ঢাকা, বুধবার   ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দণ্ডিত আসামিদের খোঁজ পেলেই গ্রেপ্তার করে দেশে আনা হবে: চিফ প্রসিকিউটর

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৫:৪৭, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১৫:৪৯, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের ব্যপারে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এক প্রশ্নের জবাবে বলেন আসামিরা কে কোথায় রয়েছেন আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। তবে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে তাদের গ্রেপ্তার করে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নিবো।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনে চিফ প্রসিকিউটর এসব কথা বলেন। 

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। কিছু কিছু অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পাঁচ আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি যা রয়েছে, তা ৫০ শতাংশ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব সম্পদ জুলাই ফাউন্ডেশন বা সংবিধিবদ্ধ অন্য যে সংস্থা রয়েছে, তাদের মাধ্যমে এ অর্থ জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত পরিবারের মধ্যে বণ্টনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। 

তনি বলেন, এ মামলায় প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে চারটি করে অভিযোগ ছিল। অধিকাংশ আসামির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এ রায় দেওয়া হয়েছে। এ রায়ে শুকরিয়া আদায় করছি। আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট। 

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আসামিদের সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি ও ব্যক্তিগত দায়ের বিষয়টি সাক্ষ্যপ্রমাণে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ১৪ দলীয় বৈঠকে কারফিউ ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত এবং ওবায়দুল কাদেরের শুট অ্যাট সাইট নির্দেশের পরই নির্বিচারে গুলি করে মানুষ হত্যার ঘটনা ঘটে।

তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালের সব বিচারকার্য তারা জানেন। তাদের বিরুদ্ধে বিচার চললেও তারা মোকাবিলা করেননি। এতে পরিষ্কার বুঝতে হবে যে আসামিরা ইচ্ছাকৃতভাবে পলাতক। তারা অপরাধ করেছেন বলেই পলাতক রয়েছেন। তাদের যেকোনো বক্তব্য আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। 

এছাড়া কোনো অপরাধী যদি ইচ্ছাকৃতভাবে পলাতক থাকেন, তাহলে আইনে যেভাবে বিধান আছে সেভাবেই বিচারকার্য পরিচালিত হয়েছে। অতএব এখানে মানবাধিকার সংগঠনেরও মন্তব্যের কোনো অবকাশ নেই।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, রায় প্রকাশিত হওয়ার পর ৩০ দিন পর্যন্ত আপিলের সময়সীমা থাকবে। ৩০ দিন পর্যন্ত কোনো সম্পদ বাজেয়াপ্ত বা অন্য কোনো ব্যবস্থাপনায় দেওয়ার হয়তো সুযোগ নেই। কিন্তু ৩০ দিন পর থেকে বাংলাদেশ সরকার এ রায় বাস্তবায়ন করতে আইনগত কোনো বাধা নেই।

এমএইচ 


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি