ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৮ ৫:১২:২১

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ৪ রেসিপি

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ৪ রেসিপি

ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য, তাদের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাদের খাদ্য ও ওষুধের ক্রমাগত নিরীক্ষণ করা জরুরি। ডায়াবেটিস মানেই ডেজার্ট খাওয়া ভুলে যেতে হবে প্রায়। কিন্তু  এমন কটি রেসিপির রয়েছে, যা সুস্বাদুও আবার চিনিও কম লাগে। ডায়াবেটিস রোগীরা চেষ্টা করে দেখুন এগুলো বাড়িতেই বানানোর। ১. পেস্তা মফিন বিশেষজ্ঞদের মতে, ফাইবার টাইপ -২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস ফাউন্ডেশন অব ইন্ডিয়া (ডিএফআই) এবং ন্যাশনাল ডায়াবেটিস, ওবেসিটি এবং কোলেস্টেরল ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, পেস্তা লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স যুক্ত হওয়ায় ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী। উপকরণ ১) ১/৪ কাপ ঘি বা সাদা মাখন ২) ১/৪ কাপ গুড় ৩)  ১/২ কাপ রাগি আটা ৪) ৩/৪ কাপ গম ময়দা ৫) ২ টেবিল-চামচ ভুট্টা স্টার্চ ৬) ১/২ চা চামচ লবণ ৭) ১/২ চা চামচ এলাচ ৮) ২ চা চামচ বেকিং পাউডার ৯) ১/২ চা চামচ বেকিং সোডা ১০) ১ কাপ বাটারমিল্ক ১১) ১/২ কাপ পানি ১২) ১ কাপ কাটা ডেটস ১৩) ১ কাপ কাটা পেস্তা পদ্ধতি ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওভেন গরম করুন। তারপর মাফিন ট্রে নিন এবং তাতে মাখন মাখিয়ে দিন। একটি বাটি মধ্যে মাখন এবং গুড় নিয়ে মেশান। এবার মিশ্রণে রাগি আটা, ময়দা, ভুট্টা স্টার্চ, এলাচ, বেকিং পাউডার এবং বেকিং সোডা যোগ করুন। ওই মিশ্রণে পানি আর বাটারমিল্ক দিন। মিশ্রণটি ভালভাবে মেশান। পেস্তা ও ডেটস গুলো মিশিয়ে দিন। তাদের মাফিন ট্রের মধ্যে ২৫-৩০ মিনিট রেখে দিলেই রেডি পেস্তা মফিন। ২. কাজু বাদামের কুকিজ বাদামে রয়েছে অসম্পৃক্ত ফ্যাট, প্রোটিন এবং বেশ কিছু ভিটামিন ও খনিজ যা কোলেস্টেরল, প্রদাহ এবং ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স কম করতে সাহায্য করে। একটি গবেষণায় জানা গেছে, রক্তের ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ করতে একজন ব্যক্তির অন্তত ৫০ গ্রাম বাদাম, কাজু চিনাবাদাম, আখরোট বা পেস্তা খাওয়া দরকার। রোজ চার পাঁচটা কাজু খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। আপনি বাদাম স্যালাডে যোগ করতে পারেন, চিকেন ফ্রাইতে দিতে পারেন, সুগারফ্রি ডেজার্টেও মেশাতে পারেন বাদাম। উপকরণ ১) ১১২ গ্রাম কাজু বাটা ২) ৩/৪ কাপ ঘি ৩) ১ ১/২ কাপ গুড় ৪) ২০ গ্রাম চিয়া বীজ ৫) ৩ টেবিলচামচ দই ৬) ১/২ চামচ বেকিং সোডা ৭) ১ টেবিলচামচ বেকিং পাউডার ৮) ১ টেবিল চামচ ভ্যানিলা ৯) ১ ৩/৪ কাপ ওটস ১০) ২ কাপ অর্গানিক আটা পদ্ধতি একটি বড় বাটিতে ময়দা ছাড়া সমস্ত উপাদানগুলো মিশিয়ে নিন। এবার আস্তে আস্তে তাতে ময়দা দিন, যাতে কুকি বানানোর জন্য ভালো লেচি হয়। মিশ্রণটি এক ঘণ্টা ফ্রিজে রাখুন। এবার ১৬০ সেলসিয়াসে রেখে গরম করুন মিশ্রণটি। তার থেকে এক ইঞ্চি মাপের ছোট ছোট বল তৈরি করুন। কুকি শীটে রেখে বলগুলো দশ বারো মিনিট ধরে বেক করুন। এবার ওভেন থেকে বের করে ঠাণ্ডা কুকি শীটে রাখুন। ঠাণ্ডা শক্ত হয়ে গেলে খান। ৩. মুগ ডালের হালুয়া সবুজ ডাল ফাইবার এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ। ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার (ইউএসডিএ) অনুসারে, দানাশস্যের প্রতি ১০০ গ্রামে ১৫ গ্রামের বেশি ফাইবার রয়েছে, রয়েছে প্রায় ১৮ গ্রাম প্রোটিন। উপকরণ ১) ১ কাপ গোটা মুগ ডাল ২) ৪ টেবিল চামচ ঘি ৩) ১ টেবিল চামচ কিসমিস ৪) ৪০০ মিলি দুধ ৫) ১ কাপ গুড় ৬)  ১ চা চামচ এলাচ ৭) ১০ টি আমন্ড বাদাম, অর্ধেক করা পদ্ধতি মুগ ডাল মিক্সিতে মিহি করে বেঁটে নিন। মিশ্রণটি ঘি দিয়ে ভেজে নিন। কিসমিস, দুধ, চিনি আর এলাচ মিশিয়ে দিন তাতে। আরেকটি পাত্র দুধ নিয়ে তাতে এই পেস্ট ঢেলে দিন। কম আঁচে নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না দুধ শুকিয়ে যাচ্ছে। নামিয়ে নিয়ে বাদাম দিয়ে সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন। ৪. স্পাইস তড়কা নিয়মিত ওষুধ খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকেই। কিন্তু প্রকৃতিতেও এমন অনেক উপাদান থাকে যা ওষুধের মতোই কাজ করে। বিভিন্ন মশলাগুলো শুধু রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে তাই না এর আরও নানান স্বাস্থ্যগত উপকারিতাও রয়েছে। প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ডায়াবেটিক হলুদ ইনসুলিন রেসিস্টেন্সের কাজ করে। ধনে বীজ রক্তের শর্করা ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে। জিরে রক্তে গ্লুকোজ মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে কাজ করে মৌরিও। উপকরণ ১ চামচ হলুদ, ২ চামচ  জিরা, ৩ চামচ ধনেগুঁড়ো এবং ৪ চামচ মৌরি। পদ্ধতি একসঙ্গে সব মশলা মিশিয়ে একটা পাত্রে ভরে রাখুন। এরপর রান্নার সময় ফ্রাইং প্যানের মধ্যে অল্প পরিমাণে ঘি নিয়ে অল্প আঁচে বসান। তারপর তাতে মশলাগুলো দিয়ে হালকা করে ভাজুন। স্বাদ অনুযায়ী লবণ আর গোল মরিচ মেশান। এর মধ্যে তড়কা ডাল মেশান। ভালো করে নেড়ে নিয়ে নামিয়ে নিন। সূত্র: এনডিটিভি একে//
রেসিপি : রুই মাছের পাতুরি

কথায় আছে- ‘মাছে ভাতে বাঙালি’। বাঙালিরা মাছ খেতে খুবই পছন্দ করে। ভাতের পাতে মাছ থাকলে আর কিছুই লাগে না। সব আমিষ-নিরামিষ পূর্ণ হয়ে যায়। আর তাই তো গৃহিণীরা মাছের বিভিন্ন পদের রান্না করে বাড়ির সদস্যদের পরিবেশন করতেও পছন্দ করেন। তাদেরই জন্য মাছের নতুন একটা রেসিপি দেওয়া হলো-    উপকরণ ১) রুই মাছের পেটি চার পিস। ২) কাসুন্দি দুই চামচ। ৩) পোস্তবাটা দুই চামচ, নারকেলবাটা চার চামচ। ৪) সরষের তেল পরিমাণমতো। ৫) কাঁচামরিচ চারটে। ৬) হলুদ, জিরে, শুকনোমরিচ গুঁড়ো এক চামচ। ৭) পিঁয়াজ কুচি। ৮) আদা ও রসুন বাটা এক চামচ। ৯) লবণ ও চিনি স্বাদমতো। ১০) কিছু কুমড়ো পাতা। ১১) পাতিলেবুর রস এক চামচ। প্রণালী প্রথমে মাছ ধুয়ে পরিষ্কার করে ফুটন্ত গরম পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন। তারপর পানি থেকে তুলে মাছের বড় কাঁটাগুলো বের করে নিন। এবার মাছের গায়ে লবণ-হলুদ মাখিয়ে দশ মিনিট রেখে দিন। একটা পাত্রে সরষেবাটা, নারকেলবাটা, পোস্তবাটা, হলুদ, লবণ, চিনি ও সরষের তেল একসঙ্গে মেখে পেস্ট তৈরি করে নিন। প্রতিটি কুমড়ো পাতায় সরষের তেল মাখিয়ে নিন। তারপর মাছের পিসগুলোয় সরষে-নারকেল-পোস্তর মিশ্রণ মাখিয়ে নিন। কুমড়ো পাতায় মাছের পিস সাজিয়ে তা পাতা দিয়ে মুড়িয়ে দিন। তারপর পাতার মুখ টুথপিক দিয়ে গেঁথে দিন। এবার একটা ননস্টিক প্যানে তেল ব্রাশ করে মাছগুলো সাজিয়ে দিন। হালকা আঁচে এপিঠ-ওপিঠ করে ভাজুন। দু’পিঠ বাদামি হয়ে গেলে মাছ নামিয়ে নিন। এবার গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন। কেএনইউ/ এআর

রেসিপি: স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে বাঁচতে আপেলের আচার   

আচার সাধারণত টক জাতীয় ফল দিয়েই তৈরি করা হয়। কিন্তু আপেলের আচারে তেমন একটা টক না থাকলেও এর অনেক পুষ্টি উপাদান থাকায় খুব গুরুত্ব রয়েছে। এটি দাঁতের হাড়কে যেমন শক্ত করে তেমনি রক্তের চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে হার্টের অসুখ থেকেও রক্ষা করে। এ কারণে চিকিৎসকদের মতে, সুস্থ থাকতে হলে প্রতিদিন অন্তত একটি করে আপেল খেতে হবে।      আর তাই স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে বাঁচতে বাড়ির গৃহিণীরা খাবারের তালিকায় কমবেশি আপেল রাখেন, তৈরি করেন আপেলের জুস। এছাড়া জুসের পাশাপাশি আপেলের আচারও তৈরি করা যায়। তবে জেনে নেওয়া যাক আপেলের আচার তৈরির রেসিপি- উপকরণ ১) আপেল তিনটি। ২) লাল মরিচ ছয় থেকে সাতটি। ৩) ভিনেগার তিন কাপ।     ৪) চিনি এক কাপ বা স্বাদমতো। ৫) এলাচ তিনটি। ৬) দারুচিনি দুই টুকরা। ৭) তেজপাতা দুইটি। ৮) আদাকুচি এক টেবিল চামচ। ৯) লবণ স্বাদমতো। প্রণালি আপেল ভালো করে ধুয়ে-মুছে নিন। তারপর প্রতিটি আপেল আট টুকরা করে কেটে রাখুন। আচারে ঝাল চাইলে মরিচগুলো হালকা তেলে একটু ভেজে টুকরা করে রাখুন। এবার একটি পাত্রে (ভারী তলাযুক্ত পাত্র হলে ভালো হয়) আপেল, এলাচ, দারুচিনি, তেজপাতা, আদাকুচি ও লবণ পরিমাণমতো পানি দিয়ে কম আঁচে চুলায় দিন। উপকরণগুলো ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখুন। আপেল কিছুটা নরম হয়ে না ওঠা পর্যন্ত চুলায় রাখুন। নরম হয়ে উঠলে আপেলে ভিনেগার দিয়ে দিন এবং ৫-৬ মিনিট রান্না করুন। তারপর চিনি, মরিচের টুকরাগুলো দিয়ে ঢাকনা দিয়ে দিন এবং মাঝারি আঁচে চুলায় রাখুন। মাঝে মাঝে নেড়ে দিন যেন নিচে লেগে না যায়। আচারের পানি শুকিয়ে ঘন হয়ে উঠলে চুলা বন্ধ করে দিন। ঠাণ্ডা করে শুকনো বয়ামে উঠিয়ে নিন এবং পরিবেশন করুন খিচুড়ি, পোলাও বা বিরিয়ানির সঙ্গে।    কেএনইউ/এসি   

রেসিপি: চিংড়ি মাছের ৫ পদ  

মাছের মধ্যে চিংড়ি মাছ অন্যতম। সিংহভাগ মানুষ চিংড়ি মাছ পছন্দ করে না। আর যে কোন সবজির সঙ্গে চিংড়ি মিশিয়ে রান্না করলে সেটি খুব স্বাদযুক্ত হয়। তাই চিংড়ি মাছের বিভিন্ন রেসিপি জেনে ঘরে বসে রেঁধে ফেলুন খুব সহজেই। চিংড়ি মাছের কোর্মা উপকরণ: চিংড়ি মাছ আধা কেজি, পেয়াজ কুচি এক কাপ, গুড়ো মরিচ দেড় চা চামচ (ঝাল অনুযায়ী), গুড়ো হলুদ হাফ চা চামচ, জিরা বাটা দেড় চা চামচ, রসুন বাটা এক চা চামচ, কাচাঁমরিচ আট থেকে দশটি, নারকেল একটি, তেল ও লবণ পরিমাণমত প্রস্তুত প্রণালী: প্রথমে মাছ কেটে ভালো করে লবণ পানিতে ধুয়ে নিন। নারকেল কুড়িয়ে হাফ নারকেল বেটে রসটুকু(নারবেল দুধ) চিপে নিয়ে ছোবড়া গুলো ফেলে দিন, এবং বাকি কোড়ানো নারকেল ওভাবেই রাখুন। এবার কড়াইয়ে তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভাজতে থাকুন। মাঝারি লাল হলে মাছগুলো ভাজা ভাজা করুন এবং অল্প পানি দিয়ে গুড়ো মরিচ, হলুদ, জিরা ও রসুন বাটা এবং লবণ দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। ভাল করে কষানো হলে এবার নারকেল দুধ এবং কোরানো নারকেল ও কাচাঁমরিচ দিয়ে মাছগুলো মাখা মাখা ভুনা করুন। ভুনা হয়ে গেলে নামিয়ে গরম গরম ভাত অথবা পোলাও দিয়ে পরিবেশন করুন। উপকরণ: বাগদা চিংড়ি ৬টা, পেঁয়াজবাটা দুই টেবিল চামচ, দই দুই টেবিল চামচ, কাজু, চারমগজ বাটা দুই চামচ, আদাবাটা এক চামচ, রসুনবাটা এক চামচ, হলুদগুঁড়ো এক চামচ, শুকনো মরিচ গুঁড়ো এক চামচ, ক্রিম দুই চামচ, ঘি দুই টেবিল চামচ, ছোট এলাচ চারটে, লবঙ্গ চারটে, দারচিনি দুইটি, তেজপাতা দুইটা, গরমমশলা গুঁড়ো এক চামচ, লবণ পরিমাণমতো। প্রণালী: চিংড়িমাছ পরিষ্কার করে কেটে ধুয়ে হালকা করে ভেজে রাখুন। কড়াতে ঘি দিয়ে তেজপাতা, গরম মশলা ফোড়ন দিন। পেঁয়াজবাটা দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে আদা-রসুন বাটা দিন। তারপর বাকি মশলা কাজু, চারমগজ বাটা, লবণ ও মিষ্টি দিয়ে কষান। মশলা থেকে তেল ছেড়ে এলে মাছগুলো নেড়ে টক দই ফেটিয়ে দিন। অল্প পানি দিয়ে ঢেকে দিন। মাছ সেদ্ধ হয়ে ঘন হলে ক্রিম ও গরম মশলার গুঁড়ো দিয়ে নেড়ে নামিয়ে ফেলুন। চিংড়ি-ম্যঙ্গো ইন মেওনিজ উপকরণ: চিংড়ি ৩০০ গ্রাম, আম একটা, আমের জুস দুই চামচ, মেওনিজ দুই টেবিল চামচ, মাস্টার্ড পাউডার দুই চামচ, লেটুসপাতা ৩টে, লেবুর রস দুই চামচ, লাল, হলুদ, সবুজ ক্যাপসিকাম একটা করে, মূলো একটি, অলিভ অয়েল দুই চামচ, গোলমরিচগুঁড়ো এক চামচ। প্রণালী: চিংড়ি মাছ ধুয়ে নিন। তাতে লেবুর রস, লবণ, গোলমরিচ মাখিয়ে ম্যারিনেট করুন। এরপর অলিভ অয়েল দিয়ে চিংড়ি মাছগুলো হালকা ভেজে রাখুন। একটা পাত্রে মেওনিজ দিয়ে তার মধ্যে আমের জুস ও মাস্টার্ড পাউডার দিয়ে একটা সস বানান। এরপর ক্যাপসিকাম ডুমো করে কেটে নিন। মুলো পাতলা গোল করে কাটুন। আম টুকরো করে কেটে রাখুন। এরপর সবজিগুলোর মধ্যে প্রন দিয়ে তাতে সস ও গোলমরিচের গুঁড়ো দিয়ে মিশিয়ে নিন। একটা পাত্রে লেটুস পাতা সাজিয়ে তার মধ্যে মিশ্রণটা ঢেলে পরিবেশন করুন। কচু-চিংড়ি উপকরণ : কচু ৩০০ গ্রাম, মাঝারি চিংড়ি মাছ ৩০০ গ্রাম, হলুদগুঁড়ো এক চামচ, লঙ্কাগুঁড়ো এক চা চামচ, জিরেগুঁড়ো এক চামচ, ধনেগুঁড়ো এক চামচ, ঘি এক চামচ, গরমমশলা এক চামচ, নারকেল কুচি এক চামচ, কাঁচালঙ্কা চারটি, তেল ও লবণ পরিমাণমতো। প্রণালী: কচুর খোসা ছাড়িয়ে ডুমো করে কেটে নিন। কড়াতে তেল দিয়ে কচু হালকা করে ভেজে তাতে হলুদ, মরিচগুঁড়ো, ধনে ও জিরেগুঁড়ো দিয়ে কষিয়ে নিন। এরপর চিংড়ি মাছ ও নারকেল কুচি দিন। মশলা থেকে তেল ছেড়ে এলে অল্প পানি দিয়ে ঢেকে দিন। কিছুক্ষণ ফোটার পর ঘি, গরম মশলাগুঁড়ো দিয়ে নামিয়ে ফেলুন। চিংড়ি মাছের চুড়চুড়া উপকরণ: চিংড়ি ২০০ গ্রাম, কাঁচামরিচ চারটি, ধনেপাতা এক আঁটি, মটর ডালের বড়ি ছয়টি, লেবুর রস চার চামচ, জিরে তিন চামচ, সরষে দুই চামচ, রসুন এক কোয়া, একটি মাঝারি পেঁয়াজ, পাঁচফোড়নের গুঁড়া, তেল, লবণ পরিমাণমতো। প্রণালী: চিংড়ি মাছ বেছে ভালো করে ধুয়ে লবণ, হলুদ মাখিয়ে ভেজে নিন। কাঁচামরিচ, জিরে, সরষে ও রসুন একসঙ্গে বেটে নিন। পেঁয়াজ কুচিয়ে নিন। ডালের বড়ি ভেজে রাখুন। কড়াতে তেল দিয়ে পাঁচফোড়ন দিয়ে নেড়ে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে নাড়তে থাকুন। পেঁয়াজ একটু হালকা ভাজা হলে মশলা বাটা দিন। কিছুক্ষণ পর ধনে পাতা কুচি ও কাঁচালঙ্কা দিয়ে নেড়ে লবণ, হলুদ ও পানি দিয়ে ঢেকে দিন। ফুটে উঠলে চিংড়ি মাছ ও বড়ি দিন। লেবুর রস দিন। পানি শুকিয়ে মাখা মাখা হয়ে এলে নামিয়ে পরিবেশন করুন।   কেএনইউ/ এসএইচ/

