ঢাকা, শুক্রবার   ২২ মে ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে প্রতারণা,পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ২০:০৬, ২২ মে ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস), সাংবাদিক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে একাধিক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল্লাহ আল মামুনকে (৪৬) গ্রেপ্তার করেছে মানিকগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।

শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাসুম ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ইনচার্জ মানবেন্দ্র বালো উপস্থিত ছিলেন।

গ্রেপ্তার আব্দুল্লাহ আল মামুন মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার উলাইল গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে। তিনি ঢাকার সাভারের জালেশ্বর এলাকার রাঢ়ীবাড়ী বি-ব্লকের ২/৯ নম্বর বাসায় বসবাস করতেন।

পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে জমি ও ফ্ল্যাট ব্যবসার নামে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন মামুন। এছাড়া নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব, সাংবাদিক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পরিচয় দিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের বদলি ও পদোন্নতির প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, নিয়োগ বাণিজ্য এবং বিভিন্ন মামলার আসামিদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গত ১৮ মে তিনি তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে ফোন করে নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে পরিচয় দেন। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-১ জানতে পেরে ধানমন্ডি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত ১১টার দিকে সাভারের জালেশ্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসময় তার কাছ থেকে প্রতারণায় ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন, ভুয়া সাংবাদিক পরিচয়পত্র, ‘প্রেস’ লেখা একটি জিপগাড়ি, ‘আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট’ সম্বলিত লিফলেট এবং জমি ক্রয়-বিক্রয়ের দলিলের ফটোকপি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম বলেন, তিনি প্রতারণার কাজে বিশেষ একটি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেন এবং দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে পূর্বে চেক জালিয়াতিসহ মোট ছয়টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত।

এমআর// 


 


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি