ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১৮ ১৭:২৮:১১

বাড়িতে সহজেই তৈরি করুন ইনস্ট্যান্ট নুডলস মসলা

বাড়িতে সহজেই তৈরি করুন ইনস্ট্যান্ট নুডলস মসলা

যারা খাবার স্বাদ বারাবার জন্য ঘরের মধ্যে ইনস্ট্যান্ট নুডলসের টেস্টমেকার তৈরি করতে চান, তাদের জন্য রয়েছে ম্যাজিকেল মসলা রেসেপি। তৈরির পদ্ধতি ১ টেবিল চামচ ভেজিটেবিল তেল যোগ করবেন। এর মধ্যে ১ চা চামচ শুকনো আদার গুঁড়ো, ১ চা চামচ শুকনো রসুনের গুঁড়ো, ২ চা চামচ শুকনো পিঁয়াজ গুঁড়ো, ২ চা চামচ ধনিয়া গুড়ো, ১/২ চা চামচ শুকনো মরিচ গুড়ো, ১/৪ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, ১/২ চা চামচ জিরা গুঁড়ো, ১/২ চা চামচ গোল মরিচ গুঁড়ো, ১/২ চা চামচ মেথি গুঁড়ো, ১/২ চা চামচ গরম মসালা গুঁড়ো, ১ চা চামচ চিনি, ১/২ চা চামচ শুকনো মরিচ ফ্লেক, ১ টেবিল চামচ ময়দা, ১/২ চা চামচ দারচিনি গুঁড়ো এবং ১/২ চা চামচ লবণ যোগ করবেন। তারপর কম আঁচে এই মিশ্রণটিকে নাড়াবেন। গাড় বাদামী রং হওয়া পর্যন্ত নাড়াতে থাকবেন। স্টোভ বন্ধ করে মিশ্রণটিকে ঠাণ্ডা হওয়ার জন্য ছেড়ে দিন। আপানর সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকর ইনস্ট্যান্ট নুডলস মসলা তৈরি। এই মসালাটি আপনি শুকনো আলুর তরকারি, মসলা ডিম ঝুড়ি, ভেল পুরি, মসলা ভাজা, মাশরুম সুপে যোগ করতে পারবেন। বেচেঁ থাকা ইডলিতে কয়েকটি পিঁয়াজ এবং শস্য দানার সঙ্গে টেস্টমেকার মসলা যোগ করে ভেজে সন্ধ্যা বেলার জন্য একটি স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরি করে নিতে পারবেন। সূত্র: এনডিটিভি একে//
ঘরে বসে সহজেই বানিয়ে ফেলুন রসগোল্লা

ভোজনরসিক বাঙালিরা দেশি-বিদেশি কত রকমের রান্না শিখে নিয়েছেন অনায়াসে। তাহলে রসগোল্লা খেতে মিস্টির দোকানের উপর এখনও ভরসা করবেন কেনও? চলুন শিখে নেওয়া যাক রসগোল্লা বানানোর সহজ কৌশল- রসগোল্লা বানাতে লাগবে ১) দুই লিটার দুধ। ২) চার চামচ লেবুর রস। ৩) ছয়-সাত কাপ পানি। ৪) সাড়ে তিন কাপ চিনি। ৫) সামান্য গোলাপ জল। যেভাবে বানাবেন রসগোল্লা ১) ছানা তৈরির জন্য দুধ জ্বাল দিয়ে অল্প করে লেবুর রস দিয়ে ছানা তৈরি করে নিন। ২) দুধ থেকে পানি বের হয়ে এলে ওভেন থেকে নামিয়ে একটি পরিষ্কার কাপড় নিয়ে চেপে ভাল করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। ৩) এরপর একেবারে মসৃণ হওয়া পর্যন্ত ছানা হাত দিয়ে ভাল করে মাখতে হবে। ৪) প্রেসার কুকারে ৬-৭ কাপ পানিতে চিনি দিয়ে ওভেনে দিন। চিনির সিরা তৈরি হলে তুলে ফেলে আঁচ কমিয়ে দিন। ৫)  হাতের তালু দিয়ে গোল গোল করে মেখে নিয়ে ২০-২৫টা ভাগ করে রাখুন। ৬) সব ছানার বল একসঙ্গে চিনির সিরায় দিয়ে প্রেসার কুকারের ঢাকনা বন্ধ করে দিন। ৭) কুকারে একটি সিটি পড়লেই ওভেন বন্ধ করে দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। ৮) ঠাণ্ডা হলে চিনির সিরাসহ রসগোল্লাগুলো একটি বড় পাত্রে ঢালুন। ১ চা চামচ গোলাপ জল দিন। ৯) ঠাণ্ডা হলে পরিবেশন করুন রসগোল্লা। একে//

ভেজিটেবল চিকেন বিরিয়ানী

উপকরণমুরগির মাংস ২ কাপ, আদা বাটা, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, বিরিয়ানী মসলা ১ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, গরম মসলা আধা চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, টকদই ১ কাপ, ধনে গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, তেল পরিমাণ মতো, পেঁয়াজ কিউব আধা কাপ, মটরশুঁটি আধা কাপ, গাজর আধা কাপ, ক্যাপসিকাম আধা কাপ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, চিনি ১ চা চামচ, চাল ২ কাপ, তেজপাতা পরিমাণমতো, লেমন পিল ১ চা চামচ, ঘি পরিমাণ মতো, আস্ত কাঁচা মরিচ ৫-৬টি, বাদাম ১ টেবিল চামচ, আলু বোখারা ১ টেবিল চামচ, গুঁড়া দুধ ১ টেবিল চামচ, পানি ৪-৫ কাপ, জাফরান পানি কয়েকফোঁটা, কেওড়া জল ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা পরিমাণমতো, লবণ স্বাদমতো, তেল পরিমাণমতো।প্রণালী প্রথমে মাংসে আদা বাটা, রসুন বাটা, লবণ, বিরিয়ানী মসলা, মরিচ গুঁড়া, গরম মসলা গুঁড়া, গোলমরিচ গুঁড়া, টকদই, ধনে গুঁড়া ও তেল দিয়ে ভালো করে মেখে নিয়ে মেরিনেট করুন। এবার কড়াইতে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ ভেজে মেরিনেট করা মাংস দিয়ে কষিয়ে ঢেকে দিন। কষানো হয়ে এলে ঢাকনা উঠিয়ে মটরশুঁটি, গাজর, ক্যাপসিকাম দিয়ে নেড় নিন। এখন লেবুর রস ও চিনি দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন। অন্য একটি পাত্রে পোলাও চালের আধাসেদ্ধ ভাতে আস্ত গরম মসলা, লবণ, লেমন পিল, ঘি দিয়ে মেখে নিন। এবার একটি পাত্রে প্রথমে কিছু রান্না করা ভাত দিন। তারপর রান্না করা মুরগির মাংস, ভেজিটেবল, গুঁড়া দুধ, ঘি, পেঁয়াজ বেরেস্তা, আলু বোখারা ও কাঁচামরিচ ছড়িয়ে দিন। এরপর আবার একইভাবে লেয়ার করুন ভাত ও মাংসের।এভাবে ওপরের লেয়ারে আরেকটু ভাত দিয়ে তারপর ঘি, কেওড়া ছড়িয়ে জাফরান দিয়ে ঢেকে দিন যাতে দম বের হতে না পারে। এভাবে দমে ৩০ মিনিট রেখে নামিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার ভেজিটেবল চিকেন বিরিয়ানী। এসএ/  

ঈদে মজাদার রেসিপি

আজ ঈদ। ঘরে ঘরে আনন্দ। চলছে রান্নাঘরে বিশেষ বিশেষ খাবারের প্রস্তুতি। এবার ঈদে রমণীর আয়োজনে ভিন্ন কিছু রেসিপির সন্ধান দিচ্ছে ইটিভি অনলাইন।আজকের রেসিপি চিকেন সিজলিং উইথ ভেজিটেবলউপকরণমুরগির বুকের মাংস : ২ কাপ, ভাপ দেয়া সবজি, (গাজর, বরবটি, ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেবিকর্ণ) : ১ কাপ, গোলমরিচ গুঁড়া : ১ চা চামচ, রসুন কুচি: ১ টেবিল চামচ, চিলিসস : ১ টেবিল চামচ, টমেটো সস : ১ টেবিল চামচ, আদা-রসুন বাটা : ১ চা চামচ, মাস্টার্ড পেস্ট : ১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি : ৫-৬ টা পেঁয়াজ কিউব : ১/৪ কাপ, লেবুর রস : ১ টেবিল চামচ, তেল: পরিমাণমতো, লবণ : স্বাদমতোপ্রণালিপ্রথমে মাংসে লেবুর রস, আদা-রসুন বাটা, লবণ, মাস্টার্ড পেস্ট, গোলমরিচ গুঁড়া দিয়ে মেখে মেরিনেট করে নিন। এবার গরম তেলে মাংস ভেজে নিন। তারপর অল্প তেলে রসুন কুচি ভেজে ভাপ দেয়া সবজি দিয়ে নেড়ে ভাজা মাংস দিয়ে দিন। একটু নেড়ে গোলমরিচ গুঁড়া, কাঁচা মরিচ দিন। কিছুক্ষণ পর টমেটো ও চিলিসস দিয়ে ভালো করে নেড়ে নামিয়ে নিন। খুব গরম সিজলিং ডিশে একটু মাখন দিয়ে ধোঁয়া বের হলে এতে চিকেন ভেজিটেবলটা ঢেলে পরিবেশন করুন দারুণ মজার চিকেন সিজলিং উইথ ভেজিটেবল।এসএ/

সোনার চিকেন রেসিপি!

সোনায় মোড়া ‘মুরগির ঠ্যাং’ খাবারের পাতে! ফ্রায়েড চিকেন উইং বা চিকেন ড্রামস্টিকের দাম আর স্বাদ সম্পর্কে আমাদের প্রায় সবারই মোটামুটি একটা ধারণা আছে। কিন্তু সোনায় মোড়া চিকেন উইং-এর দাম বা স্বাদ জানেন? ২৪ ক্যারেট ভোজ্য সোনায় মোড়া চিকেন উইং এখন পাওয়া যাচ্ছে নিউইয়র্কের এইন্সওয়ার্থ রেঁস্তোরায়। পদটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফুডগড’। ম্যানহাটন, নিউ জার্সি, ক্যানসাস সিটি এবং ন্যাশভিল-এও পাওয়া যাচ্ছে এইন্সওয়ার্থ-এর এই বিশেষ সোনায় মোড়া চিকেন উইং। ৫০টি সোনায় মোড়া চিকেন উইং আর শ্যাম্পেন মিলিয়ে ‘কম্বো প্যাক’টির দাম মাত্র ১ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মূল্যে যা প্রায় ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা মাত্র! তবে চাইলে এমন ১০টি চিকেন উইংও কিনতে পারেন। সেক্ষেত্রে দাম পরবে ৩০ ডলার। ভোজ্য সোনায় মোড়া এই চিকেন উইং বানানোর রেসিপি এখন রীতিমতো ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে বাড়িতে এখনও কেউ এই রেসিপি কাজে লাগিয়ে দেখেছেন কি-না, তা অবশ্য জানা নেই! ‘ফুডগড’-এর রেসিপি (যতটা জানা গেছে) মাংসের টুকরোগুলোকে কোকোনাট বাটার, গোল্ড বাটার আর হনি বাটারের মিশ্রণে ২৪ ঘণ্টা ডুবিয়ে ম্যারিনেট করা হয়। তারপর ছাঁকা তেলে ভেজে ২৪ ক্যারেট ভোজ্য সোনার গুঁড়ো ভাল করে মাখিয়ে তবেই সেগুলো বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়। ২৪ ক্যারেট সোনার গুঁড়ো মাখানো চিকেন উইংয়ের স্বাদ পেতে হলে আপাতত মার্কিন মুলুকের ওই চার শহরের যে কোনও একটির এইন্সওয়ার্থ-এ যেতে হবে। আর না যেতে চাইলে, ‘ফুডগড’-এর রেসিপিও তো হাতেই পেয়ে গেছেন। তাহলে নিজের স্বাদ মতো উপকরণ বদলে ঘরেও বানিয়েও নেওয়া যেতে পারে সোনায় মোড়া চিকেন উইং! আর হ্যাঁ, সোনা ২৪ ক্যারেটের চেয়ে কম হলে চিকেনের স্বাদ তেমন মুখোরোচক নাও হতে পারে কিন্তু! তাই পাড়ার দোকান থেকে মুরগী কিনলেও ভোজ্য সোনা কেনার ক্ষেত্রে কোনও রকম কার্পণ্য চলবে না! সূত্র: জিনিউজ একে//

নারকেল দিয়ে কুমড়ো রেসিপি

সবজি হিসেবে মিষ্টি কুমড়া অনন্য। হালকা মিষ্টি স্বাদের এই সবজি নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখা প্রয়োজন। কেননা মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে নানাবিধ পুষ্টিগুণ। এটি অনেকেই এটি মাংস দিয়েও রান্না করে থাকেন। এছাড়া এই সবজি দিয়ে বিভিন্ন মজাদার রেসিপি তৈরি করেও খাওয়া যায়। আজ আমরা মিষ্টি কুমড়া দিয়ে ভিন্ন স্বাদের রেসিপি জানবো। নারকেল দিয়ে মিষ্টি কুমড়ো। নারকেল খেতে খুবই সুস্বাদু। সবাই খেতে পছন্দ করে। তাই নারকেল দিয়ে যে কোন রেসিপিই খেতে খুব মজাদার হয়। একুশে টিভি অনলাইনে নারকেল দিয়ে মিষ্টি কুমড়োর রেসিপি দেওয়া হলো- উপকরণ : ১) একটি মিষ্টি কুমড়ো। ২) নারিকেল কুড়ানো। ৩) পিঁয়াজ কুচি । ৪) হলুদ গুঁড়ো, জিরা গুঁড়া ও শুকনো মরিচের গুঁড়ো। ৫) আদা বাদা ও রসুন বাটা। ৬) কয়েকটি কাঁচা মরিচ ফালি। ৭) চিনি সামান্য পরিমাণ। ৮) লবণ ও তেল। ৯) আধা চামচ পাঁচ ফোড়ন ও দুইটি তেজপাতা। ১০) ধনে পাতা। প্রণালি : প্রথমে মিষ্টি কুমড়ো ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। এবার একটি কড়াইতে তেল গরম করে নিন। গরম তেলে পিঁয়াজ কুচি ও কাঁচা মরিচ ফালি দিয়ে হালকা ভেজে নিন। এরপর আদা বাটা, রসুন বাটা, হলুদ গুড়া, জিরা গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া দিয়ে কষিয়ে নিন। কষানো হয়ে গেলে মিষ্টি কুমড়ো ঢেলে দিয়ে এর উপরে চিনি (ভালো স্বাদ হওয়ার জন্য) ও লবণ দিন। কিছুক্ষণ নেড়ে দুই/তিন মিনিটের জন্য ঢেকে দিন। এরপর আবার একটু নেড়ে এখন নারকেল কোড়ানো ছিটিয়ে দিন। একযোগে নাড়তে থাকুন। নারকেলের পানি যতক্ষণ না শুকাচ্ছে ততক্ষণ নাড়তে থাকুন। শুকিয়ে মাখা মাখা হয়ে গেলে উপরে সামান্য ধনে পাতা ছিটিয়ে দিন। এবার অন্য একটি পাত্রে নামিয়ে ফেলুন। ব্যচ হয়ে গেল নারকেল দিয়ে কুমড়ো। এই সবজি খেতে খুব সুস্বাদু। যারা কুমড়ো খেতে চান না তারা এই রেসিপি করে খেতে পারেন। সূত্র : আনন্দবাজার। কেএনইউ/ এআর      

ইফতারে থাকছে বাসবুসা

ইফতারের আইটেমে সুজির বাসবুসা রাখতে পারেন। এটি বাচ্চাদের খুব প্রিয় খাবার। এর রেসিপি জেনে নিয়ে তৈরি করে ফেলুন- উপকরণ : ১) সুজি ২৯০ গ্রাম। ২) মিহি সুজি ৯৩ গ্রাম। ৩) চিনি ১৩৩ গ্রাম। ৪) বেকিং পাউডার দশ মিলি। ৫) নারকেল কোড়ানো ৯০ গ্রাম। ৬) দুইটি ডিম। ৭) বাটার মাখন ১৬৭ মিলি। ৮) ভ্যানিলা দশ মিলি। ৯) লেবুর রস ১৫ মিলি। ১০) গোলাপজল দশ মিলি। ১১) কিছু কাঠবাদাম (সাজানোর জন্য)। ১২) পানি। প্রণালি : প্রথমে সিরাপ তৈরির জন্য চিনি, পানি ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে জ্বাল দিন। তারপর গোলাপজল দিয়ে কিছুক্ষণ ভালভাবে নেড়ে নামিয়ে ফেলুন। কাঠবাদাম গরম পানিতে সিদ্ধ করে ঠাণ্ডা পানিতে ভিজিয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। এটি পরিবেশনের সময় সাজাতে লাগবে। এবার সুজিসহ বাকি যত উপকরণ আছে সবগুলোই একই সঙ্গে মিশিয়ে ব্যাটার তৈরি করুন। এই ব্যাটার একটি বাটার মাখানো প্যানে ঢেলে ফ্রিজে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা রাখুন। এরপর ফ্রিজ থেকে বের করে প্রিহিটেড ওভেনে ৩৮০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ৪০ মিনিট বেক করুন। বেক করা হয়ে গেলে বের করে এর উপরে সিরাপ ছড়িয়ে দিয়ে আবারো ১৫ মিনিট বেক করুন। ঠাণ্ডা হলে সাইজ করে কাটুন। এখন উপরে কাঠবাদাম দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন। সূত্র : স্বাদ কাহন রেস্তরাঁ। কেএনইউ/এসএ  

ইফতারি রেসিপি : ডালের কাবাব

রমজানে ইফতারের মেনুতে নতুন নতুন আইটেম রাখতে চান ঘরকর্ত্রীরা। মাছ, মাংস ও বিভিন্ন সবজির কাবাব খাওয়া হয়েছে কিন্তু ডালের কাবাব হয়তো কখনই খাওয়া হয় নি। যারা নতুন নতুন ইফতারি আইটেম খুঁজছেন তার এই আইটেম তৈরি করে নিতে পারেন। উপকরণ ১) ছোলা অথবা মুসুরের ডাল সেদ্ধ করে রাখা এক কেজি। ২) চারটে আলু সেদ্ধ। ৩) ডিম দুইটা। ৪) পিঁয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ কুচি।   ৫) আদা-রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ। ৬) জিরে, গোটা ধনে দুই চামচ, মৌরি দুইটি। ৭) গরমমশলা গুঁড়ো এক চামচ, শুকনো মরিচ গুঁড়ো দুই চামচ। ৮) ধনেপাতা কুচি, আদা কুচি দুই টেবিল চামচ। ৯) লবণ স্বাদমতো। ১০) পানি পরিমাণ মতো। প্রণালি প্রথমে আলু সেদ্ধ করে নিন। এখন প্যানে সেদ্ধ ডাল দিন। তাতে সামান্য পানি, গোটা জিরে, গোটা ধনে, মৌরি, শুকনো মরিচ গুঁড়ো, আদা-রসুন বাটা, গরমমশলা গুঁড়ো দিয়ে নেড়েচেড়ে নিন। এরপর সামান্য লবণ দিয়ে অল্প আঁচে ২০ মিনিট রাঁধুন। পানি শুকিয়ে গেলে নামিয়ে নিন। তাতে সেদ্ধ আলু দিয়ে একই সঙ্গে বেটে নিন। এবার একটি বাটিতে বাটা ডাল ও আলু দিয়ে দিন। তাতে দুইটা ডিম ফাটিয়ে দিন, কোচানো পিঁয়াজ, কাঁচামরিচ কুচি, ধনেপাতা কুচি, আদা কুচি দিয়ে সমস্ত উপকরণ ভালোভাবে মেখে তার থেকে হাতে করে কাবাব আকারে গড়ে নিন। প্যানে বেশ খানিকটা তেল গরমে বসান। তেল গরম হলে তাতে গড়ে নেওয়া কাবাব ছেড়ে লালচে করে ভেজে নিন। কাবাব লালচে করে ভাজা হয়ে গেলেই তৈরি হবে ডাল কাবাব। এবার মুড়ির সঙ্গে কিংবা ইফতারের পর ভাতের সঙ্গেও খেতে পারেন। কেএনইউ/টিকে

বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন চকোলেট আইসক্রিম

গরমটা এখন বেশ জমিয়েই পড়েছে। মাঝে মধ্যে ঝড়-বৃষ্টি হলেও তা থেকে ক্ষণিকেরই স্বস্তি মিলছে। দিনের বেশিরভাগ সময়তেই একটা হাসফাঁস অবস্থা। এই অবস্থায় পরিশ্রান্ত হয়ে ঘরে ফিরে বা খাবার পাতে যদি আইসক্রিম পাওয়া যায়, তবে ব্যপারটা জমে যায়, তাই না! কিন্তু ইচ্ছে হলেই কি আর হাতে কাছে আইসক্রিম পাওয়া যায়! আবার তো সেই দোকানে ছুটতে হবে! কিন্তু না, তার দরকার নেই। এ বার বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন চকোলেট আইসক্রিম। রইল তার সহজ রেসিপি। চকোলেট আইসক্রিম বানাতে লাগবে ১. গুঁড়ো দুধ ২ কাপ ২. পানি আড়াই কাপ ৩. চিনি ২ টেবিল-চামচ ৪. চকোলেটের দুটি ছোট বার ৫. ক্রিম ১ টিন ৬. গ্লুকোজ ১ চা-চামচ ৭. কনডেন্সড মিল্ক আধা টিন ৮. সিএমসি পাউডার (দ্রুত আইসক্রিম জমাতে সাহায্য করে) গোলানো ১ টেবিল-চামচ ৯. কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল-চামচ। চকোলেট আইসক্রিম বানানোর পদ্ধতি ১. গুঁড়ো দুধ, পানি, কনডেন্সড মিল্ক, চিনি, কর্নফ্লাওয়ার একসঙ্গে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ২. এ বার মিশ্রণটি প্যানে ঢেলে চকোলেট মিশিয়ে গরম করে নিন। ৩. মিশ্রণটি বেশ খানিকটা ঘন হয়ে উঠলে আঁচ থেকে নামিয়ে তরল গ্লুকোজ মেলাতে হবে। ৪. এ বার মিশ্রণটি কিছুটা ঠাণ্ডা হওয়ার পর সিএমসি মিশিয়ে নিন। ৫. ঠাণ্ডা হওয়ার পর এর সঙ্গে ভাল করে ক্রিম মিশিয়ে নিতে হবে। ৬. এর পর মিশ্রণটি ডিপ ফ্রিজে ঘণ্টা দুয়েক রেখে দিন জমানোর জন্য। ৭. এর পর ফ্রিজ থেকে বের করে আর একবার ভাল করে ঘেঁটে নিন। ৮. এ বার ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন। ৯. ৫-৬ ঘণ্টা পর ডিপ ফ্রিজ থেকে বের করে (প্রয়োজনে অল্প চকোলেট স্যস দিয়ে) মাপ মতো কেটে কেটে পরিবেশন করুন। সূত্র: জিনিউজ একে//

ইফতারি রেসিপি : ফিশ পোলাও

প্রতিদিন ইফতারে মুড়ি, বুট, বুন্দিয়া আর ভালো লাগে না। তাই মাঝে মাঝে খাবারের আইটেম পরিবর্তন করা প্রয়োজন। তাই আজকের ইফতারে রাখতে পারেন ভিন্ন স্পেশাল রেসিপি ফিশ পোলাও। অন্য কোন আইটেম করা যায় তাহলে- উপকরণ ১) বড় মাছ এক কেজি (কাঁটা ছাড়া) ২) বাসমতি চাল আধা কেজি। ৩) লবণ পরিমাণ মতো। ৪) এক কাপ নারকেল দুধ। ৫) হলুদ গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, শুকনো মরিচ গুঁড়ো এক চামচ। ৬) পিঁয়াজ কুচি, রসুন, আদা ও পিঁয়াজ বাটা। ৭) ঘি দুই টেবিল চামচ। ৮) গোটা জিরে, এলাচ তিনটি, দারুচিনি, লবঙ্গ তিনটি, শুকনো মরিচ দুইটি। ৯) পানি প্রয়োজন মতো। ১০) কয়েকটি লেবুর টুকরো। প্রণালি প্রথমে একটি পাত্রে কাঁটা ছাড়া মাছ নিয়ে তাতে লবণ, হলুদ গুঁড়ো দিয়ে মেখে রেখে দিন। এবার প্যানে ঘি দিয়ে গরম করুন। ঘি গরম হলে ম্যারিনেট করে রাখা মাছগুলো ভেজে তুলে নিন। এর সঙ্গে কিছু পিঁয়াজ কুচি ভেজে নিন, পোলাওয়ের উপর ছিটে দেওয়ার জন্য। এবার অন্য একটি প্যানে ঘি গরম করুন। ঘি গরম হলে গোটা জিরে, এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ ফোঁড়ন দিন। এরপর পিঁয়াজ কুচি দিয়ে হালকা বাদামি করে ভেজে নিন। পিঁয়াজ হালকা বাদামি হলে এক কাপ নারকেল দুধসহ সব মশলা দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করুন। এবার ওই প্যানে ঢেলে দিন বাসমতি চাল। নাড়তে থাকুন। ভালোভাবে সমস্ত উপকরণ মিশিয়ে গেলে এবার লবণ দিয়ে নিন। এখন পানি দিয়ে কিছুক্ষণ ঢেকে রাখুন। সিদ্ধ হয়ে গেলে উপরে মাছগুলো ছিটিয়ে আরও কিছুক্ষণ অল্প আঁচে রান্না করুন। রান্না হয়ে গেলে পরিবেশন পাত্রে নামিয়ে নিন। এর উপরে ভাজা পিঁয়াজ ছিটিয়ে দিন এবং কয়েকটি লেবুর টুকরো পাশে রাখুন। এখন ইফতারের সময় হলে পরিবেশন করুন। সূ্ত্র : ইনাডু ইন্ডিয়া। কেএনইউ/  

ইফতারি রেসিপি : ঘরে বসেই তৈরি করুন ফালুদা

রমজান এসে গেছে, এখন ইফতারে থাকা চাই ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার। এ সময় রাখতে পারেন বিভিন্ন ফলের তৈরি ফালুদা। এটি স্বাস্থ্যকর একটি ঠাণ্ডা জাতীয় সুস্বাদু খাবার। ফালুদা সাধারণত রেস্টুরেন্টে বেশিরভাগ খাওয়া হয়। কিন্তু আপনি চাইলে ঘরে বসেই নিজের হাতে বানিয়ে ইফতারের আয়োজনে রাখতে পারেন মজাদার ফালুদা। এর রেসিপি জানিয়ে দেওয়া হলো- উপকরণ ১) দুধ এক লিটার। ২) স্ট্রবেরি জেলি এক কাপ। ৩) ফালুদা বীজ এক চামচ। ৪) সাবুদানা দুই কাপ। ৫) নুডুলস (এটা ফালুদার জন্য তৈরি, বাজারে পাওয়া যায়)। ৬) পেস্তা কুচি, আমন্ড কুচি, কাজুবাদাম কুচি এক চামচ। ৭) ভ্যানিলা আইসক্রিম দুই চামচ। ৮) বিভিন্ন পদের ফল (কলা, আপেল, আঙ্গুর, বেদনা ইত্যাদি) ৯) চিনি ও লবণ স্বাদ মতো। ১০) কয়েক টুকরা দারুচিনি, কয়েকটা এলাচি। ১১) পানি পরিমাণ মতো। প্রণালি প্রথমে একটি পাত্রে দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে নিন। ফালুদা বীজ আলাদাভাবে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর অন্য একটি পাত্রে নুডুলস ও সাবুদানা সিদ্ধ করে নিন। সিদ্ধ হয়ে গেলে এতে ঘন দুধ, এলাচ, দারুচিনি, চিনি, লবণ দিয়ে নাড়তে থাকুন। এদিকে আলাদাভাবে বিভিন্ন ফল কেটে রাখুন। এবার একটি পাত্রে ফালুদা বীজ নিয়ে সিদ্ধ করা উপকরণগুলো দিয়ে নিন। এর ওপরে কাটা ফলগুলো সহ পেস্তাকুচি, আমন্ডকুচি ও কাজুবাদাম ছিটিয়ে দিয়ে স্ট্রবেরি জেলি দিয়ে দিন। সবার উপরে ভ্যানিলা আইসক্রিম দিয়ে গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করুন। ফ্রিজে কিছুক্ষণ রেখে পরিবেশন করতে পারেন। তথ্যসূত্র : ইনাডু ইন্ডিয়া। কেএনইউ/ এসএইচ/  

রেসিপি : ইটালিয়ান সিজলিং প্রণ

দেশি খাবার আমরা সবসময়ই খাই। মাঝে মাঝে ভিন্ন স্বাদের বিদেশি খাবার খেলে মন্দ হয় না। এমনি একটি ভিন্ন স্বাদের খাবার হচ্ছে ইটালিয়ান সিজলিং প্রণ। নামটি কঠিন মনে হলেও এটি খুব সহজেই রান্না করা যায়। খরচও খুবই কম। এর রেসিপি জেনে নিয়ে ঝটপট তৈরি করে ফেলুন। উপকরণ ১) বড় চিংড়ি পাঁচটি। ২) রোজমেরী। ৩) অরিগ্যানো (বাজারে কিনতে পাওয়া যায়)। ৪) আদা গুঁড়ো, রসুন গুঁড়ো আধা চা চামচ। ৫) অলিভ ওয়েল দুই চামচ। ৬) লেবুর রস দুই চামচ। ৭) লবণ পরিমাণ মতো। ৮) আনারস ও তরমুজ কিউব করে কাটা এক কাপ। প্রণালি চিংড়ি মাছগুলো পরিষ্কার করে রোজমেরী, অরিগ্যানো, আদা, রসুন গুঁড়ো ও লবণ দিয়ে মেরিনেট করে রাখুন দশ মিনিট। এরপর প্যানে তেল গরম করে চিংড়ি মাছগুলো কয়েক মিনিট রান্না করুন। ভাজা ভাজা হয়ে গেলে অন্য একটি পাত্রে নামিয়ে নিন। এর উপরে তরমুজ ও আনারস দিয়ে লেবুর রস ছড়িয়ে দিন। এবার পরিবেশন করুন। সূত্র : স্বাদ কাহন রেস্তরাঁ ম্যাগাজিন। কেএনইউ/এসএ/  

ইফতারে রাখুন স্বাস্থ্যকর ফিস চপ

রমযানে ইফতারের জন্য হরেক রকমের চপ, বেগুনি, ডালের ভরাসহ আরোও নানা ধরেনের মুখরোচার খাবার তৈরি করা হয়। এর মধ্যে মাছের তৈরি চপ স্বাদের ক্ষেত্রে খুবই অতুলনীয়। এই চপ নিজেদের নাস্তা বা অতিথি আপ্যায়নের ক্ষেত্রে জুড়ি নেই। আসুন দেখে নেওয়া যাক কিভাবে বানাবেন এই ফিস চপ। উপকরণ কাটা ছাড়া সেদ্ধ মাছ- ১কাপ আলু সেদ্ধ- অর্ধ কাপ পেঁপে+গাজর সেদ্ধ - অর্ধ  কাপ পেঁয়াজ বেরেস্তা- কাপ অর্ধ ডিম-২টি এলাচ, দারচিনি গুড়া,গুল মরিচ গুড়া, কাচা লংকা কুচি, বিস্কুটের গুড়া,লবন, ধনেপাতা কুচি, তেল ভাজার জন্য- সবকিছুই পরিমান মতো। প্রস্তুত প্রণালী তেল, বিস্কুটের গুঁড়া, ডিমের সাদা অংশ বাদে বাকি সব উপকরণ এক সাথে মেখে পছন্দ মতো চপের সেপ তৈরি করে নিতে হবে। পরে ডিমের সাদা অংশ চুবিয়ে বিস্কুটের গুঁড়ায় গড়িয়ে ১৫-২০ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। তারপর প্যানে তেল গরম করে বাদামী করে ভেজে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে এই ফিস চপ। এমএইচ/টিকে

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি