ঢাকা, শনিবার   ১৭ এপ্রিল ২০২১, || বৈশাখ ৪ ১৪২৮

সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যা, ঘটনাস্থলে পিবিআই

নোয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ১৯:৪৫, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজ্জাকির হত্যা মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআইতে হস্তান্তরের করা হয়েছে। আর দায়িত্ব পেয়েই বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পিবিআই কর্মকর্তারা।

এর আগে মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে মামলার সকল কাগজপত্র নোয়াখালী জেলা পিবিআইতে হস্তান্তর করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে পিবিআই নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সীর নেতৃত্বে একটি তদন্ত দল ওই এলাকা পরিদর্শন করেন। এসময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

পিবিআই এর তদন্ত দলটি চাপরাশিরহাট পূর্ব বাজারের ঘটনাস্থল এবং নিহতের বাড়ীতে যান। তারা নিহতের পরিবারের সদস্য, স্থানীয় লোকজন এবং সংঘর্ষের সময় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের সাথে কথা বলেন। 

এ বিষয়ে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ ঘটনাস্থল থেকে তথ্য, ফুটেজ নিয়েছি। আরও তথ্য সংগ্রহ করা হবে। আমরা এ মামলার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের চেষ্টা করছি।

এসময় সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ মামলার তদন্ত সম্পন্ন করতে চেষ্টা করবো। 

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার উপজেলার চাপরাশিরহাট পূর্ব বাজারে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলের সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। 

এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশও কয়েক রাউন্ড টিয়ারসেল ও শর্টগানের গুলি ছোঁড়ে। ঘটনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে ত্রিমুখী সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে গুলিবিদ্ধ হন সাংবাদিক মুজাক্কির’সহ ৭-৮ জন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাত ১০টা ৪৫মিনিটে মুজাক্কিরের মৃত্যু হয়। 

এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার সকালে নিহতের বাবা নোয়াব আলী মাস্টার বাদী হয়ে অজ্ঞাত একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওইদিন রাতেই মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআইতে হস্তান্তর করা হয়।

এনএস/


Ekushey Television Ltd.

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি