ঢাকা, সোমবার   ০৮ আগস্ট ২০২২

সীমান্তে বিএসএফ`র গুলিতে দুইদিনে ৫ বাংলাদেশি নিহত

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৭:৫৬, ২৩ জানুয়ারি ২০২০ | আপডেট: ১৮:০২, ২৩ জানুয়ারি ২০২০

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বাংলাদেশের সীমান্তে ভারতে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স’র (বিএসএফ) গুলিতে গত দুইদিনে অন্তত ৫ বাংলাদেশী নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে নওগাঁর পোরশা উপজেলার দুয়ারপাল সীমান্তে গোলাগুলিতে তিনজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এতে আরও তিনজন আহত হয়ে স্থানীয় বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে বিজিবি বলে বাহিনীটির ক্যাম্প কমান্ডার মোখলেসুর রহমান।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে ২০ থেকে ২৫ জন বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ী ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরছিলেন। এ সময় ভারতীয় সীমান্তে কেদারিপাড়া ক্যাম্পের বিএসএফ জওয়ানরা তাদেরকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে থাকেন। এতে ভারতীয় সীমান্তের ভেতরেই তিন জন নিহত হন। নিহতরা গরু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন। 

তবে বিএসএফ বলেছে, গরু পাচার বা চোরা কারবারির সঙ্গে জড়িতরাই সীমান্তে নানা সময়ে যারা গুলিতে নিহত হচ্ছেন। 

এর আগে গতকাল বুধবার লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে বিএসএফ'র গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহতের খবর পাওয়া গেছে। ঐ দিন ভোরে ভারত থেকে গরু নিয়ে ফেরার পথে উপজেলার বনচৌকি সীমান্তের কাছে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন লালমনিরহাট ১৫ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসএম তৌহিদুল আলম। এই ঘটনায় প্রতিবাদপত্র পাঠিয়ে বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের আহবান জানানো হয়েছে।

গত এক বছরে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে দেশটির সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর হাতে বাংলাদেশীদের প্রাণহানির সংখ্যা তিন গুন বেড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের আইন ও সালিশ কেন্দ্র। বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি সংবাদপত্রের তথ্যের ভিত্তিতে ঐ প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৯ সালে বিএসএফ'র হাতে প্রাণ হারিয়েছেন ৩৮ জন বাংলাদেশী। এর মধ্যে ৩৩ জন গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন এবং বাকি ৫ জনকে নির্যাতন করে মারা হয়েছে। অন্যদিকে ২০১৮ সালে সীমান্তে এমন প্রাণহানির সংখ্যা ছিল ১৪ জন।

এমএস/এসি
 


Ekushey Television Ltd.

© ২০২২ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি