ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৮ ২০:২৪:৩৪

দ্রুত এগিয়ে চলেছে শিলাইদহে বাঁধ নির্মাণ [ভিডিও]

দ্রুত এগিয়ে চলেছে কুষ্টিয়ার শিলাইদহে পদ্মার তীর সংরক্ষণে বাঁধ নির্মাণের কাজ। তীর সংরক্ষণে প্রায় পৌনে ৪ কিলোমিটার ব্লক বাঁধ নির্মাণ করছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। নির্মাণ কাজ শেষ হলে কুঠিবাড়ির পাশাপাশি রক্ষা পাবে বহু ঘরবাড়ি। গত কয়েক বছর পদ্মা নদী ভাঙতে ভাঙতে এগিয়ে আসছিল কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ির বাড়ি দিকে। এতে শঙ্কায় দিন গুণছিলেন স্থানীয়রা। পরে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পানি উন্নয়ন বোর্ড কুঠিবাড়ি ও আশপাশের জনপদ রক্ষায় ১৭৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নদী তীর সংরক্ষণের কাজ শুরু করে। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শুরু হওয়া এ কাজ শেষ হবে চলতি বছরের জুনে। ৫০ ভাগেরও বেশি কাজ শেষ হয়েছে এরিমধ্যেই । তবে বাঁধ নির্মাণে গুনগত মান ঠিক রাখার দাবি জানিয়েছে নদীর উজান ও ভাটিতে আরও ২ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণের দাবি স্থানীয়দের। এদিকে গুনগত মান ঠিক রাখতে সব ধরণের ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা। পদ্মার তীর সংরক্ষণে বাঁধ নির্মাণের ফলে আশার আলো দেখছেন এলাকার মানুষ ও স্থানীয় রবীন্দ্রপ্রেমিরা।  

শার্শায় ট্রাকের ধাক্কায় দুই বোনের মৃত্যু

যশোর শার্শা উপজেলায় ট্রাকের ধাক্কায় দুই স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে স্কুলে যাওয়ার সময় উপজেলার  বাগআঁচড়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।  নিহতরা হলেন, আলমগীর হোসেন মেয়ে বাগআচড়া বালিকা বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী রোজা (১১) এবং একই প্রতিষ্ঠানের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী ও ইব্রাহিম হোসেনের মেয়ে জেরিন (১০)। তাদের দুজনের বাড়ি বাগআঁচড়া ইউনিয়নের বাইড়ী গ্রামে। সম্পর্কে তারা আপন ফুপাতো ও মামাতো বোন। এ ব্যাপারে বাঁগআচড়া পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা হুমায়ন কবীর গণমাধ্যমকে জানান, বাঁগআচড়া কলেজের প্রভাষক আলমগীর কবীর তার মেয়ে ও ভাগনিকে নিয়ে সকাল ৮টার দিকে মোটরসাইকেলে করে স্কুলের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন। পরে বাজারে পৌঁছালে বিপরিদ থেকে ছেড়ে আসা একটি বালি ভর্তি ট্রাক তাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই দুই শিক্ষার্থী মারা যান। স্থানীয়রা প্রভাষক আলমকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করেছেন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তবে এ ঘটনায় ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।   আর / এআর

মেহেরপুরে বেড়েছে হাইব্রিড জাতের তুলা চাষ

মেহেরপুরে এ বছরও বেড়েছে হাইব্রিড জাতের তুলা চাষ। ভালো ফলন ও ভালো দাম পাওয়ায় আগ্রহী হয়ে তুলা চাষে নেমেছে চাষিরা। ফলে গত বছরের তুলনায় এ বছর আড়াই শ’ হেক্টর জমিতে তুলা চাষ করেছেন চাষিরা। তুলা উন্নয়ন অফিসের হিসেব মতে গত বছর তুলা চাষ হয়েছিল ৩ হাজার হেক্টর জমিতে। তার আগের বছর হয়েছিল ২ হাজার ২শ’ হেক্টর জমিতে। এবার জেলায় তুলা চাষ হয়েছে ৩ হাজার ৫শ’ হেক্টর জমিতে। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দেড়গুণ বেশি। গাংনী উপজেলার ধানখোলা গ্রামের তুলাচাষি আমজাদ হোসেন জানান, প্রতি বছর সে ২ বিঘা জমিতে তুলার চাষ করে। এবারও চাষ করেছেন। তিনি জানান, হাইব্রিট জাতের তুলাতে রোগ-বালাই কম। ফলন বেশি এবং উৎপাদন খরচও অনেক কম। একই গ্রামের চাষি মহিবুল ইসলামের ৩ বিঘা, মারজুল হোসেনের ৩ বিঘা, জিয়ারুল ইসলামের ৪ বিঘা, আব্দুল খালেকের ৪ বিঘা, সামাদ আলীর আড়াই বিঘা, শহিদুল ইসলামের ৪ বিঘা জমিতে তুলার চাষ করা হয়েছে। এসব তুলা চাষিরা জানিয়েছেন, বিঘা প্রতি তুলার ফলন পাওয়া যাচ্ছে ১৫ থেকে ১৬ মণ। তবে গত বছর আরো ভালো ফলন পাওয়া গিয়েছিল। এ বছরে প্রচ- শীত ও মাঝে মধ্যে শৈত্যপ্রবাহের কারণে তুলার বলের আকার অনেকটাই ছোট হয়েছে। তারপরেও বিঘা প্রতি ১৫/১৬ মণ ফলন আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গাংনীর ধানখোলা ইউনিয়নের সানঘাট গ্রামের তুলা চাষি শান্ত বলেন, এ বছর আমার ৪ বিঘা জমিতে তুলা রয়েছে। বেশি ফলন হওয়ায় এলাকার চাষিরা রূপালি-১ উন্নত জাতের তুলা চাষ করেছে। প্রতিটি গাছই থেকে তুলার বল ফেটে গেছে। এখন তুলা সংগ্রহ করছেন। তিনি আরও জানান- এক বিঘা জমিতে তুলা চাষ করতে খরচ হয় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। আর তুলা বিক্রি করে পাওয়া যায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। তুলাচাষিদের অভিযোগ, তুলার উৎপাদন ভালো হয়েছে, কিন্তু বীজের দাম আর একটু কমিয়ে তুলার দাম যদি বাড়ানো হতো তাহলে অনেকে তুলা চাষ করতে আগ্রহী হতো তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কুষ্টিয়া অঞ্চল প্রধান সেন দেবাশীষ জানান, জেলায় উন্নত জাতের রূপালি-১ তুলার চাষ হয়েছে ৩ হাজার ৫শ হেক্টর জমিতে। যা গত বছরের চেয়ে আড়াই‘শ হেক্টর বেশি। তুলার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে সাড়ে ১০ হাজার মেট্রিক টন। দেশে তুলার চাহিদা ব্যাপক কিন্তু উৎপাদন কম। ফলে চাহিদা মেটাতে বিদেশ থেকে তুলা সংগ্রহ করতে হয়। কৃষকরা তুলা চাষ করে কিভাবে বেশি ফলনের পাশাপাশি লাভবান হবেন সেদিকে বিবেচনা করে কৃষকদের নানা ভাবে তুলা চাষের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বিভিন্ন মাঠ দিবসের মাধ্যমে ক্ষতিকর তামাক চাষ বাদ দিয়ে তুলা চাষে উৎসাহিত করা যায় এ নিয়ে কাজ করছে তুলা উন্নয়ন বোর্ড। সূত্র : বাসস এসএ/  

দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর সুন্দরবনের করমজল

বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী ইকোটুরিস্ট করমজলে বানর-হরিণ ও কুমিরসহ প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা। সুন্দরবনের করমজল দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে। দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। দর্শনার্থীরা আত্মীয়-স্বজন ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সুন্দরবনের করমজলে এই ইকোটুরিস্ট এলাকায় ঘুরে আনন্দ উপভোগ করেন। বনবিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, করমজলে হরিণ ও কুমির প্রজনন কেন্দ্রে যদি ডলফিনের এক্সিভিশন, সুন্দরবনে যে অরকিড আছে সেগুলোর গার্ডেন করা, বাটার ফ্লাইয়ের গার্ডেনসহ আরও একটু বৈচিত্র্য আনতে পারলে আরও দর্শানার্থী বাড়বে। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পলিটেকনিকেলের শিক্ষার্থী আব্দুল মমিন বলেন, আমরা ৪৬ জনের একটি টিম আসছি। বইতে পড়েছি সুন্দরবন সম্পর্কে, কিন্ত আজ স্বচক্ষে দেখে খুবই ভালো লেগেছে। এখানকার প্রাকৃতিক বনের সৌন্দর্য আলদা বৈশিষ্ট্য না দেখলে বুঝানো যাবে না। অনেক কিছু দেখলাম, অনেক মজা করেছি। ফরিদপুর থেকে আসা গৃহবধূ তায়শা ইসলাম বলেন, সুন্দরবনে প্রথম এসে হরিণ, বানর, কুমির, বিলুপ্ত প্রজাতির কচ্ছপ ও নানা পশুপাখি দেখে মুগ্ধ হয়েছি। যারা সুন্দরবনে আসেননি, তারা সুন্দরবন ঘুরে প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন। এই বনের আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তবে অনেক দর্শনার্থীদের অভিযোগ, দর্শনার্থীদের বসার টুলের ব্যবস্থা নেই, ফুট ট্রেইল ও ওয়াচ টাওয়ারও নাজুক । এ কারণে দর্শনার্থীদের ঝুকিঁ নিয়ে চলাচল করতে হয়। এখানে অবকাঠামোর উন্নত ব্যবস্থা থাকলে দর্শনার্থীরা ভালোভাবে প্রাকৃতিক ঘুরে দেখতে পারতো। লোকালয় থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে পূর্ব সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী করমজলে ইকোটুরিজম সেন্ট্রার হওয়ায় প্রতিনিয়ত দেশ-বিদেশের পর্যটকরা আসছে নৈসর্গ উপভোগ করতে। বনের বানর, হরিণ ও কুমিরসহ পশুপাখি খুব কাছ থেকে দেখা ও স্পর্শ করা যায়। এছাড়া বনের সৌন্দর্য দেখার জন্য রয়েছে ওয়াচ টাওয়ার। এ কারণে সহসাই বনের দৃশ্যগুলো দেখে দর্শনার্থীরা মুগ্ধ। কিছু সমস্যার কথা স্বীকার করে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের করমজল বন্যপ্রাণী ইকোটুরিজমের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, এসএসসির পরীক্ষা শেষ হওয়ায় দর্শনার্থীদের সংখ্যা বাড়ছে। শুক্রবার দর্শানর্থীদের সামাল দিতে আমাদের হিমশিম খেতে হয়েছে। পর্যটক মৌসুমে এখানে দুটি ঘাট যথেষ্ট নয়। আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে নতুন কিছু অবকাঠামো নির্মাণের। যাতে ঘুরতে এসে কোন দর্শনার্থীদের বিড়ম্বনায় পড়তে না হয়। এসএইচ/

কুষ্টিয়ায় আজ শেষ হচ্ছে দোল উৎসব

কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় ফকির লালন সাঁইয়ের আখড়া বাড়িতে আলোচনা সভা ও সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে আজ শেষ হচ্ছে তিন দিনের দোল উৎসব। সাঁইজির বারামখানায় এখন ভাঙ্গনের সুর। উৎসবে যোগ দিতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে হাজারো বাউল কয়েকদিন আগেই জড়ো হয়েছিলেন ছেঁউড়িয়ায়। দোল উৎসবে ভাব আরাধ্যের তীর্থভূমি ছেঁউড়িয়ার আখড়া বাড়িতে এসে বাউল সাধুরা সাঁইজিকে স্মরণ করছেন গানে গানে। দেশের নানা প্রান্ত থেকে বাউলরা আসতে শুরু করেন উৎসব শুরুর আগেই। দেশের বাইরে থেকেও এসেছেন অনেকে। তবে, এবার আইন শৃঙ্খলারক্ষা বাহিনীর কড়াকড়িতে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় বাউল-ভক্তদের বলে অনেকের দাবি। উৎসব সাঙ্গ হলেও বাউলদের অনেকেই আর কয়েক দিন কাটিয়ে যেতে চান সাঁইজির বারামখানায়। এসএইচ/

সংসার ভাঙলেও কাল নাচবেন অপু

অপু বিশ্বাসের সংসার আজ ভাঙছে। অর্থাৎ আজ থেকে অপু স্বাধীন। শাকিব খানের সঙ্গে নেই কোন সম্পর্ক। তবে এতো কিছুর পরেও বসে নেই অপু। নিজের মত করেই ছুটে চলছেন তিনি। সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন কোম্পানির ব্রান্ড অ্যাম্বাসেডর হচ্ছে অপু। এদিকে কাগজে কলমে আজ অপুর বিচ্ছেদ ঘটলেও কাল তিনি মঞ্চ মাতাবেন। কাল শুক্রবার নড়াইলে অসহায় দরিদ্রদের সাহায্যার্থে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মঞ্চ মাতাবেন অপু। আগামীকাল শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টায় নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ‘কনসার্ট ফর দ্যা হেল্পলেস’ অনুষ্ঠিত হবে। ওই মঞ্চে গান গাইতে যাচ্ছেন কণ্ঠশিল্পী মমতাজ, মাকসুদ ও ইমরান। আর এই মঞ্চেই নাচবেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। নড়াইলে অসহায় দরিদ্রদের সাহায্যার্থে মঞ্চ মাতাতে যাচ্ছেন তারা। মজার ব্যাপার হচ্ছে এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠান উপভোগ করবেন নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাশরাফি বিন মর্তূজা। এ সময় আরও উপস্থিত থাকবেন নড়াইলের ছেলে চিত্রনায়ক তানভির তনু, এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের সভাপতি নাহিদ, সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম অনিক, কোষাধাক্ষ মীর্জা নজরুল ইসলাম প্রমুখ। জানা গেছে, শিল্পী মমতাজ সিলেট থেকে হেলিকাপ্টার যোগে সরাসরি নড়াইলে আসবেন। চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস, শিল্পী মাকসুদ ও ইমরান ঢাকা থেকে শুক্রবার সকালের ফ্লাইটে যশোর এয়ারপোর্টে পৌঁছাবেন। টিকিটের মূল্য রাখা হয়েছে চার ক্যাটাগরিতে- ভিআইপি আসন ১০০০ টাকা সাধারণ আসন ৫০০ টাকা, ফাকা মাঠ ৩০০ টাকা ও স্টেডিয়ামের গ্যালারী ২০০ টাকা। এসএ/

শখের বসে কবুতর পালন করে সাবলম্বী গোলাম মোস্তফা (ভিডিও)

শখের বসে কবুতর পালন শুরু করে এখন তা খামারে পরিণত করেছেন কুষ্টিয়ার গোলাম মোস্তফা। বর্তমানে তার খামারে রয়েছে ১০৫ প্রজাতির প্রায় ৭০০ কবুতর। পেশায় হস্তশিল্প সামগ্রী ব্যবসায়ী মোস্তফা মনে করেন বাণিজ্যিকভাবে কবুতর পালন করে আমিষের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব। কথা বলে জানা গেছে, ১৯৭৬ সালে কুষ্টিয়ার বাস টার্মিনাল এলাকায় ভাড়া বাসায় ১২ জোড়া কবুতর পালন শুরু করেন মোস্তফা। পরবর্তীতে শহরের কাস্টম মোড়ে নিজ বাড়ির ছাদে শুরু করেন কবুতর পালন। এখন তার খামারে বিরল প্রজাতির প্রায় ৭০০ কবুতরের বসবাস।এই খামার দেখাশোনায় সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করেন তার স্ত্রী ও নাতনী। গোলাম মোস্তফার এই কবুতর প্রীতিতে মুগ্ধ প্রতিবেশীরাও। তারাও কবুতরের খামার তৈরীর ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।গোলাম মোস্তফা মনে করেন, ইচ্ছে আর পরিশ্রমের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কবুতরের খামার গড়ে মাসে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। দেশের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও ভারত ও পাকিস্তান থেকে দুর্লভ প্রজাতির কবুতর সংগ্রহ করেন কবুতর প্রেমী গোলাম মোস্তফা।বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে...

১০০ টাকার জন্য যুবককে গলাকেটে হত্যা

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পাওনা ১০০ টাকা চাওয়ায় চাচাত ভাইকে গলাকেটে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে উপজেলার হেলাতলায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থী ওই কিশোর পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহতের নাম রুবেল হোসেন (৩০)। তিনি হেলাতলা গ্রামের হাসান দফাদারের ছেলে। কলারোয়া থানার ওসি বিপ্লব কুমার নাথ জানান, ১০০ টাকা পাওনা নিয়ে রুবেলের সাথে তার চাচাত ভাইয়ের বিরোধ ছিলো। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ওই টাকা চাওয়ায় রুবেলকে কয়েক দফা ইট ছুড়ে মারে তার চাচাত ভাই। পরে ছুরি দিয়ে তার গলাকেটে পালিয়ে যায়। পরে গ্রামবাসীর সহায়তায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে রুবেলের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় রাতেই রুবেল বাবা ওই কিশোর ও তার মায়ের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান ওসি। একে// এআর

কাজী আরেফের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

জাসদ নেতা কাজী আরেফ আহমেদের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১৬ ফেব্রুয়ারি। ১৯৯৯ সালের এই দিনে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার কালিদাসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সন্ত্রাসবিরোধী জনসভায় বক্তৃতাকালে চরমপন্থি সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে নিহত হন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জাসদের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি মন্ডলীর সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আরেফ আহমেদ। কাজী আরেফর মৃত্যুবার্ষিকীতে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) আজ শুক্রবার সকাল আটটায় মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবে। বিকেল চারটায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। সশস্ত্র যুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও রাজনৈতিক অঙ্গনের কীর্তিমান পুরুষ কাজী আরেফ আহমেদের জন্ম ৮ এপ্রিল ১৯৪২ সালে কুষ্টিয়া জেলার সদর উপজেলার ঝাউদিয়া গ্রামে নানা বাড়িতে। তার পৈত্রিক বাড়ি হলো কুষ্টিয়ার মীরপুর উপজেলার খয়েরপুর গ্রামের বিখ্যাত কাজী বাড়ি। বাবা কাজী আবদুল কুদ্দুস আর মা খোদেজা খাতুন। ১০ ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। ১৯৪৮ সালে বাবার সঙ্গে সপরিবারে চলে আসেন ঢাকায়। আর তারপর পুরাতন ঢাকার ঐতিহ্যবাহী টিকাটুলী এলাকায় বসত গড়েন। একে/এসএইচ    

বেনাপোলে সীমান্তে হুন্ডি ব্যবসায়ী আটক

বেনাপোলের রঘুনাথপুর সীমান্ত থেকে বাংলাদেশি ৬৪ লাখ হুন্ডির টাকাসহ বাবু মিয়া নামে (৩৮) এক হুন্ডি ব্যবসায়ীকে আটক করেছে বিজিবি। আটক বাবু মিয়া বেনাপোল পোর্ট থানার স্বরবাংহুদা গ্রামের রমজান আালীর ছেলে। যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল আরিফুল হক জানান, গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানা যায়, ভারত সীমান্ত পার হয়ে বিপুল পরিমান হুন্ডির টাকা নিয়ে এক হুন্ডি ব্যবসায়ী বেনাপোলের রঘুনাথপুর সীমান্ত এলাকায় পৌঁছেছে। এ ধরনের সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি টহলদল সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাবু মিয়াকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে আসে। পরে তার সঙ্গে থাকা ৬৪ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি মামলা হয়েছে। এসএইচ/

লাইফ সেফটি রোবট তৈরি করলেন ৩ শিক্ষার্থী (ভিডিও)

রোবট সোফিয়াকে নিয়ে যখন হৈ চৈ সারাবিশ্বে, তখন বাংলাদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা চেষ্টা করে যাচ্ছে রোবট তৈরি করতে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। মানুষের জীবনযাত্রা আরও সহজ করতে ‘অটোমেটিক হাউস ক্লিনার অ্যান্ড লাইফ সেফটি রোবট’ নামে একটি রোবট তৈরি করেছে ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের তিন শিক্ষার্থী। মানুষের সঙ্গে যোগাযোগে সক্ষম রোবট সোফিয়াকে নিয়ে মাতামাতি চলছে দুনিয়া জুড়ে। রোবট কেন্দ্রিক এই আগ্রহ উৎসাহিত করেছে ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের তিন শিক্ষার্থীকে। দীর্ঘ সাড়ে তিন মাসের প্রচেষ্টায় তারা তৈরি করে ‘অটোমেটিক হাউস ক্লিনার অ্যান্ড লাইফ সেফটি রোবট’। রোবটটিতে এমনভাবে প্রোগ্রামিং করা হয়েছে, সে নির্দেশ অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে গৃহস্থালীর বিভিন্ন কাজসহ আগুন নেভানো ও চুরি রোধের কাজ করতে পারবে। সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে চলবে এ রোবট। সূর্যের আলো যেদিকে যাবে, সোলার প্যানেলটিও সেদিকে ঘুরে তাপ গ্রহণ করবে। রোবট তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা দিচ্ছে ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের ইলেকট্রনিক্স বিভাগ। যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা পেলে, প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। ভিডিও লিংক... http://www.ekushey-tv.com/videogallery/news.php?videoinfo=3998 এসএইচ/

সুন্দরবনের গহীনে আমরা দুজন (পর্ব ১)

জীবনকে সংগ্রামী করে তুলেছি সেই বহুদিন। যান্ত্রিক শহরের ধুলা-বলি থেকে সহজে মুক্তি মেলেনা। শুধু বছরের দুটি ঈদ ছাড়া। ২০১৬ সালের কথা। সে বছর কোরবানির ছুটিতে ঢাকা থেকে খুলনায় নিজ গ্রামে আসি প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে। ঈদের দু’দিন আগে প্রিয় খুলনা শহরে আমার আগমন। রুপসী রুপসার কোল ঘেষে আমার বাড়ি। ছুটিতে এসে বেশ ভালোই কাটলো দু’টি দিন। এলাকায় এক প্রতিবেশি বড় ভাই আছেন মাকসুম নাম। সিনিয়র এ ভাই আর আমি খুলনায় থাকা অবস্থায় এক সঙ্গে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করতাম। পরবর্তিতে জীবনের সন্ধানে আমি চলে আসি ঢাকায়। তিনিও ঢাকায় নতুন চাকুরিতে যোগদেন। ফটোগ্রাফী আমার ছোট বেলার শখ। সেই যখন প্রথম ক্যামেরা সহ মোবাইল কিনলাম তখন থেকেই একটি ডিজিটাল ক্যামেরা কেনার চেষ্টা শুরু। ঢাকায় এসে অনেক কষ্টে একটি ক্যামেরা কিনে নিলাম। তবে শুধু ডিজিটাল নয়, একেবারে ডিএসেলার। কেমেরা কেনার গল্পটি আরো দীর্ঘ। সে কথা গোপনই থাক। খুলনায় এসে দেখি মাকসুম ভাইও ডিএসেলার নিয়েছেন। রিতিমতো ক্যামেরার সঙ্গে লেন্সও নিয়েছেন দুটি। আমিতো দেখে অবাক। মাকসুম ভাই আমাকে জানালেন সুন্দরবনের গভীরে দুবলার চরে রাস মেলার কথা। বললেন, তুমি যদি চাও আমি যেতে পারি। আমি কোন চিন্তা ভাবনা ছাড়াই রাজি হয়ে গেলাম। এমন সুযোগ আর পাওয়া যাবে না। তারপরে ফটোগ্রাফী জীবনে এমন একটি সুযোগ হাতছাড়া করা ঠিক হবে না। তাই তার কথায় কোনো কিছু না ভেবেই রাজি। যেমন কথা তেমন কাজ। আমার মাথায় ভ্রমণের ভুত সেই ছোট বেলা থেকেই। সেখানে এমন একজন মজার মানুষ সঙ্গী হিসেবে পাব জানতাম না। ঈদের দিন কথা হলো পরের দিনই দুজনে দুপুরে রওনা হব। দুবলারচর যেতে কতো টাকা লাগবে আমার জানা নাই। কিভাবে যেতে হবে তাও জানতাম না। এর আগে সুন্দরবন গিয়েছি তবে এতো গভীরে যাওয়া হয়নি কখনো। ক্যামেরার ব্যাগের মধ্যে সামান্য কিছু কাপড় নিয়ে চলে গেলাম মাকসুম ভাইয়ের বাড়িতে। তিনি তো আগে থেকেই প্রস্তুত। থ্রি-কোয়াটার পড়ে ঘাড়ে ক্যামেরা ব্যাগ ঝুলিয়ে আমার অপেক্ষায় আছেন। আমি যেতেই রিক্স নিয়ে ছুটলেন রূপসা ঘাটে। আমাদের এলাকা থেকে রূপসা ঘাট মানে নদী পাড় হয়ে তবে বাসে করে যেতে হয় মংলা। সেখান থেকে লঞ্চ বা ট্রলারে করে দুবলার চর। যাত্রাটা আমার কাছে সহজ মনে হলো। বাসে উঠব। এরপর লঞ্চে করে সোজা দুবলার চর। রিক্সা ২০ মিনিটে গিয়ে রূপসা ঘাটে হাজির। রিক্সায় বসে মাকসুম ভাই বললেন, আমি চিনি না। তবে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে হলেও দুই ভাই দুবলার চরে যাব। আমি হাসতে হাসতে বললাম, অবশ্যই। এটাই তো মজা। রূপসা ঘাটে নৌকায় করে নদী পাড়ি দিয়ে বাসে উঠে বসলাম দুই ভাই। বেশ আনন্দই লাগছে। মাকসুম ভাই জানালেন, মংলায় যেতে হবে সন্ধ্যার অনেক আগে। কারণ বিকেলে কিছু টুরিস্ট লঞ্চ সুন্দরবনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। সেই লঞ্চে যদি যেতে পারি তবে ভালো হবে। আমি বললাম ঠিক আছে। এই প্রথম মংলা যাচ্ছি। খুলনার ছেলে তবে সড়ক পথে মংলা যাওয়া হয়নি। এর আগে সুন্দরবনে নদী পথে রুপসা থেকে যাওয়ার পথে মংলা দেখেছি। আমাদের গাড়ী বিকেল ৪টায় মংলা পৌছাল। আমার কাছে ছিল মাত্র ৩ হাজার টাকা। মাকসুম ভাই হয়তো বেশি টাকা নিয়ে ছিলেন। তিনি আমাকে এমনই একটি টাকার ধারণা দিয়ে ছিলেন। মংলা দেখতে ভালোই। মংলায় ঠিক নদীর কাছে বাস থামলো। নদী তখন বেশ শান্ত। বাস থেকে নেমে দুজন নদীর পাড়ে গেলোম। আমি তো লোভ সামলাতে পারলাম না। ক্যামেরা বের করে ছবি নিতে শুরু করলাম। মাকসুম ভাই বললেন এখন ছবি তোলার সময় না। আগে আমাদের যাবার ব্যবস্থা করতে হবে। নদী ঘাটে অনেক নৌকা আর ট্রলার। এপাড় থেকে ওপাড়ে কিছু সময় পর পর নৌকা ছাড়ছে। আমরা এগুলাম। মাঝিদের কাছে জানতে চাইলাম, দুবলার চর যেতে হলে কিভাবে যেতে হবে? তারা কিছুটা মুচকি হেসে বললেন, দেরি করে ফেলেছেন। সকালে কিছু টুরিস্ট দুবলার চর গিয়েছে। তাদের সাথে যেতে পারতেন। আমি বললাম, যা গেছে গেছে। এখন যাবার উপায় কি বলেন। তারা সবাই একই কথা বলতে লাগলো, এখন যেতে পারবেন না। এখন কেউেই যাবে না। দুবলার চর কি এইখানে যে বললেন আর চলে গেলেন। তখনই বুঝলাম জায়গাটি অনেক দুরে। আমি মাকসুম ভাইকে জিজ্ঞাস করলাম, ভাই কতো দুর? তিনি জানালেন, আমি তো জাইনি। তবে শুনেছি সুন্দরবনের গভীরে। মাকসুম ভাই বললেন, মজার বিষয় হচ্ছে- এমন একটি চর সমুদ্রের মধ্যে যেখানে মানুষ বসবাস করেনা। কিন্তু এই সময়ে হাজার হাজার মানুষ সেখানে উপস্থিত হয়। বিদেশ থেকেও শত শত পর্যটক আসে। তিনি বললেন, তুমি দেখে অবাক হবে যে সেখানে কতো ফটোগ্রাফার বড় বড় লেন্স নিয়ে হাজির হয়। তার কথা শুনে ক্লান্তি আমার দুর হয়ে আরো উৎসাহ পেলাম। কখন আমি চরে যাবে! সেটাই ভাবছি। কোনো মাঝি আমাদের সন্ধান দিতে পারলো না। কি অদ্ভুৎ। এমন একটি জায়গা যেখানে লাখ লাখ মানুষের সমাগম হবে অথচ সেখানে যেতে হলে কোনো সহজ উপায় নেই। চিন্তিত হয়ে পড়লাম। পশ্চিম আকাশে সূর্যও লাল হতে শুরু করেছে। আমি কিছুটা হতাশ হলাম। আমাদের অস্থিরতা দেখে একটি নৌকার মাঝি জানালেন, ওপারে কিছু সাংবাদিক কাল অথবা আজ রাতে দুবলার চর রওনা হবে। আপনারা দেখেন তাদের সঙ্গে যেতে পারেন কিনা। নৌকার মাঝি অল্পবয়সী। আমার মতো বয়স হবে। আমাদের হাতে ক্যামেরা দেখে সে মনে করেছে সাংবাদিক। মাকসুম ভাই শখের ফটোগ্রাফার। তবে আমি ঢাকাতে পত্রিকার সাথেই যুক্ত। আমি মাকসুম ভাইকে বললাম, এখন আপনিও সাংবাদিক হয়ে যান। আমি যা বলি তাই করবেন। তিনি হাসলেন। বললেন, চলো তাইলে ওপাড়ে যাই। নদী পাড়ি দিয়ে আসলাম নতুন জায়গায়। সেই মাঝি নিজে আমাদের সেই সাংবাদকদের কাছে নিয়ে গেলেন। সেখানে গিয়ে শুনলাম এটিএন এর মংলা প্রতিনিধি যাবেন সেই বহরে। স্থানিয় আরো বেশ কয়েকজন সাংবাদিক মিলে একটি ট্রলারে করে দুবলার চরে যাবেন তারা। তবে তাদের কারো দেখা পেলাম না। একজন আমাকে এটিএন এর সেই সাংবাদি ভাই এর ফোন নম্বর দিলো। নম্বর নিয়ে সেই সময়ের এটিএন বাংলার মংলা প্রতিনিধিকে ফোন দিলাম। প্রথমে কুশল বিনিময় তারপর পরিচয়। বললাম, ভাই আমি ঢাকা থেকে এসেছি। আপনার সাথে একটু কথা আছে। আপনাকে কোথায় পাওয়া যাবে। তিনি জানালেন, একটি জরুরী কাজে থানায় গিয়েছেন। ঘন্টাখানেক পরে আসবেন। আমাকে তাদের অফিসে বসতে বললেন। আমরা দুই ভাই তাদের অফিসে বসে রইলাম। অফিসে তখন কয়েকজন বসা ছিলেন। তারা আমাদের জিজ্ঞাস করলেন, কোথা থেকে এসেছেন? কোথায় যাবেন? আমি বললাম, ঢাকা থেকে এসেছি। যাব দুবলার চরে। অনেক কথা হলো তাদের সঙ্গে। আমি ঢাকার পত্রিকার সাংবাদিক শুনে তারা ভালোই ব্যবহার করলেন। একজন জানালেন, আমাদের সঙ্গে গেলেতো ভালোই হবে। আমরা অনেকেই যাব। অপেক্ষা আর শেষ হয় না। দুই ঘন্টা হয়ে এসেছে কারো দেখা নাই। সন্ধ্যা প্রায় হয়ে এসেছে। আমি মাকসুম ভাইকে বললাম, ভাই সন্ধ্যা তো হয়ে এসেছে চলেন একটু ঘুরে দেখি। মংলাতো এর আগে আসা হয়নি। ভাই রাজি হয়ে গেলেন। তার আগে ওই সেই ভাই কে একটা ফোন করলাম যে তিনি কখন আসবেন। তিনি জানালেন, আরো ঘন্টাখানেক সময় লাগবে। আমি তাকে বললাম, ভাই তাহলে আমরা একটু ঘুরে দেখি। আপনি যদি আগে চলে আসেন তবে আমার এই নম্বরে একটা ফোন দিয়েন। মাকসুম ভাই আমাকে বললেন, চিন্তা করো না, যদি কোনো কাজ না হয় তবে রাতে এখানে কোনো একটি হোটেলে থাকব। ভোরে এখান থেকে অনেক টুরিস্ট দুবলার চর যায়। তাদের একটিতে উঠে যাব। আমিও বললাম ঠিক আছে। দুই ভাই ঘাড়ে ব্যাগ ঝুলিয়ে নদীর পাড়ে বাঁধের উপর হাটতে লাগলাম। অনেক সুন্দর জায়গাটা। সন্ধ্যার গোলাপী আলো চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। ক্যামেরা দিয়ে সেই রূপ আটকে রাখলাম। সন্ধ্যায় নদীর বুকে সূর্য ঢুবে যাওয়া কি যে অপরুপ, তা চোখে না দেখলে বর্ণনা করা যাবে না। দুজনে অল্প-স্বল্প নিজেদের ফটেশেসনটাও সেরে নিলাম। (চলবে ...) এসএ/  

রফতানি হচ্ছে মহেরেপুররে নকশী কাঁথা

মেহেরপুরে তৈরি নকশিকাঁথা এখন রফতানি হচ্ছে। নতুনের সাথে পুরনো শাড়ি ও লুঙ্গি দিয়ে তৈরি করা হয় বাহারী ডিজাইনের এ’সব কাঁথা। গৃহবধূ, শিক্ষার্থীসহ অনেক নারী এই কাজ করে সংসারে সচ্ছলতা এনেছেন, হয়েছেন স্বাবলম্বী। এদিকে, নকশিকাঁথা শিল্প সম্প্রসারণে সব ধরনের সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। সুঁই আর সুতোর এক একটি ফোড়ে তৈরি হচ্ছে বাহারী নকশিকাঁথা। পুরনো শাড়ী-লুঙ্গি দিয়েই নকশিকাঁথা তৈরি হয়। মেহেরপুর সদর উপজেলার সহগলপুর গ্রামের শতাধিক নারী ব্যতিক্রমী এই কাজ করে এখন স্বাবলম্বী। গ্রামের দরিদ্র নারীরা সংসারের কাজের ফাঁকে এই কাজ করছেন। তাদের তৈরি নকশিকাঁথা বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার মাধ্যমে বাজারজাত করা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, নেদারল্যান্ডস, ইতালী সহ বিভিন্ন দেশে। নকশিকাঁথা কারিগর নিজেদের তৈরি কাঁথা বিদেশে বিক্রি হওয়ায় বাড়তি উৎসাহ পাচ্ছেন তারা। সিডিএ’র সুপারভাইজার রেবেকা খাতুন বলেন, নকশিকাঁথা কারিগর প্লেস ম্যাট, রানার, বেবি কাঁথাসহ ছোট বড় নানা মাপের কাঁথা তৈরি হয় এখানে।নকশিকাঁথার কারিগরদের সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক পরিমল সিংহ।মেহেরপুর বিদেশে নকশিকাঁথার বাজার সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়ার আহবান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ভিডিওি লিংক: 

নড়াইলে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস পালিত

নিরাপদ খাদ্যে ভরবো দেশ, সবাই মিলে গড়বো সোনার বাংলাদেশ’ এ শ্লোগানকে সামনে নিয়ে নড়াইলে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস পালিত হয়েছে। শুক্রবার দিবসটি পালন উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও নিরাপদ খাদ্য ও ভেজাল বিরোধী উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও ভিডিও-প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে র‌্যালি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মো. এমদাদুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বকাতব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কামরুল আরিফ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়ারুল ইসলাম, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনোতোষ কুমার মজুমদার, জেলা পরিষদের সদস্য সাইফুর রহমান হিলু প্রমূখ। কর্মসূচিতে সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।   আর

মৃত ঘোষণার ৩ ঘণ্টা পর কেঁদে উঠল নবজাতক

নবজাতকটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আর সে জন্য তাকে একপাশে ফেলে রাখা হয়। চিকিৎসকের মৃত ঘোষণার প্রায় তিন ঘণ্টা পর নবজাতকটি কেঁদে ওঠে। এ নিয়ে সৃষ্টি হয় তোলপাড়।  ঘটনাটি ঘটে খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।  নবজাতকের পরিবার থেকে জানা যায়, গত বুধবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে উপজেলা সমবায় অধিদফতরের অফিস সহকারী পুরঞ্জন গাইনের স্ত্রী সোমা গাইন অসুস্থ হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। রাত দুইটার দিকে তার প্রসব বেদনা ওঠলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শামিম হোসেনের তত্ত্বাবধানে তাকে ডেলিভারির জন্য কেবিনে নেয়া হয়। সেখানে ফুটফুটে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন সোমা গাইন। কিন্তু চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করে তুলা মুডিয়ে একপাশে ফেলে রাখেন।  সকালে হাসপাতালের আয়া আছমা খাতুন শিশুটিকে ফেলে দিতে গেলে বাচ্চাটি কেঁদে ওঠে। এই খবর জানার পর অভিভাবকরা মা ও শিশুটিকে বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা শিশু হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালের নার্স লিপিকা রানী সাহা বলেন, বাচ্চাটির হার্টবিট না পাওয়ায় টেবিলের ওপর রাখা হয় এবং ২টা ১০ মিনিট থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত ছিল। পরে বাচ্চাটি জীবিত আছে টের পেয়ে ওয়ার্মে রাখা হয়। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোজাম্মেল হকের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একই সময়ে ৩টি বাচ্চার জন্ম হয়েছে। তার মধ্যে একটি বাচ্চা মৃত বলে গুজব রটেছে। যেভাবে বিষয়টি শোনা যাচ্ছে আসলে তা ঠিক নয়। এসি/ টিকে

কুষ্টিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত এক

কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা এলাকায় তথাকথিত ‌‌বন্দুকযুদ্ধে` এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরও দাবি, ওই ব্যক্তি ডাকাত দলের সদস্য। বৃহস্পতিবার ভোর রাত ৩টার দিকে উজানগ্রাম ইউনিয়নের মহিষাডাঙ্গা মহাসড়কে এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম-পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ। কথিত বন্দুকযুদ্ধের ব্যাপারে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রতন শেখের ভাষ্য, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মহিষাডাঙ্গায় মহাসড়কে একদল ডাকাত গাছের সঙ্গে দড়ি বেঁধে ডাকাতির চেষ্টা করছে। পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযানে গেলে ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। জবাবে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে ডাকাত দল পিছু হটে। এ সময় অজ্ঞাত এক ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়। পুলিশ তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রাশেদুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. আহাদুল ইসলাম আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, একটি বন্দুক, একটি গাছকাটা করাত ও মোটা দড়ি উদ্ধার করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। এসএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি