ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৮ জুলাই ২০১৯

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের যত জয়

 প্রকাশিত: ১০:৪১ ২৭ মে ২০১৯   আপডেট: ১০:৫৭ ২৭ মে ২০১৯

আর মাত্র ৩ দিন বাকি। আগামী বৃহস্পতিবার ওভালে ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে লন্ডনে পর্দা উঠবে ২০১৯ বিশ্বকাপের। এবারের আগে ৫ বার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ দল।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশও কি কম অনুমেয়! কখনও শিকারি হয়ে ভেঙে দিয়েছে নিজেদের চেয়ে অনেক বড় দলের বিশ্বকাপ-স্বপ্ন, কখনও নিজেরাই হয়ে গেছে ছোট কোনও দলের শিকার।

আসলে আত্মবিশ্বাস না থাকলে কিছু অর্জন করা যায় না। অনেক প্রতীক্ষার পর ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে প্রথম অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ। এই বিশ্বকাপে পাঁচটি ম্যাচ খেলে দুটিতে জয় ও তিনটিতে পরাজিত হয় টাইগাররা। ওই আসরে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

এর পরে ২০০৩ সালের বিশ্বকাপ তেমন সুখকর ছিলো না বাংলাদেশের জন্য। এ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ হেরে যায় বাংলাদেশ। তবে এর পরের বিশ্বকাপগুলোতে কিছু অর্জন যোগ হয় বাংলাদেশের খাতায়।

২০০৭ সালের বিশ্বকাপে ১৩ উইকেট নিয়েছিলেন বাঁহাতি স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক। একক আসরে এটিই বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকার।

আর ২০১১ সালের বিশ্বকাপে শফিউল ইসলাম ২১ রানে ৪ উইকেট নেন। এই বোলিং ফিগার এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সেরা বোলিং।

এছাড়া, ব্যাটিং পারফরম্যান্সে ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৪ উইকেটে ৩২২ রান করে বাংলাদেশ। এটিই বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্কোর। আর বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রানের মালিক সাকিব আল হাসান (৫৪০ রান)।

অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১৫ বিশ্বকাপে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের করা অপরাজিত ১২৮ রান এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ইনিংস। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে মাত্র ২টি সেঞ্চুরি হয়েছে, যার দুটিই করেছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। আর বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ সংখ্যক হাফ-সেঞ্চুরির মালিক সাকিব আল হাসান (৫ বার)। ২০১৫ বিশ্বকাপে মাহমুদউল্লাহ’র করা ৩৬৫ রান কোনও একক আসরে বাংলাদেশি কোনও ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ রান।

বোলিং পারফরম্যান্সে ২৩ উইকেট নিয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক সাকিব আল হাসান।

উইকেটরক্ষকের পারফরম্যান্স হলো, বাংলাদেশের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ডিসমিসালের মালিক মুশফিকুর রহিম (১৮ বার)। বিশ্বকাপের এক ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ডিসমিসালের (৪বার) মালিকও মুশফিকুর রহিম। ২০১৫ বিশ্বকাপে ৮টি ডিসমিসাল করেন মুশফিক, যা এক আসরে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ। ফিল্ডিং পারফরম্যান্সে ৯ ক্যাচ নিয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ক্যাচের মালিক তামিম ইকবাল।

২০১৫ সালের বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৪ ক্যাচ নিয়ে এক ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ক্যাচ নিয়েছেন সৌম্য সরকার। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে ৬ ক্যাচ নিয়ে এক আসরে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ক্যাচ নেওয়ার কীর্তিও সৌম্য’র দখলে।

তাহলে দেখা যাক, ২০১৯ বিশ্বকাপে কী করে বাংলাদেশ। তবে নিজেদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে আত্মবিশ্বাসে টইটম্বুর বাংলাদেশ দল।

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি