ঢাকা, মঙ্গলবার   ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর, শুল্কহার কমে ১৯

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৯:০৪, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ০৯:১৭, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক শুল্ক (রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ) সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তির আওতায় বাংলাদেশি পণ্যের ওপর আরোপিত পারস্পরিক শুল্কহার ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। 

সোমবার ওয়াশিংটনে এ চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে স্বাক্ষর করেন দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষরের আগে প্রায় নয় মাস ধরে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলে। গত বছরের এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই আলোচনার মধ্য দিয়েই চুক্তিটি চূড়ান্ত রূপ পায়।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন বলেন, এই চুক্তি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে নতুন ঐতিহাসিক স্তরে নিয়ে যাবে। এর ফলে দুই দেশই একে অপরের বাজারে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তি প্রবেশাধিকার পাবে।

চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যের ওপর আরোপিত পারস্পরিক শুল্কহার ১৯ শতাংশে নামিয়ে আনতে সম্মত হয়েছে। এর আগে এই শুল্কহার ছিল ৩৭ শতাংশ, যা গত বছরের আগস্টে কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়। নতুন চুক্তির মাধ্যমে তা আরও এক শতাংশ কমানো হলো।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র উৎপাদিত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু ব্যবহার করে বাংলাদেশে উৎপাদিত নির্দিষ্ট কিছু বস্ত্র ও পোশাকপণ্যের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শূন্য শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক সুবিধা দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সম্মত হয়েছে।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেন, ২০ শতাংশ থেকে শুল্কহার ১৯ শতাংশে নামিয়ে আনা বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের জন্য আরও সুবিধা বয়ে আনবে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু বস্ত্র ও পোশাকপণ্যে শূন্য শুল্ক সুবিধা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে উল্লেখযোগ্য গতি সঞ্চার করবে। তিনি বাংলাদেশের পক্ষে এই চুক্তির প্রধান আলোচক ছিলেন।

চুক্তিটি সোমবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে। দুই দেশ প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করলে এটি কার্যকর হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চ উপস্থিত ছিলেন।

এএইচ


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি