ঢাকা, সোমবার   ২০ এপ্রিল ২০২৬

রানার বোলিং তোপে ১৯৮ রানে অলআউট নিউজিল্যান্ড

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৬:০৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

পেসার নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট হয়েছে সফরকারী নিউজিল্যান্ড। ১০ ওভার বল করে ৩২ রানে ৫ উইকেট নেন রানা। দশ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মত ইনিংসে ৫ উইকেটের দেখা পেলেন তিনি।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডের মত আজও টস হেরে প্রথমে ফিল্ডিংয়ে নামে স্বাগতিক বাংলাদেশ। 

টাইগারদের দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলামের আঁটসাঁট বোলিংয়ে প্রথম ৭ ওভারে ২৫ রান তুলে নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার হেনরি নিকোলস ও নিক কেলি।

তাসকিন-শরিফুল উইকেটের দেখা না পাওয়ায় অষ্টম ওভারে প্রথমবারের মত আরেক পেসার রানাকে বোলিংয়ে আনেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম ডেলিভারিতেই উইকেটের দেখা পান রানা। ১৩ রান করা নিকোলসকে লেগ বিফোর আউট করেন রানা। তিন নম্বরে নামা নতুন ব্যাটার উইল ইয়ংকে বেশিক্ষণ টিকতে দেননি রানা। নিজের দ্বিতীয় ওভারে ইয়ংকে ২ রানে শিকার করেন তিনি।

পরপর দুই ওভারে রানার জোড়া আঘাতের পর বাংলাদেশকে তৃতীয় উইকেট এনে দেন ছয় মাস পর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নামা মিডিয়াম পেসার সৌম্য সরকার। নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক টম ল্যাথামকে ১৪ রানে বিদায় দেন সৌম্য।

৫২ রানে ৩ উইকেট পতনের পর নিউজিল্যান্ডকে চাপমুক্ত করেন কেলি ও মুহাম্মদ আব্বাস। চতুর্থ উইকেটে ৬৬ বলে ৫৬ রান যোগ করে দলের স্কোর ১শ পার করেন তারা। এই জুটিতে ওয়ানডেতে প্রথম হাফ-সেঞ্চুরির দেখা পান কেলি।

কেলি-আব্বাসের জমে যাওয়া জুটিতে ভাঙন ধরান রানা। ৩৪ বলে ১৯ রান করা আব্বাসকে দারুণ ক্যাচে সাজঘরের পথ দেখান উইকেটরক্ষক লিটন দাস।

হাফ-সেঞ্চুরির ইনিংসকে বড় করে, শতকের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন কেলি। কিন্তু ব্যক্তিগত ৮৩ রানে শরিফুলের বলে মিড উইকেটে তাওহিদ হৃদয়কে ক্যাচ দেন তিনি। ১০২ বল খেলে ১৪টি চার মারেন কেলি।

দলীয় ১৪৫ রানে পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে কেলি ফেরার পর নিউজিল্যান্ডের পরের দিকের ব্যাটারদের বড় ইনিংস খেলতে দেননি রানা-রিশাদরা। এতে ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড।

এসময় নিউজিল্যান্ডের আরও দুই ব্যাটারকে শিকার করে ওয়ানডেতে নিজের দশম ম্যাচে দ্বিতীয়বারের মত ইনিংসে ৫ উইকেট শিকার করলেন রানা। গত মাসে মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৭ ওভারে ২৪ রানে ৫ উইকেট শিকার করেছিলেন রানা। এবার ১০ ওভারে ৩২ রানে ৫ উইকেট নিলেন তিনি। ফলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের বোলিং ফিগারই রানার ক্যারিয়ার সেরা হয়ে থাকল।

রানার সাথে বল হাতে বাংলাদেশের হয়ে শরিফুল ৩২ রানে ২টি, তাসকিন ৪৬ রানে-সৌম্য ২৭ রানে ও রিশাদ ২১ রানে ১টি করে উইকেট নেন।

এএইচ


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি