ঢাকা, ২০১৯-০৬-২০ ১৮:২৩:০৮, বৃহস্পতিবার

Ekushey Television Ltd.

ইত্তেফাকের ৬৬ বছর আজ

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১১:০৪ এএম, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮ সোমবার | আপডেট: ১১:২৮ এএম, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮ সোমবার

৬৫ বছর পার করে ৬৬ বছরে পা রাখল দৈনিক ইত্তেফাক। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পত্রিকাটির নিজস্ব ভবন ছাড়াও দেশের অন্যান্য অঞ্চলে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

১৯৪৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের মুখপত্ররূপে ‘সাপ্তাহিক ইত্তেফাক’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়। মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন পত্রিকার আনুষ্ঠানিক সম্পাদক।

কলকাতা প্রত্যাগত তফাজ্জল হোসেন সাপ্তাহিক ইত্তেফাক পত্রিকার সাথে যুক্ত হন এবং ১৯৫১ সালের ১৪ আগস্ট থেকে এই পত্রিকার পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৫৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর ইত্তেফাক দৈনিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়।

১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে তত্কালীন ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ সরকারের যে ভরাডুবি হয়, এর পেছনে ছিল দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার শক্তিশালী রিপোর্ট ও মানিক মিয়ার ক্ষুরধার লেখনি।

১৯৬৯ সালে তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া আকস্মিকভাবে ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুর পর ইত্তেফাক প্রকাশনা অব্যাহত থাকে এবং বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ও স্বাধীনতা আন্দোলনে পত্রিকাটি সরাসরি সমর্থন দেয়।

বিশেষ করে ১৯৭০ সালের নির্বাচন, আওয়ামী লীগের বিপুল বিজয়, ক্ষমতা হস্তান্তরে পাকিস্তানিদের অনীহা ও ষড়যন্ত্র এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ ও সর্বাত্মক অসহযোগের আহ্বান থেকে ২৫শে মার্চ রাতে আক্রান্ত হবার পূর্বপর্যন্ত ইত্তেফাক গৌরবময় ভূমিকা পালন করে।

বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলনে ইত্তেফাক অসামান্য ভূমিকা পালন করেছিল। সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে আপসহীনভাবে সত্য প্রকাশ করে গেছে। একসময়ে তদানীন্তন পাকিস্তান সরকারের সামরিক শাসক ইত্তেফাকের প্রকাশনা বন্ধ করে দেয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে ২৫ মার্চ রাতে ইত্তেফাক ভবন পুড়িয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু মানুষের ভালোবাসায় বারবার প্রবল প্রতাপে ফিরে এসেছে ইত্তেফাক।

এমএইচ/ 



© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি