ঢাকা, শুক্রবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৮ ৩:০৭:৩৩

তিন ফলের পুডিং

তিন ফলের পুডিং

পুডিং সবারই পছন্দের খাবার। পুডিং তৈরির পদ্ধতি এবং স্বাদ প্রায় সবই একই রকম। তবে এর উপকরণ যদি আলাদ হয় তাহলে এর স্বাদও ভিন্ন হবে। পুডিং সাধারণত ডিম ও দুধ দিয়ে তৈরি করা হয়। আজ আমরা পুডিং তৈরির ভিন্ন পদ্ধতি জানব। সেটি হচ্ছে তিন ফলের মিশ্রণে পুডিং। এর রেসিপি জেনে নিয়ে বাসায় চটপট তৈরি করে ফেলুন- উপকরণ : ১) নাশপাতি, আপেল ও বেদানার টুকরো দুই বাটি (টুকরোগুলো খুবই ছোট হতে হবে)। ২) দুধ ও ডিম। ৩) চিনি ও লবণ স্বাদ মতো। ৪) কেক কয়েক টুকরো ৫) কাস্টার্ড সামান্য। ৬) চেরি পাঁচ/ছয়টি। ৭) ঘি। পদ্ধতি : প্রথমে দুধের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে ফোটাতে হবে যাতে দুধ ঘন হয়ে যায়। দুধটা ঠান্ডা হয়ে গেলে কাস্টার্ড মিশিয়ে নিন এবং দুইট ডিম ভালো করে ফেটিয়ে ওর সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার একটি পাত্রে সামান্য ঘি দিয়ে কেকের কয়েক টুকরো ছিটিয়ে দিন। পরে মিশ্রণ করা দুধ ঢেলে দিন। এরপর কুচি করা তিন ফল (নাশপাতি, আপেল ও বেদানা) উপরে দিয়ে দিন। এবার ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে ২০ মিনিট রেখে দিন। সময় হয়ে গেলে বের করুন। হাত দিয়ে দেখুন হয়েছে কি না। যদি আরও একটু হিট দেওয়া প্রয়োজন হয় তাহলে আবার ওভেনে কিছুক্ষণ রাখুন। পুরোপুরি হয়ে গেলে অন্য একটি পাত্রে উল্টিয়ে নিন। এবার এর ওপরে চেরি ফল সাজিয়ে পরিবেশন করুন। এটি যেমন নরম ও তুলতুলে তেমনি খেতেও মজাদার। তথ্যসূত্র : ইনাডু ইন্ডিয়া। কেএনইউ/ এসএইচ/  
টমেটো জুসের ৬ গুণ-

টমেটো জুস। হালকা মিস্টির সঙ্গে একটু টক। খেতে যেমন সুস্বাদু, গুণেও তেমনি ভরপুর। আর টমেটো জুস পানে হৃদরোগসহ নানা সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় জানাতেই আজকের আয়োজন। আসুন জেনে নিই, টমেটোর জুসের ৬ উপকারীতা- ১. টমেটো জুসের সবচেয়ে বড় গুণাগুন হলো এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান থাকে। থাকে প্রচুর পরিমাণে বেটা-ক্যারোটিন ও লাইসেপেন। আর এ উপাদানগুলোর ফলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক কমে যায়। এ ছাড়া শক্তিশালী অ্যাক্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইতোনিউটিশান শরীরের কোষগুলোকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। ২. এতে হজমক্রিয়া নিয়মিত হয়। পরিপাকতন্ত্র আরও সচল হয়। পাশাপাশি টমেটোর জুস কোষ্ঠ্যকাঠিন্য রোধ করে হজমক্রিয়া বাড়ায়। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার (আঁশ জাতীয়) উপাদান থাকে। ফাইবার কোষ্ঠ্যকাঠিন্য রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ৩. টমেটোর জুস সেবনে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া টমেটোর জুস রক্তে অস্বাভাবিকভাবে প্লেটলেটের বেড়ে উঠা ঠেকিয়ে দেয়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। ৪. টমেটোর জুসকে হৃদযন্ত্রের বন্ধু বলা হয়। এতে প্রচুর পরিমাণে লাইসোপেন, ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি এবং বিটা ক্যারোটিন থাকে। এসব উপাদানই সুস্থ্য হৃদযন্ত্রের সহায়ক। লাইসোপেন রক্ত চলাচলের শিরাকে শক্তিশালী করে। পাশাপাশি রক্ত থেকে কোলেস্টরেল দূর করে। ৫. নিরাপদ চোখের জন্য টমোটের জুস খুব কার্যকরী। টমেটোর জুসে প্রচুর পরিমাণে বিটা-ক্যারোটিন, লুটিন এবং জিক্সানথিন, ভিটামিন সি রয়েছে, যা চোখকে নানা সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। ৬. এ জুস পান করলে শরীরে শক্তি পাওয়া যায়। যারা প্রচুর পরিমাণে জিমে সময় কাটান তাদের শরীরে ভারসাম্য আনতে টমেটো জুস খুবই কার্যকরী। তাই টমেটোর জুস পানে উৎসাহী হোন।  

