রাচীন ও মধ্যযুগ থেকে ৫ নম্বরের প্রশ্ন থাকে । এ জন্য প্রাচীন ও মধ্যযুগের গুরুত্বপূর্ণ লেখক ও সাহিত্য সম্পর্কে জানতে হবে।সাহিত্যের ক্ষেত্রে চর্যাপদ, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, মঙ্গলকাব্য, অনুবাদ সাহিত্য, লৌকসাহিত্য ও ময়মনসিংহ গীতিকা, নাথ ও আরবি সাহিত্য পড়তে হবে। লেখকদের মধ্যে আলাওল, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, বড়ু চন্ডিদাস, বিদ্যাপতি, শাহ মুহাম্মদ সগীর, গোবিন্দদাস, জ্ঞান দাস, কবি কঙ্কন, মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, আব্দুল হাকিম, ভারতচন্দ্র, ফকির গরীবুল্লাহ, দৌলত উজির, চন্দ্রাবতী। আরকান রাজসভার কবিদের সম্পর্কেও ভালোভাবে পড়তে পারেন। আধুনিক যুগ-১৫আধুনিক যুগের সাহিত্যিকদের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, মাইকেল মুধুসূদন দত্ত, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, মীর মোশাররফ, প্রমথ চৌধুরী, বঙ্কিমচন্দ্র, শরৎচন্দ্র, রোকেয়া, জীবনানন্দ সম্পর্কে জানতে হবে। এছাড়াও রাজা রামমোহন রায়, দীনবন্ধু মিত্র, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, তারা শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, জীবনান্দ দাস, বিভূতিভূষণ, সুকান্ত ভট্রাচার্য, সুফিয়া কামাল, বেগম রোকেয়া, হুমায়ূন আহমেদ, হুমায়ূন আজাদ, শামসুর রাহমান, নির্মলেন্দুগুন, সেলিম আলদীন, সৈয়দ শামসুল হক, শওকত ওসমান, জহির রায়হান, জসীমউদ্দিন এবং সেলিনা হোসেন সম্পর্কেও জানতে হবে। এসব সহিত্যিকদের জীবনী, সাহিত্য কর্ম এবং তাদের বিখ্যাত উক্তি সম্পর্কেও জানেতে হবে। মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক সাহিত্য অবশ্যই জোর দিয়ে পড়তে হবে। এটি যেমন প্রিলিতে থাকে তেমনি লিখিত পরীক্ষাতে থাকেই। এ জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস, নাটক, গ্রন্থ, উক্তি ভালোভাবে পড়তে হবে। বিখ্যাত পত্রিকা ও সম্পাদক সম্পর্কে জানতে হবে। বিখ্যাত কবি সাহিত্যিকদের গুরুত্বপূর্ণ উক্তি ও পংক্তি মুখস্থ করে ফেলতে হবে। এছাড়াও বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী বিষয়ক সাহিত্য সম্পর্কেও পড়তে পারেন। ব্যাকরণ অংশব্যাকরণের জন্য নবম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বইটি ভালোভাবে পড়তে হবে। লালনীল দ্বিপাবলি এবং সৌমিত্র শেখর স্যারের বইটি থেকে যুগ বিভাগ, বিখ্যাত লেখকদের সম্পর্কে জানতে হবে। অন্যদিকে লিখিত পরীক্ষায় ব্যাকরণের ৩০ নম্বর মাথায় রেখে প্রস্তুতি নিতে হবে। আর যদি ব্যাকরণ বিষয়ে ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া যায় তাহলে রিটেনের সময় ভালো কাজ দেবে। এতে আপনার লেখার মান সমৃদ্ধ হবে এবং গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। এসএইচ/  

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা শুরু রোববার

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে রোববার (১৯ নভেম্বর)। চলবে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রথম দিন অনুষ্ঠিত হবে ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষা। এ বছর প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫ জন। এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে ২৮ লাখ চার হাজার ৫০৯ এবং ইবতেদায়িতে দুই লাখ ৯১ হাজার ৫৬৬ জন।গত বছর অংশ নিয়েছিল ৩২ লাখ ৩০ হাজার ২৮৮ জন। এ হিসেবে এবার পরীক্ষার্থী কমেছে এক লাখ ৩৪ হাজার ২১৩ জন। দেশের ভেতরে সাত হাজার ২৬৭টি এবং দেশের বাইরে ১২টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষার্থীরা অংশ নেবে।প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূ্ত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ১২ লাখ ৯৯ হাজার ৯৮৫ জন এবং ছাত্রী ১৫ লাখ চার হাজার ৫২৪ জন। এবার ছাত্রীর সংখ্যা ছাত্রের চেয়ে দুই লাখ চার হাজার ৫৩৯ জন বেশি। এছাড়া, ইবতেদায়ির পরীক্ষার্থীরদের মধ্যে ছাত্র এক লাখ ৫৩ হাজার ১৫২ এবং ছাত্রী এক লাখ ৩৮ হাজার ৪১৪ জন। এ পরীক্ষাতেও পরীক্ষার্থী কমেছে আট হাজার ১৪৯ জন।বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার জানান, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় দুই হাজার ৯৫৩ জন এবং ইবতেদায়িতে ৩৭৯ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থী রয়েছে। তারা নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে ২০ মিনিট বেশি পাবে।প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকানোর বিষয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থা প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে মনিটরিং করবে। পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোনসহ সব ধরনের ডিভাইস নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রতিটি জেলায় প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে পরীক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শনে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে। এছাড়া, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা অফিসাররা নিয়োজিত থাকবেন।’ এসএইচ/

রাবির অপহৃত ছাত্রী উদ্ধার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) হলের সামনে থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ছাত্রীকে ঢাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার বেলা দুইটা নাগাদ তাকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান জানান। প্রক্টর বলেন, ঢাকা পুলিশের সহায়তায় রাজশাহী পুলিশের একটি দল তাকে উদ্ধার করে। তার সঙ্গে তার সাবেক স্বামীও রয়েছে। বর্তমানে তাদের রাজশাহীতে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে। অপহৃত ওই ছাত্রীকে ফিরিয়ে আনতে শনিবার বেলা ১১টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে মানববন্ধন করছেন শিক্ষার্থীরা। বেলা দুইটা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সময় বেঁধে তারা। এর মধ্যে পাওয়া না গেলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে আন্দোলনরত ছাত্রীরা হুমকি দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে তারা ক্যাম্পাসে ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ সাত দফা দাবি জানান। ওই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ওই ছাত্রীর সন্ধান পুলিশ পেয়েছে। তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের তাপসী রাবেয়া হল থেকে বের হয়ে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় অপহৃত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের ওই ছাত্রী। একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে ওই ছাত্রীর ‘সাবেক স্বামী’ সোহেল রানাসহ তিন-চারজন যুবক তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শী ছাত্রীরা অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরের মতিহার থানায় অপহরণ মামলা করেছেন ওই ছাত্রীর বাবা। এসএইচ/

রাবির অপহৃত ছাত্রীর সন্ধানে আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) হলের সামনে থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ছাত্রীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের দাবিতে শনিবার দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। তবে ওই ছাত্রীর সন্ধান পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বেলা ১১টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে মানববন্ধন করছেন শিক্ষার্থীরা। অপহৃত ওই ছাত্রীকে ফিরিয়ে আনতে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আল্টিমেটাম দিয়েছেন তারা। এর মধ্যে পাওয়া না গেলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে আন্দোলনরত ছাত্রীরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন । একই সঙ্গে তারা ক্যাম্পাসে ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছে। আন্দোলনরত ছাত্রীদের অভিযোগ, পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শনিবার সকাল ১০টার দিকে বিভিন্ন হল থেকে ক্যাম্পাসে আসতে গেলে ছাত্রীদের বাধা দেয় প্রশাসন। পরে ১১টার দিকে তাদের ক্যাম্পাসে আসতে দেওয়া হয়।এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা সাংবাদিকদের বলেছেন, ওই ছাত্রীর সন্ধান পুলিশ পেয়েছে। তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ।প্রশাসনের এই দাবির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলছেন, তারা দুপুর ১২টার দিকেও ওই ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা সন্ধানের বিষয়ে কিছু জানে না। আমরাও সন্ধানের বিষয়ে জানি না।মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বেলা সাড়ে ১১টায় প্রথম আলোকে বলেন, ওই ছাত্রীকে উদ্ধারে মতিহার থানা-পুলিশের একটি টিম কাজ করছে। ওই টিম এখনো ফিরে আসেনি। সন্ধান পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন ধরনের তথ্য পাচ্ছি। তার ভিত্তিতেই কাজ চলছে।’শুক্রবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের তাপসী রাবেয়া হল থেকে বের হয়ে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় অপহৃত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষেরএক ছাত্রী। একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে ওই ছাত্রীর ‘সাবেক স্বামী’ সোহেল রানাসহ তিন-চারজন যুবক তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শী ছাত্রীরা অভিযোগ করেছে। এ ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরের মতিহার থানায় অপহরণ মামলা করেছেন ওই ছাত্রীর বাবা।এসএইচ/

৬ষ্ঠ ডব্লিউইউবি জাতীয় কমটেক উৎসব অনুষ্ঠিত

ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে ‘৬ষ্ঠ ডব্লিউইউবি জাতীয় কমটেক উৎসব-২০১৭’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পান্থপথ ক্যাম্পাস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুল মান্নান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, বিশিষ্ট প্রযুক্তিবিদ ও বাংলাদেশ এ্যাসোসিয়েশন অফ সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস এর সভাপতি মোস্তফা জব্বার।   বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলো ইয়থ প্রোগ্রামের কো-অরডিনেটর, মুনির হাসান এবং স্বাগত বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুশফিক এম. চৌধুরী। উৎসবে কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়, উভয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আইটি অলিম্পিয়াড, রোবটিক্স কনটেস্ট, প্রোজেক্ট শোকেসিং, গেমারদের জন্য গেমিং প্রতিযোগিতা, প্রোগ্রামারদের জন্য প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা, সেমিনার এবং ওয়ার্কশপ এর ব্যবস্থা করা হয়। আগামী ১৮ই নভেম্বর সন্ধ্যায় এ উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। একে/  

ছাত্রী অপহরণ : রাবি উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী অপহরণের ঘটনায় উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও করে অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। ওই ছাত্রীর সন্ধান চেয়ে দুই ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন তারা। ক্যাম্পাসে নিরাপত্তার দাবিতে বিকেল ৪টা থেকে তারা সেখানে অবস্থান নেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শুক্রবার সকালে পরীক্ষা দেয়ার উদ্দেশ্যে তাপসী রাবেয়া হল থেকে বের হন ওই ছাত্রী। হল থেকে বের হওয়ার পর তার সাবেক স্বামী সোহেল রানাসহ কয়েকজন তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করে। কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তারা জোর করে ওই ছাত্রীকে সাদা একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে দ্রুত চলে যায়। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, ইচ্ছার বাইরে আমাদের বাবাও জোর করে আমাদের ক্যাম্পাস থেকে তুলে নিতে পারেন না। অথচ তার সাবেক স্বামী কীভাবে ক্যাম্পাস থেকে তুলে নিয়ে যায়। অপহরণের আট ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও প্রশাসন এখনো তার সন্ধান জানাতে পারেনি। এ দায় সম্পূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের। ওই ছাত্রীর বাবা আমজাদ হোসেন জানান, এ বিষয়ে থানায় একটি অপহরণ মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহান বলেন, এটা পারিবারিক বিষয়। ওই ছাত্রীর চাচা এখানকার শিক্ষক। আমি তাকে ডেকে পারিবারিকভাবে বিষয়টি সমাধান করতে বলেছি। এছাড়াও পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। তারা ব্যবস্থা নিবে। বিশ্বদিব্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, তার স্বামীই তাকে তুলে নিয়ে গেছে। এর আগেও তার স্বামী নাকি ওই মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে হলের সামনে আসতো। শুনেছি, দুই মাস আগে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। কিন্তু তিন মাস না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর হয় না। তার স্বামী সোহেল রানা চাইছিল, যে বিচ্ছেদ না হয়।তবে এখনও পাওয়া যায়নি। পাওয়া তিনি বলেন, ওই ছাত্রীর খোঁজ পাওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে নিদের্শনা দেয়া হয়েছে। মতিহার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, এখনও ওই ছাত্রীর খোঁজ পাওয়া যায়নি। তবে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। একে/  

লেকহেড স্কুল রোববার পর্যন্ত বন্ধের নির্দেশ

জঙ্গি কার্য্ক্রমে মদদ দেওয়ার অভিযোগে বন্ধ থাকা রাজধানীর লেকহেড স্কুল খুলে দিতে হাইকোর্টের দেওয়া রায় আগামী রোববার পর্যন্ত স্থগিত করেছে সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত। বুধবার রাষ্ট্রপক্ষের এক আবেদনের প্রেক্ষিতে চেম্বার বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হাসান এ আদেশ দেন। একই সাথে আবেদনটি পূর্ণ শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে বলে জানান অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। মাহবুবে আলম বলেন, চেম্বার বিচারপতি মাহমুদ হাসান শুনানি শেষে হাইকোর্টের রায়টি আগামি রোববার পর্য্ন্ত স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন। জানা যায়, বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি সৈয়দ মুহম্মদ দস্তগীর হোসেন ও মো. আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ স্কুলটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুলে দেওয়ার আদেশ দেন। এর আগে জঙ্গি পৃষ্ঠপূষকতার অভিযোগে স্কুলটি বন্ধ করে দেয় সরকার। পরে স্কুলের মালিক ও ১২ অভিভাবকের করা রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এমজে/

‘প্রাথমিক ও ইবতেদায়িতে পরীক্ষার্থী ৩০ লাখের বেশি’

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, ১৯ নভেম্বর শুরু হচ্ছে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা। শেষ হবে ২৬ নভেম্বর। নকলমুক্ত সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান। ১৯ নভেম্বর শুরু হতে যাওয়া প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার তথ্য জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। মন্ত্রী বলেন, ‘এবারের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫ জন। তার মধ্যে প্রাথমিকে ২৮ লাখ ৪ হাজার ৫০৯ জন। আর ইবতেদায়ি পরীক্ষায় দুই লাখ ৯১ হাজার ৫৬৬ জন।’ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘সরকার যত দিন না সিদ্ধান্ত বদল করছে, তত দিন পর্যন্ত প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা চলবে।’ আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত হতেই হবে, এটা অনিবার্য। এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু মাঝে থেমে গিয়েছিল। তার মানে এই নয় যে, বিষয়টি চিরদিনের জন্য থেমে গেছে। এ নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোনো দ্বন্দ্ব নেই।’ এবার প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে বলেও জানান গণশিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এবারের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫ জন। গত বছর পরীক্ষার্থী ছিল ৩২ লাখ ৩০ হাজার ২৮৮ জন। এবার পরীক্ষার্থী কমেছে এক লাখ ৩৪ হাজার ২১৩ জন। পরীক্ষার্থী কমলেও তাদের মধ্যে ছাত্রের চেয়ে ছাত্রীর সংখ্যা বাড়ছে বলেও জানান মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি জানান, এবার ছাত্রদের চেয়ে এক লাখ ৮৯ হাজার ৮০১ জন বেশি ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেবে। এটি আশাব্যঞ্জক যে, মেয়েরা প্রতিটি ক্ষেত্রে ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছে। ১৯ নভেম্বর থেকে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল ১১টায় শুরু হয়ে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত চলবে। সাত হাজার ২৭৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে। অন্যান্যবারের মতো এবারও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় দেওয়া হবে। এবার প্রাথমিক সমাপনীতে দুই হাজার ৯৫৩ জন এবং ইবতেদায়িতে ৩৭৯ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। প্রসঙ্গত, জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী, প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করার কথা। সে কারণে পঞ্চম শ্রেণি শেষে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা উঠিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব থাকলেও মন্ত্রিসভা তা নাকচ করে দেয়। ফলে মন্ত্রিসভায় পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত পঞ্চম শ্রেণি শেষে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা চলতে থাকবে।   এসএইচ/

ঢাবির অধ্যাপকের বিরুদ্ধে প্রভাষকের জিডি

মুঠোফোনে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ফারসি ভাষা ও সাহিত্যের প্রভাষক মেহেদী হাসান। গত ১০ নভেম্বর রাজধানীর শাহবাগ থানায় এ জিডিটি করা হয়। জিডি নম্বর ৬৪২। জিডিটিতে বল হয়েছে, ‘গত ২৬ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নীল দল কর্তৃক আয়োজিত সাধারণ সভা চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দিন কর্তৃক আক্রমণের স্বীকার হন। কিন্তু আক্রমণকারী শিক্ষক ড. আ ক ম জামাল উদ্দিন মিডিয়ার কাছে অসত্য তথ্য প্রদান করায় আমি যেহেতু ওই ঘটনার একজন প্রত্যক্ষদর্শী ছিলাম, তাই ড. আ ক ম জামাল উদ্দিনের মিথ্যাচারের কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ায় আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সঠিক তথ্য প্রকাশ করে যথাযথভাবে এর প্রতিবাদ করতে থাকি। এর প্রতিক্রিয়ায় গত ৬ নভেম্বর রাত ১০টা ২০ মিনিট থেকে ১০ টা ২৫ মিনিটের মধ্যে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দিন আমাকে একটি মোবাইল ফোন, যার নম্বর ০১৭******৫৪ থেকে আমার মোবাইলে ফোন করে অত্যন্ত অপমানজনক ও ভীতি উদ্রেককারী ভাষায় হুমকি প্রদান করেন।’ “অধ্যাপক জামাল ফোনের শুরুতেই আমাকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন বলে উল্লেখ করেন এবং বিগত সিনেট নির্বাচনের নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় আমার কাছে ভোট চাইতে এলে আমার বিরুদ্ধে বিগত প্রশাসনের করা একটি মিথ্যা অভিযোগের ব্যাপারে আমি যে তাঁকে অবহিত করেছিলাম, সে ঘটনাটিকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে অত্যন্ত অপমানজনক ভাষায় মিথ্যাচার করে বলেন, আমি নাকি তাঁর হাত-পা ধরে আমার অভিযোগের কথা তাঁকে বলেছিলাম। আমি সাথে সাথেই এর প্রতিবাদ করে বলি, ‘আমি আপনার হাত-পা ধরে কথা বলিনি, মুখেই বলেছি আর তাতে কোনো কাজও হয়নি, বরং আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’ এর পর তিনি আমার ওপর মিথ্যারোপ করে বলেন, তাঁর কাছে নাকি এই রিপোর্ট আছে যে, তাঁর বিরুদ্ধে পত্র-পত্রিকায় যেসব রিপোর্ট বের হচ্ছে তার সবই নাকি আমার পাঠানো। তিনি বলেন, আমার পাঠানো খবরের পূর্বে নাকি তাঁর পক্ষেই সব খবর প্রকাশ হয়েছে। আমিই নাকি তাঁর বিরুদ্ধে ইনকিলাব পত্রিকায় প্রথম সংবাদ প্রকাশ করি।’ মেহেদী হাসান আরো বলেন, ওই শিক্ষক আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়েছে, যা আমার ফোনে রেকর্ডিং আছে। আমি সেটাই জিডিতে লিখেছি। এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী জানান, ভুক্তভোগী শিক্ষক রাষ্ট্রের কাছে একটা অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি রাষ্ট্র দেখবে। তিনি আমাদের (বিশ্ববিদ্যালয়) কাছে এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ করেননি।   এমআর

সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইনোভেশন হাব’ : এটুআই

শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিভিত্তিক ভাবনা-উদ্ভাবনগুলোকে কাজে লাগাতে সব পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইনোভেশন হাব’ প্রতিষ্ঠা করবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই)।বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী শক্তিকে এক ছাদের নিচে আনার এই উদ্যোগে স্বাগত জানিয়েছেন উপাচার্যরা। মঙ্গলবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এটুআই আয়োজিত উপাচার্য সম্মেলনে ইনোভেশন হাবের সম্ভাবনাগুলো তুলে ধরার পর পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন প্রধানরা এব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া দেন তারা। প্রসঙ্গত, দ্রুত গতিতে উদ্ভাবনী সংস্কৃতি গড়তে এটুআই দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনোভেশন হাব প্রতিষ্ঠা করবে। আশা করা হচ্ছে এর মাধ্যমে নাগরিক সমস্যাগুলোর বাস্তবায়নযোগ্য সমাধান সম্ভব হবে। প্রত্যেকটি হাবের তত্ত্বাবধানে একটি এক্সিকিউটিভ কমিটি থাকবে, একজন করে হাব ফোকাল পার্সন এবং উপদেষ্টা-মেন্টর থাকবে। সব বিশ্ববিদ্যালয়ের হাবকে এক সুতোয় বাঁধতে http://ilab.gov.bd/ একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আছে। অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো.আখতারুজ্জামান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কাজ হলো মৌলিক জ্ঞানের সৃষ্টি। আর ইনোভেশনের হলো অভিনব কিছু করা। এখনও ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের দূরত্ব রয়েছে। এ দুরুত্ব কমাতে হবে, ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের পারস্পরিক যোগাযোগ থাকতে হবে। এজন্য যৌথ গবেষণা প্রকল্প গ্রহণ জরুরি। তিনি বলেন, ঢাবিতে একটি ল্যাবের জন্য ৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ক্যাম্পাসে ইনোভেশন অ্যান্ড ইন্টারপ্রিনিউরশিপ সেন্টার রয়েছে। আমাদের আগে সমস্যা-প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করতে হবে। এই সমস্যা চিহ্নিত করতে হলে ইন্ডাস্ট্রি-বিশ্ববিদ্যালয়ের সেতুবন্ধন ঘটাতে হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ উপস্থিত হতে না পারলেও ভিডিও কলের মাধ্যমে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শুধু ক্লাস আর বইয়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের ধরে রেখে উচ্চশিক্ষাকে সীমাবদ্ধ রাখতে চাই না। এখনিই সময় প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে তাদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগানোর। আমরা কেবল প্রযুক্তি আমদানিকারক হিসেবে থাকতে চাইনা, প্রযুক্তি রপ্তানিকারক হতে চাই। এ জন্য তরুণদের সক্ষমতা-সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সমস্যা সমাধান করতে হবে বলেও জানান তিনি। অনুষ্ঠানের শুরুতেই ইনোভেশন হাব সম্পর্কে অডিও-ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা তুলে ধরে এটুআই। এটুআইয়ের পলিসি অ্যাডভাইজার আনির চৌধুরী বলেন, তরুণরা প্রাকৃতিক-রাজনৈতিক দুর্যোগে নেতৃত্ব দিয়েছে। প্রযুক্তির যুগে তরুণ সম্প্রদায়কে প্রযুক্তির মাধ্যমে নেতৃত্ব দিতে হবে। যুগের চাহিদা পূরণে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে তরুণদের ভিন্ন ভিন্নভাবে তৈরি হতে হয়েছে। যেটা ১৯৭০ এর দশকে একরকম ছিলো, ২০০০ সালে প্রাধান্য দেয়া হলো তরুণদের টিমওয়ার্ক। ২০২০ সালে তরুণদের জানতে হবে প্রবলেম সলভিং। ২০৩০ সাল নাগাদ অনেক পেশা নাও থাকতে পারে। তাই এখন যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাদেরকে নতুন সময়ের জন্য তৈরি করতে হবে।’ দেশের পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের অংশগ্রহণে এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এটুআই প্রকল্প পরিচালক কবির বিন আনোয়ার। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন প্রমুখ।   আর    

মানসিক দক্ষতায় ভালো নম্বর তোলার কৌশল

কদিন পরেই ৩৮তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। দেশের প্রায় ৩ লাখ ৮৯ হাজার শিক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত চাকরির আশায় অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে এই পরীক্ষায়। এই সময়ে নিশ্চয়ই ব্যস্ততম সময় কাটাচ্ছেন বিসিএস প্রত্যাশী বন্ধুরা। বিসিএসে মানসিক দক্ষতা একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। একটু সতর্ক হয়ে প্রস্তুতি নিলে এ বিষয়ে ভালো নম্বর তোলা যায়। কিভাবে এই স্বল্প সময়ের মধ্যে মানসিক দক্ষতা বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিতে পারেন- এ বিষয়ে ইটিভি অনলাইনের মাধ্যমে পাঠকদের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন ৩৬তম বিসিএসের পুলিশ ক্যাডার রব্বানী হোসেন এবং পররাষ্ট্র ক্যাডার বিশ্বজিত দেবনাথ। পৃথকভাবে দেওয়া তাদের টিপস নিয়ে লিখেছেন ইটিভি অনলাইনের মো. জুয়েল মিয়া । রব্বানী হোসেন ও বিশ্বজিত দেবনাথ মনে করেন, বি্সিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় দুইশ’ নম্বরের মধ্যে মানসিক দক্ষতা অংশে পুরো নম্বর পাওয়া খুবই সহজ। মানসিক দক্ষতা অংশে ১৫ নম্বর পেতে হলে শিক্ষার্থীদের পিএসসির অধীনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার প্রশ্ন ও বিগত বছরের প্রশ্নগুলো মনোযোগসহ সমাধান করতে হবে। এসময় তারা বলেন, মানসিক দক্ষতা অংশে অবশ্যই ভাল করতে হবে। এর কারণ- বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় ৫০ নম্বরের মানসিক দক্ষতা থাকে, যা প্রিলিমিনারির মতই। পুরো নম্বর পেতে অবশ্যই পড়তে হবে এমন বিষয়গুলো হল- ঘড়ির অঙ্কগুলো, আয়নায় প্রতিফলন, পানিতে প্রতিফলন, ইংরেজি শব্দার্থ, বাংলা প্রতিশব্দ, সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ, বাংলা বানানের নিয়ম, ত্রিভূজ, কোণসহ জ্যামিতির একেবারে মূল বিষয়গুলো। রব্বানী হোসেন বলেন, গণিত ও মানসিক দক্ষতা বিষয়ে ৩০ নম্বরের মধ্যে ২৫ নম্বর পাওয়া একেবারেই সহজ। মানসিক দক্ষতা অংশে জোর দিতে পারলে গণিতে পূর্ণাঙ্গ নম্বর তোলার চাপ অনেকাংশেই কমে যাবে। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, গণিতে কয়েকটি প্রশ্ন থাকে, যার উত্তর করতে হলে তুলনামূলক বেশি সময় ব্যয় হয়। তাই মানসিক দক্ষতার উপর জোর দেওয়ার তাগিদ দেন তিনি। একইসঙ্গে লিখিত পরীক্ষায়ও মানসিক দক্ষতা থেকে ৫০ নম্বরের প্রশ্ন আসায় মানসিক দক্ষতা অংশই একজন পরীক্ষার্থীকে অনেকাংশে এগিয়ে দিতে পারে বলে তার মত। তিনি আরও বলেন, বাজারে পাওয়া যায় এমন একটি মানসিক দক্ষতার বই পড়তে হবে। কোন বই পড়েছিলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বেশ কয়েকটি বই-ই পড়েছি। তবে আমার কাছে প্রস্তুতির ক্ষেত্রে এমপি থ্রি-র মানসিক দক্ষতা বইটি বেশি কার‌্যকর মনে হয়েছে। মানসিক দক্ষতা অংশে ভালো ফলের জন্য পুরনো বছরের প্রশ্নগুলো মনোযোগসহ পড়ার তাগিদ দেন আরেক বিসিএস ক্যাডার বিশ্বজিত দেবনাথ। তিনি বলেন, পিএসসিসহ যতগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা আছে, সবগুলোর প্রশ্ন সমাধান করে ফেলতে হবে। পাশাপাশি ইউটিউবে মানসিক দক্ষতা সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি ভিডিও পাওয়া যায়, সম্ভব হলে সেগুলো দেখারও তাগিদ দেন তিনি। এমজে/ এআর      

শেষ সময়ে প্রস্তুতিটা নিতে হবে নিজের মতো করে

বিসিএস ক্যাডার সার্ভিস প্রত্যাশীদের দরজায় কড়া নাড়ছে ৩৮ তমের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, ডিসেম্বরের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই পরীক্ষা। এই সময়ে নিশ্চয়ই পড়ালেখায় ব্যস্ততম সময় কাটাচ্ছেন বিসিএস প্রত্যাশী বন্ধুরা।  ৩৮ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার্থীরা সামনের স্বল্প সময়ে কিভাবে নিজেদের পড়াশুনা গুছিয়ে নিবেন সে বিষয়ে মূল্যবান পরামর্শ দিয়েছেন ৩৬তম বিসিএসে পররাষ্ট্র ক্যাডার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির স্নাতক বিশ্বজিত দেবনাথ। বিশ্বজিত দেবনাথ মনে করেন, বিসিএস ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন ছুঁতে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করতে হবে। তাঁর মতে, বিসিএসের পড়াশোনাটা সম্পূর্ণ নিজের উপর নির্ভর করে। কোচিং শুধু গাইডলাইন দিতে পারে। প্রস্তুতিটা নিতে হতে নিজের মতো করে। এক্ষেত্রে ইউটিউবও হতে পারে আপনার প্রস্তুতি সহায়ক। বিসিএসে ক্যাডার হতে হলে স্বপ্ন দেখতে হবে। একটাই স্বপ্ন দেখতে হবে – বিসিএস স্বপ্ন। এজন্য দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা করতে হবে। বিসিএসের পরিধি অনেক বড়। তাই অনেক সময় নিয়ে পড়াশোনা করতে হয়। তবুও প্রিলিমিনারির আগমুহূর্তে স্বল্প সময়ে কিভাবে গুছানো প্রস্তুতি নেওয়া যেতে পারে এ বিষয়ে বিশ্বজিত দেবনাথ গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন। অনুলিখন করেছেন মীর মাহবুবুর রহমান। নিচে তাঁর বিষয়ভিত্তিক পরামর্শগুলো তুলে ধরা হলো- বাংলা ৩৫ বিবিএসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাংলা। বিসিএসের প্রিলিমিনারিতে ২০০ নম্বরের মধ্যে ১২০ পেলে মোটামুটি নিরাপদ থাকা যায়। সেজন্য যে বিষয়গুলোকে নিজের ‘স্ট্রং জোন’ বানানো যায় সে বিষয়গুলোর মধ্যে বাংলা অন্যতম। বাংলা ৩৫, ইংরেজি ৩৫ ও সাধারণ জ্ঞানের বাংলাদেশ অংশ ৩০। এই তিন বিষয় থেকেই ১০০ নম্বরের জন্য ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারেন। এখানে আপনাকে অর্ধেক সময় দিতে হবে। সুতরাং বাংলা অংশটাও আপনার জোর দিতে হবে। এজন্য ৩-৪টি সেট পড়তে হবে। সময় কম, তাই প্রিলিমিনারির জন্য রিডিংয়ের প্রতি জোর দিতে হবে। প্রতিবছরই বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগ থেকে প্রশ্ন আসে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বেগম রোকেয়া, মীর মশাররফ, ফররুখ আহমেদ, প্রমথ চৌধুরী, শামসুর রাহমানের মতো ব্যক্তিদের জীবন ইতিহাস ও রচনা থেকেও প্রশ্ন আসে। সুতরাং তাদের কর্ম ও জীবনী জেনে নিতে হবে। ব্যাকরণ অংশে ভালো করতে হলে বিসিএসসহ পিএসসির নন-ক্যাডার ও অন্যান্য সরকারি চাকরির ও বিভিন্ন ব্যংকে নিয়োগের বিগত বছরের প্রশ্নগুলো আগে দেখে নিতে হবে। বিগত বছরের প্রশ্নপত্র থেকে অনেক প্রশ্ন কমন পড়ে। বিপরীত শব্দ, সমার্থক শব্দ, সমাস, বানানরীতি, ণ-ত্ব বিধান, ষ-ত্ব বিধান ইত্যাদি বিষয়গুলো দ্রুত দেখে নিতে হবে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষা শুরু হতে খুব বেশি সময় বাকি নেই। তাই কোনো বিষয়েই বিস্তারিত জানার সুযোগ কম। শর্টকার্ট পদ্ধতিতে পড়তে হবে। বাজারের অনেক বইয়েই শর্টকার্ট বিভিন্ন পদ্ধতি দেওয়া আছে। শর্টকাটের জন্য নিয়মিত ইউটিউবে বিসিএস বাংলা সম্পর্কিত শর্টকাট ভিডিও ক্লিপগুলো অনেক সহায়ক হিসেবে কাজ করে। বাংলা বানানের জন্য বাংলা একাডেমি প্রণীত বানান রীতিগুলো আয়ত্ব করে ফেলতে হবে। বাংলা একাডেমি ও একুশে পদক সম্পর্কে প্রতিবছর প্রশ্ন আসে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উল্লেখযোগ্য সাহিত্য, বাংলা সাহিত্যর উল্লেখযোগ্য পত্রিকা ও সম্পাদকের নাম জানতে হবে। ইংরেজি - ৩৫ বিসিএসে ভালো করতে হলে অবশ্যই ইংরেজিতে ভালো করতে হবে। বিসিএসের ইংরেজি এতো বেশি কঠিন হয় না। ব্যাংক জবের তুলনায় বিসিএস পরীক্ষার ইংরেজি সহজ হয়। ইংরেজি সাহিত্য অংশের জন্য স্নাতক সিলেবাসটি পড়তে হবে। ইংরেজি সাহিত্যের বিভিন্ন যুগ সম্পর্কে পরিস্কার হতে হবে। জানতে হবে ইংরেজি সাহিত্যিকদের জীবন সম্পর্কেও। ইংরেজি সাহিত্যের বড় বড় নাটক উপন্যাসের চরিত্র সম্পর্কে জানতে হবে। বিসিএসে প্রতিবছরই প্রশ্ন আসে এসব থেকে।বিসিএস ইংরেজি বিষয়ের প্রস্তুতি নিয়ে ইউটিউবে ভালো ভালো ভিডিও ক্লিপ পাওয়া যায়। সেগুলো অনেক সহায়ক হিসেবে কাজ দিবে। ইংলিশ লিসেনিংয়ের জন্যও ইউটিউব আপনার সহায়ক হতে পারে। এছাড়া বিসিএস ও পিএসসির বিগত বছরের প্রশ্নগুলো দেখে নিতে হবে। গ্রামার অংশের জন্য Subject Verb agreement, Sentence correction, Tense,Voice, narration, Right forms of Verbs, Conditionals ইত্যাদি টপিকগুলো ভালোভাবে দেখে নিতে হবে। এগুলো বিসিএস প্রিলি ও লিখিত উভয় পরীক্ষার জন্যই কাজে দিবে। পাশাপাশি ভোকাবলারির জন্য ইংরেজি শব্দ ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে হবে। গ্রামার সম্পর্কিত বিসিএস ও পিএসসির বিগত বছরের প্রশ্নগুলো পড়ে নিতে হবে। সাধারণ জ্ঞান - ৫০ সাধারণ জ্ঞান ‍দুটি অংশে বিভক্ত । ১. বাংলাদেশ বিষয়াবলী                    ও ২. আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী।  বাংলাদেশ বিষয়াবলী-৩০ : প্রিলিমিনারিতে ৩০ নম্বর থাকে বাংলাদেশ বিষয়াবলি থেকে। এ বিষয়ে ভালো করতে হলে বাংলার সব ইতিহাস জানতে হবে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষা যেহেতু সন্নিকটে সেহেতু সব কিছু বিস্তারিত জানার সুযোগ কম। ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৭১ পর‌্যন্ত ঘটনা প্রবাহগুলোর প্রতি আপাতত জোর দিন। যেমন : ১৯৪৭ সালের দেশভাগ, ৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ৬৬ সালের ছয় দফা, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ৬৯ এর গণঅভ্যূত্থান ও ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জেনে নিতে হবে। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী উল্লেখযোগ্য ঘটনা প্রবাহগুলো জেনে নিতে হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ বাংলাদেশের বিখ্যাত ব্যক্তিগণ সম্পর্কেও তথ্য জানতে হবে। আন্তর্জাতিক ২০ :  প্রিলিমিনারিতে ২০ নম্বর থাকে আন্তর্জাতিক বিষয়বলি থেকে। তাই বিভিন্ন দেশ, সরকার প্রধান, জাতীয় প্রতীক, পার্লামেন্ট প্রভৃতি সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। বৈশ্বিক রাজনীতি, বিভিন্ন দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য সম্পর্কে ধারণা করতে হবে। জাতিসংঘসহ অন্যান্য স্বনামধন্য সংগঠনগুলো সম্পর্কে জেনে নিতে হবে। নোবেল পুরস্কার সম্পর্কে জানতে হবে। এছাড়া সাম্প্রতিক বিশ্ব সম্পর্কে হালনাগানাদ থাকতে টেলিভিশনের সংবাদ দেখতে হবে , সংবাদপত্র নিয়মিত পড়তে হবে।   গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা – ৩০ গনিত অংশে ভালো করতে হলে সপ্তম, অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণীর গণিত বইগুলো পড়ে নিতে হবে আগে। এটা প্রিলি ও লিখিত উভয়ই পরীক্ষার ক্ষেত্রে সহায়ক হিসেবে কাজে দিবে। এছাড়া ৩-৪টি সেট বই পড়লেও কাভার হয়ে যাবে। প্রিলির জন্য শর্টকাটের জন্য ইউটিউবের বিভিন্ন ভিডিও ক্লিপ দেখতে পারেন। তবে সবার আগে সমাধান করে ফেলতে হবে পিএসসির বিগত বছরের যাবতীয় প্রশ্ন গুলো। মানসিক দক্ষতা অংশটা ইংরেজি ও বাংলার সাথে সম্পৃক্ত। গণিতের বিভিন্ন ধারা, আইকিউসহ বিভিন্ন বিষয়গুলো থেকেই মূলত প্রশ্ন থাকে। ইংরেজি ও বাংলা ব্যাকরণের প্রতি জোর দিলেও মানসিক দক্ষতা বিষয়ে ভালো করা যায়। বিজ্ঞান - ১৫ বিজ্ঞানের জন্য নবম ও দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বইটি পড়তে হবে। জীব বিজ্ঞান, ফিজিক্স, কেমেস্ট্রি বিষয়গুলোও পড়ে নিতে হবে। এছাড়া বিভিন্ন বিজ্ঞানীর নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তি সম্পর্কে জানতে হবে। এছাড়া বিসিএসসহ পিএসসির অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষার বিগত বছরের প্রশ্নগুলো পড়ে নিতে হবে। ভূগোল পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা – ১০ এ অংশ থেকে প্রিলিমিনারিতে ১০ নম্বর থাকে। এ অংশে ভালো করতে হলে বিশ্ব মানচিত্র সম্পর্কে ভাল ধারনা রাখা জরুরি। নবম দশম শ্রেণির ভুগোল বইটি পড়ে নিলে ভালো হয়। এছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কেও ধারণা থাকতে হবে। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি – ১৫ কম্পিউটারের ইতিহাস সম্পর্কে  ধারণা রাখতে হবে। এছাড়া মাউস , হার্ডওয়ার, সফটওয়ার, সিপিইউ, হার্ডডিস্ক, ই-কমার্স, ইন্টারনেট, সংখ্যা পদ্ধতি, প্রোগ্রামিং নেটওয়ার্ক প্রভৃতি বিষয়ে প্রশ্ন আসে। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কিত পিএসসি নন-ক্যাডার ও অন্যান্য সরকারি চাকরির ও বিভিন্ন ব্যংকে নিয়োগের বিগত বছরের প্রশ্নগুলো পড়তে হবে। নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন - ১০ এই অংশ সম্পর্কে বিগত বছরের খুব বেশি প্রশ্ন নেই। তাই অংশে ভালো করতে হলে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, আইনের শাসন, মুল্যবোধ, ধর্মীয় অনুশাসন প্রভৃতি বিষয়ে ধারণা নিতে হবে। নবম – দশম শ্রেণীর পৌরনীতি বইটা সহায়ক হিসেবে কাজে দিবে। তাছাড়া ওরাকল ও অ্যাসিওরেন্স সিরিজের বইগুলো পড়ে নিতে পারেন। / এমআর / এআর  

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি