ঢাকা, সোমবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১৯ ৯:৫৪:২৫

আবু বকর চৌধুরী স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

আবু বকর চৌধুরী স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

মানবকণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আবু বকর চৌধুরীর রুহের মাগফেরাত কামনায় পত্রিকা কার্যালয় সংলগ্ন আশিয়ান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মসজিদে এক মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শুক্রবার বাদ জুমা এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মাহফিলে দোয়া পরিচালনা করেন আশিয়ান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া। এছাড়াও মানবকণ্ঠ পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।    মিলাদ মাহফিলে আশিয়ান গ্রুপের এমডি মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, আবু বকর চৌধুরী ছিলেন একজন নিখাদ পেশাদার সাংবাদিক। সংবাদের মানুষ। সর্বোপরি একজন ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি যেখানে হাত দিয়েছেন সেখানেই সফল হয়েছেন। তিনি মানবকণ্ঠকে পাঠকনন্দিত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। আবু বকর চৌধুরীর শূন্যতা পূরণের নয়। আবু বকর চৌধুরীর স্বপ্ন পূরণে মানবকণ্ঠ পরিবারের সব সদস্যকে মরহুমের মতো কাজের প্রতি যত্নশীল ও নিষ্ঠাবান হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। দৈনিক মানবকণ্ঠের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘আবু বকর চৌধুরীকে জানাটা বড় প্রয়োজন। সত্যি বলতে কী আবু বকর চৌধুরী শুধু সম্পাদক ছিলেন না, তিনি ছিলে আমাদের ভাইয়ের মতন। আবু বকর চৌধুরী পেশাদারিত্ব ছিল বিরল। তিনি জানতেন আগামীকাল পাঠক কী পড়তে চায়। মানবকণ্ঠের জেনারেল ম্যানেজার (প্রশাসন) সৌরভ হাসান ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা দিনের পর দিন ভাল মানুষগুলোকে হারিয়ে ফেলছি, শক্তিগুলোকে হারিয়ে ফেলছি। যিনি চলে যান তিনি সব নিয়ে চলে যান, যিনি চলে যান তিনি তার সমস্ত অঙ্গীকার নিয়ে চলে যান, রেখে যান শুধু কর্ম। আজ আবু বকর স্যার যে জিনিসটি রেখে গেছেন সেটি হচ্ছে কর্ম। যতদিন মানবকণ্ঠের কার্যক্রম থাকবে, ততোদিন আবু বকর চৌধুরী থাকবেন। তিনি বলেন, আবু বকর চৌধুরী স্যার আমার খুব কাছের ও ভালোবাসার মানুষ ছিলেন। তার এই হঠাৎ চলে যাওয়ায় আমরা মর্মাহত। আমি তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি ও তার সকল গুণাহ মাফ করে আল্লাহ তাকে বেহেশত নসিব করুক সেই দোয়া করি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী পরিচালক (ইডি) তৌহিদুল ইসলাম, উপসম্পাদক আলফাজ আনাম, জেনারেল ম্যানেজার (মার্কেটিং) জহিরুল ইসলামসহ পত্রিকার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এদিকে শুক্রবার আসরের নামাজের পর ধানমন্ডিতে মানবকণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আবু বকর চৌধুরীর বাসায় মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনায় কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত বাসার গ্রাউন্ড ফ্লোরে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে মানবকণ্ঠের প্রকাশক ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জাকারিয়া চৌধুরী বলেন, একজন পরিপূর্ণ মানুষ ছিলেন আবু বকর চৌধুরী। একজন সফল সংগঠক, দলনেতা ছিলেন। তাকে হারিয়ে এখন একা মনে হয়। এছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন- মরহুমের পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন, বন্ধবান্ধবরা। মানবকণ্ঠ থেকে উপস্থিত ছিলেন পত্রিকাটির সহকারী বার্তা সম্পাদক জোবায়ের আহমদ নবীন, স্পোর্টস ইনচার্জ মহিউদ্দিন পলাশ, সিনিয়র রিপোর্টার রেজাউর রহমান রিজভী, সহ-সম্পাদক, মো. ফরহাদ হোসেন, মনির জারিফ প্রমুখ। এসি     
সাংবাদিক আমানুল্লাহ কবীরের দাফন সম্পন্ন

দৈনিক আমার দেশের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কমের জ্যেষ্ঠ সম্পাদক আমানুল্লাহ কবীরের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ফুলকোচা ইউনিয়নের রেখিরপাড়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে, রেখিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় সাংবাদিক, রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্নস্তরের মানুষ অংশ নেন। প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন দেশবরেণ্য এই সাংবাদিক।গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের মানুষ। আমনুল্লাহ কবীরের মরদেহ গতকাল বুধবার সকাল ১১টায় জাতীয়  প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে আনা হয়। সেখানে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তার দীর্ঘ কর্মজীবনের সহকর্মী, অগ্রজ-অনুজ সাংবাদিক ও শুভানুধ্যায়ীরা।উল্লেখ্য, আমানুল্লাহ কবীর ১৯৪৭ সালের ২৪ জানুয়ারি জামালপুরে জন্মগ্রহণ করেন। সাড়ে চার দশকের সাংবাদিকতা জীবনে আমানুল্লাহ বাংলা দৈনিক আমার দেশ ও ইংরেজি দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফের (বর্তমানে বিলুপ্ত) প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় (বাসস) ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ইংরেজি দৈনিক ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিষ্ঠাকালীন নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন আমানুল্লাহ কবীর। তিনি এর আগে এস এম আলীর সম্পাদনায় প্রকাশিত ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের শুরুর দিকের বার্তা সম্পাদক ছিলেন।আমানুল্লাহ কবীর ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে বিডিনিউজ২৪.কমে জ্যেষ্ঠ সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। পাশাপাশি টেলিভিশনে আলোচনা অনুষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত মুখ ছিলেন তিনি।এসএ/

সাংবাদিক আমানুল্লাহ কবীরের দাফন আজ

দৈনিক আমার দেশের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কমের জ্যেষ্ঠ সম্পাদক আমানুল্লাহ কবীরকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় তার নিজ জন্মস্থান জামালপুরের মেলান্দহে দাফন করা হবে। এর আগে মেলান্দহের রেখিরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। আমানুল্লাহ কবীর ১৯৪৭ সালের ২৪ জানুয়ারি জামালপুরে জন্মগ্রহণ করেন। সাড়ে চার দশকের সাংবাদিকতা জীবনে আমানুল্লাহ বাংলা দৈনিক আমার দেশ ও ইংরেজি দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফের (বর্তমানে বিলুপ্ত) প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় (বাসস) ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ইংরেজি দৈনিক ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিষ্ঠাকালীন নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন আমানুল্লাহ কবীর। তিনি এর আগে এস এম আলীর সম্পাদনায় প্রকাশিত ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের শুরুর দিকের বার্তা সম্পাদক ছিলেন।আমানুল্লাহ কবীর ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে বিডিনিউজ২৪.কমে জ্যেষ্ঠ সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। পাশাপাশি টেলিভিশনে আলোচনা অনুষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত মুখ ছিলেন তিনি। প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন দেশবরেণ্য এই সাংবাদিক। অপরদিকে, গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের মানুষ। আমনুল্লাহ কবীরের মরদেহ গতকাল বুধবার সকাল ১১টায় জাতীয়  প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে আনা হয়। সেখানে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তার দীর্ঘ কর্মজীবনের সহকর্মী, অগ্রজ-অনুজ সাংবাদিক ও শুভানুধ্যায়ীরা। এসএ/

প্রবীণ সাংবাদিক আমানুল্লাহ কবীর আর নেই

প্রবীণ সাংবাদিক আমানুল্লাহ কবীর আর নেই। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। আমানুল্লাহ কবীর ডায়াবেটিস ও লিভারের নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। সংবাদম্যধামকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে শাতিল কবীর।দুই সপ্তাহ আগে শ্যামলীর ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় আমানুল্লাহ কবীরকে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সেখান থেকে তাকে নেয়া হয় ধানমণ্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে। সেখান থেকে নেয়া হয় বিএসএমএমইউতে।১৯৪৭ সালের ২৪ জানুয়ারি জামালপুরে জন্মগ্রহণ করেন আমানুল্লাহ কবীর। সাড়ে চার দশকের সাংবাদিকতা জীবনে আমানুল্লাহ বাংলা দৈনিক আমার দেশ ও ইংরেজি দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফের (বর্তমানে বিলুপ্ত) প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় (বাসস) ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ইংরেজি দৈনিক ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিষ্ঠাকালীন নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন আমানুল্লাহ কবীর। তিনি এর আগে এস এম আলীর সম্পাদনায় প্রকাশিত ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের শুরুর দিকের বার্তা সম্পাদক ছিলেন।আমানুল্লাহ কবীর ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে বিডিনিউজ২৪.কমে জ্যেষ্ঠ সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। পাশাপাশি টেলিভিশনে আলোচনা অনুষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত মুখ ছিলেন তিনি।এসএ/  

আবু বকর চৌধুরীর মৃত্যুতে জাতীয় সাংবাদিক ক্লাব’র শোক

দৈনিক মানবকণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আবু বকর চৌধুরী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে ‘জাতীয় সাংবাদিক ক্লাব’ কেন্দ্রীয় কমিটি। মঙ্গলবার ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দৈনিক মানবকণ্ঠের স্পোর্টস ইনচার্জ মহিউদ্দিন পলাশ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মহিউদ্দিন পলাশ জানান, ভোর রাতে রাজধানীর ধানমন্ডির নিজ বাসায় তিনি স্ট্রোক করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ইবনে সিনা হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। এক বিবৃতিতে জাতীয় সাংবাদিক ক্লাব কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কাজী জহির উদ্দিন তিতাস, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. হারুন অর রশিদ, সহ সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম জোমাদ্দার মিলন, সাধারণ সম্পাদক মো. হাসান আলী রেজা দোজা, সাংগঠনিক সম্পাদক আল মাহমুদ গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। ১৯৬৪ সালের ২১ জুন রাজধানী ঢাকার গ্রীন রোডে আবু বকর চৌধুরী জন্মগ্রহণ করেন। বাবা আবদুল হালিম চৌধুরী ও মা রাজিয়া খাতুন। নয় ভাই বোনের মধ্যে তিনি ষষ্ঠ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ম্যানেজমেন্টে অনার্সসহ স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ২০১১ সালের ১ অক্টোবর দিল আফরোজার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। আবু বকর চৌধুরী ১৯৯১ সালে ‘সাপ্তাহিক প্রত্যায়ন’ পত্রিকায় নির্বাহী সম্পাদক পদে যোগদানের মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। কাজের ধারাবাহিকতায় পরের বছর তিনি ‘সাপ্তাহিক খবর’-এর নির্বাহী সম্পাদক, ১৯৯৫ সালে ‘আজকের কাগজ’-এ সহযোগী সম্পাদক হিসেবে যোগদান করেন। এক সময় ‘আজকের কাগজ’ বন্ধ হয়ে গেলে তিনি ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে ‘আমাদের সময়’ পত্রিকায় যোগ দেন। ওই বছরের অক্টোবরে তিনি ‘সকালের খবর’-এ বার্তা সম্পাদক ও ২০১১-এর এপ্রিলে ‘সমকাল’ পত্রিকায় বার্তা সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। ২০১২ সালে তিনি বার্তা সম্পাদক হিসেবে ‘দৈনিক মানবকণ্ঠে’ যোগদান করেন। এরপর ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে তিনি পত্রিকাটির বার্তা সম্পাদকের পাশাপাশি ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সালে তিনি নির্বাহী সম্পাদক হন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে পুনরায় তিনি দৈনিক মানবকণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। একে//

কেনো ভাইরাল হলো ‘খুশিতে, ঠ্যালায়, ঘোরতে’

  গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম জুড়ে বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে একটি কথাকে বিদ্রুপাত্মক অর্থে বা ব্যঙ্গ করে ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে। আর সেটা হল, "এই মনে করেন ভাল লাগে, খুশির ঠ্যালায়, ঘোরতে।" হঠাৎ এই সংলাপটি নিয়ে ইউজারদের মধ্যে কেন এতো মাতামাতি? এই লাইনটি এলো কোথা থেকে? এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে অনেকের মনে। মূলত বাংলাদেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মাই টিভির একটি সরাসরি সম্প্রচারিত প্রতিবেদন থেকেই এই লাইনটির সূত্রপাত। ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় ঢাকার-৫ আসনের দনিয়া একে হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের ভোটের চিত্র নিয়ে খবর সংগ্রহ করছিলেন মাই টিভির সাংবাদিক মাহবুব সৈকত। লাইভ সম্প্রচারের এক পর্যায়ে তিনি ভোটকেন্দ্রের বাইরে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন নারীর কাছে জানতে চান যে তাদের হাতে ভোট দেয়ার অমোচনীয় কালি দেয়া আছে, অর্থাৎ তাদের ভোট দেয়া হয়ে গেছে। তা সত্ত্বেও তারা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন কেন ? সাংবাদিকের এমন প্রশ্নে কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে এক নারী তখন বলেছিলেন যে, "এই থাকতে মনে করেন। খুশিতে ঠ্যালায়, ঘোরতে।" সে সময় এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ-মাধ্যমে কম-বেশি শেয়ার হয়েছে ঠিকই। তবে এবার এই ভিডিওর চাইতে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে, সেই নারী ভোটারের উদ্ধৃতিটি। সদ্য সমাপ্ত বছরের ৩০শে ডিসেম্বর বাংলাদেশে যে নির্বাচন হয়ে গেল, সেই প্রেক্ষাপটে আবারও এই নারী ভোটারের উদ্ধৃতি ব্যাপকভাবে শেয়ার হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এ বিষয়ে সাংবাদিক মাহবুব সৈকত জানান, তিনি যখন খবর সংগ্রহের কাজটি করছিলেন তখন তিনি ভাবতেও পারেননি তার এই প্রতিবেদনটির একটি অংশ নিয়ে এতোটা আলোচনা হবে। তা-ও আবার প্রতিবেদন প্রকাশের পাঁচ বছর পর। ওই সাংবাদিকের প্রত্যাশা কেউ যেন তার খবরটিকে পক্ষপাতদুষ্ট বা নেতিবাচক না ভাবেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘একজন রিপোর্টারের কাজ সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে তাদের কথাগুলোকে সামনে আনা। আমি সেটাই করেছি। এর পেছনে আমার অন্য কোন উদ্দেশ্য ছিল না।’ ‘এখন একেকজন মানুষ বিষয়টিকে একেকভাবে নেবে। তবে আমি আশা করবো আমার রিপোর্টের একটা উদ্ধৃতি নিয়ে হাসি ঠাট্টা যাই হোক, সেটা নিয়ে যেন কোন পক্ষপাতমূলক বা নেতিবাচক আলোচনা না হয়।’ এবিষয়টিকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ-মাধ্যমে বিষয়টিকে নিয়ে নানা আঙ্গিকে ট্রল করছেন ইউজাররা। কেউবা নিজের ব্যক্তিগত ছবি বা ইভেন্টের বিবরণীতেও ব্যাঙ্গ করে এই লাইনটি দিয়ে প্রকাশ করছেন তাদের মনের ভাষা। ফেসবুকে বেশ কয়েকজনকে দেখা যায়, সমাজে প্রচলিত বা অযাচিত কিছু প্রশ্ন লিখে, উত্তর হিসেবে তুলে ধরছেন এই লাইনটি। ঠিক যেমনটা জাফরিন হক লিখেছেন, "মার্কেটিং জবে তো প্রচুর ট্রাভেল করতে হয়, তুমি মেয়ে হয়ে মার্কেটিংয়ে জব করো কেন?" এ.এ এ.. মনে করেন, খুশিতে, ঠ্যালায়, ঘোরতে।" এই পোস্টের ব্যাপারে জাফরিন হক বলেন, ‘আমাদের দেশে অনেকেই মানতে পারে না যে, মেয়েরা ডেস্কজবের বাইরে কোন চাকরি করবে। তখন তারা এই ধরণের প্রশ্ন করে বসে। সেইসব প্রশ্নদাতার উদ্দেশ্যে ব্যাঙ্গ করেই পোস্টটা দিয়েছি।’ এমনই আরও নানা আঙ্গিকের প্রশ্ন-উত্তর, বা পোস্টে এই একটি উদ্ধৃতিকে ঘিরে চলছে ঠাট্টা ও আলোচনা। সূত্র: বিবিসি বাংলা

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির সভাপতি রিফাত, সম্পাদক রনি

গণ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (গবিসাস) ৬ষ্ঠ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে বাংলা নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মো. রিফাত মেহেদীকে সভাপতি ও জাগো নিউজের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মোহাম্মদ রনি খাঁ’কে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। রোববার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি সভাকক্ষে এক বছর মেয়াদি এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটি ঘোষণা করেন সংগঠনের উপদেষ্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মীর মুর্ত্তজা আলী। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) লায়লা পারভিন বানু, প্রধান পৃষ্ঠপোষক রেজিস্ট্রার মো. দেলোয়ার হোসেন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন এবং বিভাগীয় প্রধানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। গবিসাসের নব্য সদস্যদের সংবাদের বিভিন্ন দিক ও উপাদান নিয়ে গঠনমূলক দিকনির্দেশনা দেন দৈনিক ইত্তেফাকের মফস্বল সম্পাদক আশরাফ উল ইসলাম, অনলাইন টিভি চ্যানেল কালান্তরের চেয়ারম্যান ও সিইও শরীফ তালুকদার। ৮ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী পরিষদের অন্য সদস্যরা হলেন- সহ-সভাপতি ওমর ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রোকনুজ্জামান মনি, অর্থ সম্পাদক ফায়জুন নাহার সিতু, দপ্তর সম্পাদক অনিক আহমেদ, চিত্রগ্রাহক মো. রকিবুল ইসলাম অয়ন, কার্যনির্বাহী সদস্য এস এম টুটুল। নতুন কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মুন্নি আক্তার। নব-নির্বাচিত কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন। এ ছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠনগুলো এ কমিটিকে অভিনন্দন জানায়। কেআই/ এসএইচ/

শেখ হাসিনার হাত ধরেই অনলাইন মিডিয়ার বিকাশ ঘটেছে : তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই বাংলাদেশে অনলাইন মিডিয়ার ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে আজকে যে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম প্রচণ্ড শক্তিশালী হয়েছে, সেটিও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে হয়েছে। বাংলাদেশে অনলাইন মিডিয়ার যে ব্যাপক বিকাশ তাও শেখ হাসিনা সরকারের আমলেই হয়েছে। সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই প্রধানমন্ত্রী দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তথ্যমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রথমদিন অফিস করতে এসে মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে এসব কথা বলেন। হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে এখন বেসরকারি অনেক টেলিভিশন চ্যানেল রয়েছে। বেসরকারি চ্যানেলের যাত্রা শুরু হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রথম দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের সময় থেকে। তথ্য মন্ত্রণালয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হচ্ছে গণমাধ্যম। গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ। সমাজের সব চিত্র দেখায় গণমাধ্যম। সমাজকে সঠিক খাতে প্রবাহিত করতে গণমাধ্যমের ভূমিকা রয়েছে। আমার জীবনে অনেক চ্যালেঞ্জ ছিল। স্কুল জীবন থেকে সব সময় আমি চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করছি। আজও করবো। সাংবাদিকদের অনেকগুলো সমস্যা আছে। কিছু জানি, আবার কিছু জানার চেষ্টা করবো। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। আমি অনেকদিন ধরেই গণমাধ্যমের সঙ্গে আছি। রাষ্ট্রীয়ভাবে আমাকে এখন এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শুধু অঙ্গীকার করেন না, তা বাস্তবায়নও করেন। শেখ হাসিনা জাতিকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন বাংলাদেশ হবে ডিজিটাল। সেই স্বপ্ন তিনি অনেক আগেই বাস্তবায়ন করেছেন। রাষ্ট্রযন্ত্র ও গণমাধ্যমের সমন্বয় থাকলে দেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যায় মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের ইশতেহারে স্বপ্নের কথা বলা হয়েছে, সব স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা হবে। যেমনটি গতবারের ইশতেহারের বাস্তবায়ন হচ্ছে, হয়েছে। শেখ হাসিনা যে অঙ্গীকার করেন, তা বাস্তবায়নও করেন। তিনি বলেন, গ্রামে-গঞ্জে মেঠোপথ এখন আর নেই। রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন হয়েছে। খাদ্যের ঘাটতি ছিল, সে ঘাটতি এখন নেই। আজ সেই দেশে এখন খাদ্য উদ্বৃত্ত থাকছে। দায়িত্বগ্রহণ করে শুরুতেই তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সব শহীদদের স্মরণ করেন এবং জাতীয় চার নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদেরও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি।এর আগে নব নিযুক্ত তথ্যমন্ত্রী সচিবালয়ে এলে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। এ সময়ে তথ্য সচিব মো. আবদুল মালেক, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা বেগম কামরুন নাহার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। তথ্যসূত্র: বাসস। এসএইচ/

তথ্যমন্ত্রী হওয়ায় হাছান মাহমুদকে ওয়াইজেএফবি’র অভিনন্দন

নতুন মন্ত্রী পরিষদে তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় ড. মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ-এমপি’কে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে দেশের তরুণ-যুব সাংবাদিকদের বৃহত্তর সংগঠন ইয়ুথ জার্নালিস্টস্ ফোরাম বাংলাদেশ (ওয়াইজেএফবি)।        আজ এক অভিনন্দন বার্তায়, ড. মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় সংগঠনের সভাপতি কাজি গোলাম আলাউদ্দিন(তানভীর আলাদিন) ও সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন কাদের তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।নেতৃবৃন্দ, তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনে ড. মোহাম্মদ হাছান মাহমুদের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন এবং হাছান মাহমুদের আন্তরিকতায় দেশের গণমাধ্যমে কর্মীদের কল্যাণ সাধিত হবে বলে তারা আশা করেন।    এসি  

নতুন বছরে টিভি সাংবাদিকদের জন্য ওয়েজবোর্ড

নতুন বছরে টেলিভিশন সাংবাদিকদের জন্য নতুন ওয়েজবোর্ড হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।           মঙ্গলবার (০১ জানুয়ারি) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।   হাসানুল হক ইনু বলেন, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের জন্য যে ওয়েজবোর্ড গঠন করেছিলাম সেটা মন্ত্রিসভায় গেছে। মন্ত্রীদের নিয়ে যে উপকমিটি হয়েছে ভোটের আগে সেই কমিটির একটি সভা হয়েছে।      তিনি বলেন, গঠিত আগের সাব কমিটি নতুন মন্ত্রিসভায়ও কাজ করবে। রিপোর্টে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার জন্য ওয়েজবোর্ড দিতে হবে বলে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা আছে। সুতরাং ওটা দেয়ার জন্য প্রাথমিক প্রশাসনিক কাজটা সম্পন্ন হলে নতুন সরকার এবং তথ্য মন্ত্রণালয় এটা সম্পন্ন করবে।   বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) সভাপতি শ্যামল সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মহসীন আশরাফ উপস্থিত ছিলেন।   এসি        

বিশ্ব মিডিয়ায় আওয়ামী লীগের বিজয়

ইতিহাস গড়ে জয় হলো নৌকার, তথা আওয়ামী লীগের। টানা তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়ে আগামী ৫ বছর দেশ পরিচালনার দায়িত্বগ্রহণ করতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীনরা। এ জয় দলটির হ্যাট্রিক বিজয়। শেখ হাসিনাও চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে। বাংলাদেশের ইতিহাসে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে কোনো দল এর আগে এত বড় বিজয় পায়নি। আর এ জন্যই বিশ্ব মিডিয়াতে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের নির্বাচন। দেশীয় গণমাধ্যমগুলোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও প্রধান শিরোনামে স্থান পেয়েছে আওয়ামী লীগের বিজয়ের খবর। কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রধান শিরোনামে শেখ হাসিনার বিজয় নিয়ে লেখা হয়- হাসিনা ‘বাংলাদেশ নির্বাচন জিতেছে’ যেখানে বিরোধীরা ভোট প্রত্যাখ্যান করে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সে প্রকাশিত খবরের শিরোনাম হলো- শেখ হাসিনার বিজয় সুরক্ষিত যেখানে পুনঃনির্বাচনের দাবি বিরোধীদের। ভারতের এনডিটি এবং জি নিউজ বেশ গুরুত্ব সহকারে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিজয়ের খবর পরিবেশন করে। দুইটি গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটেই শেখ হাসিনার ‘বিজয় চিহ্ন’ সম্বলিত ছবি প্রকাশি হয়। স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে লেখা খবরে এনডিটির শিরোনাম ছিলো- নির্বাচন জয় শেখ হাসিনার। জি নিউজের খবরের শিরোনাম ছিলো- শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে; পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি বিরোধীদের। শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিজয়ের খবর প্রকাশিত করলেও নির্বাচনী সহিংসতা এবং বিরোধী পক্ষের ভোট বর্জন বা পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি উঠে আসে বিবিসি এবং দ্য গার্ডিয়ানের মতো সংবাদ মাধ্যমে। ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং করপোরেশন বিবিসির শিরোনাম হলো- পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি বাংলাদেশের বিরোধীদের। শিরোনামটির ‘কলার’ অংশে লেখা হয়- এক বিরোধী নেতা নির্বাচনকে ‘প্রহসনের নির্বাচন’ আখ্যায়িত করে সমালোচনা করেন। অন্যদিকে দ্য গার্ডিয়ানের শিরোনাম ছিলো- ‘হাস্যকর’ বলে নির্বাচন বয়কট, পুনঃভোটের দাবি (বিরোধীদের)। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের খবর প্রকাশিত হয়েছে পাকিস্তানের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য ডন এও। শিরোনামে না এলেও টেকনিক্যাল লিড হিসেবে প্রকাশিত সংবাদের শিরোনাম ছিলো- বাংলাদেশের শেখ হাসিনার নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত; পুনঃনির্বাচনের দাবি বিরোধীদের।এসএ/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি