৬৬৯ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস, ৩১২ প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি
প্রকাশিত : ১৩:৫৬, ১০ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৪:১৭, ১০ আগস্ট ২০২৬
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার শতভাগ। আর শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩১২টি।
সোমবার সকাল ১০টায় সচিবালয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩১২টি। আর মাত্র ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে।
২০২৫ সালে শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৯৮৪টি। সেই হিসাবে এবার শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কমেছে ৩১৫টি।
এবছর ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও ছাত্রীরা এগিয়ে। মোট জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী এবং ৫২ হাজার ৭৮০ জন ছাত্র।
ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৭১.৬৩ শতাংশ, জিপএ-৫ পেয়েছে ৩৩ হাজার ২৫৩ জন। রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৬৩.৬৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ হাজার ১১৩ জন। যশোর বোর্ডে পাসের হার ৬৬.২৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৪৭৮ জন।
কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৬৫.৪২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৮১৪ জন। চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৫৯.৪৮ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন। বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৬০.৩৫ শতাংশ, জিপএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৭৭৮ জন।
সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৫৮.৩৩ শতাংশ, জিপএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৮৩৬ জন। দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৫৮.০৫ শতাংশ, জিপএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৬৩৯ জন। ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫৭.৩৯ শতাংশ, জিপএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৭০০ জন।
এর আগে গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ। জিপিএ-৫ কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।
এছাড়া মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭১৬ জন। আর কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৫৮.২০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৯৫১ জন।
এ বছর দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ মোট ১১টি বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ছাত্র এবং ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী।
এএইচ
আরও পড়ুন










