বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের ৯০তম বৈঠক আজ
প্রকাশিত : ১০:১০, ২১ মে ২০২৬ | আপডেট: ১০:১১, ২১ মে ২০২৬
ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) ৯০তম বৈঠক শুরু হতে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায়।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) তিন দিনব্যাপী এই বৈঠকের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়ে চলবে আগামী শনিবার পর্যন্ত।
বৈঠকে অংশ নিতে বুধবার (২০ মে) কলকাতায় যায় বাংলাদেশের ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল।
বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশের জয়েন্ট রিভার কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার কবির। এছাড়া বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে আছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাউথ এশিয়া উইংয়ের ডিরেক্টর মোহাম্মদ বাকি বিল্লাহ। আলোচনায় অংশ নেবেন বাংলাদেশের দু’জন কূটনীতিক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন। তিনি দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সেলর-পলিটিক্যাল এবং কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) মোহাম্মদ ওমর ফারুক আকন্দ।
ভারতের নেতৃত্ব দিচ্ছেন কেন্দ্রের জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্ম সচিব এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ দপ্তরের একজন চিফ ইঞ্জিনিয়ার।
এবারের বৈঠকের গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির পুনর্নবীকরণ ইস্যু আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এটিই দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের শেষ বৈঠক।
বৃহস্পতিবার বৈঠকের শুরুতেই বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল মুর্শিদাবাদে যাবে। সেখানে বৈঠকের ফাঁকেই ফারাক্কায় নেমে গঙ্গা নদীর পানি পরিমাপ করবেন তারা। পরের দিন শুক্রবার তারা ফিরে আসবেন কলকাতায়। কলকাতার শুক্র ও শনিবার একটি অভিজাত হোটেলে হবে বৈঠক।
উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ৩০ বছর মেয়াদি ওই চুক্তি অনুযায়ী জানুয়ারি থেকে মে এই শুষ্ক মৌসুমে দুই দেশের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি বণ্টনের বিধান রয়েছে।
চুক্তি অনুযায়ী, গঙ্গায় পানির প্রবাহ ৭৫ হাজার কিউসেকের বেশি হলে ভারত পাবে ৪০ হাজার কিউসেক এবং অবশিষ্ট পানি পাবে বাংলাদেশ।
পানির প্রবাহ ৭০ হাজার থেকে ৭৫ হাজার কিউসেকের মধ্যে থাকলে বাংলাদেশ পাবে ৪০ হাজার কিউসেক এবং বাকি অংশ পাবে ভারত। আর পানির প্রবাহ ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম হলে দুই দেশ সমানভাবে পানি ভাগ করে নেবে।
এএইচ
আরও পড়ুন










