বাড়িতে এনে লাপাত্তা প্রেমিক, ৬ দিন ধরে অনশনে প্রেমিকা
প্রকাশিত : ১৫:৩৫, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দু’বছরের প্রেম। ঘর বাধার স্বপ্নও দেখেছেন দুজনে। বিয়ের আশ্বাসে প্রেমিকাকে বাড়িতে তুলেন প্রেমিক। কিন্তু বিধি বাম, এই মেয়েকে বিয়ে করাতে চান না পরিবারের সদস্যরা। তাই বাধ্য হয়ে পরিবারের চাপে প্রেমিক হয়েছেন লাপাত্তা।
অবশেষে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছেন সেই তরুণী। পরিবারের সদস্যদের নানা অত্যাচার নির্যাতন সর্য্য করে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন ভুক্তভোগী। এরই মধ্যে পেড়িয়ে গেছে ছয়দিন।
এ ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি সমাধানে প্রশাসনের সহযোগিতা চান স্থানীয়রা।
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার হাতিভাঙা ইউনিয়নের সাপমারি গ্রামের কলেজপড়ুয়া মিষ্টি পারভীনের সাথে পার্শ্ববর্তী পাররামরামপুর ইউনিয়নের পুরাভিটা গ্রামের জীবন মিয়ার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। জীবন মিয়া পেশায় একজন সেনাসদস্য। দুবছর ধরে বিভিন্ন সময় তাদের মধ্যে বুঝাপড়া ও প্রেম বিনিময় হয়েছে। ঘর বাধার স্বপ্ন দেখেছেন তারা।
এরই মধ্যে মিষ্টি পারভীনের নানা জায়গা থেকে বিয়ের প্রস্তাবনা আসতে থাকে। প্রেমিক জীবনের কথায় সেসব প্রস্তাবনা ফিরিয়ে দেয় মিষ্টি। অবশেষে বিয়ের কথা বলে গত বৃহস্পতিবার বাড়িতে আনে মিষ্টিকে।
মিষ্টি পারভীন ও তার পরিবারকে পছন্দ না হওয়ায় বিয়েতে রাজি হয়না জীবনের পরিবার। কৌশলে জীবনকে অন্যত্র পাঠিয়ে দেয় তারা। উপায় অন্তর না পেয়ে বিয়ের দাবিতে অবস্থান করে মিষ্টি।
মিষ্টি ও তার পরিবারের অভিযোগ বাড়ি থেকে বের করতে তার উপর চালানো হয় শারীরিক নির্যাতন। তবুও বিয়ের দাবিতে অনড় মিষ্টি।
এ ঘটনা জানাজানি হলে প্রতিদিন উৎসুক মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে ওই বাড়িতে। দু’পক্ষের পরিবার ও স্থানীয়রা বিষয়টি মিমাংসা করার জন্য কয়েক দফা বৈঠক করেও সমাধান পাননি।
এরই মধ্যে মিষ্টিকে নির্যাতনের বিচার ও বিয়ের দাবিতে মানববন্ধন করেছে কয়েকটি গ্রামের মানুষ। এ ঘটনায় এলাকায় বেশ তোলপাড় শুরু হয়েছে।
মিষ্টির পরিবারের দাবি, এমন ঘটনায় মেয়েকে অন্যত্র বিয়ে দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। এ ধরনের ঘটনা সামাজিকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
দ্রুত সমস্যার সমাধান করে সামাজিক বন্ধন ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের সহযোগিতা চান সচেতন মহল।
এএইচ
আরও পড়ুন










