ঢাকা, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ৩:২২:৫৯

রেসিপি : সাবু দানার বড়া

রেসিপি : সাবু দানার বড়া

অনেকেই সাবু দানার সঙ্গে পরিচিত নয়। এটা সাধারণত অসুস্থ হলে খেতে হয়। জ্বর কমাতে খুবই উপকারি। প্রাচীনকালে এর ব্যবহার ছিল বেশি। বর্তমানে সাবু দানা দিয়ে সাধারণত ফালুদা, পায়েস, সুজি তৈরি করে খাওয়া হয়। তাছাড়া সাবুদানা দিয়ে বড়াও তৈরি করা যায়। সাবুদানার বড়া সাধারণত বাইরে থেকে মুচমুচে এবং ভিতরে নরম হয়। এটি চায়ের সঙ্গে খেতে খুবই ভাল লাগে। ধনে পাতা অথবা আমচুর চাটনি এবং টমেটো সসের সঙ্গে সাবুদানা বড়া খাওয়া যেতে পারে। একুশে টিভি অনলাইনে এর রেসিপি দেওয়া হলো- উপকরণ- ১) সাবুদানা দুই কাপ। ২) আলু সেদ্ধ। ৩) আদা কুচি। ৪) কাঁচা মরিচ কুচি। ৫) সাদা তিল দুই চামচ। ৬) কর্নফ্লাওয়ার এক চামচ। ৭) লবণ স্বাদ মতো। ৮) ভাজা বাদাম। ৯) তেল। প্রণালি- একটি ছাকনিতে সাবুদানা নিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন। এবার একটি বাটিতে পানি নিয়ে সাবুদানা ভিজিয়ে রাখতে হবে। ছয় থেকে আট ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখার পর অতিরিক্ত পানি ফেলে দিতে হবে। একটি সাবুদানা হাতে নিয়ে টিপে দেখুন, সেটি পিষে যাচ্ছে কিনা। যদি পিষে যায়, তাহলে সাবুদানা ভালভাবে তৈরি বড়া বানানোর জন্য।  একটি পাত্রে সেদ্ধ করে রাখা আলু পিষে নিতে হবে। এই আলুর মধ্যে ভিজিয়ে রাখা সাবুদানা দিতে হবে। এবার আদা আর কাঁচা মরিচ কুচি দিতে হবে। এরপর সাদা তিল আর লবণ মেশাতে হবে। সব উপাদানগুলি ভাল করে মিশিয়ে একটা মণ্ডের মতো বানাতে হবে। এবার কর্ণফ্লাওয়ার আর ভাজা বাদাম দিতে হবে। পরের ধাপে ছোট ছোট গোল করে নিয়ে হাতের তালুতে চেপে চ্যাপ্টা করে বড়ার আকার দিতে হবে। একটি পাত্রে তেল গরম করতে হবে। এবার তৈরি করে রাখা বড়াগুলি তেলে ছেড়ে দিতে হবে। হালকা আঁচে ভালে করে ভেজে নিতে হবে। বড়ার দুই পিঠই বাদামি করে ভেজে নামাতে হবে। এখন সচ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন। তথ্যসূত্র : বোল্ডস্কাই। /কেএনইউ/এসএইচ  
বাচ্চাদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত দুটি খাবারের রেসিপি

শহরের বাচ্চারা স্কুলে যাওয়ার আগে খাবার খেতেই চায় না। তাই মায়েরা তাড়াহুড়ু করে বাচ্চাদের ব্যাগে বিভিন্ন ধরনের ফাস্ট ফুড বা জাঙ্কফুড দিয়ে থাকেন। স্কুল শেষে বা টিফিনের সময় (বিরতির সময়) বা স্কুল ছুটির পর বাচ্চারা বার্গার, ফুচকা, চটপটি, ভেলপুরি খেতে ব্যস্ত হয়ে পরে। মা-বাবাও অনায়াসে এসব হাতে তুলে দিচ্ছেন। একবারও ভাবেন না আদরের সন্তানকে খাওয়ার নামে এক প্রকার বিষ তুলে দিচ্ছেন। আমাদের দেশে প্রায় সব স্কুল-কলেজের সামনেই রয়েছে ঝাঁলমুড়ি, চটপটি, ফুসকা, ভেলপুরি, বার্গারসহ নানা রকম মুখরোচক খাওয়ার দোকান। এসব স্কুল-কলেজে পড়ুয়া ছেলেমেদের খুবই পছন্দের খাবার। আর তারা তাদের দিনের প্রথম খাবারই শুরু করে এসব খাবার দিয়ে। অথচ এ ফুচকা, চটপটি বা ভেলপুরি রাস্তার ধারের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বানানো হয়। সেই সঙ্গে চটপটি ও ফুসকায় মেশানো হয় রং। অভিভাবকরাও জানেন এর ক্ষতিকর দিক। কিন্তু শিশুরা বায়না ধরে বলেই খাওয়াতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। সঙ্গে রয়েছে কোমল পানীয় নামক রঙ্গীন পানি নামক এক প্রকার বিষ। চিকিৎসকরা বলছেন, এসব খাবার খেয়ে শিশুরা পেটের পিড়াসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। শুধু তাই নয় দীর্ঘ মেয়াদে কিডনির জটিল রোগ, লিভার সিরোসিস এমনকি ক্যান্সারও হতে পারে এসব খাবারের কারণে। তাই শিশুদের বাইরের খোলা খাবার না খাওয়াতে অভিভাবকদের পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। বাইরের মুখরোচক খাবার সম্পর্কে পুষ্টি বিজ্ঞানী ও চিকিৎসক ডা. খুরশিদ জাহান জানান, ‘বাচ্চাদের স্কুলের টিফিনের বিষয়ে অভিভাবকদের আরও বেশি সচেতন হওয়া দরকার। তা না হলে আজকের শিশু দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকির মুখে পড়বে। তাই ঘরে তৈরি খাবারে শিশুদের অভ্যস্থ করতে হবে। কারণ রাস্তার পাশের খোলা খাবার বা ফাস্ট ফুড, মোড়ক জাত খাবার পেটের পিঁড়া তৈরি করে থাকে। এমনকি ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে।’ তাই এসব ক্ষতিকর খাবার থেকে বাচ্চাদের খাদ্যাভ্যাসকে পরির্তন করতে ঘরে বানানো দুটি স্বাস্থ্যসম্মত নাস্তার রেসিপি এখানে তুলে দেওয়া হলো। রেসিপির প্রধান উপকরণ সবজি হলেও খেতে সুস্বাদু হবে। তাই বাচ্চারা খেতে আগ্রহী হবেন। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক ঘরে বসে কীভাবে মিক্সড সবজি রোল এবং পিজ্জা রোল বানাবেন? মিক্সড সবজি রোল বানাবেন যেভাবে উপকরণ: ময়দা এককাপ, একটি ডিম, গাজর, ফুল কপি, মটরশুটি, পেপে, বরবটি বা মৌসুমি অন্য কোনো সবজি হতে পারে। এর সঙ্গে পরিমাণ মতো লবণ, বিস্কুটের গুঁড়া, মাছ সিদ্ধ করে (কাঁটা বেঁছে) কিমার মত করে নিতে হবে। তবে আপনি চাইলে মাছের বিকল্প হিসেবে মাংসও নিতে পারেন। বানানোর প্রক্রিয়া: প্রথমে সবজিগুলো ভালোভাবে সিদ্ধ করে ব্লেন্ডারে পেস্ট বা বেটে নিতে হবে। তার পর এক কাপ সবজি পেস্ট  এককাপ ময়দার সঙ্গে ডিমের কুসুম (সাদা অংশ রেখে দিবো) মেখে নিতে হবে। এই তরল খাদি অল্প অল্প করে প্রাইয়ে ফেলে রুটির মতো ছড়িয়ে দিতে হবে। পরে রুটির মধ্যে সিদ্ধ মাছ বা মাংসের কিমাসহ অন্য সব উপকরণ দিয়ে পাটিসাপটা পিঠার মত তৈরি করতে হবে। এখন ভেতরে মাছ বা মাংসের পুর দিয়ে রোলের মতো তৈরি করবেন। বানানো শেষে ডিমের সাদা অংশ ভালো করে গুটে রোলের ওপর প্রলেপ দিতে হবে তারপর বিস্কুটের গুঁড়া মেখে ১০ থেকে ১৫ মিনিট নরমাল ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। এর পর হালকা তেলে ব্রাউন করে ভেজে নিতে হবে। আর এভাবেই তৈরি হয়ে যাবে সুস্বাদু সবজি রোল। পিজ্জা রোল বানাবেন যেভাবে উপকরণ: ময়দা দুই কাপ, টেবিল চামচের দুই কাপ লাল চিনি, গুঁড়া দুধ দুই টেবিল চামচ, তেল দুই টেবিল চামচ, ডিম একটা, মিহি কুচি সবজি এক কাপ, মাছ, মাংস এক কাপ, আধা চামস ইস্ট ও পরিমাণ মতো লবণ ও সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য মসলা। বানানের প্রক্রিয়া: প্রথমে সবজির সঙ্গে মাছ অথবা মাংসের কিমা মিশিয়ে নিতে হবে। এখন ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে সবগুলো উপকরণ কুসুম গরম পানি দিয়ে একসঙ্গে মেখে হালকা তাপে রাখতে হবে। দেখবেন ৩০ মিনিটের মধ্যে এটি ফুলে যাবে। তার পর রুটি বানানোর মতো ছোট ছোট দলা বা খামি বানিয়ে নিবেন। এবার খামি বা দলাকে একটু লম্বা করে বেলে নিবেন। তারপর ছুরি দিয়ে মাখে মাঝে আচড় দিয়ে নিতে হবে। এবার এ আচড়ের মাছে পুর দিয়ে বন্ধ করে উল্টিয়ে রাখবো। তার পর ডিমের কুসুম এটার ওপর মেখে বা ব্রাশ করে নিন। তারপর ফ্রাইপেনে বা ওভেনে ঢাকনা দিয়ে অল্প আচে ১৫ মিনিট রাখবো। এ ভাবেই তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু পিজ্জা রোল।  কেআই/টিকে

কমলার রস দিয়ে কৈ মাছের রেসিপি

কমলার রসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই রসালো ফল ছোট-বড় সবাই খেতে পছন্দ করে। কমলার রস ত্বকের পরিচর্যার জন্যও খুব উপকার। এছাড়া এর রস দিয়ে মজাদার রান্নাও করা যায়। রস দিয়ে রান্না করা খাবারগুলো থেতে খুব সুস্বাদু হয়। আজ একুশে টেলিভিশন অনলাইনে কমলার রস দিয়ে কৈ মাছের ভুনার রেসিপি তুলে ধরা হলো- উপকরণ- ১) কৈ মাছ এক কেজি। ২) কমলার রস এক বাটি। ৩) পেঁয়াজ কুচি এক কাপ ও পেঁয়াজ বাটা এক কাপ। ৪) জিরা বাটা এক চামচ। ৫) রসুন বাটা এক চামচ। ৬) শুকনো মরিচের গুড়া এক চামচ। ৭) হলুদ গুঁড়া এক চামচ। ৮) কাঁচা মরিচ চার/পাঁচটি। ৯) তেল ও লবণ পরিমাণ মতো। প্রণালি- প্রথমে কৈ মাছগুলো কেটে লবণ পানিতে ধুয়ে নিন। এখন মাছগুলোতে এক চিমটি লবণ, হলুদ ও মরিচের গুড়া মেখে তেলে ভেজে নিন। এবার অন্য একটি কড়াইতে তেল দিয়ে সেখানে কুচি করা পেঁয়াজ হালকা ভাজুন। এখন অল্প পানি দিয়ে পিঁয়াজ বাটা, জিরা বাটা, রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়া, মরিচের গুঁড়া ও লবণ ‍দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন। ভালো করে কষিয়ে তেল উঠিয়ে ফেলুন। এখন কিছু পানি দিয়ে ভাজা কৈ মাছগুলো ঢেলে দিন। কিছুক্ষণ ঢাকনা দিয়ে রেখে দিন। পানিটা একটু শুকিয়ে মাখা মাখা হয়ে গেলে কমলার রস এর ওপরে ঢেলে দিন। চার/পাঁচটি কাঁচা মরিচ দিয়ে আরও কিছুক্ষণ আঁচে রেখে নামিয়ে ফেলুন। এটি গরম ভাতের সঙ্গে খেতেও যেমন স্বাদ তেমনি এর থেকে ভিটামিন ‘সি’ ঘাটতি পূরণ করবে। সূত্র : রান্নাবান্না। /কেএনইউ/ এসএইচ/    

ক্যান্সার রোধে ব্রকলি ও বাঁধাকপির স্যুপ

ব্রকলি ও বাঁধাকপি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। এগুলোকে সুস্বাস্থ্যের সম্পদও বলা যায়। ভিটামিন সমৃদ্ধ এই খাবারগুলো থেকে বিভিন্ন রিসিপি তৈরি করা যায়। ব্রকলি ও বাঁধাকপি সবজিতে ব্যবহার ছাড়াও এগুলো স্যুপ তৈরি করে খাওয়া যায়। ক্যান্সার ও প্রদাহজনক রোধে এ স্যুপের গুরুত্ব রয়েছে। খাবারের রেসিপির মধ্যে এটি পুষ্টিকর। এর রেসিপি একুশে টেলিভিশন অনলাইনে দেওয়া হলো- উপকরণ- ১) একটি ব্রকলি। ২) ছোট সাইজের একটি বাঁধাকপি। ৩) পেঁয়াজ কুচি। ৪) এক টেবিল চামচ মরিচ গুঁড়া। ৫) এক টেবিল চামচ মাখন অথবা তেল। ৬) চার-পাঁচটি রসুনের কোয়া। ৭) কিছু আদা কুচি। ৮) লবণ পরিমাণ মতো। ৯) স্যুপ মসলা। প্রণালি- প্রথমে ব্রকলি ও বাঁধাকপি কেটে পরিষ্কার করে নিন। বাঁধাকপি বড় বড় করেই কাটবেন। এখন একটি প্যানে মাখন বা তেল দিয়ে গরম করে নিন। এতে পেঁয়াজ কুচি, রসুন ‍ও আদা কুচি দিয়ে নেড়ে কাটা ব্রকলি ও বাঁধাকপি ঢেলে আরও একটু নাড়ুন। এরপর হালকা ঝাল হওয়ার জন্য অল্প করে মরিচ গুড়া, আদা কুচি ও লবণ দিয়ে নিন। এখন পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। একটু বেশি করে পানি দিবেন, যাতে সেদ্ধ হওয়ার পরও কিছু পানি থেকে যায়। সেদ্ধ করার সময় ওপরে স্যুপ মসলা ছিটিয়ে দিন। আরও কিছুক্ষণ তাপে রেখে নামিয়ে ফেলুন। এই স্যুপ অন্যান্য স্যুপের থেকে খুবই কার্যকরী। তথ্যসূত্র : ন্যাচারাল কেয়ার বক্স। /কেএনইউ/এসএইচ   

রেসিপি : ডিমের হালুয়া

শরীর সুস্থ রাখতে ডিম খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। ডিমে প্রেটিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন ছাড়াও যেসব উপাদান রয়েছে সেগুলো সুস্থ দেহ গঠনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেক শিশু ডিম খেতে চায় না। তাদের জন্য ডিম খাওয়ার বিভিন্ন উপায় করে থাকে মায়েরা। তেমনি একটি খাবার হচ্ছে ডিমের হালুয়া। সাধারণত শিশুরা যে কোন হালুয়া খেতে পছন্দ করে। ডিমের হালুয়া বেশ মজাদার খাবারই বলা যায়। এটি শিশুরা খেতে খুব পছন্দ করে। ডিমের হালুয়া করতে তেমন কোন ঝামেলা নেই। কম খরচে খুব সহজেই তৈরি করা যায়। তাই চিন্তা না করে ঝটপটে আপনার শিশুর জন্য তৈরি করে ফেলুন ডিমের হালুয়া। ডিমের হালুয়ার রেসিপি একুশে টিভি অনলাইনে তুলে ধরা হলো- উপকরণ-   ১) এক হালি ডিম। ২) দুধ এক কাপ। ৩) ঘি। ৪) চিনি। ৫) এলাচ ও দারুচিনি কয়েকটি। ৬) কাজু ও পেস্তাবাদাম। প্রণালি- প্রথমে একটি কড়াইতে ঘি গরম করে নিন। এতে এলাচ ও দারুচিনি দিন। এরপর দুধ দিয়ে নাড়াচাড়া করেন। অন্য একটি বাটিতে ডিম ও চিনি খুব ভালো করে মিশ্রণ করে নিন। এদিকে দুধ বলক আসলে এই দুধের মধ্যে মিশ্রণটি দিয়ে খুব দ্রুত নাড়াচাড়া করুন। এখন একটু চুলার আঁচ কমিয়ে আরও নাড়তে থাকুন। যতক্ষণ না দানার মত হচ্ছে ততক্ষণ নাড়তে থাকুন। একসময় দানা ‍ও ঝুরঝুরে হয়ে যাবে তখন বুঝবেন হয়ে গেছে। অন্য একটি পাত্রে নামিয়ে ফেলুন। শিশুরা কাজু ও পেস্তাবাদাম খেতে খুব পছন্দ করে। তাই হালুয়ার ওপরে কাজু ও পেস্তাবাদাম ছড়িয়ে দিন। এখন শিশুদের সামনে পরিবেশন করুন। খুব কম সময়ে ও কোন ঝামেলা ছাড়াই ডিমের হালুয়া তৈরি করা যায়, তাই বিকেলের নাস্তার রুটিনে এটি রাখতে পারেন। তথ্যসূত্র : রান্নাবান্না। /কেএনইউ/এসএইচ 

রেসিপি : নারকেলের সন্দেশ

প্রাচীনকাল থেকেই বাঙালির সব ধরনের উৎসবে মিষ্টি খাবার ব্যবহার হয়ে আসছে। আর তা যদি হয় সন্দেশ তাহলে তো কোন কথাই নাই। অনেকেই মিষ্টি পছন্দ করে না তারা মিষ্টির তালিকায় সন্দেশ রাখে। সন্দেশ সাধারণত দুধের ছানা দিয়ে তৈরি তাই অধিকাংশ মানুষের কাছেই প্রিয় খাবার। বিভিন্ন ধরনের সন্দেশ তৈরি করা হয়। এর মধ্যে নারিকেলের সন্দেশও রয়েছে। নারিকেলের সন্দেশ খুবই সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর একটি খাবার। নিজেই খুব ভালোভাবে তৈরি করে খেতে পারেন। একুশে টেলিভিশন অনলাইনে এর রেসিপি দেওয়া হলো- উপকরণ-   ১) ২০০ গ্রাম ছানা। ২) এক কাপ নারকেল কোঁড়া। ৩) কনডেন্সড মিল্ক। ৪) এক চামচ এলাচ ‍গুঁড়া। ৫) আধা চামচ রোজ এসেন্স (সুগন্ধী তেল)। ৬) আধা কাপ ঘি। ৭) পেস্তা বাদাম। ৮) কেশর। ৯) চিনি। ১০) লবণ। প্রণালি- প্রথমে নারকোল কুঁড়ে নিয়ে অন্তত এক ঘণ্টা একটা প্লেটে রেখে শুকিয়ে নিন৷ এবার নারকেল কোঁড়ার সঙ্গে ছানা, চিনি ও এলাচ গুঁড়ো একসঙ্গে মেখে নিন৷ এবার কড়াইতে ঘি দিয়ে মাঝারি আঁচে মিশ্রণটাকে ঢেলে এক চিমটি লবণ দিয়ে ভালো করে নাড়তে থাকুন। যতক্ষণ না মিশ্রনটি ঘন হয়ে আসছে ততক্ষণ নাড়তে থাকুন৷ এবার এতে রোজ এসেন্স ও কনডেন্সড মিল্ক দিয়ে আঁচে আরও একটু রাখুন। এখন একটা প্লেটে আরও একটু ঘি মাখিয়ে মিশ্রনটি ঢেলে নিন এবং তার ওপর পেস্তা বাদাম ও কেশর ছড়িয়ে দিন। ঠাণ্ডা হলে ইচ্ছেমতো ডিজাইন করে কেটে পরিবেশন করুন৷ খুব সহজেই তৈরি করা যায় এ নারকেল সন্দেশ। বাসায় অতিথি আসলে তাদেরও এ সন্দেশ দিয়ে আপ্যায়ন করতে পারেন। তথ্যসূত্র : কলকাতা ২৪। /কেএনইউ/এসএইচ     

মেথি শাক দিয়ে চিংড়ি

মেথির পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায়। গ্রামেও শাক হিসেবে এর চাহিদা রয়েছে। কবিরাজের চিকিৎসায় মেথি বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। মেথিতে কিছুটা তিতা স্বাদ রয়েছে। মেথি রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর শক্তি রাখে। মেথি শাক এককভাবে রান্না করলে তেমন একটা স্বাদ লাগে না। তাই বিভিন্ন আইটেমের সঙ্গে রান্না করলে এটি সুস্বাদু হয়। এমনি একটা আইটেম হচ্ছে মেথি শাক দিয়ে চিংড়ি মাছ। এর রেসিপি একুশে টেলিভিশন অনলাইনে দেওয়া হলো- উপকরণ- ১) এক কেজি চিংড়ি মাছ। ২) মেথি শাক কুচি চার কাপ। ৩) তিন টেবিল চামচ ভিনেগার। ৪) পিঁয়াজ কুচি। ৫) টকদই। ৬) এক চামচ গোলমরিচের গুঁড়া। ৭) দুই টেবিল চামচ আদা ও রসুন বাটা। ৮) গরমমসলা। ৯) লবণ। ১০) তেল। প্রণালী-  প্রথমে শাকগুলো ধুয়ে চালনিতে পানি ঝরার জন্য রেখে দিন। ঝরা হয়ে গেলে শাকগুলো আলাদা সিদ্ধ করে নিন। সিদ্ধ করার পর যে পানি বের হবে সেটি ফেলে দিন। তাহলে কোন তিতা লাগবে না। এরপর ভিনিগার ও লবণ দিয়ে ভাল করে চিংড়ি মাছগুলো ধুয়ে নিতে হবে৷ টকদই দিয়ে চিংড়ি মাছ ম্যারিনেড করে ৩০ মিনিট রেখে দিন৷ এবার একটি প্যানে তেল গরম করে পিঁয়াজ কুচি হালকা ভেজে নিন। এখন রসুন ও আদা বাটা, গোলমরিচের গুড়া ও গরমমসলা দিয়ে কষান। একটু কষানো হয়ে গেলে টকদই মাখানো চিংড়ি মাছগুলো ঢেলে দিন এবং একটু পানি দিয়ে নাড়ুন। এখন সিদ্ধ করা শাক ঢেলে দিন। কিছুক্ষণ ঢাকনা দিয়ে রাখুন। বেশ মাখা মাখা হয়ে গেলে অন্য একটি পাত্রে নামিয়ে ফেলুন। হয়ে গেল মজাদার একটি খাবার মেথি শাক দিয়ে চিংড়ি মাছ। তথ্যসূত্র : কলকাতা ২৪। /কেএনইউ/এসএইচ  

সরষে-ঢেড়সের রেসিপি

আমাদের দেশে ঢেড়স একটি পরিচিত সবজি। ঢেড়সকে অনেকেই ভেন্ডী হিসেবেও চিনে। এটি খুব পিচ্ছিল হওয়ায় অনেকেই খেতে পছন্দ করেন না। তবে খুব সুন্দর করে রান্না করতে পারলে কিংবা ভিন্ন আইটেমে রান্না করে খাওয়া যায়্। ঢেড়সে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন। আমরা সরষে দিয়ে ইলিশ খেতে অনেকেই শুনেছি কিন্তু কখনও সরষে দিয়ে ঢেড়স খেতে শুনিছি কি? এটি নতুন আইটেমই বলা যায়। এর রেসিপি একুশে টেলিভিশন অনলাইনের পাঠকদের জন্য দেওয়া হলো- উপকরণ-   ১) ঢেড়স এক কেজি। ২) সরিষা বাটা দুই টেবিল চামচ। ৩) পেঁয়াজ কুচি ও বাটা দুটোই লাগবে। ৪) হলুদ গুঁড়া এক চামচ। ৫) জিরার গুঁড়া এক চামচ। ৬) মরিচ গুঁড়া এক চামচ। ৭) টক দই এক টেবিল চামচ। ৮) কাঁচা মরিচ পাঁচ/ছয়টা। ৯) তেল এক কাপ। ১০) লবণ পরিমাণ মতো। উপকরণ-   প্রথমে সরিষা পরিষ্কার করে ধুয়ে কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর সামান্য লবণ ও কাঁচা মরিচ দিয়ে মিহি করে বেটে নিন। এখন এক কেজি কচি ঢেড়স পানিতে পরিষ্কার করে এর বোটা লেজ কেটে নিন। একটি প্যানে তেল গরম করে নিয়ে সেখানে পিঁয়াজ কুচি হালকা ভেজে নিন। এখন পিঁয়াজ বাটা, হলুদ গুঁড়া, জিরা গুঁড়া, মরিচের গুঁড়া দিয়ে নেড়ে নিন। একটু হালকা পানি দিন। এখন টক দই, সরিষা বাটা ও লবণ দিয়ে আরও একটু নাড়ুন। এখন ঢেড়সগুলো ঢেলে দিন। ঢেড়স দেওয়ার পর বেশি নাড়া যাবে না। কারণ ঢেড়স বেশি নাড়লে পিচ্ছিল হয়ে যায়। তাই অল্প নাড়ুন। এখন কিছুক্ষণ ঢাকনা দিয়ে রাখুন। পানি শুকিয়ে গেলে এবং ঢেড়স সেদ্ধ হলে কম আঁচে দমে রাখুন। এরপর অন্য একটি পাত্রে নামিয়ে নিন। হয়ে গেল সরষে ঢেড়স। যারা ঢেড়স পছন্দ করেন না তারা এভাবে করে খেতে পারেন। সূত্র : ন্যাচারাল কেয়ার বক্স। /কেএনইউ/এসএইচ  

রেসিপি : মিষ্টি আলুর হালুয়া

মিষ্টি আলু সুষম ও পুষ্টিকর একটি খাবার। কিন্তু বাংলাদেশে মিষ্টি আলুর চাষ খুব বেশি একটা হয় না। এর রয়েছে গুণ অনেক। মিষ্টি আলুর পাতা থেকে শুরু করে সবই কাজে লাগে। মিষ্টি আলু খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। মিষ্টি আলু সাধারণত আমাদের দেশে সিদ্ধ করে খাওয়া হয়। তবে সিদ্ধ ছাড়াও মিষ্টি আলু দিয়ে বিভিন্ন পদের রান্না করে খাওয়া যায়। তেমনি একটা পদ হচ্ছে মিষ্টি আলুর হালুয়া। এর রেসিপি একুশে টিভি অনলাইনের পাঠকদের জন্য দেওয়া হলো- উপকরণ- ১) আধা কেজি মিষ্টি আলু। ২) চিনি এক কাপ। ৩) দুধ এক কাপ। ৪) ঘি এক কাপ। ৫) গোলাপ জল এক টেবিল চামচ। ৬)  পেস্তা বাদাম কুচি এক টেবিল চামচ (সাজানোর জন্য)। ৭) এলাচ গুঁড়ো আধা চামচ। ৮)  দারচিনি। ৯) জাফরান এক চিমটি। ১০) লবণ পরিমাণ মতো। ১১) পানি। প্রণালি- প্রথমে মিষ্টি আলুর খোসা ছিলে নিতে হবে। এরপর ভালোভাবে ধুয়ে ছোট করে কেটে নিন। পরে আলুগুলো দুধ দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। সিদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে হাত দিয়ে কিংবা গ্লাসে করে পিষে নিন। এবার চুলায় একটি প্যান বসিয়ে তাতে ঘি দিতে হবে। ঘি গলে গেলে এতে এলাচ গুঁড়ো,দারচিনি ও পিষে নেওয়া আলুগুলো ঢেলে দিতে হবে। একটু পানি ও লবণ দিয়ে খুব হালকা আঁচে দুই মিনিট নাড়তে থাকুন। এবার ফুটে উঠলে তাতে চিনি দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ হালকা আঁচে রাখার পর পানি শুকিয়ে গেলে গোলাপ জলসহ এক চিমটি জাফরান দিয়ে দিন। এখন মাখা মাখা হয়ে গেলে অন্য পাত্রে নামিয়ে নিয়ে এর ওপরে বাদাম কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন মিষ্টি আলুর হালুয়া। সূত্র : রান্নাবান্না। /কেএনইউ/ এসএইচ

নুডলস পাকোড়ার রেসিপি

নুডলস সাধারণত ডিম দিয়ে রান্না করে খাওয়া হয়। কিন্তু প্রতিদিন একই আইটেম খেতে ভালো লাগে না। একটু ভিন্ন আইটেম হলে ভালই হয়। তেমনি একটি খাবার ‘নুডলস পাকোড়া’। এটি নুডলস আইটেমের ভিন্নতা এনে দেবে। নুডলস পাকোড়া তৈরি করতে খুব কম সময় লাগে এবং এর ঝামেলাও কম। একুশে টেলিভিশন অনলাইনের পাঠকদের জন্য এর রেসিপি দেওয়া হলো- উপকরণ- ১) একটি ম্যাগি নুডলস। ২) এক কাপ বেসন। ৩) দুই টেবিল চামচ ময়দা। ৪) অল্প কিছু সবজি (পছন্দ মত)। ৫) তিন/চারটি কাঁচা মরিচ কুচি। ৬) দুইটি পিঁয়াজ কুচি। ৭) আদা কুচি এক চামচ। ৮) দুই টেবিল চামচ টমেটো সস। ৯) এক চামচ ধনে পাতা কুচি। ১০) চিনি (যদি মিষ্টি খেতে চান)। ১১) লবণ স্বাদ মতো। ১২) পানি পরিমাণ মতো। ১৩) তেল। প্রণালি- প্রথমে হালকা গরম পানি দিয়ে বেসন ও ময়দা ভালো করে মিশেয়ে নিন। বেশি পাতলা যেন না হয়। ঘন করতে হবে। এরপর এতে বাকি সব উপকরণগুলো দিয়ে ভালোভাবে মিশ্রণ করে নিন। এখন নুডল সেদ্ধ করুন। সেদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন। এরপর চুলাতে একটি কড়াইতে তেল ঢেলে গরম করে নিন। এখন সেদ্ধ নুডলস অল্প অল্প করে হাতে নিয়ে গোল করুন। গোল করে মাখানো বেসনে ডুবিয়ে নিন। এরপর তেলে ছেড়ে দিন। ছেড়ে দেওয়ার সময় একটু চ্যাপ্টা করে দিলে ভালো হয়। হালকা আঁচে ভেজে নিতে হবে। একটু লালচে হলে অন্য একটি পাত্রে টিসু রেখে নামিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল মজাদার ‘নুডলস পাকড়া’। এখন গরম গরম পরিবেশন করুন। সূত্র : রান্নাবান্না। /কেএনইউ/এসএইচ  

রেসিপি : মসুর ডালের কারি স্যুপ

মানব দেহে আমিষের পূরণ হয় বেশিরভাগ মসুরের ডাল থেকে। মসুরের ডাল সাধারনত ভাতের সঙ্গে খাওয়া হয়। মসুরের ডাল প্রোটিনসমৃদ্ধ একটি খাবার। মসুরের ডাল শুধু খাবার হিসেবেই নয় রূপচর্চার জন্যও ব্যবহৃত হয়। তবে এটি ডাল হিসেবে খাওয়ার পাশাপাশি নানা রকম পুষ্টিকর খাবারও তৈরি করা যায়। যেমন: মসুর ডালের কারি স্যুপ। বিভিন্ন আইটেমের স্যুপ আমরা খেয়ে থাকি কিন্তু মসুর ডালের কারি স্যুপ কখনও খাওয়া হয়নি। এর রেসিপি জানা থাকলে ঘরে বসেই এই স্যুপ বানানো সম্ভব। একুশে টেলিভিশন অনলাইনে এর রেসিপি দেওয়া হলো- উপকরণ- ১) একপোয়া মসুরের ডাল। ২) আধা কাপ পিঁয়াজ কুচি। ৩) এক চামচ রসুন বাটা ও আদা বাটা। ৪) এক চামচ শুকনা মরিচের গুঁড়া। ৫) তিন কাপ টমেটো কুচি। ৬) এক টেবিল চামচ তেল। ৭) লবণ পরিমাণ মতো ও কিছু পানি। প্রণালি-   প্রথমে প্রেসার কুকারে মসুরের ডাল সিদ্ধ করে নিন। ডালটি মিশিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত সিদ্ধ করতে থাকুন। একটি প্যানে তেল গরম করে নিন। এতে পিঁয়াজ দিয়ে মাঝারি আঁচে দুই মিনিট ভেজে নিন। এখন রসুন বাটা, আদা বাটা, মরিচের গুঁড়া ও একটু পানি দিয়ে আরও কিছুক্ষণ সেটি নাড়ুন। এখন সিদ্ধ করা মসুরের ডাল ঢেলে দিন এবং টমেটোর টুকরোগুলো দিয়ে কয়েক মিনিট নাড়তে থাকুন। এখন পরিমাণ মতো লবণ ও এক কাপ পানি দিয়ে হালকা আঁচে জ্বাল দিন। খেয়াল রাখবেন খাবারটি যেন পাতলা হয়। এখন হয়ে গেলে অন্য একটি পাত্রে নামিয়ে ফেলুন এবং কিছু কারি পাতা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন। সূত্র : জি নিউজ। /কেএনইউ/এসএইচ    

পিঁয়াজের রেসিপি পাকড়া

আমাদের দেশে পিঁয়াজ সাধারণত সবজি বা যে কোন রান্নাতে ব্যবহার করে খাওয়া হয়। কখনই পিঁয়াজকে এককভাবে কোন আইটেম করে রান্না করা হয় না বা রান্না করতেও দেখা যায় না। কিন্তু এই পিঁয়াজ দিয়ে তৈরি করা যায় পাকড়া। এটি খেতে বেশ মুচমুচে এবং রান্নাতেও নেই কোন ঝামেলা। পিঁয়াজের পাকড়ার রেসিপি জানা থাকলে খুব সহজেই তৈরি করে অতিথিকে আপ্যায়ন করতে পারেন। এর রেসিপি একুশে টেলিভিশন অনলাইনে তুলে ধরা হলো- উপকরণ- ১) তিনটি পিঁয়াজ। ২) এক টেবিল ধনিয়া। ৩) কিছু কারি পাতা। ৪) দুই টেবিল চামচ হলুদ গুঁড়া। ৫) লবণ স্বাদ মতো। ৬) এক টেবিল চামচ আমচুর গুঁড়া (শুকনো আমের গুঁড়া)। ৭) কাঁচা মরিচ। ৮) দুই টেবিল চামচ শুকনা মরিচের গুঁড়া। ৯) এক কাপ বেসন। ১০) দুই টেবিল চালের আটা। ১১) পানি এবং তেল। প্রণালি- প্রথমে একটি পাত্রে পিঁয়াজ তিনটি কুচি করে কেটে নিতে হবে। এরপর এতে ধনিয়া, কারি পাতা, হলুদ গুঁড়া, আমচুর গুঁড়া, কাঁচা মরিচ (কেটে দিতে হবে), শুকনা মরিচের গুঁড়া, এক কাপ বেসন এবং চালের আটা দিতে হবে। এতে কিছু পানি দিয়ে মেখে নিতে হবে। এরপর চুলাতে একটি প্যানে তেল গরম করে নিতে হবে। এখন মাখানো সব উপকরণগুলো হাতে গোল গোল করে নিয়ে দুই/তিনটি করে গরম তেলে ছেড়ে দিন। ভেজার সময় চুলায় হালকা জ্বাল থাকাই ভালো। এরপর বাদামী রঙের হয়ে গেলে একটি পাত্রে টিসু পেপার রেখে নামিয়ে ফেলুন। ব্যচ হয়ে গেল পিঁয়াজের পাকড়া। এখন সচ দিয়ে পরিবেশন করুন। সূত্র : জি নিউজ। /কেএনইউ/এসএইচ  

পূজাতে দই-আলুর দম   

স্বরসতী পূজাকে বলা হয় বসন্ত পঞ্চমী উৎসব। এই দিনে মাতা স্বরসতী দেবীকে বিশেষভাবে পূজা করা হয়। এ সময় অনেক আত্মীয়-স্বজন বেড়াতে আসেন। স্বরসতী পূজাতে দেবীপক্ষের অনেক আত্মীয় নিরামিষ খান আবার অনেকেই খান না। তখন আপ্যায়নে অনেক ঝামেলা হয়ে যায়। এসব কথা মাথায় রেখে এমন খাবার তৈরি করতে হবে যে খাবারে কোন পিঁয়াজ কিংবা রসুনের ছোঁয়া থাকবে না। অর্থাৎ আমিষ ছাড়াই রান্নার আইটেম করতে হবে। এমনিই একটি রেসিপি একুশে টেলিভিশন অনলাইনে দেওয়া হলো- উপকরণ : ১) আলু আধা কেজি। ২) টক দই চার টেবিল চামচ। ৩) চিনি দেড় চামচ। ৪) লবণ স্বাদ মতো। ৫) আদা বাটা দুই চামচ। ৬) গোল মরিচ গুঁড়ো এক চামচ। ৭) শুকনো মরিচ দুইটা। ৮) জিরে এক চামচ। ৯) তেজপাতা দুইটা। ১০) এক টেবিল ঘি। ১১) কাঁচা মরিচ বাটা। ১২) ছোট এলাস, লবঙ্গ, দারচিনি ও পাঁচ ফোড়ন। ১৩) সাদা তিল বাটা। ১৪) গোটাল কাঁচা মরিচ চার/পাঁচটি। ১৫) নারকেল কুড়ানো। ১৬) তেল তিন টেবিল চামচ। ১৭) ধনিয়া পাতা কুচি। প্রণালী-  প্রথমে আলু সিদ্ধ করে নিতে হবে। এরপর কড়াইতে তেল ও ঘি গরম করুন। তেলে গোটা জিরে, গরমমশলা, শুকনো মরিচ, তেজপাতা দিন। এই তেলেই সেদ্ধ আলু দিয়ে মাঝারি আঁচে ভাজতে থাকুন। পরে আলাদা টক দইয়ের সঙ্গে আদাবাটা, লবণ, চিনি, গোলমরিচ গুঁড়ো ও কাঁচা মরিচ বাটা ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার এগুলো আলুর মধ্যে দিয়ে ভাল করে কষে নিন। ভাজা হয়ে এলে এতে এক/দুই কাপ পানি, নারকেল ও তিলবাটা দিয়ে কম আঁচে তিন থেকে চার মিনিট রান্না করুন। বেশ মাখা মাখা হয়ে এলে ধনেপাতা কুচি ও কাঁচা মরিচ দিয়ে নামিয়ে নিন। ব্যচ হয়ে গেল নিরামিষ দই আলুর দম। এটি লুচির সঙ্গে পরিবেশন করুন। লুচির সঙ্গে খেতে দারুণ লাগবে। সূত্র : ইনাডু ইন্ডিয়া। /কেএনইউ/এসএইচ  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি