ঢাকা, সোমবার   ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাজীপুরে ব্রিফকেসে নারীর খণ্ডিত দেহ, রহস্য উদঘাটন

গাজীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ১৪:৩৫, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১৫:১১, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

গাজীপুরের ভবানীপুরে ডোবার পানিতে ভাসমান ব্রিফকেস ও প্লাস্টিকের বস্তায় নারীর খণ্ডিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পিবিআই। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি জানান গাজীপুরের পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার রকিবুল আক্তার। 

নিহতের পরিচয় শনাক্ত এবং এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যায় ব্যবহৃত বটি-দা, নিহতের এনআইডি কার্ড, মোবাইল ফোন ও জুতা।

গত ১১ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে খালের পানিতে পাওয়া যায় ব্রিফকেস ও প্লাস্টিকের বস্তা। এর ভেতর ছিল এক নারীর খণ্ডিত ও অর্ধগলিত মরদেহ।

অজ্ঞাত এই নারীর পরিচয় ও হত্যার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করে পিবিআই।

পিবিআই বলছে, ৩০ বছর বয়সী ডলি আক্তার বানিয়ারচালা এলাকায় ভাড়া বাসায় একাই থাকতেন। ডলির সঙ্গে মিশন ইসলামের প্রায় ৫ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে মিশনের ভাড়া বাসায় যান ডলি। সেখানে মিশন, তার মা বানু আক্তার ও ডলি একসঙ্গে খাবার খান।

পরে বানু পাশের কক্ষে গেলে ডলিকে ঘুমের ও অ্যালার্জির ওষুধ খাওয়ায় মিশন।

পিবিআইয়ের দাবি, ডলি ঘুমিয়ে পড়ার পর রাত আনুমানিক দুইটার দিকে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়। পরদিন মরদেহ গুম করতে স্যুটকেস কেনে মিশন। মরদেহ স্যুটকেসে না ধরায় বটি-দা ও ব্লেড দিয়ে কোমর থেকে দ্বিখণ্ডিত করা হয়।

এক অংশ স্যুটকেসে এবং অন্য অংশ প্লাস্টিকে মুড়িয়ে বস্তায় রাখা হয়। পরে  স্যুটকেস ও বস্তায় ভড়ে ভবানীপুর এলাকায় নিয়ে খালের পানিতে ফেলে দেওয়া হয়।
 
এ ঘটনায় ১২ সেপ্টেম্বর মিজানুর রহমান মিল্টন, মিশন ইসলাম ও তার মা বানু আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। মিশনের বাসা থেকে উদ্ধার করা হয় হত্যায় ব্যবহৃত বটি-দা, স্কচটেপের অবশিষ্টাংশ, ডলির এনআইডি কার্ড, মোবাইল ফোন ও জুতা।

এএইচ


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি