বাংলাদেশ জে-১০সি কিনলে ভারত-আমেরিকার মাথাব্যথার কারণ নেই: বিশেষজ্ঞ মতামত
প্রকাশিত : ১১:১৩, ৩০ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১১:২৭, ৩০ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে চীন থেকে চতুর্থ প্রজন্মের সুপারসনিক বহুমুখী যুদ্ধবিমান 'জে-১০সি' (J-10C) কেনার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছে বর্তমান সরকার। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানান, এই বিমান কেনার বিষয়ে আলোচনা এগিয়ে চলেছে। এ সিদ্ধান্তকে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও অর্থনৈতিক দিক থেকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।
এআইইউবির ডিস্টিংগুইশড এক্সপার্ট ও অবসরপ্রাপ্ত এয়ার ভাইস মার্শাল মাহমুদ হুসাইনের মতে, সীমিত বাজেটের মধ্যে মান, আধুনিক সুবিধা ও কার্যকারিতার বিচারে জে-১০সি বাংলাদেশের জন্য সেরা পছন্দ হতে পারে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও আধুনিক সরঞ্জামের বিচারে ওয়েস্টার্ন ওয়ার্ল্ডের সামরিক প্রযুক্তির সমকক্ষ চীনের এই ইস্টার্ন ব্লকের যুদ্ধবিমান।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক সাহাব এনাম খানের মতে, সামরিক ক্রয়ে বাংলাদেশের নিজস্ব জাতীয় স্বার্থই মুখ্য হওয়া উচিত। রাশিয়া, তুরস্ক বা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও বাংলাদেশের সামরিক যোগাযোগ ও আলোচনার ধারাবাহিকতা রয়েছে। তাই কেবল চীনের থেকে যুদ্ধবিমান কেনাই একমাত্র গতিপথ নয়, বরং যেটি সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও কার্যকর হবে, সেটাই নেয়া যৌক্তিক।
প্রতিবেশ ও আন্তর্জাতিক শক্তি হিসেবে ভারত বা যুক্তরাষ্ট্রের কিছু উদ্বেগ থাকা অস্বাভাবিক নয়। তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়নকারীরা সঠিক কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে তাদের কাছে নিজেদের নিরাপত্তা চাহিদা ও অবস্থান পরিষ্কার করে বোঝাতে পারলে এটি কোনো বড় জটিলতা তৈরি করবে না।
ডেলটা আকৃতির ডানা ও উচ্চগতির এই জে-১০সি বিমানটি পাকিস্তান বিমান বাহিনীতেও ব্যবহৃত হচ্ছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে তার সামরিক সক্ষমতার স্বাক্ষর রেখেছে।
এমএইচ
আরও পড়ুন










