ঢাকা, রবিবার   ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, || ভাদ্র ৩১ ১৪২৬

Ekushey Television Ltd.

 নগদ মূল্যে চামড়া বিক্রিতে রাজি হয়েছেন আড়তদাররা

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ২১:০৭ ১৮ আগস্ট ২০১৯

চামড়া নিয়ে অচল অবস্থার অবসান ঘটছে। এ বছরের চামড়া নগদ মূল্যে ট্যানারি মালিকদের কাছে বিক্রিতে রাজি হয়েছেন আড়তদাররা। আর ট্যানারি মালিকরাও নগদে চামড়া কিনতে রাজি। আড়তদারদের বকেয়া চারশ কোটি টাকা পরিশোধের বিষয়ে আগামী ২২ আগস্টের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে।

রবিবার (১৮ আগস্ট) বিকালে বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পরে প্রেস ব্রিফিংয়ে বৈঠকের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আড়তদারদের বকেয়া টাকা কীভাবে পরিশোধ করা হবে সে বিষয়ে আগামী ২২ আগস্টের বৈঠকে জানানো হবে। এফবিসিসিআই এর মধ্যস্থতায় ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। যেসব ট্যানারি মালিকরা সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বকেয়া ও ব্যাংক লোন পরিশোধ করেননি, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা প্লেস লোন নিয়ে ব্যাংককে না জানিয়ে চামড়া বিক্রি করেছেন, অথচ ব্যাংক লোন পরিশোধ করেননি, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। জেনুইন মালিকরা যারা টাকার অভাবে এ বছর চামড়া কিনতে পারছেন না, তাদের ব্যাংক লোন পাইয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকার সহায়তা করবে।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, এ বছর আবহাওয়াজনিত কারণে ১০ শতাংশ চামড়া নষ্ট হয়ে গেছে। এ বছর পশু কোরবানি হয়েছে এক কোটি। নষ্ট হয়েছে ১০ হাজার চামড়া। প্রতি বছর পাঁচ শতাংশ হারে এমনিতেই নষ্ট হয়।

বৈঠকে বিদেশে অবস্থান করায় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি উপস্থিত ছিলেন না। শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হূমায়ন উপস্থিত ছিলেন। আরও ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মফিজুল ইসলাম, শিল্প সচিব আব্দুল হালিম, এফবিসিসিআই’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সিদ্দিকুর রহমান। ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতা মহিউদ্দীন আহমেদ মাহিন, সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, এম সাইফুল ইসলাম। আড়তদার সমিতির সভাপতি দেলওয়ার হোসেন। এছাড়া আড়তদার সমিতির দিনাজপুর, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, নাটোর, কুষ্টিয়া,ফেনী ও বগুড়া জেলার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তবে বৈঠকে কোনও সাংবাদিককে রাখা হয়নি।

চামড়া রফতানির বিষয়ে শিল্পমন্ত্রী মন্ত্রী বলেন, ‘কাঁচা চামড়া রফতানি একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হয়। চাইলেই তো আর চামড়া বিমানে তুলে দিতে পারি না। চামড়ার বাজার যেন নষ্ট না হয় সে বিষয়টি এফবিসিসিআই দেখবে। প্রয়োজন অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এসি
 

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি