ঢাকা, ২০১৯-০৫-২১ ২:৫৫:০৮, মঙ্গলবার

‘ড্রাগের চেয়েও মারাত্মক সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি’  

‘ড্রাগের চেয়েও মারাত্মক সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি’  

সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে মানুষের মধ্যে অস্থিরতা বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে মনোবিজ্ঞানীরা। ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে অল্প বয়সী ছেলেমেয়ে থেকে শুরু করে তাদের অভিভাবকদের মধ্যেও তৈরি হচ্ছে মানসিক চাপ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মনোবিজ্ঞানী মেহতাব খানম বলছেন, সোশাল মিডিয়ার কারণে বিশেষ করে পরিবারের ভেতরেও নানা রকমের সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। কাউন্সেলিং-এর জন্যে যারা আসছেন তারা তাকে এবিষয়ে কী ধরনের সমস্যার কথা বলছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে খানম বলেন, কিশোর-কিশোরীদের বাবা মায়েরা কিন্তু ভীষণ সংগ্রাম করছেন। ‘কারণ রাতের পর রাত জেগে বাচ্চারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে থাকছে, পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছে, সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছে। তারা বুঝতে পারছেননা কিভাবে সন্তানের সাথে সম্পর্ক ঠিক রেখে সহায়তা করবেন।’ তার কাছে কাউন্সেলিং নিতে আসা শিশুদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাচ্চারা অনেক সময় বলছেন অভিভাবকদের কারণে তাদের কৈশোর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা পড়াশোনার ওপরই বেশি জোর দিচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেটে পড়ালেখার কাজও দেওয়া হয়। কিন্তু বাবা মায়েরা বুঝতে চায়না।’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কেন মানসিক চাপ বাড়ায়? মেহতাব খানম বলেন, ‘এখন সম্পর্কগুলো দ্রুত হয়ে যাচ্ছে । সহজেই একজনের সাথে আরেকজনের যোগাযোগ হচ্ছে। একারণে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক, একাধিক সম্পর্ক-এসবও বেড়ে যাচ্ছে অনেক।’ অনেক সময় ফেসবুকে এমন কিছু দেখছে যা তাদের ওপর প্রভাব ফেলছে, হতাশও হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার মতে ড্রাগের আসক্তির চেয়েও সিরিয়াস হয়ে যাচ্ছে এটা। তিনি বলেন, ‘আমি এটা নিয়ে চিন্তিত। ড্রাগ যখন নেয় একা বা কয়েকজনের সাথে নেয়। কিন্তু আমি যখন অন্য একজন বা একাধিক মানুষের সাথে সম্পর্ক করছি তখন অনেকগুলো মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করাই সমাধান? মেহতাব খানম বলেন- না, বন্ধ করা সমাধান নয়। ‘সোশ্যাল মিডিয়ার বিষয়ে আমরা যথেষ্ট শিক্ষা গ্রহণের আগেই সব কিছু হাতের মুঠোয় চলে আসছে। দায়িত্বশীল ব্যবহার করতে পারছিনা এটির। ওখানে অজস্র টাইম দেওয়ার কারণে অন্য সব কিছুতে প্রভাব ফেলছে। আমার মাথা ওটাতেই ব্যস্ত থাকছে।’ স্ট্রেস কমাতে কি দরকার? মেহতাব খানম বলেন এজন্য যথাযথ শিক্ষার দরকার। ‘অভিভাবকদেরও সচেতন দরকার। স্কুলগুলোতে প্যারেন্টিং কর্মসূচি আরও জোরদার করতে হবে। প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’ তথ্যসূত্র: বিবিসি এমএইচ/
সিজেএফডি’র সভাপতি শাহেদ, সম্পাদক নোমান

চিটাগাং জার্নালিস্ট ফোরাম-ঢাকা’র (সিজেএফডি) সভাপতি হিসেবে ইনডিপেনডেন্টের চিফ রিপোর্টার শাহেদ সিদ্দিক ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দৈনিক প্রথম আলোর মোর্শেদ নোমান নির্বাচিত হয়েছেন। তারা ফোরাম সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে আগামী এক বছরের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। নতুন কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সহ-সভাপতি পদে শিবু কান্তি দাস (দৈনিক পূর্বকোণ), যুগ্ম সম্পাদক জসিম উদ্দিন হারুন (দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস), অর্থ সম্পাদক তৌহিদুর রহমান (ইটিভি), দফতর, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রিশাদ হুদা (ইনডিপেনডেন্ট টিভি) এবং ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক মোমেনা আক্তার পপি। এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন- অনুপ কুমার খাস্তগীর (বাসস), সাইফুল ইসলাম দিলাল (ইটিভি), মামুন আব্দুল্লাহ (ইনডিপেনডেন্ট টিভি), রহিম শাহ, মুজিব মাসুদ (দৈনিক যুগান্তর) এবং শামিম জাহাঙ্গীর (ডেইলি সান)। শুক্রবার ইফতারের পর নতুন এ কমিটি গঠন করা হয়। এ সময় ইউএনবি’র সম্পাদক মাহফুজুর রহমান ও ক্রীড়া ডেস্কের ইনচার্জ মো. মুস্তাফা কামালসহ সিনিয়র সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ডিটিএইচ সেবা ‘আকাশ’-এর যাত্রা শুরু

দেশে প্রথমবারের মত বিশ্বমানের ডিটিএইচ (ডিরেক্ট টু হোম) সেবার মাধ্যমে স্যাটেলাইট চ্যানেল দেখার সুযোগ করে দিয়েছে বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ‘আকাশ’ ব্র্যান্ড নামে এ সেবা পণ্য বাজারজাত করা হবে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ডিটিএইচ সেবার উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এ সময় ডিটিএইচ সেবার মাধ্যমে স্যাটেলাইট চ্যানেল দেখার সুযোগ হলে শহরের জঞ্জাল কমবে ও জীবন সহজ হবে আশাবাদ ব্যক্ত করে তথ্যমন্ত্রী বলেন,‘স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল দেখানোর ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং ট্যাক্স আদায়ের মাধ্যমে রাজস্ব বাড়াতে ডিটিএইচ প্রযুক্তি কাজ করবে। এ সেবার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের প্রত্যক্ষ সেবা মিলল। তারবিহীন এই প্রযুক্তির ব্যবহারে শহর থেকে তারের (ওভারহেড ক্যাবল) জঞ্জাল সরবে। বাড়বে সৌন্দর্য।’ তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা সম্প্রচারের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা আনার চেষ্টা করছি। বিদেশি টিভি চ্যানেলে দেশীয় পণ্যের বিজ্ঞাপনের প্রচার বন্ধ করেছি। পৃথিবীর কোনো দেশে এটা হয় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই মাসের পরে কেউ এটা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী বলেন, বাংলাদেশ ডিজিটালাইজের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। আকাশ ডিটিএইচ তারই প্রতিফলন। এর মাধ্যমে দেশের বিশাল একটি জনগোষ্ঠীকে সাশ্রয়ী মূল্যে ডিজিটাল সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বঙ্গবন্ধু কমিউনিকেশন্স স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান সোহেল এফ রহমান, বিসিবির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন প্রমুখ।  অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আগামী ১৯ মে দেশের ২০টি জেলা শহরে আকাশ ডিটিএইচ সেবা পাওয়া যাবে। মাসে মাত্র ৩৯৯ টাকায় মিলবে এ সেবা। আর আকাশ ডিটিএইচের এককালীন সংযোগে খরচ পড়বে ছয় হাজার ৪৯৯ টাকা।   আই// এসএইচ/

শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় বিদায় নিলেন সুবীর নন্দী (ভিডিও)

সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় বিদায় নিলেন কিংবদন্তী সঙ্গীত শিল্পী সুবীর নন্দী। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গুণী এই শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শিল্পী, সাহিত্যিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সব শ্রেণী পেশার মানুষ। পরে রামকৃষ্ণ মিশনে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সবুজবাগ বরদেশ্বরী কালি মন্দিরে শেষকৃত্য হয় তাঁর। বৈশাখের খরতাপে সবাইকো অঝোরে কাঁদিয়ে সুবীর নন্দীর চির বিদায়। এই ঘরে আর কোনদিনই ফেরা হবে না ভালোবাসার মানুষদের কাছে। দৃষ্টির সীমানা ছেড়ে পরপারের পথে নিথর দেহ। একুশে পদকপ্রাপ্ত সুবীর নন্দী মঙ্গলবার ভোররাতে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সকালে ঢাকা পৌছার পর মরদেহ আনা হয় গ্রীন রোডের বাসায়। অশ্রুসিক্ত নয়েনে বিদায় জানান পরিবারের সদস্যরা। গ্রীণ রোড থেকে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে। শ্রদ্ধা জানান ভক্ত অনুরাগীরা। ভারতীয় হাই কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয় ফুলের শ্রদ্ধা। বাবার জন্য সবার কাছে আশীর্বাদ চান একমাত্র মেয়ে মৌ।  দীর্ঘদিনের সহকর্মীদেরও মাঝে যেনো বিষাদের সুর। নাগরিক শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ঢাকেশ^রী মন্দির থেকে সুবীর নন্দীকে আনা হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে।  ঢল নামে সাধারন মানুষের। যার গান এতোদিন ছুঁয়েছে ভক্ত হৃদয়, আজ সেই শিল্পীর জন্য একবুক ভালোবাসা নিয়ে হাজির সুবীর ভক্তরা। ক্ল্যাসিক্যাল আধুনিক বাংলা গানে সুবীর নন্দীর শূণ্যতা কি পূরণ হবে? দেশসেরা এই শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতারা।  শহীদ মিনার এফডিসি হয়ে রামকৃষ্ণ মিশন। পরে সবুজবাগ বরদেশ্বরী কালি মন্দিরে শেষকৃত্য হয় বৃষ্টির কাছ থেকে কাঁদতে শেখা সুবীর নন্দীর।  

ওয়েজবোর্ড ঘোষণা না হলে লাগাতার আন্দোলনের ঘোষণা সাংবাদিকদের

গণমাধ্যমে ঢালাওভাবে ছাঁটাই বন্ধ বন্ধ করা, নবম ওয়েজ বোর্ডের গেজেট প্রকাশ ও সংসদ অধিবেশনে গণমাধ্যম কর্মী আইন পাশ না হলে আগামী ১৫ মে থেকে লাগাতার অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করবে সাংবাদিকরা। এমন ঘোষণা দিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)-এর সভাপতি মোল্লা জালাল। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করার সময় এমন ঘোষণা দেন তিনি। বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে। গণমাধামে ঢালাইভাবে ছাঁটাই বন্ধ করা, নবম ওয়েজ বোর্ডের গেজেট প্রকাশ করা, সংসদ অধিবেশনে গণমাধ্যম কর্মী আইন পাশ করা, ঈদের আগে বেতন বোনাস প্রদানসহ চৌদ্দ দফা দাবিতে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক সমিতি, বাংলাদেশ সংবাদপত্র কর্মচারি ফেডারেশন, বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব নিউজপেপার প্রেস ওয়ার্কার্স, ঢাকা সাবএডিটরস কাউন্সিল, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামসহ বিভিন্ন সংগঠন। বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল বলেন, গণমাধ্যমে একটি মাফিয়া চক্রের জন্ম হয়েছে। তারা চায় নিরঙ্কুশভাবে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে। সংবাদপত্র মালিকদের হুঁশিয়ার করে মোল্লা জালাল বলেন, সাংবাদিকদের ঘামে ভেজা শ্রমের বিনিময়ে আপনাদের পত্রিকা বের হয়। আপনারা সে পত্রিকায় সরকারি বিজ্ঞাপন পান। নানা সুযোগ সুবিধা নেন। সমাজে আপনাদের ফেসভ্যালু বাড়ে। অথচ সাংবাদিকদের ভাগ্য পরিবর্তন হয় না। যখন তখন সাংবাদিক ছাঁটাই করা হয়। বছরের পর বছর যায়। কিন্তু সাংবাদিকদের বেতন বাড়ে না। ওয়েজ বোর্ড ঘোষিত হয় না। মোল্লা জালাল বলেন, সাংবাদিক নেতাদের মধ্যে মাফিয়াদের দালাল ঢুকে গেছে। তাদের হুঁশিয়ার করে বলছি, এমন কিছু করবেন না যাতে আপনাদেরকে প্রেসক্লাব অঙ্গনে অবাঞ্চিত ঘোষণা করতে বাধ্য হই। সংবাদপত্র মালিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা পত্রিকা কত কপি বের করেন আর সরকারকে কত কপির হিসাব দেন তা আমাদের জানা আছে। সব গোমর ফাঁস করে দেব। উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা যদি এক থাকি তাহলে এমন আন্দোলন করব সব মাফিয়া মালিকরা কোনঠাসা হয়ে যাবে। দিশা পাবে না। বিএফইউজে যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মজিদ এর সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএফইউজে মহাসচিব শাবান মাহমুদ। তিনি বলেন, যে সব পত্রিকা অন্যায়ভাবে রেড কার্ড দিয়েছে তা তদন্ত করতে হবে। হঠাৎ করে কোন কোন পত্রিকার বার্তা বিভাগ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। কোন আইনে কোন বিধিমালায় বার্তা বিভাগ বন্ধ করা হচ্ছে তার জবাবদিহি করতে হবে। শাবান মাহমুদ এ সময় ক্ষোভ ঝেড়ে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সময় যারা ছাত্রদল করত আজকে তাদের অনেকে সরকারের বিভিন্ন দফতরে বুদ্ধি দাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। তারাই সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এখন প্রতিক্রিয়াশীলদের পুনর্বাসনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। মানববন্ধনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু জাফর সূর্য বলেন, সাংবাদিকরা যতো অধিকার আদায় করেছে তা লড়াই করেই আদায় করেছে। তিনি বলেন, সরকারি বিজ্ঞাপনের ১০৪ টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয় সংবাদপত্রের জন্য। বাকি ৯০০ টাকা পর্যন্ত যেটা দেওয়া হয় সেটা দেয় সাংবাদিক- কর্মচারিদের কল্যানের জন্য। আমাদের বেতন বোনাসের জন্য। কিন্তু মালিকপক্ষ পুরো টাকা আত্মসাৎ করে তাদের ভাগ্য পাল্টায়। সাংবাদিকদের অবস্থার পরিবর্তন হয় না। এই অবস্থা আর চলতে দেওয়া যায় না। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী বলেন, আমরা অনেক প্রতিবাদ করেছি। এবার প্রতিরোধ করব। দেশে ছত্রিশটি টেলিভিশন আছে। কিন্তু মাত্র দু’চারটি ছাড়া আর কোথাও বেতন কাঠামো নেই। প্রয়োজনে স্থায়ী মঞ্চ করে আন্দোলন চলবে। সাংবাদিক ইশতিয়াক রেজা বলেন, পত্রিকার মালিকরা যদি ব্যবসায়ে ব্যর্থ হন সেটার দায়ভার সাংবাদিকদের নয়। সব গণমাধ্যমে মালিকরা প্রশাসন বিভাগে ও মার্কেটিং বিভাগে কিছু চাটুকার রাখেন যারা তার নিজের লোক। যদি তিনি ব্যবসায়ে ব্যর্থ হন তার দায়ভার সেই চাটুকারদের। তাহলে কেন সাংবাদিককে তার দায় নিতে হবে। কেন সাংবাদিক ছাঁটাই হবে? কেন বছরের পর বছর সাংবাদিকের বেতন বাড়ে না? বক্তারা এ সময় আরও বলেন, গণমাধ্যমগুলো আজ সমস্যার পাহাড়। অনেক প্রতিষ্ঠানে মাসের পর মাস বেতন হয় না। যেখানে বেতন হয় সেখানে ইনক্রিমেন্ট হয় না, যেখানে ইনক্রিমেন্ট হয় সেখানে কোনও নীতিমালা ছাড়া বেপরোয়াভাবে ছাঁটাই চলছে। যা কোনভাবে মেনে নেওয়া হবে না। মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক আকতার হোসেন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারন সম্পাদক কবীর আহমেদ খান, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারন সম্পাদক রাজু আহমেদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারন সম্পাদক শুক্কুর আলী শুভ, নারী সাংবাদিক সমিতির প্রেসিডেন্ট নাসিমা আক্তার, মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সাধারন সম্পাদক আবু জাফর, বাংলাদেশ ক্যামেরা জার্নালিস্ট ফোরামের সাধারন সম্পাদক আবদুল্লাহ আল ফারুক বিপ্লব, ঢাকা সাব এডিটরস কাউন্সিলের সাধারন সম্পাদক মুক্তাদির রহমান, সংবাদপত্র কর্মচারি ফেডারেশনের সভাপতি মতিউর রহমান তালুকদার, প্রেস ফেডারেশনের সভাপতি আলমগীর হোসেন, বাংলাদেশ সাংবাদিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক খায়রুল ইসলাম, বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব প্রেস ওয়ার্কার্সের মহাসচিব কামাল হোসেন, প্রেস ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ তোজাম্মেল হোসেন প্রমুখ। আআ//

গণমাধ্যমকর্মীদের হঠাৎ ছাঁটাই কোনোভাবেই সমীচীন নয়: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘প্রিন্ট বা ইলেকট্রনিক কোনো গণমাধ্যমকর্মীদেরই হঠাৎ ছাঁটাই কোনোভাবেই সমীচীন নয়। তাদের সংসার ও জীবনের কথা ভাবতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘একান্ত প্রয়োজন হলে আগে থেকে নোটিশ এবং কয়েক মাসের বেতন দেয়ার বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনা করা উচিত।’ তথ্যমন্ত্রী আজ সন্ধ্যায় রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে প্রয়াত বরেণ্য সাংবাদিক পিআইবির সাবেক মহাপরিচালক মো. শাহ আলমগীর স্মরণে নাগরিক শোকসভায় বক্তৃতাকালে একথা বলেন। বিশিষ্ট সাংবাদিক আবেদ খানের সভাপতিত্বে শোকসভায় বক্তব্য রাখেন রাশেদ খান মেনন এমপি, হাসানুল হক ইনু এমপি, শফিকুর রহমান এমপি, প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, সাংবাদিক মোজাম্মেল হক বাবু, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি আবু জাফর সূর্য, সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী এবং প্রয়াত শাহ আলমগীরের স্ত্রী ফওজিয়া বেগম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রহমান মুস্তাফিজ। তথ্যমন্ত্রী এ সময় প্রয়াত শাহ আলমগীরের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘তার কাছ থেকে আমাদের বহু কিছু শেখার আছে। তিনি এমন মানুষ যার কোনো শত্রু ছিলো না, থাকলেও তারা তাকে ভালোবাসতো।’ উল্লেখ্য গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ক্যান্সার চিকিৎসাধীন শাহ আলমগীর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এসি  

আজ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস

ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে বা বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আজ। প্রতি বছর ৩ মে বিশ্ব ব্যাপী নানা তাৎপর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হয় এই দিবসটি। এবার ‘মিডিয়া ফর ডেমোক্র্যাসি : জার্নালিজম অ্যান্ড ইলেকশন্স ইন টাইমস ডিজইনফরমেশন’ স্লোগানের মাধ্যমে পালন করা হচ্ছে সাংবাদিকদের কাছে মহা গুরুত্বপূর্ণ এই দিবসটিকে। এর আগে ১৯৯১ সালে জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থার (ইউনেস্কো) ২৬তম সাধারণ অধিবেশনে এই মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের বিষয়ে একটি সুপারিশ করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে সেই সুপারিশ মোতাবেক জাতিসংঘের সাধারণ সভায় বিশ্বব্যাপী এই মে মাসের ৩ তারিখটিকে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। মূলত এরপর থেকে সারা বিশ্বের সকল গণমাধ্যম কর্মীরা এই দিবসটিকে নানা তাৎপর্যের মাধ্যমে পালন করতে থাকেন। এই দিনটিতে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা এবং মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মৌলিক নীতিমালা অনুসরণ করা হয়। তাছাড়া বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মূল্যায়ন, স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ প্রতিহত করার শপথ নেওয়ার পাশাপাশি ত্যাগী সাংবাদিকদের স্মরণ এবং তাদের স্মৃতির প্রতি নানাভাবে সম্মান প্রদর্শন হয়। এবারের এই মুক্ত গণমাধ্যম দিবসটি উপলক্ষে ইউনেস্কোর উদ্যোগে ইথোপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় তিন দিনব্যাপী একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত আয়োজন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্বের সকল দেশের মতো বাংলাদেশের সকল সংবাদ কর্মীরাও তাদের পেশাগত অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে এই দিবসটি নানা তাৎপর্যের সঙ্গে পালনের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। একইসঙ্গে এই গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করবেন। এদিকে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার (২ মে) জাতীয় প্রেসক্লাব ‘গণমাধ্যম চিত্র : পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। সভায় তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ছাড়া সুন্দর দেশ বা সমাজ গঠন করা সম্ভব নয়। গণমাধ্যমের বিকাশ ও মুক্ত গণমাধ্যম অপরিহার্য। বর্তমানে ব্যাপকভাবে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের অপপ্রয়োগ হচ্ছে, যা কখনোই কারও কাম্য নয়।’ ওডি/কেএইচআর

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ছাড়া সুন্দর দেশ গঠন সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ছাড়া সুন্দর দেশ বা সমাজ গঠন করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, গলমাধ্যমের বিকাশ ও মুক্তগণমাধ্যম অপরিহার্য। ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের অপপ্রয়োগ হচ্ছে যা কারও কাম্য নয় বলেও উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী। বৃহষ্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এ সব কথা বলেন। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে ‘গণমাধ্যম চিত্র: পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শিরোনামে জাতীয় প্রেসক্লাব এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, মাথাপিছু আয়ের দিক থেকে আমরা পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছি। আগামী দেড়বছরের মধ্যে আমরা ভারতকে ছাড়িয়ে যাব। পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝি থেকে এ দেশ খাদ্য ঘাটতির দেশ থাকলেও এখন আমরা খাদ্য উদ্ধৃত্তির দেশ। গণমাধ্যমের সহযোগিতা ছাড়া আমাদের এ অর্জন সম্ভব হতো না। হাছান মাহমুদ বলেন, আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে কখনও গণমাধ্যমের উপর কোনও চাপ প্রয়োগ করা হয়নি। কারণ একটি উন্নত জাতি ও বহুমাত্রিক সমাজ গঠন করা আমাদের উদ্দেশ্য। উপস্থিত সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের সঙ্গে গণমাধ্যমের সম্পর্ক ভাল তার প্রমাণ আপনারা আমাকে এ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমার সামনে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের চাপে ফেলা কখনোই ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের উদ্দেশ্য নয়। সাংবাদিকের দায়িত্ব সাংবাদিক পালন করবে। তবে কোথাও কোথাও এ আইনের অপপ্রয়োগ যে হচ্ছে না তা বলা যাবে না। তিনি আরও বলেন, সারাবিশে ডিজিটাল সিকিউরিটি একটি নতুন বাস্তবতা। আজ থেকে পনের বছর আগেও মানুষ এ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়নি। গত দশ বছর ধরে আমরা একে মোকাবেলা করছি। সারাবিশে এ লক্ষ্যে আইন হচ্ছে। বাংলাদেশেও সেই ধারাবাহিকতায় আইন হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আআমস আরেফিন সিদ্দিক, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, সাংবাদিক শ্যামল দত্ত প্রমুখ। আআ/

নবম ওয়েজ বোর্ড কার্যকরের দাবি

মহান মে দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সংবাদপত্রসেবীদের জন্য গঠিত নবম ওয়েজ বোর্ড কার্যকর ও অবিলম্বে গণমাধ্যম কর্মী আইন পাস ও সাংবাদিকদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) বুধবার দুপুরে মহান মে দিবস উপলক্ষে ইউনিয়ন কার্যালয়ে যৌথভাবে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে। বিএফইউজের সভাপতি মোল্লা জালালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বিএফইউজে’র মহাসচিব শাবান মাহমুদ, সহ-সভাপতি সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য নূরে জান্নাত আখতার সীমা, ডিইউজে’র সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী, বিএফইউজের সাবেক কোষাধ্যক্ষ আতাউর রহমান, সাংবাদিক মানিক লাল ঘোষ ও আসাদুজ্জামান। সভা পরিচালনা করেন ডিইউজে’র যুগ্ম সম্পাদক আখতার হোসেন। সভায় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, নবম ওয়েজ বোর্ড কার্যকরে বিলম্ব হওয়ায় গণমাধ্যম কর্মীরা চরম অর্থনৈতিক টানা পোড়েনে দিনাতিপাত করছেন। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে গণমাধ্যম কর্মীদের জীবন যাত্রা দুর্বিষহ হয়ে ওঠেছে। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ তাই অবিলম্বে সব প্রতিবন্ধকতা দূর করে নবম ওয়েজবোর্ড কার্যকরের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। (সূত্রঃ বাসস) কেআই/

নিবন্ধন পেয়েছে বাংলাদেশ মিডিয়া ফোরাম

বাংলাদেশি মিডিয়া শিল্পের অগ্রগতির জন্য কাজ করছে বাংলাদেশ মিডিয়া ফোরাম (বিএমএফ)। দেশের বিজ্ঞাপনদাতা, বিজ্ঞাপনী সংস্থা, চ্যানেলগুলোর জন্য অনন্য এ প্ল্যাটফর্মটি এরই মধ্যে মিডিয়া পেশাদারদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, তথ্যভিত্তিক মিডিয়া পদ্ধতি ও প্রচার ব্যবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। যৌথ স্টক কোম্পানিগুলোর রেজিস্ট্রার ও নিবন্ধন আইন ১৮৬০-এর অধীনে নিবন্ধন পেয়েছে বিএমএফ। সোমবার (২৯ এপ্রিল) সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিএমএফ সভাপতি মো. মোর্শেদ আলম বলেন, এটি একটি স্বাধীন, অলাভজনক, প্রগতিশীল মিডিয়ার গবেষণা ও বাস্তবায়নের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে যাবে। নিবন্ধন পাওয়ায় তিনি ফোরামের সব প্রতিষ্ঠাতা, সহযোগী সদস্য ও সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানান। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের মিডিয়া শিল্পের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য কাজ করার আশা প্রকাশ করেন বিএমএফ সভাপতি। বিএমএফ’র প্রতিষ্ঠাতা কমিটির সদস্যরা হলেন- মোরশেদ আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, গ্রুপ এম বাংলাদেশ, বিএমএফ’র সভাপতি, ইবনে হাসান খান পরিচালক, সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং, চ্যানেল আই, বিএমএফ’র ভাইস প্রেসিডেন্ট, মো. কামরুল হাসান, বিজনেস ডিরেক্টর, এসিআই লিমিটেড, বিএমএফ’র ভাইস প্রেসিডেন্ট, সৈয়দ আশিক রহমান, সিইও, আরটিভি, বিএমএফ’র ভাইস প্রেসিডেন্ট, জিয়াউদ্দিন আদিল, সিইও, টপ অফ মাইন্ড, বিএমএফ’র ভাইস প্রেসিডেন্ট, তানভীর ফারুক, প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও, অ্যাপলইড বিজনেস ইনিসিয়েটিভ (এবিআই), বিএমএফ’র সাধারণ সম্পাদক, মাজহারুল হক চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, হাভাস মিডিয়া বাংলাদেশ লিমিটেড, বিএমএফ’র যুগ্ম সম্পাদক, শিকদার আখতার-উজ-জামান, মিডিয়া ও স্পনসরশিপ প্রধান, গ্রামীণফোন লিমিটেড, বিএমএফ’র যুগ্ম সম্পাদক, শরীফুল ইসলাম, প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক, বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম, বিএমএফ’র অর্গানাইজিং সেক্রেটারি, অজয় কুমার কুণ্ডু, চিফ অপারেটিং কর্মকর্তা, মিডিয়াকম লিমিটেড, বিএমএফ’র ট্রেজারার, আমান আশরাফ ফয়েজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, গাজী টিভি, বিএমএফ’র পরিচালক, প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন। কেআই/

সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহর জানাজা সম্পন্ন

সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহর জানাজা আজ (রোববার) বাদ আসর জাতীয় প্রেসক্লাবের টেনিস মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এসময় দেশের রাজনীতিক, সুধীজনদের পাশাপাশি আত্মীয়স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে তার মরদেহ প্রেসক্লাবে আনা হয় এবং নামাজে জানাজা শুরু হয় ৫টা ২০ মিনিটে।  মাহফুজ ‍উল্লাহ শনিবার সকাল ১০টার দিকে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। জানাজার আগে সাংবাদিক মাহফুজ ‍উল্লাহর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম বলেন, তিনি সময়ের অগ্রগামী লেখক-সাহিত্যিক। উনাকে হারানোর যে অভাব, তা কোনোদিনও পূরণ হবে না। তিনি দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ভালোবাসতেন। প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ ভাই দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সবার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়তে পেরেছিলেন। তিনি সবসময় প্রেস ক্লাবে আসতেন। গত ৩০ বছর ধরে তিনি আমাদের অভিভাবকের মতো ছিলেন। প্রেস ক্লাব দীর্ঘদিন তার অভাব অনুভব করবে। বড় ভাই অর্থনীতিবিদ মাহবুব উল্লাহ বলেন, মাহফুজউল্লাহ অত্যন্ত প্রতিভাবান ছিল। আপনারা সাক্ষ্য দেন তিনি কেমন মানুষ ছিলেন। আপনারা দোয়া করবেন তাকে যেন আল্লাহ জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন। জানাজা শেষে জাতীয় প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে প্রথমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এরপর বিএনপি, ভাসানী অনুসারী পরিষদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, নোয়াখালীর জার্নালিস্ট ফোরামসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এছাড়া জানাজায় আরো অংশ নেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ,  জাসদ সভাপতি আসম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্য’র আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, মহাসচিব এম আব্দুল্লাহ ও শাবান মাহমুদ, সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী ও শহীদুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আফ্রাদ ও জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, বিকল্প ধারার প্রেসিডিয়াম সদস্য শমসের মবিন চৌধুরী, প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন, খন্দকার মাহবুব হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য কবি আবদুল হাই শিকদার প্রমুখ। আগামী ১ মে বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে মরহুমের জন্য দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে মর্মে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।  কেআই/ 

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি