এক্সিলারেট এলএনজি টার্মিনাল ফের চালু, গ্যাস সরবরাহে উন্নতি
প্রকাশিত : ২০:৪৩, ২২ আগস্ট ২০২৬
তিন দিন বন্ধ থাকার পর কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক্সিলারেটর এনার্জি পরিচালিত ভাসমান স্টোরেজ ও রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) বা এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে।
শনিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশনের (পেট্রোবাংলা) এক কর্মকর্তা।
তিনি বলেন, ‘আজ দুপুর ২টার দিকে এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু হয়েছে এবং বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে ঘণ্টায় প্রায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ করছে।’
ওই কর্মকর্তা বলেন, দেশের দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহের ফলে এলএনজিভিত্তিক মোট গ্যাস সরবরাহ বেড়ে প্রায় ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুট হয়েছে। মধ্যরাতের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে আরও প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হতে পারে।
পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বলেন, একটি এলএনজি কার্গো আগামীকাল রোববার (২৩ আগস্ট) টার্মিনালে পৌঁছানোর কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের এক দিন আগেই তা এসে পৌঁছায়। ফলে আজ থেকেই টার্মিনালটি জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে।
তিনি বলেন, আজ দুপুর ২টার দিকে এলএনজিভিত্তিক গ্যাস সরবরাহ মাত্র ৫৮০ মিলিয়ন ঘনফুট ছিল। নতুন এলএনজি কার্গো পৌঁছানোর পর সরবরাহ বাড়তে শুরু করে এবং বর্তমানে তা প্রায় ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে।
মোট এলএনজি সরবরাহের মধ্যে বর্তমানে সামিট প্রায় ৫৮০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করছে। এদিকে, দেশে সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ বেড়ে প্রায় ২ হাজার ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট হয়েছে।
আব্দুল মান্নান বলেন, ‘গ্যাস সরবরাহ নির্ভরযোগ্য পর্যায়ে রাখতে আমরা আরও এলএনজি কার্গো আনার জন্য কাজ করছি।’
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত এলএনজি টার্মিনালটি গত ২১ জুলাই অগ্নিকাণ্ডের পর বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে টার্মিনালটি এলএনজি সরবরাহ পুনরায় শুরু করলেও ১৯ আগস্ট থেকে এলএনজি কার্গোর মজুত না থাকায় এর কার্যক্রম আবারও বন্ধ হয়ে যায়।
এএইচ
আরও পড়ুন










