ঢাকা, রবিবার   ১৭ নভেম্বর ২০১৯, || অগ্রাহায়ণ ৪ ১৪২৬

Ekushey Television Ltd.

নিউজিল্যান্ডের একটি স্কুলে হিজাব নিষিদ্ধ নিয়ে বিতর্ক

প্রকাশিত : ১২:০২ ২১ মার্চ ২০১৯

নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে সবচেয়ে এক্সক্লুসিভ বেসরকারি একটি স্কুলে মাথায় হিজাব পরায় নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে গুলি করে কমপক্ষে ৫০ জন মুসলিমকে হত্যার এক সপ্তাহেরও কম সময়ে এ নিয়ে বিতর্ক তীব্র হয়ে উঠেছে। ওই স্কুলটি হলো ডাওসেসান স্কুল ফর গার্লস। বলা হচ্ছে, সেখানে এই নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে মানবাধিকার বিষয়ক আইন ও নিউজিল্যান্ড বিল অব রাইটসকে লঙ্ঘন করা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড।

রেডিও নিউজিল্যান্ড-এর সাবেক রিপোর্টার মোহাম্মদ হাসান তুরস্কের ওয়েবসাইট টিআরটি ওয়ার্ল্ডে লিখেছেন, ওই স্কুলের শিক্ষক বা শিক্ষিকাদের বলা হয়েছে ইসলামিক পোশাক ওই স্কুলের আইন ভঙ্গ করে। তবে জবাবে স্কুলটির প্রিন্সিপাল হিদার ম্যাকরাই বলেছেন, ডাওসেসান বৈচিত্রপূর্ণ মূল্যবোধে বিশ্বাস করে এবং তা অনুসরণ করে। কিন্তু স্কুলের নির্ধারিত পোশাকের নীতি একত্ববাদ ও একই পরিবারভুক্ত এমন একটি অনুভূতি সৃষ্টি করে। তবে গত শুক্রবারের হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দেশজুড়ে দুই মিনিটের যে নীরবতা পালনের কর্মসূচি সরকার ঘোষণা করেছে তা পালন করবে তার স্কুল। এদিন ‘স্কার্ভস ইন সলিডারিটি’ দিন হিসেবে কোনো ছাত্রী হিজাব পরে স্কুলে গেলে তাকে স্বাগত জানানো হবে। মুসলিম পরিবারগুলোর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে যেকোনো ছাত্রী বা অন্য কেউ স্কুলে গেলে তাকে স্বাগত জানানো হবে।

তবে তিনি স্বীকার করেন তার স্কুলে কিছু বিধিনিষেধ আছে। সেটা ডাওসেসান পরিচিতিকে সমুন্নত রাখতে করা হয়েছে। তার অধীনে স্কুলে কোনো স্বর্ণালংকার পরে যাওয়া যাবে না। পরা যাবে না নেইল পলিশ, স্কার্ট। তিনি বলেছেন, ছাত্রীদের এ স্কুলে পাঠানোর সময় এখানকার পোশাকের যে নীতি সে বিষয়ে সব অভিভাবকই স্বাক্ষর করেছেন।

ওদিকে টিআরটি ওয়ার্ল্ড ওই স্কুলের একজন পুরুষ শিক্ষককে উদ্ধৃত করে বলেছে, সহকর্মীরা বিষয়টি সামনে তুলে ধরে উদ্বেগ জানানোর পর শুক্রবারের সিদ্ধান্তের বিষয়ে ঘোষণা এসেছে। উদ্বেগে বলা হয়েছে, অনেক মুসলিম শিক্ষার্থী হিজাব পরে ওইদিন স্কুলে আসতে পারবেন না। এরপরেই শুক্রবারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হিদার ম্যাকরাই। তবে তিনি স্টাফদের বলে দিয়েছেন তাদের স্কুলের নীতি নতুন কিছু নয়। তারা যেন এই নীতি মেনে চলেন।


টিআর/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি