ঢাকা, মঙ্গলবার   ০৭ জুলাই ২০২০, || আষাঢ় ২৪ ১৪২৭

Ekushey Television Ltd.

আমরা এখনো আশায় আছি: মাশরাফি

প্রকাশিত : ১২:০৭ ১৯ জুন ২০১৯ | আপডেট: ১২:২৫ ১৯ জুন ২০১৯

টনটনে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ওয়েস্টইন্ডিজকে হারিয়ে ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে টাইগাররা। ৩২২ রানের টার্গেট তাড়া করে জয়ের সুখস্মৃতি নিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার এবারের বিশ্বকাপের ফেভারিট অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ।

নটিংহ্যামে খেলা হবে বিকাল সাড়ে ৩টায়। ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে জয়ের সুবাদে শেষ চারে খেলার সম্ভাবনা উজ্জ্বল করেছে বাংলাদেশ। ইতিমধ্যে টনটন ছেড়ে নটিংহ্যামে পৌঁছেছে বাংলাদেশ দল।

পাঁচ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছেন টাইগাররা। তারা দুটি ম্যাচ জিতে, একটিতে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছে। আর দুটি ম্যাচ হেরেছে। এদিকে সমান ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে অস্ট্রেলিয়া।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি বলেন,  ‘নটিংহামের উইকেট কিছুটা ব্যাটিং সহায়ক। সে পরিকল্পনা নিয়েই খেলতে হবে আমাদের। তবে বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচই সহজ নয়। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ না হওয়াটা আমাদের জন্য কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। তাই অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে নিজেদের সেরাটা দিয়ে খেলতে হবে।’

বাকি চার ম্যাচে জয়ের আত্মবিশ্বাস আছে কীনা এমন প্রশ্নের জবাবে মাশরাফি বলেন, আত্মবিশ্বাস না থাকার কারণ নেই। হ্যাঁ, একবারে চার ম্যাচের দিকে তাকালে অনেক কঠিন। ম্যাচ ধরে ধরে আগানো ছাড়া উপায় নেই। একদিকে ম্যাচ জিততে হবে আবার নিউজিল্যান্ড যেন হেরে যায় সেই প্রার্থনাও করতে হবে। তবে আশা ছাড়িনি, আমরা এখনো আশায় আছি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারানোর পর সেমিফাইনালের ছবি এখন কতটা স্পষ্ট এমন প্রশ্নের জবাবে মাশরাফি বলেন, খুব কঠিন সমীকরণ! নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জিতলে ৯ পয়েন্ট নিয়েও যাওয়ার সুযোগ ছিল। এখন ১১ পয়েন্ট পেলেও নিশ্চিত হওয়া যাবে না। সঙ্গে রানরেটের ব্যাপার আছে। সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়ে গেছে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে হেরে। এরপর ক্ষতি হয়েছে শ্রীলঙ্কার ম্যাচটা না হওয়ায়।

মাশরাফি বলেন, ওদিকে নিউজিল্যান্ড-ভারতের ম্যাচটা না হওয়ায় ওদের রানরেটে কোন পার্থক্য হয়নি। এক পয়েন্ট পেয়েছে, রানরেটও একই জায়গায় থেকে গেছে। আমরা ৪০ ওভারে ৩২২ রান করেও রানরেট প্লাসে আনতে পারিনি। আমরা যদি পরের চার ম্যাচের তিনটিতেও জিতি, আর নিউজিল্যান্ড পরের চারটার দুইটা জেতে, নিউজিল্যান্ডের পয়েন্ট ১১ হবে। রানরেটে তো তারা এগিয়েই।

তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও ভারতের যেসব ম্যাচ বাকি আছে, বলতে পারেন তারা চলেই গেছে। দক্ষিণ আফ্রিকর ম্যাচটা আমরা জিতে গেলাম। নিউজিল্যান্ডের ম্যাচটাও জিতলে এখন আমাদের ৭ পয়েন্ট থাকত। নিউজিল্যান্ডের ৫ পয়েন্ট থাকত। আমরা নিরাপদ জায়গায় থাকতাম। এখনো সম্ভাবনা নেই তা বলব না। নিউজিল্যান্ড হারতেও পারে। আমরাও দেখা গেল সব জিততে পারি। অধিনায়ক হিসেবে তো এটা বলা যাবেই না যে সম্ভাবনা নেই। বিশ্বকাপের মতো জায়গায় শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকার মোত একটা বড় দলকে হারিয়েই সেমিফাইনালে যেতে চাইলে বলার কিছু নেই। বড় দল একটাকে তো হারাতেই হবে।

এদিকে ওয়েস্টইন্ডিজের বিপক্ষে জয়ের কৃতিত্ব সবাই সাকিব-লিটনকে দিলেও অধিনায়কের চোখে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয়ার নায়ক আরেকজন। তিনি হচ্ছেন মোস্তাফিজুর রহমান।

ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মাশরাফি বলেন, মুস্তাফিজের এক ওভারের দুই উইকেটই ছিল ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। মুস্তাফিজের ওই ওভারে দুই উইকেট নিয়েই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সে সময় এমনভাবে খেলছিল, তাদের রান হয়ে যেত ৩৬০-৭০। তা ছাড়া শুরুতেই গেইলের আউট এবং সাকিবের দুই উইকেট ম্যাচে বাংলাদেশকে অনেকটাই ফিরিয়ে নিয়ে আসে। ক্যারিবীয়দের ইনিংস শেষ হয় ৩২১ রানে।


New Bangla Dubbing TV Series Mu
New Bangla Dubbing TV Series Mu

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি