ঢাকা, শুক্রবার   ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, || ফাল্গুন ১৩ ১৪২৭

কিবরিয়া হত্যার বিচার কাজে হতাশ স্বজনরা (ভিডিও)

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ১৩:২৫, ২৭ জানুয়ারি ২০২১

সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যার ১৬ বছর আজ। কয়েক দফা তদন্তের বেড়াজালে আটকে থাকা বর্বর এ হত্যাকাণ্ডের বিচার শেষ হয়নি এখনও। সাক্ষী না আসা, আসামীদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় ঠিকমতো আদালতে হাজির করতে না পারাসহ বিভিন্ন কারণে বিলম্বিত হচ্ছে বিচার কাজ। এতে হতাশ নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা।

২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে আওয়ামী লীগের জনসভায় যোগ দেন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া। সভা শেষে ফেরার সময় দুর্বৃত্তদের গ্রেনেড হামলায় তিনি ও তার ভাতিজা শাহ মঞ্জুর হুদাসহ ৫ জন নিহত হন। আহত হন ৪৩ জন।

এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। কিন্তু তদন্তের বেড়াজালে আটকে থাকায় বিচার শুরু হয় ১১ বছর পর। তারপরও নানা কারণে বিলম্বিত হচ্ছে বিচার কাজ।

এলাকাবাসী জানান, যারা এই ঘৃণিত কাজে জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই আমরা। বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন, এই সরকার থাকতে যাতে এই বিচারটি সম্পন্ন হয়।

বিচার নিয়ে হতাশার কথা জানান নিহত কিবরিয়ার স্বজন ও বাদী।

মামলার বাদি মো. আব্দুল মজিদ খান বলেন, দেখতে দেখতে এতোগুলো দিন পেরিয়ে গেছে, এখন পর্যন্ত মামলা আমরা শেষ পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারিনি। যদিও ইতিমধ্যে ৪৩ জন সাক্ষির সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে এই হত্যা মামলায়।

নিহত শাহ এএমএস কিবরিয়ার ছেলে ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, তিনটা চার্জশিট দেওয়া হয়েছে, আমরা এই চার্জশিট বার বার প্রত্যাখান করেছি এবং করে যাবো। যতদিন একটা সুষ্ঠ তদন্ত না হয় ততোদিনে তো একটা সুষ্ঠ বিচার আমাদের পাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীও স্বীকার করলেন বিচার কাজের দীর্ঘসূত্রিতার কথা।

সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি সরওয়ার আহমেদ আবদাল বলেন, মামলার সাক্ষ্য সংখ্যা অনেক বেশি। এই সাক্ষ্যগুলো থেকে সাক্ষী গ্রহণ করার পরে এটা আবার আর্গুমেন্ট পর্যায়ে যাবে। এই মুহূর্তে বলা সম্ভব নয় যে, রায়টা কবে হবে।

জটিলতার অবসান ঘটিয়ে বর্বর এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দেখতে চায় স্বজন ও এলাকাবাসী।
ভিডিও :

এএইচ/ এসএ/
 


Ekushey Television Ltd.

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি