ঢাকা, বুধবার   ০৭ জানুয়ারি ২০২৬

কুড়িগ্রামে বৃষ্টির মত ঝড়ছে কুয়াশা, সূর্যের দেখা নেই

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ১২:৪৬, ৪ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১২:৪৯, ৪ জানুয়ারি ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

কুড়িগ্রামে তীব্র ঠাণ্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত শীতল বাতাসে বেড়েছে কাঁপুনি। গত কয়েকদিন থেকে সূর্যের দেখা মিলছে না।  এতে করে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষজন।

কুড়িগ্রাম রাজারহাট আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, আজ রোববার (০৪ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

টানা কয়েকদিনের তীব্র শীতে ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে কষ্ট বেড়েছে চরাঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের দিনমজুর খলিল (৫০), জয়নাল (৩৮) বলেন, শীতের কারণে সকালে কাজে যাইতে দেরি হয়। ঠাণ্ডায় হাত-পা চলতে চায় না, তবু কাজ না করে উপায় নাই।

নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ  ইউনিয়নের ভিতরকুটি গ্রামের রাস্তার ধারে সরকারি জায়গায় বসবাসকারী বাছন বেওয়া (৫৫) বলেন, ‘এই শীতে রাইতে দুই একান খ্যাতা গাঁত দিয়ে শুতি খুব ঠাণ্ডা লাগে। কাইয়ো মোক কম্বল দিলো না।’
 
একই এলাকার রহিম আলী বলেন, “ঠাণ্ডায় কাজ না করলে পেটে ভাত যায় না। কাজে গেলে হাত-পা জ্বালাপোড়া করে, ঠিকমতো কাজ করতে পারি না।’

কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা খায়রুল ইসলাম বলেন, অতিরিক্ত ঠাণ্ডায় আমার ছেলের কয়েক দিন থেকে ডায়রিয়া শুরু হয়েছে। 

এ বিষয়ে কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. স্বপ্নন কুমার বিশ্বাস বলেন, জেলায় শীতজনিত রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। কিছু রোগী হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন। আবার কিছু কিছু রোগী হাসপাতালের ভর্তি হচ্ছেন।

কুড়িগ্রাম জেলা শাখার ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকতা আব্দুল মতিন জানান, ৯টি উপজেলায় ২৫ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ চলছে। এছাড়া নগদ ৪০ লাখ টাকা মজুদ রাখা আছে।

এএইচ


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি