বিয়ের প্রলোভনে যুবতীকে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩
প্রকাশিত : ১৭:৩৭, ২৩ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে যুবতীকে (২৯)কে ৭ দিনব্যাপী ভাড়া বাড়িতে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে ৭ জনকে আসামি করে রূপগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়। এর আগে শনিবার রাতে উপজেলার তারাব পৌরসভার বরপা শান্তিনগর এলাকা থেকে ওই যুবতীকে উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় প্রধান আসামি আলমগীর, রুনা ও পাপী নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ভুক্তভোগীর বরাতে জানা যায়, রূপগঞ্জ উপজেলার বরপা শান্তিনগর এলাকার মৃত শাহেদ আলীর ছেলে আলমগীর হোসেনের সঙ্গে মুন্সিগঞ্জ বিক্রমপুরে ওই যুবতীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত ১৫ আগস্ট ওই যুবতী বিয়ের প্রলোভনে মুন্সিগঞ্জ থেকে রূপগঞ্জে আলমগীরের কাছে চলে আসেন।
আলমগীর ওই যুবতীকে নিয়ে বরপা শান্তিগর এলাকায় একটি রুম ভাড়া নেন। সেখানে আলমগীর হোসেন ও তার বন্ধু শাওন, শুভ, মোস্তফা, জীবনকে নিয়ে মাদক সেবক করে। গত ৭ দিন ধরে ওই যুবতীকে আলমগীর হোসেন ও তার বন্ধুরা ওই ভাড়া বাড়িতে আটকে রেখে পাশবিক নির্যাতন ও গণধর্ষণ করে।
গতকাল শনিবার ওই ভাড়াটিয়া বাড়ির বাড়িওয়ালা বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই যুবতীকে উদ্ধার করে। পুলিশ আসার খবরে মামলার আসামিরা পালিয়ে যায়।
পরে রাতে ওই যুবতী বাদী হয়ে আলমগীর, শাওন, শুভ, মোস্তফা, জীবন, রুনা, পপিকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে জেলা ’গ’ সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) মেহেদী ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় ধর্ষণ মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এএইচ
আরও পড়ুন










