গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নিতে ইসরায়েল এখনো কাজ করছে: প্রতিরক্ষামন্ত্রী
প্রকাশিত : ১৪:২৮, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১৪:২৯, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গাজা উপত্যকা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ইসরায়েল এখনো কাজ করে যাচ্ছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম Ynet আয়োজিত এক সম্মেলনে কাটজ বলেন, গাজাকে জনশূন্য করাই এই সংকটের একমাত্র সমাধান। ইসরায়েলের কিছু কর্মকর্তা ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টিকে ‘স্বেচ্ছায় অভিবাসন’ বা ‘স্থানান্তর’ হিসেবে উল্লেখ করে আসছেন।
তিনি বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে পরিকল্পনাটি স্থগিত করেছিলেন, সেটি ছিল গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ।
টাইমস অব ইসরায়েল–এর প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানা যায়, কাটজ বলেন, “শেষ পর্যন্ত, এই স্থানান্তর ছাড়া গাজার কোনো প্রকৃত সমাধান নেই।”
ফিলিস্তিনি অধিকারকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছেন, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য হলো ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমি থেকে সরিয়ে দেওয়া। ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী কয়েকজন নেতাও অতীতে গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার পক্ষে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নেওয়ার ধারণার প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন। তাঁর প্রস্তাবে ফিলিস্তিনিদের অন্যত্র স্থানান্তরের পর গাজার নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ ওই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করে।
পরবর্তীতে ট্রাম্পের উদ্যোগে একটি যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা সামনে আসে। ওই পরিকল্পনায় ফিলিস্তিনিদের গাজায় থাকার অধিকার স্বীকার করা হয়।
১২ দফার ওই পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, কাউকে গাজা ছাড়তে বাধ্য করা হবে না। কেউ নিজ ইচ্ছায় গাজা ছাড়তে চাইলে যেতে পারবেন এবং প্রয়োজন হলে ফিরে আসার সুযোগও থাকবে।
পরিকল্পনায় আরও বলা হয়, ফিলিস্তিনিদের গাজায় থাকার জন্য উৎসাহিত করা হবে এবং তাঁদের জন্য একটি উন্নত গাজা গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করা হবে।
সত্র: আল জাজিরা
আরও পড়ুন










