ঢাকা, ২০১৯-০৬-১৬ ১৬:৫৮:৪৬, রবিবার

নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক শুরু  

নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক শুরু  

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকারের নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক শুরু হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার সকাল ১০টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বৈঠকের বিষয়ে ব্রিফ করবেন।    ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে নতুন সরকার। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত হয় ৪৭ সদস্যের মন্ত্রিসভা, যার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ বৈঠকে ছয়টি আলোচ্যসূচি রয়েছে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ভাষণ। প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে রাষ্ট্রপতি সংসদে যে ভাষণ দেবেন তার খসড়া অনুমোদন করা হতে পারে। এ সংক্রান্ত ভাষণটির খসড়া মন্ত্রীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। বছরের শুরুতেই দেশের রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দেন। বছরের শুরুতে শীতকালীন অধিবেশনে তিনি যে ভাষণ দেবেন তা মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হতে হয়। মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন পাওয়া ভাষণই সংসদে দেন রাষ্ট্রপতি। এই ভাষণে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিবরণ তুলে ধরা হয়। জানা গেছে, রাষ্ট্রপতির ভাষণ ছাড়াও মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে আরও ৫টি আলোচ্যসূচি রয়েছে। এগুলো হচ্ছে, গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইনের খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন। জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন। বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র আইনের নীতিগত অনুমোদন এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সুরক্ষা বিধিমালা-২০১৫ এর আলোকে প্রতিবন্ধী বিষয়ক জাতীয় কর্মপরিকল্পনার খসড়ার অনুমোদন। এসব আইন ও বিধির খসড়া গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার সদস্যদের কাছে পাঠানো হয়েছে। শপথ নেওয়ার পর মন্ত্রীরা কাজ শুরু করলেও এখন পর্যন্ত কোনও মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি। আরকে//
গাইবান্ধা-৩ আসন: ভোট থেকে সরে দাঁড়ালো ঐক্যফ্রন্ট

গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী বিএনপি নেতা অধ্যাপক ডা. ময়নুল হাসান সাদিক। দলীয় সিদ্ধান্তে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেন তিনি। এর আগে গাইবান্ধা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনে অংশ না দেওয়ার ঘোষণা দেন ঐক্যফ্রন্টের এই প্রার্থী। প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গত ৩০ ডিসেম্বর একযোগে দেশের ৩০০ আসনে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত ১৯ ডিসেম্বর ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী ড. টিআইএম ফজলে রাব্বি চৌধুরী মারা যাওয়ায় পরদিন ওই আসনের নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। পরবর্তীতে ওই আসনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। এবং ২৭ জানুয়ারি এই আসনে ভোটগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গত ২ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ঐক্যফ্রন্টের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ডা. মইনুল হাসান সাদিক। একে//

যেসব সুযোগ-সুবিধা পাবেন মন্ত্রীরা

বাংলাদেশে মন্ত্রীসভা গঠন করেছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় শপথ গ্রহণ করেছেন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী মিলিয়ে ৪৭ সদস্য। এই মন্ত্রীদের সম্পর্কে অনেকেরই কৌতুহল। মন্ত্রী হলে তারা কেমন সুযোগ-সুবিধা পাবেন। তারা কী সরকারি বেতন ভাতার বাইরে অতিরিক্ত কোনো সুযোগ-সুবিধা পান। সে সব কৌতুহল মেটাতে আসুন জেনে নেই বেতন-ভাতা ছাড়া বাংলাদেশের মন্ত্রীরা কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা পান। প্রধানমন্ত্রীর বেতন-ভাতা: দ্য প্রাইম মিনিস্টারস (রেমুনারেশেন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৬ অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বেতন মাসে এক লাখ ১৫ হাজার টাকা। এছাড়া তিনি মাসিক বাড়ি ভাড়া পান এক লাখ টাকা, দৈনিক ভাতা পান তিন হাজার টাকা। মন্ত্রীর বেতন-ভাতা: দ্য মিনিস্টারস, মিনিস্টার অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টারস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৬ অনুযায়ী, একজন মন্ত্রী বেতন পান মাসিক এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা। ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা এবং চিফ হুইপরাও সমান বেতন পান। এছাড়া একজন মন্ত্রী আরও যেসব সুবিধা পান:দৈনিক ভাতা: দুই হাজার টাকা, নিয়ামক ভাতা: মাসিক ১০ হাজার টাকা, স্বেচ্ছাধীন তহবিল: ১০ লাখ টাকা, মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা। সরকারি খরচে সার্বক্ষণিক গাড়ি। ঢাকার বাইরে অফিসিয়াল ট্যুরের জন্য অতিরিক্ত একটি জিপ গাড়ি পাবেন, যার যাবতীয় খরচ সরকার বহন করবে। সরকারি খরচে রেল ভ্রমণ ও বিদেশ ভ্রমণ, বিনা ভাড়ায় সরকারি বাসভবন: গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ ভবনটির যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ সরকার বহন করবে। আসবাবপত্র: সরকারি বাসায় সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র, সরকারি বাসায় না থাকলে: বাড়ি ভাড়া বাবদ ৮০ হাজার টাকা, সেই সঙ্গে বাড়ি ব্যবস্থাপনা খরচ ও সব ধরনের সেবা খাতের বিল। বিমান ভ্রমণের জন্য বীমা সুবিধা আট লাখ টাকা, সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা প্রহরী, বাসস্থান থেকে অফিস বা অফিস থেকে বাসস্থানে যাতায়াতের খরচ পাবেন। নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের ভ্রমণ খরচও তিনি পাবেন। এছাড়া অন্তত দুজন গৃহকর্মীর ভ্রমণের খরচ পাবেন। উপসচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব, সহকারী সচিব পদমর্যাদার একজন সহকারী একান্ত সচিব এবং ক্যাডারের বাইরে থেকে আরেকজন সহকারী একান্ত সচিব। জাতীয় বেতন স্কেলে দশম গ্রেডের দুজন কর্মকর্তা। আরও পাবেন একজন জমাদার ও একজন আর্দালি, দুজন এমএলএসএস, একজন পাচক বা পিয়ন। প্রতিমন্ত্রীর বেতন-ভাতা:প্রতিমন্ত্রীদের বেতন প্রতি মাসে ৯২ হাজার টাকা। এই আয়ের ওপর কোনো কর নেই। এছাড়া তিনি আরও পাবেন: দৈনিক ভাতা-দেড় হাজার টাকা, প্রতিমন্ত্রীর নিয়ামক ভাতা- ৭ হাজার ৫০০ টাকা, স্বেচ্ছাধীন তহবিল- সাড়ে ৭ লাখ টাকা, মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা। বিনা ভাড়ায় সরকারি বাসভবন: গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ ভবনটির যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ সরকার বহন করবে। আসবাবপত্র- সরকারি বাসায় সর্বোচ্চ চার লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র। সরকারি বাসায় না থাকলে: বাড়ি ভাড়া বাবদ ৭০ হাজার টাকা, সেই সঙ্গে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ সব ধরনের সেবা খাতের বিল ও বাড়ি ব্যবস্থাপনা খরচ। উপসচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব, সহকারী সচিব পদমর্যাদার একজন সহকারী একান্ত সচিব এবং ক্যাডারের বাইরে থেকে আরেকজন সহকারী একান্ত সচিব। জাতীয় বেতন স্কেলে দশম গ্রেডের দুজন কর্মকর্তা।আরও পাবেন একজন জমাদার ও একজন আর্দালি, দুজন এমএলএসএস, একজন পাচক বা পিয়ন। উপমন্ত্রীর বেতন-ভাতা:একজন উপমন্ত্রী বেতন পান ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা। তাকেও বেতন-ভাতার জন্য কোনো কর দিতে হবে না। দৈনিক ভাতা- দেড় হাজার টাকা, নিয়ামক ভাতা -পাঁচ হাজার টাকা, স্বেচ্ছাধীন তহবিল- সাড়ে ৫ লাখ টাকা, মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা। বিনা ভাড়ায় সরকারি বাসভবন: গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ ভবনটির যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ সরকার বহন করবে। আসবাবপত্র -সরকারি বাসায় সর্বোচ্চ চার লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র। সরকারি বাসায় না থাকলে-বাড়ি ভাড়া বাবদ ৭০ হাজার টাকা, সেই সঙ্গে বাড়ি ব্যবস্থাপনা খরচ ও সব ধরনের সেবা খাতের বিল। সহকারী সচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব, এবং ক্যাডারের বাইরে থেকে আরেকজন সহকারী একান্ত সচিব। এছাড়া একজন ব্যক্তিগত সহকারী, একজন জমাদার ও একজন আর্দালি, একজন এমএলএসএস, একজন পাচক বা পিয়ন। মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী হলে ওপরের উল্লিখিত সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। আরকে//

সিরাজগঞ্জে স্বাধীনতার পর এই প্রথম মন্ত্রী পেলো না

স্বাধীনতার পর থেকে এই প্রথম মন্ত্রিহীন সিরাজগঞ্জ। এবার মন্ত্রী পরিষদে নাম নেই জেলার কোনো সংসদ সদস্যের। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার ৬টি আসনেই জয়ী হন আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা। কিন্তু রোববার মন্ত্রিদের নাম ঘোষণা করা হলে, এতে সিরাজগঞ্জের কারো নাম নেই। এতে হতাশ সিরাজগঞ্জবাসী বলে জানা গেছে। কারণ ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার, ১৯৭২ এ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান থেকে শুরু করে সদ্য বিদায়ী সরকারেও মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ৯ শীর্ষ প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি। সর্বশেষ ২০১৪ সালেও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন মোহাম্মদ নাসিম। জানা গেছে, ১৯৭১-র ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের আমবাগানে (মুজিব নগর) গঠিত প্রবাসী স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী পরিষদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী। স্বাধীনতা যুদ্ধের ৯ মাসে প্রবাসী সরকারের মন্ত্রী, অন্যতম নেতা ও সংগঠকের দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেন তিনি। ১৬ ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণের পর বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভায় ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী প্রথমে যোগাযোগমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এ সময় তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে দ্রুত উন্নত করার ক্ষেত্রে সুনাম অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে আসেন। এরপর তিনি প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি ১৯৭৫ সালের ১৪ আগস্ট পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময় বেলকুচি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আব্দুল মমিন তালুকদারও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জিয়াউর রহমানের আমলেও মন্ত্রীত্ব পান অধ্যাপক ডা. এম.এ. মতিন। ১৯৭৮ সাল থেকে তিনি বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, যুব উন্নয়ন, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন, বাণিজ্য, যোগাযোগ, পূর্ত এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ৯টি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬ থেকে ১৯৮৯ সালের ১৩ আগস্ট পর্যন্ত তিনি উপ-প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এলে সিরাজগঞ্জ-৬ (চৌহালী) আসন থেকে আলহাজ আনছার আলী সিদ্দিকী পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে মোহাম্মদ নাসিম স্বরাষ্ট্র, ডাক, তার-টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। একই সরকারের সময় সিরাজগঞ্জ-৫ (শাহজাদপুর) আসনে হাসিবুর রহমান স্বপন শিল্প-উপমন্ত্রী, ২০০১ সালে চারদলীয় জোটে সরকারের বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী হিসেব দায়িত্ব পালন করেন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। ২০০৮ সালে আলহাজ আব্দুল লতিফ বিশ্বাস মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা হন এইচ.টি ইমাম। আর ২০১৪ সালে মহাজোট সরকার টানা দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় এলে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন মোহাম্মদ নাসিম। কিন্তু এবার এ জেলায় কাউকে মন্ত্রী করা হয়নি। ফলে এই এলাকার অনেকে হতাশ বলে জানা গেছে। এসএইচ/

প্রধানমন্ত্রীকে প্রথম ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন শেখ রেহানা

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চতুর্থবারের মতো শপথ নেওয়ার পর শেখ হাসিনাকে ফুলের তোড়া দিয়ে প্রথম শুভেচ্ছা জানান ছোট বোন শেখ রেহানা। এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ছোট বোন শেখ রেহানার সঙ্গে আলিঙ্গন করেন।        এর আগে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।সোমবার (৭ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ শেখ হাসিনাকে শপথ পাঠ করান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।তিনি বলেন, ‘সংবিধানের ৫৬ (৩) ধারা অনুযায়ী একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। এরপরই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা পদের এবং গোপনীয়তার শপথ নেন।       এসি   

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি