বাংলাদেশকে জরিমানা বা নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে না আইসিসি
প্রকাশিত : ০৯:৫৫, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়া এবং টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়া নিয়ে যে ধোঁয়াশা ও শাস্তির শঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা কেটে গেছে। বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) কোনো ধরনের আর্থিক জরিমানা বা ক্রিকেটীয় নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হবে না।
এক বিবৃতিতে আইসিসি বলেছে, ‘আইসিসি একমত হয়েছে যে, বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওপর কোনো আর্থিক, ক্রীড়াসংক্রান্ত বা প্রশাসনিক জরিমানা আরোপ করা হবে না। বিসিবি যদি চায় তবে তাদের 'ডিসপিউট রেজুলিউশন কমিটি' বা বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির দ্বারস্থ হওয়ার অধিকার বজায় থাকবে। আইসিসির বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী এই অধিকার বিদ্যমান এবং তা অক্ষুণ্ণ রয়েছে।'
তারা আরও বলেছে, ’আইসিসির এই দৃষ্টিভঙ্গি তার নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতার নীতি দ্বারা পরিচালিত এবং এটি শাস্তির পরিবর্তে সহযোগিতামূলক সমর্থনের অভিন্ন লক্ষ্যকে প্রতিফলিত করে।’
আইসিসি বলেছে, ’এই সমঝোতার অংশ হিসেবে একটি চুক্তি হয়েছে যে, ২০৩১ সালের আইসিসি পুরুষ ক্রিকেট বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করবে; যা আইসিসির স্বাভাবিক আয়োজক প্রক্রিয়া, সময়সীমা এবং পরিচালনগত প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভরশীল। এটি আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশের সক্ষমতার ওপর আস্থার প্রতিফলন এবং দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্য তার সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থবহ আয়োজক সুযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে আইসিসি-র প্রতিশ্রুতিকে সুদৃঢ় করে।’
’আইসিসি, পিসিবি এবং বিসিবি—অন্যান্য সদস্যদের পাশাপাশি—ক্রীড়া জগতের সর্বোত্তম স্বার্থে নিরবচ্ছিন্ন সংলাপ, সহযোগিতা এবং গঠনমূলক সম্পৃক্ততার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সকল অংশীজন স্বীকার করে যে, এই সমঝোতার মূল উদ্দেশ্য হলো খেলার সততা রক্ষা করা এবং ক্রিকেট ভ্রাতৃত্বের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখা।’
উল্লেখ্য, নিরাপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ভারতে গিয়ে খেলার অনুমতি না পাওয়ায় চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে স্কটল্যান্ড। বিসিবি বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার জন্য চাপ দিলেও আইসিসি বোর্ড তার বিপক্ষে ভোট দেয় এবং পরিবর্তে বাংলাদেশের জায়গায় অন্য দলকে সুযোগ করে দেয়।
এএইচ