পাট শাকের অ্যারাবিয়ান স্যুপ

অনেক আগে থেকেই পহেলা বৈশাখে পাট শাক খাওয়ার রীতি চলে আসছে। তবে অধিকংশ মানুষ এই শাক শুধু ভাজি করে  খেয়ে থাকেন। এবারে পাট শাক দিয়ে ভিন্ন কিছু হলে মন্দ হয় না! তবে চলুন একুশে টিভি অনলাইনে পাট শাকের অ্যারাবিয়ান স্যুপের রেসিপি দেখে নিই-     উপকরণ : ১) পাটশাকের দুই আঁটি। ২) মুরগীর মাংস এক কেজি। ৩) পানি দেড় লিটার। ৪) পেঁয়জ কুচি। ৫) রসুন কোয়া দুটি ছেঁচে নেওয়া। ৬) আদা টুকরো। ৭) তেজপাতা দুইটো। ৮) কাঁচা মরিচ চার/পাঁচটি। ৯) ঘি বা বাটার এক চামচ। ১০) লবণ পরিমাণ মতো। ১১) তেল আধা কাপ। প্রণালি : প্রথমে মুরগীর মাংসগুলো ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর পাট শাক বেছে ধুয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। এখন একটি প্যানে তেল দিয়ে চুলায় বসিয়ে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে লাল করে ভেজে তাতে মুরগীর মাংস ও সব মসলা দিয়ে এক সঙ্গে পাঁচ মিনিট কষিয়ে নিন। এরপর পানি দিয়ে মাঝারি আঁচে সেদ্ধ করুন। সেদ্ধ হয়ে আসলে ব্লেন্ডার করা পাট শাক, কাঁচা মরিচ ও রসুন দিয়ে আরও ১০ মিনিট রান্না করুন। এখন ঘি দিয়ে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন। এই স্যুপ সাদা ভাতের সঙ্গেও খেতে পারবেন। তথ্যসূত্র : স্বাদ কাহন রেঁস্তরা, ম্যাগাজিন। কেএনইউ/ এসএইচ/                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 

বৈশাখে ইলিশের কোরমা রেসিপি

বৈশাখে ইলিশ না থাকলে বাঙালিদের উৎসব যেন সম্পূর্ণই হয় না। পান্তা ভাতের সঙ্গে বিভিন্ন রকমের ভর্তার পাশাপাশি ইলিশ মাছের আইটেমও থাকে। ভাজা কিংবা ঝোল করা ছাড়াও ইলিশের আরও কয়েক পদ রান্না করা যায়। তাই বৈশাখ উপলক্ষে তৈরি করতে পোরেন ইলিশ কোরমা। এর রেসিপি দেওয়া হলো-    উপকরণ : ১) মাঝারি সাইজের ইলিশ মাছের কয়েক টুকরো। ২) নারকেল বাটা দুই টেবিল চামচ। ৩) পেঁয়াজ কুচি দেড় কাপ। ৪) আদা বাটা, রসুন বাটা, জিরা বাটা এক চামচ। ৫) টমেটো কুচি। ৬) হলুদ গুড়া এক চামচ। ৭) কাঁচা মরিচ বাটা এক চামচ। ৮) শুকনা মরিচ গুঁড়া। ৯) কাজুবাদাম বাটা এক টেবিল চামচ। ১০) পোস্তদানা বাটা এক টেবিল চামচ। ১১) টকদই দুই চামচ। ১২) চিনি ও লবণ স্বাদমত। ১৩) সয়াবিন তেল ও তেজপাতা। প্রণালি:  মাছগুলো প্রথমে লবণ ও হলুদ মাখিয়ে হালকা করে ভেজে নিতে হবে। এবার কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি ভাজতে হবে। খুব বেশি লাল করে ভাজা যাবে না। মিডিয়াম আঁচে নরম করে ভাজতে হবে। চাইলে এই সময় অল্প লবণ দেওয়া যেতে পারে। এতে পেঁয়াজ ভাজিটা নরম হবে। এখান থেকে কিছু ভাজা পেঁয়জ তুলে রাখুন। কেননা রান্নার শেষে এর ওপরে ছিটিয়ে দেওয়ার জন্য। এখন বাকি পেঁয়াজ ভাজায় টমেটো কুচি দিয়ে ভুনে নিতে হবে। এরপর একে একে আদা বাটা, রসুন বাটা, কাঁচামরিচ বাটা, জিরা বাটা, হলুদ গুড়া ও মরিচ গুড়া দিয়ে ভালোমতে কষাতে হবে, যেন মশলার কাঁচা গন্ধটা না থাকে। এবার একটা বাটিতে টকদই, নারকেল বাটা, কাজুবাদাম বাটা ও পোস্তদানা বাটা নিতে হবে। এই মিশ্রণটি কড়েইতে মিশাতে হবে এবং কিছুক্ষণ কষাতে হবে। মশলা ভালো করে কষে তেল উঠে এলে লবণ, চিনি দিয়ে নেড়ে নিয়ে মাছগুলো দিয়ে দিতে হবে এবং সামান্য সময় কষিয়ে পানি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। একদম অল্প আঁচে রান্না করতে হবে।  বৈশাখ উপলক্ষে হয়ে গেল মজাদার ইলিশ মাছের কোরমা। তথ্যসূত্র : রান্নার রেসিপি। কেএনইউ/ এসএইচ/  

ফিস ফিংগার তৈরি করবেন যেভাবে

মাছ অনেক ভাবেই রান্না করা যায়। এটা হতে পারে ভাজি, ঝোল কিংবা তরকারির সাথে রান্না অথবা ভুনা হিসেবে। এই মাছ দিয়ে আপনি চাইলে আলাদা একটি রেসিপি তৈরি করতে পারেন। মাছ দিয়ে তৈরি করা যায় এমন একটি মজাদার রেসিপি হচ্ছে `ফিস ফিঙ্গার`। এটি এমন একটি মজাদার খাবার যেটা সব বয়সের মানুষই খেতে খুব পছন্দ করেন। ফিস ফিঙ্গার একদিকে যেমন সুস্বাদু অন্যদিকে তেমন স্বাস্থ্যসম্মতও। ঘরে তৈরি করা এ খাবার স্কুল-কলেজে পড়ুয়া ছেলে-মেয়েদের সকালের নাশ্তার চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি টিফিনেও কার্যকরী। এ খাবারটি আপনার সন্তানদের ঘরে তৈরি খাবারে অভ্যস্ত করার পাশাপাশি বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার থেকেও নিরাপদ রাখে। চলুন তাহলে জেনে নেই কীভাবে সহজেই ‘ফিস ফিঙ্গার’ তৈরি করতে পারবেন।   উপকরণ: যে কোন মাছ সিদ্ধ করে কাটা বাছা-১ কাপ আলু সিদ্ধ-হাফ কাপ যে কোনো সবজি সিদ্ধ বাটা-হাফ কাপ পিয়াজ, রসুন বাটা-পরিমাণ মত আদা ও কাঁচা মরিচ বাটা- পরিমাণ ধনে পাতা বাটা-পরিমাণ মত ভাজার জন্য তেল-পরিমাণ মত লবণ, বিস্কুটের গুড়া-পরিমাণ মত ডিম-২ টি ময়দা-২ টেবিল চামচ প্রস্তুত প্রণালি ডিমের সাদা অংশ তেল ও বিস্কুটের গুড়া বাদে বাকি সব উপকরণ এক সাথে মেখে ইচ্ছা মত গোল বা লম্বাভাবে শেপ করে নিতে হবে। পরে এইগুলি ডিমে চুবিয়ে বিস্কুটের গুড়ায় গড়িয়ে ১৫/২০ মিনিট নরমাল ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। পরে উবো তেলে ভেজে তৈরি করে নিতে হবে ফিস ললি বা ফিস ফিংগার। এমএইচ/টিকে

ম্যাঙ্গো মাহালাবিয়া রেসিপি

পাকা আম স্বাস্থ্যের জন্য চমৎকার উপকার করে। শুধু স্বাস্থ্যের উপকারই করে না, এটি ত্বক পরিষ্কার রাখতেও সাহায্য করে। সুস্বাদু এই মিষ্টি জাতীয় ফল দিয়ে মজাদার রেসিপি তৈরি করে খাওয়া যায়। এমনি একটি রেসিপি একুশে টিভি অনলাইনে দেওয়া হলো-    উপকরণ: ১) দুধ আধা কেজি ২) আমের পিউরি (পাকা আম ছোট ছোট করে কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে পিউরি তৈরি করা হয়) ৩) চিনি পরিমাণ মতো ৪) কর্ণফ্লওয়ার ৩০ গ্রাম ৫) ফ্রেশ ক্রীম ৬) স্ট্রবেরি এবং ব্লুবেরি (সাজানোর জন্য) ৭) লবণ তবে সামান্য পরিমাণে প্রণালি : প্রথমে একটি প্যানে দুধ, ক্রীম ও চিনি দিয়ে জ্বাল দিয়ে নিন। ফুটে আসলে কর্ণফ্লাওয়ার পানি বা দুধের সঙ্গে গুলিয়ে জ্বাল দেওয়া দুধের মিশ্রণে মিশিয়ে দিন। এরপর সামান্য পারিমাণে লবণ দিয়ে নাড়তে থাকুন। এখন আমের পিউরি মেশান। পিউরি মেশানো হয়ে গেলে আঁচে আরও কিছুক্ষণ নাড়তে থাকুন। এবার অন্য একটি পাত্রে নামিয়ে ফেলুন। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে কিছু আম, স্ট্রবেরি এবং ব্লুবেরি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন ম্যাঙ্গো মাহালাবিয়া। কেএনইউ/টিকে

চিংড়ি-ফুলকপির ভর্তা

ভর্তা খুবই পছন্দের খাবার অনেকের কাছেই। গরম ভাতের সঙ্গে হলে তো কোন কথাই নয়। ভর্তা বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। তবে আজ যে ভর্তার বলা হচ্ছে তা একটু ভিন্নই বলা যায়। চিংড়ি দিয়ে ফুলকপির ভর্তা। এর রেসিপি একুশে টিভি অনলাইনে দেওয়া হলো- উপকরণ- ১) মাঝারি সাইজের একটি ফুলকপি। ২) কিছু চিংড়ি মাছ। ৩) পিঁয়াজ কুচি। ৪) কাঁচা মরিচ ও শুকনা মরিচ (দুটোই লাগবে)। ৫) ধনিয়া পাতা। ৬) সামান্য গুঁড়া হলুদ। ৭) লবণ পরিমাণ মতো। ৮) সরিষার তেল। প্রণালি- চিংড়ি মাছগুলো বেঁছে ধুয়ে নিন। এরপর মাঝারি সাইজের ফুলকপি ছোট ছোট টুকরো করে লবণ, হলুদ ও পানি দিয়ে দুটোই একই সঙ্গে সিদ্ধ করে নিন। এবার একটা কড়াইতে তেল গরম করে সিদ্ধ করা ফুলকপি ও চিংড়ি মাছ হালকা ভেজে নিন। এখন অন্য একটি পাত্রে নামিয়ে নিয়ে একই তেলে পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ ও শুকনা মরিচ এবং ধনিয়া পাতা ভেজে নিতে হবে। ভাজা হয়ে গেলে উপকরণগুলো নামিয়ে একটু লবণ দিয়ে হাতে বা গ্লাসের পিছনটা দিয়ে কচলিয়ে নিন। এখন ফুলকপি ও চিংড়ি মাছও কচলিয়ে নিতে হবে। এবার সবগুলো একসঙ্গে মিশিয়ে সরিষার তেল দিয়ে নিন। মেশানো হলে আবার হাত দিয়ে আরও সুন্দরভাবে মাখুন। হাত ‍দিয়ে যতই মাখবেন ততই এর স্বাদ বাড়বে। মাখানো হয়ে গেলে গোল করে নিয়ে গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন। তথ্যসূত্র: রান্নার রেসিপি। কেএনইউ/এসএইচ/      

লাউ-নারিকেলের হালুয়ার রেসিপি

বাড়িতে কত রকমেরই না হালুয়া তৈরি করা হয়। হালুয়া বলা যায়, প্রায় সবারই প্রিয় খাবার। কিন্তু পরিবারে যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা এই সুস্বাদু খাবার থেকে বঞ্চিত থাকেন। তারা শুধু কষ্ট নিয়ে অন্যদের খেতে। তবে পরিবারের সদস্যরা ইচ্ছা করলেই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য হালুয়া তৈরি করতে পারেন। লাউয়ের হালুয়া ডায়াবেটিসদের জন্য খুব উপকার হবে। তাদেরও খেতে দেখলে তৃপ্তি লাগবে। তবে চলুন এর রেসিপিটি জেনে নিয়ে চটপট বাড়িতেই তৈরি করে ফেলি-    উপকরণ- ১) মাঝারি সাইজের কচি লাউ। ২) দেড় কাপ দুধ। ৩) এক চামচ ঘি। ৪) আধা চা চামচ এলাচ গুঁড়ো। ৫) দুই চামচ সুইটনার (চিনির পরিবর্ত)। ৬) কিছু নারিকেল কুচি। ৭) কিছু কিশমিশ ও কাজুবাদাম। ৭) পরিমাণ মতো লবণ। প্রণালী- প্রথমে কচি লাউ কুচি কুচি করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরতে ঝুরিতে রাখুন। এখন একটি কড়াইতে ঘি গরম করে নিন। এতে লাউয়ের কুচি দিয়ে ভালো করে নেড়ে নিন। পাঁচ-ছয় মিনিট সিদ্ধ হওয়ার জন্য হালকা আঁচে ঢাকনা দিয়ে রাখুন। সিদ্ধ হয়ে গেলে এখন নারিকেল কুচি, দুধ, দুই চামচ সুইটনার, এলাচ গুঁড়া ও লবণ পরিমাণ মতো দিয়ে নাড়তে থাকুন। ভালো করে মিশিয়ে আরও কিছুক্ষণ নাড়তে থাকুন। এখন কিশমিশ ও কাজুবাদাম দিয়ে নাড়ুন। একটু ভারি হয়ে এলে নামিয়ে ফেলুন। এবার অন্য একটি পাত্রে ঢেলে ঠাণ্ডা করে সাইজ অনুযায়ী কেটে ডায়াবেটিস রোগীকে খেতে দিন। তথ্যসূত্র : রান্না ঘর। কেএনইউ/ এসএইচ/  

পাঁচ মিশালি সস তৈরি করবেন যেভাবে

পাঁচ মিশালি সস খাবারের স্বাদ বৃদ্ধিতে খুবই কার্যকর। আমরা সাধারণত সিঙ্গারা, সমুচা, বার্গার এবং নুডলসসহ অন্যান্য খাবারের সাথে সস খেয়ে থাকি। কিন্তু আমরা অনেক সময় বাজারের সসের উপর নির্ভর করি যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। কেননা বাজারের সসে অনেক সময় ক্ষতিকর উপাদান দেখা যায়। তাই স্বাস্থ্যকর সস খেতে চাইলে বানিয়ে নিন নিজের বাসাতেই। খুব সহজেই  পাঁচ মিশালি সস বানিয়ে সংরক্ষণ করতে পারেন। চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক কিভাবে এ সস তৈরি করবেন।   উপকরণ টমেটো-১ কেজি তেতুল-১০০ গ্রাম জলপাই-১০০ গ্রাম আমলকী-৫০ গ্রাম কাঁচা আম-০২ টি বেলেম্বু-১০০ গ্রাম রসুন বড়-০১ টি লবণ-পরিমাণমত চিনি-স্বাদ অনুযায়ী লেবু রস- চার ভাগে এক কাপ ভাজা জিড়া গুড়া-১চা চামুচ ভাজা মরিচ গুড়া-১ চা চামুচ প্রস্তুত প্রণালি জিড়া, মরিচ, লবণ, চিনি, লেবু রস বাদে বাকি সব উপকরণ এক সাথে সিদ্ধ করে ঢেলে নিতে হবে। পরে বাকি উপকরণসহ এক সাথে প্যানে দিয়ে জাল দিতে হবে তবে লেবু রস সব শেষে দিতে হবে। যখন ঘন হয়ে আসবে তখন ঠান্ডা করে বোতলে রেখে দিতে হবে এই মজাদার সস। এমএইচ/টিকে

মাছের ডিম দিয়ে কচুর লতির রেসিপি

কচু মুখে ধরে বলে অনেকেই খেতে চায় না বা পছন্দ করে না। কিন্তু কচুর লতিতে রয়েছে কচুর লতিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’, যা সংক্রামক রোগ থেকে শরীরকে রক্ষা করে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে করে দ্বিগুণ শক্তিশালী। ভিটামিন ‘সি’চর্মরোগ প্রতিরোধে কাজ করে। ওজন কমানোর জন্য কচুর লতি খাওয়া ভালো। কচুর লতি বিভিন্নভাবে রান্না করা যেতে পারে। স্বাভাবিকভাবে রান্না করলে হয়তো ভালো লাগবে না। তাই আপনি চাইলে বড় কোন মাছের ডিম দিয়ে রান্না করতে পারেন। এতে খেতেও খুব সুস্বাদু লাগবে। শিশুরা মাছের ডিম খেতে ভালোবাসে। কিন্তু কচুর লতি খেতে চায় না। তখন একসঙ্গে দুটো রান্না করলে দেখেবেন খেয়ে নিবে খুব সহজেই। এর রেসিপি একুশে টিভি অনলাইনে দেওয়া হলো- উপকরণ : ১) কচুর লতি ২৫০ গ্রাম। ২) বড় মাছের ডিম। ৩) পিঁয়াজ কুচি ও বাটা। ৪) রসুন বাটা। ৫) নারকেল কোরা (দিলেও হবে, না দিলেও হবে)। ৬) পাঁচফোড়ন। ৭) হলুদ গুঁড়া ও শুকনো মরিচের গুঁড়া। ৮) লেবুর রস এক চামচ। ৯) কয়েকটি কাঁচা মরিচ ফালি। ১০) লবণ স্বাদমতো। প্রণালি : প্রথমে কচুর লতি ভালোভাবে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর লবণ ও হলুদ দিয়ে হালকা সিদ্ধ করে পানি ফেলে দিতে হবে। এতে মুখে কম ধরবে। এখন একটি কড়াইতে তেল গরম করে পিঁয়াজ কুচি ও কাঁচা মরিচের ফালি দিয়ে ভেজে নিন। এরপর সব মসলা দিয়ে কষে নিন। এখন একটু পানি দিন। এরপর মাছের ডিম দিয়ে আরও কিছুক্ষণ কষিয়ে নিন। কষা হয়ে গেলে সিদ্ধ করে নেওয়া কচুর লতি ঢেলে দিন। পরিমাণ মতো লবণ দিয়ে নিন। একটু নেড়ে স্বাদযুক্তের জন্য এর ওপরে নারকেল কুচি ছিটিয়ে দিতে পারেন। এরপর লেবুর রস এক চামচ দিয়ে দিন। এখন সামান্য পরিমাণে পানি দিয়ে ঢাকনার মাধ্যমে ঢেকে দিন। একটু মাখা মাখা হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন। বেশি গরমে পরিবেশন করবেন না। কচু একটু ঠাণ্ডা করেই খাওয়া ভালো। এতে মুখে ধরার সম্ভাবনা থাকবে না। তথ্যসূত্র : রান্নার রেসিপি। কেএনইউ/ এসএইচ/        

বাড়িতে পিজ্জা সেন্ডুইস তৈরি করবেন যেভাবে

পিজ্জা স্যান্ডউইচ খেতে অনেকেই ভালোবাসেন। ঘরোয়া আড্ডায় স্যান্ডউইচ অনেকের খুব প্রিয়। আবার শিশুদের টিফিনেও  পিজ্জার রয়েছে বেশ কদর। বাচ্চাদের জন্য লোভনীয় একটি খবার হলো স্যান্ডউইচ। তাই রাস্তার পাশে বা যে কোনো শপ থেকে কিনে খাওয়ার চেয়ে আপনি চাইলে ঝটপট ঘরে তৈরি করে নিতে পারেন স্বাস্থসম্মত মজাদার এই খাবারটি। আজকে রইলো পিজ্জা স্যান্ডউইচ তৈরির রেসিপি- উপকরণ ময়দা-২ কাপ ইস্ট- এক টেবিল চামচ তেল-২ টেবিল চামচ ডিম- ২ টি লবন- পরিমাণমত  হালকা গরম পানি- পরিমাণ মত উপকরণ পুর ডিম-০৩ টি মুরগীর কিমা- অর্ধেক  কাপ পিঁয়াজ কুচি-অর্ধেক কাপ গাজর, পেঁপে-১ কাপ আদা, রসুন বাটা- পরিমাণমত গরম মসলা গুড়া, গুলমরিচ গুড়া, জিরা টালা গুড়া, লবণ ও তেল- পরিমাণমত প্রণালী পুর কড়াইয়ে তেল গরম করে পিয়াজ কুচি দিয়ে পরে ধীরে ধীরে বাকী উপকরণ মিশিয়ে রান্না করে নীতে হবে পুর। পরে উপরের উপকরণের ডিমের  কুসুম বাদে বাকী উপকরণ মেখে ৩০ মিনিট জন্য রেখে দিতে হবে। তার পর রুটির মত বেলে তিন কোনা করে কয়েকটি কেটে নিতে। যেমন- প্রথমে ১টি নিয়ে পুর দিতে হবে। তার উপর আরেকটি দিয়ে এই ভাবে পরপর তিন পিস এর মাঝে পুর দিয়ে এক সাথে করে তার উপর ডিমের কুসুম ব্রাশ করে ওভেনে ১৮০ ডিগ্রিতে ১৫ মিনিট দিয়ে তৈরি করতে হবে সেন্ডুইস। এমএইচ/টিকে

চিংড়ি মাছ দিয়ে করলার রেসিপি

করলা তিতা জাতীয় সবজি। তিতার কারণে অনেকেই এই সবজি খেতে চান না। কিন্তু করলাতে রয়েছে বিভিন্ন রোগের মহৌষধ। ডায়াবেটিস ও এলার্জি রোগীদের জন্য এটি একটি উত্তম সবজি। তাই যেকোনো মূল্যেই হোক খাবারের তালিকায় করলা রাখতে হবে। আপনার যেভাবে খেলে রুচি হবে সেই আইটেমে রান্না করতে পারেন। চিংড়ি দিয়ে করলা রান্না করে খেতে পারেন। চিংড়ি খুবই সুস্বাদু খাবার। সবাই চিংড়ি খেতে পারে। তাই চিংড়ি দিয়ে রান্না করে করলার সবজি খেতে পারেন। এর রেসিপি একুশে টিভি অনলাইনে দেওয়া হলো- উপকরণ- ১) মাঝারি সাইজের কয়েকটি করলা। ২) এক পোয়া চিংড়ি মাছ। ৩) পেঁয়াজ বাটা দুই টেবিল চামচ। ৪) রসুন বাটা এক চা চামচ। ৫) জিরা বাটা হাফ চা চামচ। ৬) শুকনা মরিচ গুঁড়া পরিমাণ মতো। ৭) হলুদ গুড়া হাফ চা চামচ। ৮) কয়েকটি কাচা মরিচ ফালি। ৯) লবন পরিমাণ মতো। ১০) তেল। প্রণালি : প্রথমে করলা সুন্দরভাবে কুচি কুচি করে কেটে লবণ দিয়ে ধুয়ে নিন। লবণ দিয়ে ধুলে তিতা কিছুটা কমে যাবে। এরপর চিংড়ি মাছ বেছে ধুয়ে নিন। এখন কড়াইতে তেল গরম করে পিঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা ও জিরা বাটা দিয়ে হালকা ভাজুন। ভাজা হয়ে গেলে শুকনা মরিচের ‍গুঁড়া ও হলুদ গুঁড়া দিন। একটু নেড়ে কাঁচা মরিচের কয়েটি ফালি দিয়ে চিংড়ি মাছগুলো ঢেলে দিন। লবণ দিয়ে হালকা আঁচে নাড়ুন। একটু পানি দিয়ে নিন। পানি ফুটে গেলে করলা ঢেলে দিন। একসঙ্গে মিশিয়ে নাড়তে থাকুন। যত নাড়বেন ততই মসলাগুলো ভিতরে ঢুকবে। এখন আবার একটু পানি ঢেলে ঢাকনা দিয়ে কয়েক মিনিট ঢেকে দিন। কিছুক্ষণ পর ঢাকনা উঠিয়ে নাড়ুন। পানি কমে না আসা পর্যন্ত চুলাতেই রাখুন। তবে একেবারেই শুকনো করবেন না। একটু ভিজা ভিজা থাকবে। করলা পুরোপুরি সিদ্ধ হয়ে গেলে অন্য একটি পাত্রে নামিয়ে ফেলুন। ব্যচ হয়ে গেলে চিংড়ি দিয়ে করলা সবজি। এখন গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন। এভাবে রান্না করলে নিশ্চই করলার তরকারি খাওয়া সম্ভব। তথ্যসূত্র : রান্নাঘর। কেএনইউ/ এসএইচ/    

বাড়িতে বসেই যেভাবে ফুচকা তৈরি করবেন

কম বেশি সবাই ফুচকা খেতে পছন্দ করেন। তবে নারীদের জন্য এটি খুব পছন্দের খাবার। রাস্তার ধারে ৪০-৫০ টাকার ফুচকা হরহামেশাই খেয়ে ফেলা হয়। তবে আপনি চাইলে এ ফুচকা বাড়িতে বসেই তৈরি করে খেতে পারেন। আমাদের এ আয়োজনে থাকছে ঘরোয়াভাবে ফুচকা তৈরির রেসিপি।   উপকরণ  ফুচকা তৈরির উপকরণ- ময়দা- ১ কাপ সুজি -৪ কাপ তালমাখনা -১ চা চামচ লবন- ১ চা চামচ (পরিমাণমত)  পানি- ২ কাপ (পরিমাণমত) তেল ভাজার জন্য প্রণালী- তেল বাদে সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে একটু শক্ত দলা বানিয়ে ১৫/২০ মিনিট ঢেকে রাখতে হবে , তারপর রুটির মত বেলে ছোটো গোল গোল করে কেটে নিতে হবে , রুটি গুলো পাতলা হবে না। ফুচকা গুলো গরম ডুবো তেলে মাঝারি আচে মচমচে করে ভেজে নিতে হবে। ফুচকা ভাজার সময় যখন গরম তেলে দেওয়া হবে ফুচকা একটু চেপে ধরতে হবে তাহলে ফুলে উঠবে।    ফুচকার পানি তৈরি করবেন যেভাবে- পানি– ৫ কাপ  তেঁতুলের কাথ– ২ টেবিল চামচ পুদিনা পাতা কুচি– ১ কাপ ধনেপাতা কুচি– ১ কাপ কাঁচা লঙ্কা কুচি– ১ টেবিল চামচ লঙ্কাগুঁড়ো– ১ চামচ (পরিমাণ মত)  লবণ– পরিমাণমত বিট লবন– ১ টেবিল চামচ চাট মশলা– ১ টেবিল চামচ পুর তৈরি করবেন যেভাবে- ডাবলি/ বুট সেদ্ধ সিদ্ধ আলু মাখা– ১ কাপ  মুড়ি মশলা– ১ চা চামচ লঙ্কাগুঁড়ো– ১ চা চামচ বিট লবণ– ১ চা চামচ লবণ- পরিমাণমত পদ্ধতি:  পানি তৈরির সমস্ত উপকরণ একসঙ্গে নিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করুন৷ এবার এতে ৩-৪ কাপ পানি দিন৷ পুর তৈরির সব মশলা একসঙ্গে মাখুন। শুকনো ফুচকার মাঝে হাল্কা আঙুলের চাপ দিয়ে গর্ত করে, তাতে পুর এবং তৈরি করা তেঁতুল জল দিয়ে খেতে থাকুন৷   এমএইচ/এসি  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি