৬৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ
প্রকাশিত : ০৯:৫৬, ২২ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১০:০৯, ২২ আগস্ট ২০২৬
ম্যাকাই টেস্টের প্রথম ইনিংসে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ের সামনে শুরু থেকেই একের পর এক উইকেট হারিয়েছে সফরকারীরা।
ডারউইনে বাংলাদেশ অবিশ্বাস্য জয়ের পর ধারাবাহিকতা ধরে রাখার লক্ষ্যে ম্যাকাই টেস্টে নেমেছিল। কিন্তু স্টার্ক তার প্রথম ২২ বলে ৫ উইকেট নিয়ে সফরকারীদের ব্যাটিং লাইন তছনছ করে দেন। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বিপাকে সফরকারীরা। ৬.৪ ওভারে ১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। স্টার্ক এই সময়ে ৪ ওভার চার ওভারে ৩ মেডেনসহ মাত্র চার রান দিয়ে ফাইফার পান। এর আগে জ্যামাইকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৫ বলে ফাইফারের দেখা পান তিনি।
প্রথম বলে সাদমান ইসলামকে ক্যামেরন গ্রিনের শিকার বানান অজি পেসার। পরের ওভারে টানা দুই বলে তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তকে ফেরান স্টার্ক। প্রথম তিন ব্যাটারই মারেন ডাক। মুমিনুল হককেও ফেরান তিনি মাত্র ৯ রানে। ৫ বল খেলে লিটন দাস ডাক মারেন।
টেস্টে সর্বনিম্ন ২৬ রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ড ভাঙার শঙ্কা আপাতত কাটিয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। তবে নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে সর্বনিম্ন ৪৩ রানে অলআউট হওয়া এড়াতে এখনও কিছুটা পথ বাকি। যদিও মুশফিকুর রহিম ৪২ বলে ৫ রান করে ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে আউট হয়েছেন। ২১ রানে ৬ উইকেট পড়েছে বাংলাদেশের। তারপর মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদের ১৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে প্রথম সেশন শেষ করে তারা। মিরাজ ১১ ও হাসান ৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। টেস্টে সর্বনিম্ন রানে অলআউট (২৬) হওয়ার লজ্জা এড়াতে পারলেও হতাশা নিয়ে লাঞ্চে যায় বাংলাদেশ। ২৩ ওভারে ৬ উইকেটে ছিল ৩৫ রান।
দ্বিতীয় সেশনে কামিন্স প্রথমবার বল হাতে নিয়ে এই জুটি ভেঙে দেন। তৃতীয় স্লিপে ইনিংস ১১ রানে বেউ ওয়েবস্টারের ক্যাচ হন মিরাজ। হাসানের সঙ্গে তার ১৫ রানের জুটি ভেঙে যায়। পরের ওভারে জশ হ্যাজেলউডের শিকার হাসান। ১০ রানে নাথান লায়নের ক্যাচ হন তিনি। তাসকিন আহমেদকে কামিন্স নিজের তৃতীয় শিকার বানান। ম্যাথু রেনশর ক্যাচ হয়ে ১ রানে থামেনি বাংলাদেশি ব্যাটার।
৩৯ রানে নবম উইকেট হারিয়ে নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশ সর্বনিম্ন রানে (৪৩) অলআউট হওয়ার শঙ্কায় পড়েছিল। কিন্তু তাইজুল ইসলাম ৩০তম ওভারের শেষ বলে হ্যাজেলউডকে চার মেরে সেই লজ্জা এড়ান। এদিকে শরিফুল ১১ নম্বরে নেমে ইনিংস সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন। তাইজুল ইসলামের সঙ্গে ৩৫ বলে সর্বোচ্চ ২৫ রানের জুটি গড়েন। তাকে ফিরিয়ে স্টার্ক বাংলাদেশকে অলআউট করেন। তাইজুল ১১ রানে অপরাজিত ছিলেন। ১০ ওভারে ১২ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন স্টার্ক।
এমএইচ











