ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৯ অক্টোবর ২০২১, || কার্তিক ৪ ১৪২৮

তামিমের ফিফটিতে শতকের কাছাকাছি বাংলাদেশ

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১২:১৫, ১ মে ২০২১ | আপডেট: ১২:৪৩, ১ মে ২০২১

তামিম ইকবাল ও সাইফ হাসান

তামিম ইকবাল ও সাইফ হাসান

আগের দুই ইনিংসের মতোই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান তোলা শুরু করেছেন তামিম ইকবাল। আজ শনিবার পাল্লেকেলেতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনেও তুলে নিলেন ক্যারিয়ারের ৩১তম অর্ধশতক। এ নিয়ে টানা তিন ইনিংসেই অর্ধশতক হাঁকালেন তামিম।

সেইসঙ্গে এ নিয়ে গত চার ইনিংস পর ওপেনিংয়ে অর্ধশতক ছাড়ানো জুটি পেল বাংলাদেশ। যাতে লঙ্কানদের ছুড়ে দেয়া ৪৯৩ রানের জবাবটা ভালোই দিচ্ছে বাংলাদেশ। ওপেনিংয়ে শতকের জুটিও পেতে পারত দল, তবে তা আর এ যাত্রায় হয়নি প্রভীন জয়াবিক্রমার স্পিনে। চতুর্থ টেস্ট খেলতে নেমেও বড় ইনিংস খেলতে পারলেন না সাইফ হাসান। আউট হয়ে ফিরলেন মাত্র ২৫ রান করেই স্লিপে ডি সিলভার হাতে ধরা পড়ে। যাতে দলীয় ৯৮ রানেই প্রথম উইকেট হারালো বাংলাদেশ। ফেরার আগে চারটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান সাইফ।

২৬ ওভার শেষে সফরকারীদের সংগ্রহ এক উইকেটে ৯৮ রান। ১১টি চার হাঁকানো তামিম ক্রিজে আছেন ৬৯ রান নিয়ে। অন্যপ্রান্তে শূন্য রানে আছেন নাজমুল হোসাইন শান্ত।

উল্লেখ্য, সিরিজের প্রথম ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ১০১ বলে ৯০ রানের করেন টাইগার ড্যাশিং ওপেনার। দ্বিতীয় ইনিংসেও অভিজ্ঞ এই ব্যাটার অপারাজিত ছিলেন ৯৮ বলে ৭৪ রান করে।

এর আগে প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেটে ৪৯৩ রান তুলেই ইনিংস ঘোষণা করেছে শ্রীলঙ্কা। পাল্লেকেলে টেস্টের তৃতীয় দিনে মাত্র ১৫ মিনিটে ২৪ রান তুলে ফেলে শ্রীলঙ্কা। এসময় রমেশ মেন্ডিস তাসকিন আহমেদের বলে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ তুলে দিতেই ইনিংস ঘোষণা করেন অধিনায়ক দিমুথ করুণারত্নে।

এক উইকেটে ২৯১ রান নিয়ে খেলতে নেমে দলীয় ৩১৩ রানে তাসকিনের প্রথম শিকারে পরিণত হন লাহিরু থিরিমান্নে। বিদায়ের আগে ২৯৮ বলে ১৪০ রান করেন ক্যারিয়ারের তৃতীয় শতক পাওয়া ওপেনার। ওশাদা ফার্নান্দোও হাঁটছিলেন শতকের পথে। তিনি থামেন ২২১ বলে ৮১ রানের নিখাদ টেস্ট ইনিংস খেলে। তাকে শিকার করেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

এরপর অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজের ৫, ধনঞ্জয়া ডি সিলভার ২ ও পাথুম নিসাঙ্কার ৩০ রানের ইনিংসের ইতি ঘটলে লঙ্কানদের অলআউট করার সুযোগ সৃষ্টি করে টাইগাররা। তবে সপ্তম উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন ৮৭ রানের জুটি গড়া নিরোশান ডিকওয়েলা ও রমেশ মেন্ডিস। ডিকওয়েলা ওয়ানডে মেজাজে ব্যাটিং চালিয়ে যান খেলা বন্ধ হওয়ার আগপর্যন্ত। ৬৪ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন এই মারকুটে। আর রমেশ ছিলেন ৫৫ বলে করেছেন ২২।

আজ তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে মাত্র চার ওভার এক বল খেলে চার-ছক্কা মেরে আরও ২৩ রান যোগ করে বাংলাদেশ দলের সফল বোলার তাসকিনের শিকার হন রমেশ মেন্ডিস। মুশফিকের হাতে ধরা পড়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৬৮ বলে ৩৩ রান, যাতে ছিল দুটি চারের মার। তবে অন্যপ্রান্তে একটি ছক্কা আর ৮টি চারের মারে ৭২ বলে ৭৭ করে অপরাজিত থাকেন ডিকওয়েলা। 

আজ অবশ্য সেঞ্চুরিও পেতে পারতেন এই মারকুটে উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান। ৭৮টা ইনিংস খেলেও যে এখনও কোনও শতকের দেখা পাননি তিনি। কিন্তু সেই স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল ডিকওয়েলার জন্য। কেননা, মেন্ডিস আউট হতেই যে ইনিংস ঘোষণা করেন দলনায়ক দিমুথ করুনারত্নে। অর্থাৎ ৭ উইকেটে ৪৯২ রান তুলে বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল শ্রীলঙ্কা।  

বাংলাদেশের পক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করা তাসকিন একাই শিকার করেছেন ৪টি উইকেট। সতীর্থদের সহায়তা পেলে নামের পাশে উইকেটের সংখ্যা আরও বেশি থাকত। এছাড়া একটি করে উইকেট পেয়েছেন অভিষিক্ত পেসার শরিফুল ইসলাম, স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম।

এনএস/


Ekushey Television Ltd.

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি