পারিবারিক কলহে এসপির বাংলোর গার্ডরুমে পুলিশ সদস্যের আত্মহনন
প্রকাশিত : ১৫:৩৪, ২৭ আগস্ট ২০২৬
গাইবান্ধায় পুলিশ সুপারের বাস ভবনের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত নায়েক হাবিবুর রহমান পারিবারিক কলহের জের ধরে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন।
পুলিশের গার্ড রুমের ওয়াশরুম থেকে বুধবার সন্ধ্যায় তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নীলফামারী জেলার বাবুপাড়ার মিন্টু মিয়ার সন্তান তিনি।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নায়েক হাবিবুর রহমান এক সন্তান ও স্ত্রীসহ থাকতেন ঢাকায়। সপ্তাহ খানেক আগে ঢাকার ডিমপি থেকে বদলি হয়ে গাইবান্ধায় আসেন তিনি। যোগদানের পর থেকে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনের বাসভবনের নিরাপত্তার দায়িত্ব পান এবং থাকতেন এসপির বাস ভবনের গার্ড রুমে। তার স্ত্রী-সন্তান ঢাকাতেই থাকতেন।
তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল দীর্ঘদিন থেকে। দুজনের মধ্যে মনোমালিন্য নজরে আসে তার টেলিফোনের সংলাপ থেকে। বুধবার ফোনে অসংলগ্ন কথাবার্তা, তর্কবিতর্ক করতে শুনতে পান পাশে থাকা অন্য পুলিশ সদস্যরা। বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে ফোন হাতে নিয়ে তিনি পরিবারের কারো সাথে কথা কাটাকাটি করতে করতে সহকর্মীদের পাশ থেকে উঠে গার্ড রুমের ওয়াশ রুমে প্রবেশ করেন।
তারপর দীর্ঘক্ষন ওয়াশরুম থেকে সারা শব্দ না পেয়ে অন্য সহকর্মীরা ওয়াশরুমে গিয়ে ডাকাডাকি করলেও বের না হলে দরোজা ধাক্কা দিয়ে দরজা খুলে তাকে গলায় গামছা পেচানো অবস্থায় ঝুলে থাকতে দেখেন সবাই। তাদের চিৎকারে পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন।
গাইবান্ধা সদর থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে ঝুলন্ত মরদেহ নামিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠান।
এব্যাপারে গাইবান্ধা সদর ওসি নাজমুল হুদা পারিবারিক কলহের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আত্মহননের আগে কারও সাথে তার ফোনে কথাকাটাকাটি হয়, রাগারাগি করতে করতেই তিনি ওয়াশরুমে প্রবেশ করেন বলে জানান।
এএইচ
আরও পড়ুন










