জাতিসংঘ অধিবেশনে যেতে মাহমুদ আব্বাসকে ভিসা দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র
প্রকাশিত : ১০:১০, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১০:৩৪, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে ভিসা দিতে আবারও অস্বীকৃতি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় বছর জাতিসংঘের বার্ষিক এই অধিবেশনে সরাসরি অংশ নিতে পারছেন না তিনি।
একই সময়ে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন।
একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর প্রকাশ করেছে।
এর আগে গত বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে যোগ দেওয়ার সময়ও আব্বাসকে ভিসা দেয়নি ওয়াশিংটন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের অধিবেশনে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট ভিডিওতে বক্তব্য দিয়েছিলেন।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) কর্মকর্তা এবং ফিলিস্তিন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) সদস্যদের ওপর আগে থেকেই ভিসা নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। এখন আব্বাসকে ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্তের পর মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এই ভিসা বিধিনিষেধ বর্ধিত করা হয়েছে।
ওয়াশিংটনের অভিযোগ, পিএ কর্মকর্তা এবং পিএলও সদস্যরা সংস্কারপ্রক্রিয়া বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছেন। তাঁরা শান্তির সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন। সেই সঙ্গে ওয়াশিংটনকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে দুটি সংগঠনই ব্যর্থ হয়েছে। এসব কারণে তাঁদের ওপর ভিসা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, পিএ আর পিএলও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে। আলোচনার বাইরেও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পাওয়ার চেষ্টা করেছে। ফিলিস্তিনি বন্দী ও তাঁদের পরিবারের জন্য অর্থ দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। এ ছাড়া তারা ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে গৌরবান্বিত’ করেছে।
এসব কারণে ২০০২ সালের ‘মিডল ইস্ট পিস কমিটমেন্টস’ আইনের আওতায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কেউই যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাবেন না বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। তবে কোন কোন কর্মকর্তার ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তা স্পষ্ট করা হয়নি।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আরও জানায়, জাতিসংঘে পিএলওর পর্যবেক্ষক মিশনে দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তাদের জন্য আগে থেকে থাকা ভিসা ছাড়ের সুবিধা বহাল থাকবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা সংক্রান্ত ঘোষণার বিষয়ে ফিলিস্তিনি পক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
এএইচ
আরও পড়ুন