রেসিপি : মাশরুম ভেজিটেবল

সবজি রাঁধতে অনেকেই জানেন। কিন্তু মাশরুম দিয়ে রাঁধতে অনেকেই জানেন না। মাশরুমের আলাদা ফ্লেভার ও স্বাদ রয়েছে, যা পরিচিত সব সবজির চাইতে পৃথক। সঠিক রেসিপিতে রাঁধতে জানলে মাশরুমের সবজি খেতে দারুণ সুস্বাদু লাগে। উপকরণ- কয়েকটি বরবটি, গাজর মাঝারি সাইজের, পেপে মাঝারি সাইজের একটা, বাঁধাকপি অর্ধেকটা, মাশরুম স্লাইস করে কাটা এক কাপ, ক্যাপসিকাম একটি বড়, কর্ণফ্লাওআর দুই টেবিল চামচ সামান্য পানিতে গুলে নিতে হবে, কাঁচা মরিচ চার-পাঁচটি ফালি, মুরগীর মাংস হাড় ছাড়া কুচি করে কেটে নেওয়া এক কাপ, আদা ও রসুন বাটা এক টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বড় বড় করে কেটে নেওয়া দেড় কাপ, কয়েকটি রসুনের কোয়া, গোল মরিচ গুঁড়ো, টেস্টিং সল্ট সামান্য, চিনি, লবণ, টমেটো সস, গরম পানি পরিমাণমতো, সানফ্লাওয়ার অয়েল পরিমাণমতো। প্রণালি- সবগুলো সবজি বড় বড় সাইজের করে কেটে নিন। এখন ক্যাপসিকাম বাদ দিয়ে বাকি সবজিগুলো সিদ্ধ করে নিতে হবে। সেদ্ধ করার সময়ে একটু লবণ ও কর্ণ ফ্লাওয়ার মিক্স করে নিলে সবজির রঙ ঠিক থাকে। সবুজ রঙ আর সবুজ হবে। সবজি গুলো আধ সেদ্ধ করে নিন। এবার কড়াইতে সানফ্লাওয়ার অয়েল দিয়ে গরম গরম করে নিন। একটু গরম হতেই পেঁয়াজ, রসুন কুচি ও মরিচের ফালি দিয়ে দিন। সামান্য একটু নেড়ে মাশরুম দিয়ে দিন। দুই মিনিট নেড়েচেড়ে ভাজুন। আঁচ বেশি থাকবে না, তাতে রসুন তেতো হয়ে যাবে। এবার পেঁয়াজ ও মুরগীর মাংস দিয়ে দিন। একটু ভাজুন। এরপর সিদ্ধ করা সবজিগুলো ঢেরে ভাজুন। এতে সামান্য টেস্টিং সল্ট, লবণ ও গোল মরিচ গুঁড়ো দিয়ে ভাজুন। সুন্দর গন্ধ হলে কর্ণফ্লাওয়ার গোলানো পানি দিয়ে দিন। বেশি দেবেন না। চিনি দিন সামান্য। এখন রান্না হতে দিন। কর্ণফ্লাওয়ার ঘন হলে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।   কেএনইউ/ এসএইচ/    

রেসিপি: মাশরুম দিয়ে খিচুড়ি

মাশরুম আমাদের দেশে খুব জনপ্রিয় একটি খাবার হয়ে উঠেছে। বড় বড় রেস্টুরেন্টে মাশরুমের তৈরি বিভিন্ন পদের রেসিপি দেখা যায়। আপনিও বাসায় বসে মাশরুমের রেসিপি তৈরি করতে পারেন। বৃষ্টি-বাদলের আবহাওয়ায় খিচুড়ি খেতে খুব ভালই লাগে। তাই মাশরুম দিয়ে ঝটপট খিচুড়ি তৈরি করে ফেলেন। উপকরণ ১. পোলাওয়ের চাল এক কেজি। ২. পছন্দমতো সবজি (গাজর, টমেটো, ব্রকলি)। ৩. পিঁয়াজ কুচি, রসুন কুচি। ৪. স্লাইস করে কাটা কয়েকটি মাশরুম। ৫. হলুদ গুড়া। ৬. আদা ও রসুন বাটা। ৭. লবণ। ৮. মাখন ও সাদা তেল। ৯. রান্না করার ক্রিম। ১০. ধনেপাতা কুচি। ১১. পারমিসান চিজ। ১২. পুদিনাপাতা। প্রণালি প্রথমে পোলাওয়ের চাল হালকা তেলে পিঁয়াজ দিয়ে ভেজে সিদ্ধ করে রাখুন। এরপর একটি প্যানে মাখন দিয়ে তাতে সব মশলা দিয়ে কষিয়ে নিন। কষানো হয়ে গেলে পছন্দমতো সবজি ঢেলে কিছুক্ষণ নেড়ে নিন। এখন সামান্য পানি দিয়ে স্লাইস করে কাটা মাশরুম দিয়ে দিন। এরপর একটু নেড়ে মাশরুম হালকা সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত ঢেকে রাখুন। এরপর সিদ্ধ করা পোলাওটি দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ পর রান্না করার ক্রিমটি দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিন। পুরোপুরি হয়ে গেলে গ্রেট করা চিজ ছড়িয়ে দিন। এরপর চুলা থেকে নামিয়ে ধনে পাতা কুচি ও পুদিনা পাতা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন। কেএনইউ/একে/     

বাদল দিনে বাড়িতেই রেঁধে নিন রেস্টুরেন্টের বিরিয়ানি

মাঝে মাঝে বিরিয়ানি খাওয়ার খুব ইচ্ছে জাগে। আর তখনই দৌড়াতে হয় কোন এক রেস্টুরেন্টে। কিন্তু রেস্টুরেন্টে যেমন দাম তেমনি অপরিচ্চন্নতার পরিচয় মেলে। তাই বিরিয়ানিটা যদি বাসাতেই নিজ হাতে করা যায় তাহলে মন্দ হয় না। রেস্টুরেন্টে বসে যে খরচে খেতে পারবেন তার থেকে কম খরচে মজাদার চিকেন বিরিয়ানি বাসায় বসে আনন্দে খেতে পারবেন। তবে চলুন জেনে নেই মজাদার চিকেন বিরিয়ানির রেসিপি- উপকরণ ১) বাসমতী চাল দেড় কেজি। ২) মুরগির মাংস এক কেজি ও আলু দুইটি। ৩) পেঁয়াজ কুচি চার-পাঁচটি। ৪) রসুন বড় চার কোয়া। ৫) কাঁচামরিচবাটা, আদাবাটা, রসুনবাটা, জিরেবাটা দুই চামচ করে। ৬) টক দই এক কাপ। ৭) গোটা মশলা যেমন- লবঙ্গ, দারচিনি, এলাচ, জায়ফল, জয়িত্রী। ৮) দুধে ভেজানো জাফরান বা কামধেনু রঙ সামান্য। ৯) কেওড়া জল আন্দাজমতো। ১০) লবণ ও চিনি। ১১) ঘি। প্রণালি প্রথমে বেরেস্তা বানানোর পদ্ধতি: পেঁয়াজ কুচি করে কিছুক্ষণ দুধে ভিজিয়ে রাখুন। তেল খুব গরম হলে পেঁয়াজ কুচিগুলি দুধ থেকে তুলে নিয়ে ভাজুন। এতে পেঁয়াজে তাড়াতাড়ি বাদামি রঙ ধরবে এবং পেঁয়াজ কুচিগুলিও মুচমুচে হবে। বিরিয়ানির মশলা বানানোর পদ্ধতি: প্রথমে গোটা মশলাগুলো মিক্সিতে পিষে নিন। এবার টকদইয়ে গুড়ো মশলাগুলো দিয়ে ফেটিয়ে রাখুন। এবার মাংসের মধ্যে সব বাটা মশলা এবং গুঁড়ো মশলা মেশানো টক দই ও লবণ-চিনি দিয়ে ম্যারিনেট করুন। পানি দিতে হবেনা। বেশি সময় ধরে ম্যারিনেট করলে মাংস নরম হয়। ফ্রিজেও রাখতে পারেন বেশ কিছুটা সময়। এবার ম্যারিনেট করা মাংস ও গোটা আলু প্রেসার কুকারে দিয়ে দুইটি সিটি দিন। খেয়াল রাখবেন রান্নার সময় আঁচ হালকা করে নিতে হবে। বিরিয়ানির ভাত তৈরির পদ্ধতি: চাল অন্তত এক ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এবার একটিপাত্রে পানি দিয়ে ফুটতে দিন। তাতে পানি ঝরিয়ে চালগুলো দিয়ে দিন। ঐ সঙ্গে তেজপাতা ও লবণ দিন। চালের পরিমাণ অনুযায়ী পানি দিতে হবে। ভাত একটু শক্ত থাকতে নামিয়ে নিন। মশারির নেট বা মিহি তারের চালুনিতে ঢেলে দিয়ে ভাত ঝরঝরে করে নিন। এবার দুধে ভেজানো জাফরান ভাতের উপর ছড়িয়ে দিয়ে অথবা অতি সামান্য কামধেনু রং দিয়ে ভাত সামান্য ঝাঁকিয়ে নিন যাতে ভাতের সঙ্গে কামধেনু রং বা জাফরান ভাল করে মিশে যায়। বিরিয়ানির সাজানোর বা লেয়ার বানানোর পদ্ধতি: একটি পাত্রে প্রথমে আন্দাজ মতো ভাত দিন। তারপর রান্না করা মুরগির মাংসের কয়েকটি টুকরো, আলু এরপর পেঁয়াজ ভাজা ছড়িয়ে দিন। আগের মতো একইভাবে সামান্য ঝাঁকিয়ে নিন যাতে ভাতের সঙ্গে সব উপকরণ ভাল করে মিশে যায়। সবশেষে কেওড়ার জল ছড়িয়ে দিন। এবার তিন চামচ ঘি ছড়িয়ে ঢাকা দিয়ে রাখুন। এই বার ওভেনে একটা তাওয়া রেখে কিংবা একটি ফুটন্ত পানির পাত্রের উপর বিরিয়ানির পাত্রটি বসিয়ে রাখুন ২০—২৫ মিনিট মতো। বিরিয়ানির পাত্রের ঢাকনা ভাল করে বন্ধ করতে হবে। দরকার হলে মাখা ময়দার প্রলেপ দিয়ে ফাঁক বন্ধ করলে ভাল হয়। ব্যস, এবার সাজিয়ে পরিবেশন করুন চিকেন বিরিয়ানি। সূত্র : জি নিউজ। কেএনইউ/ এআর

রেসিপি : মুরগি দিয়ে মুগ ডাল

বাঙালিদের ডাল খুব পছন্দের খাবার। প্রায় প্রতিদিনই ভাতের সঙ্গে পানীয় ডাল খাওয়া হয়। তবে এই ডাল দিয়ে একটু ভিন্ন স্বাদের আইটেম করলে কেমন হয়! মনে হয় মন্দ হবে না, তাই মুগ ডাল দিয়ে মুরগির মাংসের রেসিপি হয়ে যাক। উপকরণ   মুরগির মাংস এক কেজি, শুকনো খোলায় ভেজে নেওয়া মুগের ডাল (সেদ্ধও করে নিতে পারেন) ২৫০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ কয়েকটি, শুকনা মরিচের গুঁড়ো, আদা ও রসুন বাটা এক চামচ করে, হলুদ, জিরে, ধনে গুঁড়ো এক চামচ করে, লবণ এক চামচ, একটি পাতিলেবুর রস, চিনি দুই চামচ, সাদা তেল দুই কাপ, তেজপাতা একটা, লবঙ্গ তিন-চারটে, ছোট এলাচ তিনটে, দারুচিনি টুকরো, টমেটো কুচি এক কাপ, সামান্য ধনেপাতা কুচি, কিছু গরম পানি। প্রণালি মুরগির মাংসের সঙ্গে পেঁয়াজ কুঁচি, টমেটো কুঁচি, আদা বাটা, রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়ো, শুকনো মরিচের গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, লবণ, পাতিলেবুর রস দিয়ে ভাল করে মেখে নিন। এরপর প্যানে তেল দিয়ে তেজপাতা, লবঙ্গ, ছোট এলাচ, দারুচিনি দিয়ে ভাল করে কষিয়ে নিন। পাঁচ মিনিট পর আঁচ কমিয়ে দিন। দশ মিনিট পর ডাল দিয়ে কষুন। এতে দুই চামচ চিনি দিন। এখন পানি দিয়ে ঢেকে দিন। দশ মিনিট পর আঁচ বাড়িয়ে টমেটো কুচি ও কাঁচা মরিচ চিরে দিন। এরপর ধনেপাতা ছড়িয়ে লেবুর রস দিয়ে নাড়াচাড়া করে নামিয়ে নিন। এখন গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন। এছাড়া রুটি দিয়েও পরিবেশন করতে পারেন। সূত্র : রান্না ঘর। কেএনইউ/ এআর

রেসিপি: মসুর ডালের পোলাও

মুসুরের কলাই শুধু আমরা ডাল হিসেবেই খেয়ে থাকি। তবে মুসুরের ডাল দিয়ে ভিন্ন আইটেমও করতে পারেন। উপকরণ ১) আতপ চাল বা পোলাওয়ের চাল আধা কেজি। ২) মুসুরের ডাল এক পোয়া। ৩) পেঁয়াজের কুচি। ৪) আদা, রসুন বাটা এক চামচ। ৫) আস্ত জিরা আধা চামচ। ৬) তেজপাতা দুইটি, দারচিনি দুই টুকরো, এলাচ দুই-তিনটি, লবঙ্গ দুইটি। ৭) হলুদ গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো ৮) দুইটা টমেটো কুচি। ৯) কাঁচা মরিচ ফাঁলি কয়েকটি ও দুই-তিনটি শুকনো মরিচ। ১০) ঘি এক চামচ। ১১) তেল ও লবণ পরিমাণ মতো। ১২) এক কাপ বেরেস্তা (গার্ণিশের জন্যে)। ১৩) এক কাপ নারকেল দুধ। প্রণালি রান্না করার আগে আলাদা আলাদা পাত্রে চাল ও ডাল ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন এবং রান্নার আগে ভালো করে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার ননস্টিক প্যান গরম করে তাতে ঘি দিয়ে একে একে তেজ পাতা, জিরে, লবঙ্গ, বড় এলাচ, শুকনো মরিচ, আদা বাটা, পেঁয়াজ কুচি, সামান্য হলুদের গুঁড়ো ও লবণ দিয়ে ভুনিয়ে নিন। এরপর পানি ঝরিয়ে রাখা ডাল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে ৭-৮ মিনিট রান্না করুন। এবার এতে নারকেলের দুধ দিয়ে মিশিয়ে দিন এবং প্রয়োজনে গরম পানি দিয়ে ঢেকে মিনিট পাঁচেক রাখুন। এরপর এতে চাল ও বেরেস্তা দিয়ে আঁচ কমিয়ে ঢেকে দিন। মাঝে মাঝে হালকাভাবে নেড়ে প্রয়োজনে আরও একটু পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করুন। রান্না হয়ে গেলে নামানোর আগে উপর থেকে ঘি ছড়িয়ে সুন্দর করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন মুসুর ডাল পোলাও। কেএনইউ/একে/

বিশ্বের সেরা সাত স্যান্ডউইচ

দু’টি বান রুটির মধ্যে পছন্দসই পুর! ব্যস তৈরি আপনার প্রাণের স্যান্ডউইচ। পৃথিবী জুড়ে এই জনপ্রিয় বিদেশি খাবার নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষাও কম হয় না। বিখ্যাত ফুড চেনের মেনুগুলোতেও তাই রাখা হয় স্যান্ডউইচ। কিন্তু জানেন কি, কোন সাতটি স্যান্ডউইচ তার নিজ গুণে পৃথিবী বিখ্যাত? ডোনার কাবাব, তুরস্ক ১৯৪০ নাগাদ তুরস্কের বাসিন্দা কাদির নারমান প্রথম এই স্যান্ডউইচ বানান। স্পেনের বার্সেলোনা শহরেই এটি প্রথম তৈরি হয়। পরে বার্লিনেও কাদির এই স্যান্ডউইচ বানালে, তা লোকের মুখে মুখেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ব্যস্ত জীবনে রুটি আর মাংস পরিপাটি করে না খাওয়ার সময় পেয়ে রুটির সঙ্গে সবজি, অল্প মাংস এবং সস দিয়ে কাদির বানান এই খাদ্যটি। গ্যাটসবি, সাউথ আফ্রিকা চার টুকরো পাউরুটিকে সম্বল করেই কেপ টাউনে এই স্যান্ডউইচ বানানো হয়। ১৯২৫-এ আমেরিকান লেখক এফ স্কট ফিজগের‌্যাল্ডের ‘দ্য গ্রেট গ্যাটসবি’ উপন্যাস প্রকাশিত হলে সেখান থেকেই এই স্যান্ডউইচের নাম দেওয়া হয়। লেটুস, সসেজ ভাজা এবং সসের জন্য এই স্যান্ডউইচ বিশ্ববিখ্যাত। বড়া পাও, ভারত রুটির মধ্যে ভাজা আলুর পুর ভরে তার উপরে রসুনের চাটনি ছড়ানো। এই এক রেসিপিই মুম্বাইয়ের রাস্তায় খাদ্য বিপ্লব শুরু করে। মুম্বাইয়ের ফুটপাত থেকেই এটি পৃথিবীর নানা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। দ্য ফিলি চিজস্টিক, ইউএসএ এটি ১৯৩০ সালে ফিলাডেলফিয়ায় দুই বন্ধু প্যাট ও হ্যারি অলিভিয়ারি মিলে এই স্যান্ডউইচ তৈরি করেন। দু’টি বানের মধ্যে বিফ ও গলানো চিজ দিয়ে তৈরি করা হয় এই স্যান্ডউইচ। এর উপরে অনেকেই ছড়ান পিঁয়াজ ভাজা, মাশরুম বা মরিচ। বান মি, ভিয়েতনাম মজার এই নামে ভিয়েতনামের স্যান্ডউইচটি খুব জনপ্রিয়। মূলচ পর্ক সসেজ, সবজি, শসা দিয়ে তৈরি এই স্যান্ডউইচের উপরে চিজ, জালাপেনো ও মায়োনিজ এক সঙ্গে ছড়িয়ে পরিবেশন করা হয়। খুব নরম পুরের এই স্যান্ডউইচটির চাহিদা বিপুল। ক্রোক মসিয়োঁ, ফ্রান্স যারা এই স্যান্ডউইচ একবার খেয়েছেন, তাদের দাবি, পৃথিবীর সেরা ব্রেকফাস্ট স্যান্ডউইচের অন্যতম এটি। পাউরুটির ভিতরে হ্যাম, গলানো চিজ, মেয়োনিজ দিয়ে এই স্যান্ডউইচ তৈরি করা হয়। এর ওপরে ছড়ানো হয় চিজ বা ওমলেট। চিপ বাটি, ইউকে ইংরেজদের পছন্দের এই স্যান্ডউইচ বানানো খুব সহজ। সাধারণত, রাতের খাবার হিসাবে একে তারা ব্যবহার করে থাকেন। পাউরুটির টুকরোর গায়ে মাখন লাগিয়ে মাঝে মোটা মোটা চিপস দিয়ে প্যাক করা হয় এই স্যান্ডউইচ। উপর দিয়ে পছন্দের সস যোগ করা হয়।এই স্যান্ডউইচ বিশ্ব জুড়ে বেশ জনপ্রিয়। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

বর্ষায় ইলিশ খিঁচুড়ি যেভাবে রান্না করবেন

বর্ষায় খিঁচুড়ির চেয়ে উপাদেয় পদ আর কী হতে পারে! আর বাজারে এখন ইলিশ মাছের ছড়াছড়ি। আর মেঘলা দুপুরে যদি ইলিশ আর খিঁচুড়ির যুগলবন্দী হয়, তাহলে তো আর কথাই নেই! তাহলে আজ অন্য সব পদ দূরে সরিয়ে রেখে পাত ভরে উঠুক লোভনীয় ইলিশ খিঁচুড়িতে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে বানাবেন ইলিশ খিঁচুড়ি। উপাদান সমূহ- ইলিশ মাছ ৫-৬ টুকরো, রসুন বাটা ১ চামচ, গোবিন্দভোগ চাল ২ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ২ চামচ, মুসুর ডাল আধা কাপ, আদা বাটা আধা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ২ চামচ, ধনে ১ চামচ, হলুদ ১ চামচ, নারকেলের দুধ আধা কাপ, শুকনো মরিচের গুঁড়ো ১ চামচ, কাঁচা মরিচ ৫-৬টি, এলাচ ২টি, তেল আধা কাপ, দারচিনি ২ টুকরো, লবণ পরিমাণ মতো। বানানোর পদ্ধতি- ১. বড় বড় টুকরো করে কাটা ইলিশ মাছে সামান্য লবণ ও হলুদ দিয়ে মাখিয়ে রাখতে হবে অন্তত ৩০ মিনিট। ২. কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি লাল করে ভেজে সব মসলা দিয়ে কষাতে হবে। ৩. কিছুক্ষণ পর কড়াইতে মাছের টুকরোগুলো ছেড়ে দিয়ে একসঙ্গে কষাতে হবে মিনিট পাঁচেক। ৪. মাছ কষানো হলে সাবধানে তুলে রাখতে হবে। ওই মসলাতে এবার চাল ও ডাল দিয়ে কষিয়ে মাপ মতো গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ৫. খিচুড়ির পানি কমে এলে তুলে রাখা মাছগুলো দিয়ে নারকেলের দুধ দিয়ে কম আঁচে অন্তত ১৫ মিনিট ধরে রান্না করুন। ব্যস, এবার গরম গরম পরিবেশন করুন জিভে পানি আনা ইলিশ খিঁচুড়ি। সূত্র: জিনিউজ একে//

খাসির মাংসের নিহারী তৈরি করবেন যেভাবে  

খাসির মাংসের নিহারীর প্রতি অনেকেরই বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে। খাসির মাংসের মুখোরোচক কোনো পদ সামনে পেলে চিকিত্সকের নিষেধ ভুলে যান অনেকেই।  আমাদের আজকের আয়োজনে থাকছে খাসির মাংসের নিহারী তৈরির রেসিপি। এই রেসিপিটি যে কোনও ভোজনরসিকদের ভাল লাগবে। চলুন শিখে নেওয়া যাক খাসির মাংসের নিহারী বানানোর সহজ কৌশল। উপাদান সমূহ: * মাটনের লেগ পিস ১ কিলোগ্রাম।   * ৪ চামচ ঘি। * ৩ টে বড় মাপের পেঁয়াজ কুঁচি কাটা। * ১ চামচ আদা বাটা। * ১ চামচ রসুন বাটা। * ২ চামচ ধনে গুঁড়ো। * ১ চামচ হলুদ গুঁড়ো। * ২ চামচ গরম মশলা গুঁড়ো। * ২ চামচ ময়দা। * ১ চামচ লেবুর রস। * স্বাদ মতো লবণ। (আপনি যদি চান তাহলে আলু দিতে পারেন।) বানানোর পদ্ধতি: প্রেসার কুকারে খাসির মাংস আর পানি দিয়ে ৩-৪টে সিটি দিয়ে নামিয়ে পানি ঝড়িয়ে খাসির স্টক আলাদা করে সরিয়ে রাখুন।   কড়াইতে ঘি গরম করে তাতে পেঁয়াজ লাল করে ভেজে নিন। এবারে এতে মাটন, ধনে গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, আদা বাটা, রসুন বাটা, লবণ দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে মিনিট পাঁচেক রান্না করুন।   এরপর গরম মশলা ও মাটনের স্টক দিয়ে কম আঁচে ভাল করে মিশিয়ে ঢেকে রান্না করুন যাতে মাংস খুব ভাল মতো সেদ্ধ হয়ে যায়। তার তাতেই সহজে তৈরি হয়ে যাবে খাসির মাংসের নিহারী।   এমএইচ/এসি    

মুখরোচক ডিম সরষে রান্নার উপায়   

ডিম পছন্দ করেন না, এমন মানুষের তালিকাটা বোধহয় খুব একটা দীর্ঘ হবে না। সকালের জলখাবার থেকে নৈশভোজ সব ক্ষেত্রেই ডিম রান্না করতে দেখা যায়। তবে ডিমের সাথে যদি সরিষা দেওয়া যায় তাতে খাবারের স্বাদ বহুগুণ বেড়ে যায়।  আসুন জেনে নেওয়া যাক মুখরোচক ডিম সরষে রান্নার উপায়। #উপাদানসমূহ *ডিম সেদ্ধ ৫-৬টা *সরষে, নারকেল, কাঁচালঙ্কা বাটা ১ কাপ *ময়দা ৪ চামচ *কাঁচালঙ্কা ৫-৬টা *হলুদগুঁড়ো ২ চামচ *লবণ স্বাদমতো *সরষের তেল পরিমাণ মতো *পানি প্রয়োজন মতো #তৈরির পদ্ধতি  *সেদ্ধ করা ডিমগুলো মাঝখান থেকে (লম্বালম্বি ভাবে) দু’ভাগ করে কেটে রাখুন। তবে চাইলে পুরোটাও রাখতে পারেন। *একটি বাটিতে ২ চামচ ময়দা নিন। তার মধ্যে সামান্য লবণ ও পানি দিয়ে ময়দা ভালো করে মেখে নিন। *সেদ্ধ করা ডিমগুলোর উপর ময়দার মিশ্রণ ভাল করে লাগিয়ে নিন।   *কড়াইয়ে সরষের তেল গরম করে ডিমগুলো হালকা করে ভেজে নিন।   *কড়াইয়ের বাকি সরষের তেলের মধ্যে কাঁচা মারিচ দিন। *এবার কাড়াইয়ে নারকেল, সরষে, মরিচ বাটার মিশ্রণ দিয়ে কষাতে থাকুন।   *একটু পরে কড়াইয়ে হলুদ গুঁড়ো, লবণ দিয়ে মিনিটখানেক আরও কষিয়ে কড়াইয়ে পানি দিয়ে দিন। *গ্রেভি ফুটতে শুরু করলে তার মধ্যে ডিমগুলো ছেড়ে দিন। মিনিট পাঁচেক পর উপর থেকে ছড়িয়ে দিন কাঁচা মরিচ ও সরিষার তেল। এখন গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন ডিম সরষে।   এমএইচ/এসি    

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি