কেস থেকে নাম তুলতে ১ কোটি টাকার প্রস্তাব পান সাকিব
প্রকাশিত : ১১:০৫, ১৪ মে ২০২৬ | আপডেট: ১১:২২, ১৪ মে ২০২৬
অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান অনেক দিন ধরে দল ও দেশের বাইরে। যুক্তরাষ্ট্রে আছেন তিনি, দেশে কবে ফিরবেন তাও তিনি জানেন না। কারণ তার বিরুদ্ধে দেশে মামলা হয়েছে। আর সেই মামলা থেকে তার নাম উঠিয়ে দিতে ১ কোটি টাকার একটি প্রস্তাব পেয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন সাকিব।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দৈনিক প্রথম আলোতে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন সাকিব। সেখানে তিনি এই অভিযোগ তোলেন।
দেশে ফেরা নিয়ে ওই সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, দেশে তো আমি ফিরতে চাইলে এখনও ফিরতে পারব। আমি চাই মোটামুটি একটা নিরাপত্তা আর দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা ওঠানো, যেটা খুবই সম্ভব। দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা না ওঠানো পর্যন্ত আমার পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়। এবং অবশ্যই নিরাপত্তা, এই দুইটা জিনিস আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞাটাই একমাত্র সমস্যা।
মামলা থেকে রেহাই দেওয়ার প্রস্তাবের বিষয়ে সাকিব বলেন, এ রকম একটা প্রস্তাব আমার কাছে এসেছে যে এক কোটি টাকা দিলে আমার নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে। তবে যে বা যারা টাকাটা দাবি করছে, তাদের ধারণা নেই যে কেসটা যেহেতু করে ফেলেছে, এখন চাইলেও তারা নাম ওঠাতে পারবে না। বা তারা ওঠালেও পুলিশ যে ওঠাবে বিষয়টা তা না। আলটিমেটলি পুলিশের থেকেই এটার ক্লিয়ারেন্স আসতে হবে যে আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।
প্রস্তাবকারী প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, এফআইআরে বাদীপক্ষে যাঁর নাম আছে যোগাযোগ করার জন্য তিনি দু-একজনের মাধ্যমে যোগাযোগটা করেছেন। কাদের মাধ্যমে, আমি তাঁদের নাম বলতে চাচ্ছি না। টাকা দেওয়া মানে তো হচ্ছে আমার সমস্যা আছে, আমি চাচ্ছি যে আমাকে এখান থেকে বাঁচিয়ে দেওয়া হোক। হতে পারে তারা ভেবেছে আমার কাছে অনেক বেশি টাকা, চাইলেই হলো।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় দলের ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে। মামলার ২৮ নম্বর এজাহার নামীয় আসামি করা হয়েছে এই অলরাউন্ডারকে।
গার্মেন্টসকর্মী রুবেলকে হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে ডিএমপির আদাবর থানায় সাকিবের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাটি দায়ের করা হয়। রুবেলের বাবা রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন।
এই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ১৫৬ জনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা ৪০০-৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এএইচ










