হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে অজিদের টার্গেট ২৭৫ রান
প্রকাশিত : ১৫:৫৭, ১৪ জুন ২০২৬
তিন মিডলঅর্ডার ব্যাটারে ভর করে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ ওয়ানডেতে ২৭৪ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর করেছে বাংলাদেশ। হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে অজিদের দরকার ২৭৫ রান।
রোববার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। ৬১ রানে টপঅর্ডারের ৩ উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন তাওহিদ হৃদয়, লিটন দাস ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। লিটন অপরাজিত ৫৮, হৃদয় ৮৩ ও মোসাদ্দেক অনবদ্য ৫৬ রান করেন।
খেলতে নেমে দলীয় ২ রানের মাথায় ব্যক্তিগত মাত্র ২ রান করে বিদায় নেন ওপেনার সৌম্য সরকার। তার বিদায়ের পর দ্বিতীয় উইকেটে ৫১ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। ম্যাট রেনশোর বলে সুইপ খেলতে গিয়ে ১৯ রানে কাটা পড়েন তানজিদ। থিতু হতে পারেননি অধিনায়ক শান্তও।
৫০ বলে ২৪ রান করে তানজিদের পথ ধরেই সুইপ করতে গিয়ে উইকেট বিলিয়ে দেন তিনি। ফলে ৬১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়ে বাংলাদেশ।
দলের এমন ক্রান্তিলগ্নে ত্রাতা হয়ে দাঁড়ান উইকেটরক্ষক ব্যাটার লিটন দাস। তাওহিদ হৃদয়কে সঙ্গে নিয়ে গড়েন ৯২ রানের প্রতিরোধ। শুরুতে সাবধানী খেললেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রানের গতি বাড়ান লিটন। তবে দুর্ভাগ্যবশত দারুণ খেলতে থাকা অবস্থায় হঠাৎ পায়ের পেশিতে টান পড়ায় ব্যক্তিগত ৪৮ রানে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি।
লিটন রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়লে উইকেটে আসেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ক্রিজে এসেই অজি বোলারদের ওপর চড়াও হন তিনি। অন্যদিকে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৩তম ফিফটি তুলে নিয়ে সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন তাওহিদ হৃদয়।
মোসাদ্দেকের সঙ্গে ৮৩ বলে ৯৩ রানের ঝড়ো জুটি গড়েন হৃদয়। রানের গতি আরও বাড়াতে গিয়ে ব্যক্তিগত ৮৪ রানে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হৃদয়। তার ৮১ বলের ইনিংসে ছিল দৃষ্টিনন্দন সব শট।
শেষদিকে শেখ মেহেদী ৯ বলে মাত্র ৩ রান করেন ফেরেন। এরপর মোসাদ্দেককে সঙ্গ দিতে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠে আসেন লিটন। এসে ফিফটি স্পর্শ করেছেন। অন্যদিকে মোসাদ্দেক ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৫ম ফিফটি তুলে নেন। মাত্র ৪৩ বলে হাফসেঞ্চুরি করা মোসাদ্দেক ইনিংসের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন। ৭৮ বলে দুই ছক্কা ও চারটি চারে ৫৮ রানে অপরাজিত লিটন।
অস্ট্রেলিয়ার জেভিয়ার বার্টলেট ও ম্যাট রেনশ ২টি করে উইকেট নেন।
এএইচ










